আত্মমগ্ন কথামালা ১২
কাইল্কা শাহবাগ থিকা ফিরনের পথে ঝড়ে আর বৃষ্টির ভিত্রে পড়লাম। রিক্সায়। উরে মা রে মা। কি যে ঠান্ডা পানি। এক্কেরে গুলির মত বিধতেছিলো। পকেটের ম্যাচ গেছে ভিজা। লগের জনের থিকা বিড়ি লইয়া বিড়িও ধরাইতে পারিনা। লগের জনের কাছে আছিলো লাইটার সেইটাও ঠান্ডা হইয়া গেসে। শেষ্মেষ বাসার নিকটে যখন পৌছাইলাম দুইহাতে কোনো সাড় নাই, থরথর কইরা কাপ্তেছি। রাস্তা পার হইতে গিয়া দেখি পায়ের উপ্রেও কন্ট্রোল নাই।
কয়দিন হইলো কি জানি হইছে বাল। ঝিমাইতে বেশী ভাল্লাগে
ব্লগে সবার লেখা পড়তেছি। ভালো লাগতেছে। কিন্তু লগিন কইরা কইতে মন চাইতেছে না
নিজেরে নিয়া বড়ই হতাশ।
অঞ্জন দত্ত বুইড়ায় ভালোই গান টান গাইতেছে। ইদানীং তার গানাবাজনা শুনতেছি। এই ব্যাটার গান শুনলে অল্টাইম নিজের ভিত্রে বিশাল বিশাল সাইজের ডিপ্রেসনের মেঘ জমা হইতে থাকে। সেই মেঘগুলারেই ঘুরাইয়া ফিরাইয়া দেখি নিয়মিত।
ছবি তুলার চেষ্টা চালাইয়া যাইতেছি পুরাদমে। মাগার কেরাম জানি ভজঘট পাকায়া যাইতেছে।
ইদানীং মনে হইতেছে আমি আসলে কিছুই পারিনা। পারতেও ইচ্ছা করতেছে না।
ধুর্বাল ধুর্বাল ধুর্বাল...





গতকালের বৃষ্টিতে হিরোয়িক রোমান্টিসিজম দেখাইতে গিয়া আমার ল্যাপটপে বিপর্যয় ঘটছে। মনিটরের স্ক্রীনের ভিতরে বাষ্প টাইপ জমছে। এইটা কালকে রাতে পারমানেন্ট মনে হইছিলো...নতুন ল্যাপটপের জন্য কোটেশনও নিয়া ফেলছি...তয় রাইতে দেখি ধীরে ধীরে বিষয়টা ঠিক হইয়া আসতেছে
মন্তব্য করুন