[৪] শিরোনামহীন
একটুকরো অন্ধকারের অপেক্ষায় কেটে যায় হাজার দুপুর
দু'হাতের রেখায় জমা হতে থাকে শৈত্যপ্রবাহের ছাপ
মুখের বলিরেখায় অবিরাম কথা বলে ওঠে লু'হাওয়ারা।
সময় পার হয়ে গেলে,
ওড়ার অপেক্ষায় থাকা জোড়া শালিক;
চলে যায় নিজ নিজ পথে।
বিদায়?
বুঝে নেই পড়ে থাকা পালকের গানে,
ভেসে যাওয়া মেঘেদের রঙে।





শিরোনামহীনের নাম্বারিংয়ের নতুনত্বগুলোর দিকে আমি বিশেষ নজর রাখছি।
ধারেকাছের সময়ে শুভ'র লেখা সবচে দূর্বল কবিতা মনে হইলো। তার অপেক্ষার অ্যালিগরিতে যেই ক্লীশে উত্তর মেরুজাত রূপকের ব্যবহার করা হইছে সেইটা ইংরেজীতে হইলে ভালো হইতো, এমন মনে হইতেছিলো আমার। একজন এস্কিমোর ফার কোটের বাইরে থাকা রক্তহীন ত্বকের গায়ে বরফকুচি যেনো লবন দানার মতো বাসা বেঁধে আছে।
এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের জীবনে জোড়া শালিক নিয়া যতো রূপকের বা মীথ'এর বা সংস্কারের ইমেজ ব্যবহৃত হইতে দেখছি তারমধ্যে সবচাইতে দূর্বল লাগলো এই কবিতার জোড়া শালিক দ্বয়রে। শালিকের পালক পড়ে থাকার বিষয়টাও এতোই দুর্ভেদ্য অপরিচিতিকরণ যে তা চিন্তার নয় কেবল, কেবল কল্পণার নয়; এই রূপক বা অপিরিচিতিকরণে একজন শালিক শব্দ ভালোবেসে ফেলা দূর্বল কবির তাড়াহুড়ায় বা আলস্যে কিছু একটা লিখে ফেলার তাড়না ছাড়া আমি কোনো সারবস্তু খুঁজে পাই না।
শালিকের সাথে কি মেঘও ছিলো কীনা সেইটাও বুঝতে পারি না। তবে এই শেষ লাইনে বুঝি এইটা ঝড় বিষয়ক কবিতা হওয়ার একটুখানি সম্ভাবনা আছে। প্রত্যাশা আর আড়ষ্টতার কবিতা হওয়ার সম্ভাবনা আছে। কিন্তু শেষ উপলব্ধি হইলো কবিতার সম্ভাবনা কবির আলস্যে আর তাড়াহুড়ায় নষ্ট হইছে কবিতার জন্মলগ্নেই...
কবিতা ততো ভালো বুঝি নাই, ব্যখ্যা ভালো বুঝেছি
অত কিছু বুঝি না,
আমার ভালই লাগছে।
সুন্দর।
সুন্দর।
সুন্দর লেগেছে
মন্তব্য করুন