ভুতুড়ে হাতের ছায়া
জাস্ট একটা হাত, শরীর নেই, মাথা নেই...
হঠাৎ নেমে এলো ব্যস্ত রাস্তার ব্যস্ততা এড়িয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে,
স্থির চোখে গিলে ফেলে
কালো ধোঁয়া, শব্দ দুষণ আর মানুষের শরীর;
ঠিক সেখানেই...
আধো অন্ধকার ভেদ করে নেমে এলো
শুধু একটা হাত
শরীর নেই, মাথা নেই, পা নেই
শুধু একটা হাত
প্রজাপতির ডানা ঝাপটানোর মত নেমে এলো,
আর নিমেষের জাদুতে
অদৃশ্য হয়ে গেলো হাতে থাকা মুঠোফোনের শব্দময়তা
বিস্মিত, দুঃখিত এবং ভীত চোখে তাকিয়ে থাকা সঙ্গিনীর
বিবিধ দুঃস্বপ্নের অনুষঙ্গে যোগ হলো
ভুতুড়ে হাতের ছায়া...





ভালো লাগলো। দারুণ কবিতা হয়েছে এটা একটা শুভ ভাই! অদ্ভুত রকমের দারুণ।
বাহ, অতি চমৎকার, ছুডবাই।
ভৌতিক ভৌতিক লাগছে। মাজেজা বুঝি নাই
হুজুরের কাছে যান মিয়া ।
ছিনতাইকারী কি মোবাইল নিয়ে গেলো?
ভূত এফএ্মে যেয়ে বলে আসেন কাহিনী!
আহারে..
ছবির হাটে শুভকে দেখছিলাম মন দিয়ে। ১৩ তারিখ সন্ধ্যার পর। শুভ একটা ভালো ছেলে। আশপাশের আপাদের দিকে একেবারেই তাকায় না এইটা প্রমাণিত হইলো।
মন্তব্য করুন