অনেকদিন পর মগবাজার ওভারব্রীজ দেখা।
আজ হরতাল। হরতালে কার কি ক্ষতি হয় আমার জানা নাই। তবে আমার ক্ষতি মানসিক ও আর্থিক। হরতাল হলে আমার রিক্সায় অফিসে আসতে হয়। অফিস থেকে ফিরার পথে হেঁটে যাবার কথা চিন্তা করলেও অফিসে আসার সময় তা চিন্তা করতে পারি না। কারন সময় মত অফিসে হাজির হতে হবে। অফিস ছুটির পর রাতে রিক্সায় উঠা কিংবা হেঁটে যাওয়াতে আমার আর্থিক ক্ষতির সাথে মানসিক সমস্যা হয়, কখন ঠ্যক খেলাম, কখন মামুরা এসে বলবে - চিল্যাবি না, কি কি আছে দিয়ে দে! ঘড়ি দে, মোবাইল দে, মানিব্যাগ দে! লুকাইয়া কই টাকা রাখছস, দিয়া দে! নাইলে ভুঁড়ি নামাইয়া দিমু। বাংলামটর থেকে মগবাজার হয়ে মৌছাক - মোটামুটি হাইজ্যাকারদের স্বর্গক্ষেত্র বলা চলে! আজকাল নাকি প্রাইভেট কারে হ্যাইজাক ভাইরা এসে রিক্সার সামনে দাঁড়ায়! গতকাল এমনই কথা শুনলাম, কিছুদিন আগে নাইট ডিউটি করে সকালে বাসায় যেতে এমন একটা ঘটনা দেখেছিলাম সাইন্সল্যাবের মোড়ে।
ঢাকার নানান নামকরা এলাকার মধ্যে মগবাজার এলাকা অন্যতম। দুনিয়ার যত আকাম কুকাম আছে তার সব কিছুই মগবাজারে আছে এবং হয়। সাথে এই এলাকায় আছে রাজাকারদের বিশাল ঘাঁটি, আমীরদের বাসস্থান থেকে হেডঅফিস। আমি দীর্ঘদিন মগবাজারের দিলু রোড় ও শাহনুরী মাজারের পাশে আড্ডা মেরেছি, সেই সুবাদে পুরা মগবাজার এলাকা ফাতাফাতা করে চিনি, চিনি যে কোন আলিগলি। আমার অনেক ভাল বন্ধুর পাশাপাশি আছে আমার অনেক ডেয়ারিং (!) বন্ধু। আছে আমার সত্তর বছরের বন্ধু 'জাপান ভাই'। জাপান ভাই, এই বয়সেও বিয়ার খায়! জাপান ভাইকে একদিন সচিত্র আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব। হাসাতে হাসাতে জান পানি করে দিবে! জাপান ভাইকে নিয়ে চরম মজার কথা চালু আছে, তিনি নাকি যেই জেলায় যেতেন সেই জেলায় একটা বিবাহ করতেন।
যাক এসব আজকের বিষয় নয়। মগবাজার নিয়ে লিখলে, সাগরের পানি কালি হলেও ফুরিয়ে যাবে। তবে আজকে আপনাদের এই হরতালের দিনে মগবাজারের একটা বিখ্যাত স্থানের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে চাই। আমার প্রিয় স্থান। এই স্থানে আমি আমার গুরুদের নিয়ে যেয়ে সালাম করে বিশেষ সন্মাননা দিতে চাই। মগবাজার ওভারব্রীজ! আজ অফিসে আসার সময় এই ব্রীজকে দেখে আনন্দিত হয়েছিলাম। ধন্যবাদ হরতাল!
এমন ফাঁকা রাস্তা। দূর থেকে দেখা।
আহ.।।।
সকাল ১১ টা ৩০ মি। রাতে এই ব্রীজের সৌন্দর্য্য দেখার মত। তবে একা পার হতে চেষ্টা না করাই উত্তম।
অবসর সময়।
সে ও আমি। এ ব্যবধান ঘুচবে কবে! হরতাল এ ব্যবধান আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে। নিপাত যাক হরতালের রাজনীতি।





মগবাজার নিয়ে লেখা পোষ্টটা পড়ে মজা পাইলাম। জীবনে ঢাকা'য় আমার প্রথম চাকরী যার মেয়াদ ছিল একুশ দিন, সেটার অফিসও ছিল ঐ মগবাজারএ।
মগবাজারে নাই এমন কিছু দুনিয়াতে নাই!
কেমন আছেন?
অনেকদিন পর আপ্নের লেখা। ভালো লাগলো। এরুম পোস্ট আরো ছাড়েন।
মীর ভায়া, কেমন আছেন? ইদানিং ছবি তুলছি। গুরুদের কাছে যেতে হবে!
মীর ভায়া, কেমন আছেন? ইদানিং ছবি তুলছি। গুরুদের কাছে যেতে হবে!
ছবিগুলো কি আজকের ?
হুদা ভাই, হা, আজ সকালে অফিসে আসার সময়ে তোলা। চলতি রিক্সা থেকে।
আপনার হাতের টিপ তো মারাত্মক - একেবারে চলন্ত ক্যামেরা যাকে বলে।
এই ব্রীজের পাশের একটা গলির ভিতর আমার বাসা । খুব ভোরে এই ব্রীজের নিচ দিয়ে কলেজে যাবার সময় এই এলাকা প্রায় ফাঁকা থাকে ।
ছবিগুলা দেখে ভালো লাগল ।
মগবাজারে আমাদের দেশের অনেক বিখ্যাত ব্লগারা থাকেন। আমি তিন চারজনকে চিনি। আপনি মগবাজার নিয়ে একটা পোষ্ট লিখে ফেলুন।
উলটচন্ডাল ভাই, আপনিও মনে হচ্ছে মগবাজার সমাঝদার! লিখে ফেলুন।
গুরু শিষ্যের মোলাকাত/ লুঙ্গি খুলে কদমবুচি হবে ঠিক কোন ছবির স্থানে ...

ঠিক ব্রিজের মধ্যখানে! ওই যে দেখা যায়!
ঠিক ব্রিজের মধ্যখানে! ওই যে দেখা যায়!
মারাত্বক পর্যবেক্ষণ
জাপান ভাইকে নিয়ে একটা পোষ্ট দিব। আশা রাখি!
মন্তব্য করুন