আমার দিনকাল
সোমবার
সোমবার মধ্যরাতে ছোট ভাইয়ের (রেজা য়ারিফ) স্ত্রীর একটি পুত্র সন্তান হল। অনেকদিন থেকেই বেশ শারীরিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিল। তাছাড়া বাচ্চাটা পৃথিবীতে আসার পূর্ণ মেয়াদ হয়নি। তবু বাধ্য হয়ে অপারেশন করতে হল। প্রথমে বাচ্চাটাকে রাখা হল ইনকিউবিটরে। অক্সিজেন সাপোর্ট দিয়ে। ফুসফুসের কার্যক্ষমতা পুরো না হবার কারনে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল পিচ্চি বাবুটার। একদিন অপেক্ষার পর ছোট বাচ্চাটাকে ভেল্টিলেটরের সাপোর্ট দিতে হল। মা এক জায়গায়, আর বাচ্চাটা এক জায়গায় ! সোমবার থেকে মা আর ছেলেটা হাসপাতালে। গতকাল ডাক্তার বললেন, অবস্থা আগের চেয়ে ভাল। আশা করছেন, আগামী ৫/৭ দিনের মধ্যে মা আর সন্তানকে ছেড়ে দিতে পারবেন। গতকালই বিলের খবর নিতে যেয়ে আমি হার্টবিট মিস করে ফেলেছি। ভুল শুনেছি মনে করে আবার জেনে নিশ্চিত হলাম যে, ৫ দিনে বিল এসেছে ২ লাখ ৭০ হাজারের কিছু কম বেশি...
মঙ্গলবার
রাত ১১ টার কাছাকাছি। খেতে বসেছি মাত্র। মোবাইলে অপিরিচিত নম্বর থেকে কল এল। ছোট ভাই (মাহমুদ) এর কল। ফোন-ফ্যাক্সের দোকান থেকে কল করেছে। একটু আগে তার কাছে থাকা সব ছিনতাই হয়ে গেছে, জানাল। কোথায় আছে জেনে বললাম, অপেক্ষা কর আসছি। খাওয়া শেষ না করে মটর সাইকেল নিয়ে ছুটলাম। যেতে মিনিট পাঁচেক লাগল। ছিনতাই হয়েছে- পান্থপথ সিগনাল থেকে ফার্মগেটের দিকে ৫/৭ গজ আসলেই হাতের বায়ে। মেইন রোডে। ৩ টি ছেলে এসে ছোট ভাইয়ের রিকশার সাথে ধাক্কা খায়। রিকশাওয়ালাকে কলার ধরে দাঁড় করায়। একজন চুপচাপ পেটের মধ্যে ক্ষুর চেপে ধরে। তারপর তার সাথে থাকা ২ টি মোবাইল ফোন সেট, মানিব্যাগ (যার মধ্যে হাজার চারেক টাকা, ন্যাশনাল আইডি কার্ড, ব্যাংকের এটিএম কার্ড ইত্যাদি ছিল) নিয়ে দিব্যি চলে গেল। লোকজন দেখল, কারো কিছু বলার নিই। ছোট ভাইটাও কিছু বলেনি। কারন, এর আগে বার তিনেক ও ছিনতাইকারীর পাল্লায় পড়েছে। অভিজ্ঞতা নেহায়েত ভাল নয়। কলাবাগান থানার ওসি ভদ্রলোকের সাথে ওর ভাল সম্পর্ক। তাকে ফোন করল। ভদ্রলোক পুলিশ পাঠিয়ে দিলেন। পুলিশ এসে যা বলল- যেই স্থানে ছিনতাই হয়েছে, সেটা শেরে বাংলা থানার অধীণে। অরেকটি মজার তথ্য দিলেন পুলিশ। পান্থপথ সিগনালের ডান পাশ তেজগাঁও থানা, বাম পাশ ধানমন্ডি থানা, দক্ষিণ পাশ কলাবাগান থানা এবং পশ্চিম পাশ শেরে বাংলা নগনর থানা...
