আমি বানর হইলে সে হইবে না ক্যানো!!
ঁলোকে আমায় বানর বলে, তার প্রতিবাদ করি আমি..তুমি যখন বানর বলো ধন্য যে হয় েস বানরািম..- এই গানটি আমি নিজ উদ্যোগি হয়ে নিজের জন্য উৎসর্গ করে নিয়েছি..তবে এখন জোড়ালো প্রতিবাদ আমার। কেনো! েসটার জন্যই আজকের "ব্লগর-ব্লগর"..
হাইকোর্টের ওখানটায় প্রায়ই নানা রকমের নানা কায়দার ফেরিওয়ালা েদখতে পাওয়া যায়। সেদিন কাঠ-ফাটা েরাদেও েসদিন ছিলনা এর ব্যতিক্রম। এর মাঝেই মাথায় এক খানা টুপি পড়ে টুপি বিক্রি করে যাচ্ছে এক ফেরিওয়ালা। অল্পকিছুক্ষণ পরেই গরমে আর টিকতে না পেরে এদিক ওদিক সে তাকাচ্ছে, একটু ছায়া আর পানির আশায়..
অল্প দূরেই একটি বিশাল বটগাছ। এককালের ছায়াশীতল ঢাকার সাক্ষী। ফেরিওয়ালা ভাবলেন বেশ একটু জিিরয়ে নেয়া যায়! আমরা বাঙালরা আবার জিরােনা মানে বসে থাকায় বিশ্বাসী না। আমাদের একটু গড়াগড়ি বা ঘুম না হলে আবার হয়না। এখানেও তা হবেনা কেন! গাছের ছায়া, দুইটা মিষ্টি বিস্কুট, দুই গ্লাস পানি আর চিনি গুলানো চা খেয়ে গাছের তলায় গামছা মুখের উপর দিয়ে সটান হয়ে শুয়ে পরলো ফেরিওয়ালা।
এমন কি কোন কথা কোথাও লেখা আছে যে টুপি কেবল মানুষের জন্য! নিশ্চয়ই না। কারণ ওই ফেরিওয়ালার আশেপাশে ছিল আরো অনেক েক্রতা বা টুপি প্রেমিক যারা মানুষ নয়, তবে আদি ভার্সন বলা যায়। জি ভাই..ওই গাছ ভর্তি ছিল কয়েকটা বানর।
ফেরিওয়ালার মাথায় টুপি ছিল বলে বানরদেরও ইচ্ছে হলো টুপি পরার। তারা গাছ থেকে নেমে টপাটপ টুপি পরে চড়ে বসলে গাছের ডালে।
আমাদের ক্লান্ত ফেরিওয়ালা ঘণ্টা ক্ষােণকের ঘুম থেকে উঠেই প্রথমে যেটা পরীক্ষা করলেন তা হলো টুপির পরিমাণ। বেচারার মাথায় হাত। ৫-৬ টা টুপি নাই! সে এদিক ওদিক তাকাতে থাকে। বলতে থাকে, "কঁাহা, মোর টুপি গেল কোম্বে!"
বানর দুষ্টু টুক করে তখন একটা গাছের ডাল ফেললো ফেরিওয়ালার উপর। ফেরিওয়ালা মাথা বরাবর উপরে তাকাতেই দেখে ভদ্র-বানরেরা টুপি মাথায় বসে আছে..
এরপরের দৃশ্য এমন-
ফেরিওয়ালা লাফাচ্ছে
ফেরিওয়ালা মুখ ভেঙাচ্ছে
ফেরিওয়ালা চিৎকার করছে..
-কিন্তু বানরেরা নির্বিকার। তোয়াক্কা না করে ফেরিওয়ালার লাফালাফি উপভোগ করেছ (মনে হয় চিড়িয়াখানার প্রতিশোধ নিিচ্ছল!!)
অবশেষে ফেরিওয়ালা রাগে দুখে বললো, "ধ্যাৎ"..বলে মাথার টুপি খুলে ফেলে দিলো..সাথে সাথে বানর মহাশয়রা মাথা থেকে টুপি নিয়ে মাটিতে ফেলে দিল। টুপি বিক্রেতা যেন একসাথে অনেকগুলো শাওয়ালের চাঁদ হাতে পেল! সাথে সােথ, টুপি কুড়িয়ে নিয়ে বললো, "বান্দর হালা, রাইগা ভুইলা গেছিলাম..নকল তো করবি আমিরেই.."
নকল মানুষও করে। নকল না বলে এটাকে অনুকরণ বলা যেতেই পারে। ধরুন, বেশিরভাগ সন্তান তাদের বাবার খুব ম্যাজিকাল কোন একটি বিষয় অনুসরণ করে, স্বামী বিত্তবান হলে স্ত্রী তার েস্টটাস জলাঞ্জলী দিয়ে স্বামীর সুরে কথা কয়, মা-এর রান্না ভালো হলে মেয়েরা সেরকম করতে চায়। শিক্ষকদের অনুসরণও করেন অনেকে। এটা স্বাভাবিক..আবার উল্টোটাও হয়।
এখন ফেসবুকে এই অনুসরণটা বেশ সরস রূপ ধারণ করেছে..যেমন ধরুন আমার উপর কেউ রাগ, সে আমাকে ফেইসবুক থেকে নিপাত করলো..আমি বুঝলাম তিনি গোস্যা ... আবার কারো সাথেই কিছু হলোনা তার গণ্ডির এক মানুষের সাথে হয়তো বছর পাঁচেক আগে গ্যাঞ্জাম হলো..তার "প্রিয়সঙ্গী" ধা করে ফেসবুক থেকে সেই কারণে ফেলে িদলো। কারো কারো ক্ষেত্রে "ইহা েস্টটাস রক্ষার একটি মাপক" হয়ে দাঁড়িয়েছে দেখা যায়। আবার একজন মহামানব অন্যকে অপদস্ত করার জন্য এমন কিছু ফেস-এর গ্রুপ বানালো যারা শিখলো শুধুই "ইতরচর্চা"..তাও বানেরর মতো অনুসরণ করে।
যারা করছে, তারা ভেবেছিল, "আমি বানর হলে সেও বানর হইবেনা কেনো!"..
কিন্তু না..তা হবেনা মোটেই..
সাকর্াস-এর মজা কে "না" নিয়ে থাকে!..
থাকবো গাছের মগডালে ..টুপিও ফেলবোনা...কি আছে জীবনে ..একটু না হয় মানুষের সাকর্াস দেখলামই.. 





টাইপোগুলো ঠিক করেন। পড়তে কষ্ট হচ্ছে।
আর ফেসবুকের কথা কইয়েন না। আমিও ডিলিট খাইছি।
স্যরি ভাইয়া, টাইপোর জন্য..উবুন্টু, অভ্র, বিজয়- যাবতীয় প্যঁাচে পড়ে আমার এই দশা..
আর ডিলিট নিয়া ভাবি না..মজা পাই..বরং চাই দুই -একটা জঞ্জাল বিদায় নেক....
ব্যাপার্না
কান্ড কাহিনীর সাথে ডিলিট কাহিনীর বান্দরগুলার তাল মিলানো পছন্দ হইছে!
ফেইক আইডি র জন্য যথেষ্ট ঝামেলা পোহাতে হয়। এফ বি ‘র যেমন সুবিধা, অসুবিধাও কম নয়। কার ছবি যে কার আই ডি ’র সাথে লাগানো তা কেউ জানে না।প্রমার করারও উপায় নাই সম্ভবত। ভুক্তভোগীরাই এর সম্পর্কে বলতে পারবে।
ডিলিট কাহিনী সত্যিই হয়।মনে হয় এড করার সময়ই সতর্কতার প্রয়োজন রয়েছে।
অক্ষমের ক্ষমতা দেখান হইলো ফেসবুকে ডিলিট মারা
সহমত
মন্তব্য করুন