বুধবার
সকালে ছোট ভাইসহ পাসপোর্ট অফিসের কাছে শেরে বাংলা থানায় গেলাম। ওসির রুমে গিয়ে বিস্তারিত বললাম। তিনি তার ডিউটি অফিসারকে বললেন, একটা জিডি করতে। অবিশ্বাস্য ব্যাপার হচ্ছে- ডিউটি অফিসার জিডি নিজের হাতে লিখলেন। ফোন সেটের আইএনআর নম্বর চাইলেন। বললেন, ফোন ওপেন করলেই তারা ধরতে পারবেন। তখন আমাদের জানাবেন। দুঃখ প্রকাশ করলেন। আমাদেরকে সিঙ্গারা এবং চা খেতে দিলেন। এমনটা হবার কথা নয়। পুলিশ সম্পর্কে আমার ভাল অভিজ্ঞতা নেই। পরে আন্দাজ করলাম, আমার মটর সাইকেলে প্রেস লেখা থাকার কারনেই হয়ত... জিডি লেখার পর আজ ৩য় দিন যাচ্ছে। এখনও কোনো খবর পাইনি। পাবার আশাও করছিনা...
বৃহস্পতিবার
আজ পয়লা বৈশাখ। সকালবেলা পরিবারের সবাই মিলে বাঙ্গালীর ঐতিহ্য পান্তা ইলিশ খেলাম। এই দিনে এ খাবার যে কেন খায়, আমি জানিনা। তবু খেলাম। আগের দির দই আর কলা কিনেছিলাম। ঘরে মিষ্টি ছিল, তাও খেলাম। তারপর টিভি ছেড়ে দিলাম। সব কটি বাংলা চ্যানেলে লাইভ দেখাচ্ছে বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠান। অবাক হয়ে দেখলাম, এক এক জন শিল্পী যা গাইছেন... মাশাল্লাহ ! একসময় ঢাকায় নাকী কবি এবং কাকের সংখ্যা প্রায় সমান ছিল। ইদানীং মনে হয় কন্ঠশিল্পীদের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয় ঢাকায়। দুপুরে ইলিশ পোলাও খেলাম। মিরপুরের দিকে এবি'র বন্ধুদের আড্ডা- সাঈদের বাসায়। গেলাম না। টুটুল আর মাসুম ভাইয়ের সাথে কথা হল। আজ পরিবারের সদস্যদের সময় দেব বলেছি। সকালে বাইরে যাইনি। প্রচুর মানুষের ভিড় হবে জানি। ছোট ছেলেটার ঠান্ডা লেগেছে... বিকালে বড় ছেলে বললো- ওর খালাকে নিয়ে একটু বেড়াতে যাবে। বললাম যাও। ৬ টার দিকে বৌকে পটালাম, চল ঘুরে আসি। রাজী হল। মটর সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। ছোট ছেলে আর বৌকে নিয়ে। প্রথমে ধানমন্ডি এক বন্ধুর দোকানে গেলাম। মিষ্টি খাওয়ালো। তারপর নিউমার্কেট হয়ে নিলক্ষেত মোড় দিয়ে কোনো মতে ক্যাম্পাসে ঢুকলাম। টিএসসিতে কনসার্ট হচ্ছে। আর এগুতে পারলাম না। টিএসসিকে বায়ে রেখে ঢাকা মেডিকেল হয়ে দোয়েল চত্বর হয়ে ঢুকতে চাইলাম। পুলিশ বাধা দিল। নিমতলী কার্জন হলের পাশ দিয়ে আবার চেষ্টা। ব্যর্থ হলাম। বঙ্গবাজারের পাশ দিয়েও একই অবস্থা। গুলিস্তান হয়ে জিপিওর বায়ে সচিবালয়ের রাস্তাও বন্ধ। ডানে মোড় নিয়ে বায়তুল মোকাররমের পাশ দিয়ে পল্টন মোড়। সেখানেও বাধা। সোজা বিজয় নগর দিয়ে কাকরাইল মোড় হয়ে বায়ে মসজিদের পাশে এসে বাধা পেলাম। রং সাইড ধরে হেয়ার রোড দিয়ে হোটেল শেরাটনের সামনে। বায়ে ডুকতে দিলনা। ডানে ঘুরলাম। আবার বায়ে পরিবাগ দিয়ে ঢুকে ভাবলাম আজিজ মার্কেটের কোনা দিয়ে বেরুবো। পরিবাগেও একটা কনসার্ট হচ্ছে। আবার ডানে ঘুরে বাংলা মটর পেরিয়ে বসুন্ধরার সামনে দিয়ে অবশেষে বাসায়। ততক্ষণে রাত আটটা। ছেলে আর তার খালা ঘুের এসেছে। আমাদের শুধু মটর সাইকেলে ঢাকা অনেকটা ভ্রমন করা হল...
শুক্রবার
একটু আরাম করে ঘুমানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু অ্যালার্জিতে ছোট ছেলেটার চোখ ফুলে গেছে। নাক দিয়ে পানি পড়ছে। বেশ বিরক্ত করছে। নাস্তা সেরে ওকে নিয়ে গেলাম ডাক্তারের কাছে। ওর মাতো বিশ্বাসই করতে চাচ্ছেনা, কালকের ঢাকা আর আজকের ঢাকার পার্থক্যটা। গাড়ী কম, রাস্তায় মানুষজন নেই বললেই চলে। দুপুরে এক বন্ধুর বাসায় দাওয়াত ছিল। সেখানে গেলাম। অনেক বন্ধুরা একসাথে খেলাম। আড্ডা দিলাম। বিকালে একটা টেলিভিশনের মিলাদ ছিল। সেখানে গেলাম। টেলিভিশনটা আগামীকাল অফিসিয়ালি শুরু করবে। বর্তমানে টেস্টে চলছে। মিলাদ শেষে সন্ধ্যায় চারুকলায় গেলাম। রাতে চারুকলার ভেতরে যাত্রা দেখে বাসায় ফিরলাম দশটা নাগাদ...
শনিবার
আজ সকালে সেই টেলিভিশনের বড় কর্তার সাথে অ্যাপয়েন্টমেনট ছিল। গেলাম। চা খেতে খেতে বেশ কিছুসময় আলাপ হল। বেশ কদিন ধরেই ভদ্রলোক আমাকে জয়েন করার জন্য বলছেন। সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। চাকরী না ব্যবসা... দো-টানায় আছি। রুটি রুজির বিষয়টা ঈশ্বরের হাতে ছেড়ে দিয়েছি। ওটা নাকী খোদ নিজের হাতেই দেখেন ঈশ্বর... এখন শুধুই অপেক্ষা





ডাইরী পড়লাম। ভালো লাগলো! ছোট্ট বাবুটা আর তার মা এতদিনে নিশ্চয়ই সুস্থ হয়ে বাসায় চলে এসেছে।
না দাদা, বাবু এবং তার মা এখনও হাসপাতালে। আরো ৫/৭ দিন লাগবো বাসায় আসতে। দোয়া করবেন।
আপনের দিনকাল তো ভালো যাইতেছে না তারমানে...ঝামেলা সামলাইতে সামলাইতেই যাইতেছে...আশা করি ঝামেলা মুক্ত হইয়া আবারো আড্ডাগুলিতে যোগ দিবেন।
আরেকটা কথা আপনেরে ব্যবসায়ি মেসবাহ আযাদের চাইতে চাকুরে মেসবাহ আযাদ হিসাবেই মানায় বেশি...(চাকরী করলে আপনে নিয়মিত ইন্টারনেট আর আড্ডার সময় বাইর করতে পারেন
)
তবে নতুন টিভিতে যাওয়া ঠিক হবেনা মনে হয়।
হ বস। দিনকাল একদম খারাপ যাইতেছে।
আমারো তাই ধারণা। ব্যবসার চেয়ে চাকরীই মনে হয় আমার জন্য ভাল। সবাইরে দিয়ে সব হয়না।
তয় আড্ডা খুব মিস করি...
ওইযে কৈছিনা, রুটি-রুজির বিষয়টা খোদ উপরওয়ালার হাতে...
তার উপরই ছাইড়া দিছি। ক্যান, নতুন টিভি কী দোষ করলো ? @ রায়হান ভাই
যে হারে টিভির লাইসেন্স দিছে নিজেদের চামচাদের। এগুলি ব্যবসা করে টিকতে পারবে কিনা সন্দেহ আছে।
আমিতো ব্যবসা করতে যাইতেছিনা ভাই ! চাকরী করতে চাই...
টিভি না চললে আমার সমস্যা কী ! আরেকটায় যামু
তয় আমার সু-চিন্তার লাইগা থ্যাংকু
নতুন টিভিতে জয়েন এ না ভোট দিলাম
... কারন আগেই আপনারে কইছি...
ল্যাব এইডে আবার জয়েন করেন
... পিলিজ 
না ভোট দেওনে রাইট তোমার আছে।
মাগার আমি যে একবার কোনো জায়গা ছাড়লে সেই যায়গায় আর
যাই না ! চাকরীর ক্ষেত্রেতো নয়ই...
সব ঝামেলা শেষ হোক। সবকিছুই ঠিকঠাক হোক আবার। আপনাকে আড্ডায় মিস করি খুব।
আমিন । আমিও মিস করি আড্ডা
কোন হাসপাতালে এত বিল দেখালো??
আশা করি, ছোট্ট বাবু, আর মা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসবে।
হাসপাতালের নাম ইউনাইটেড...
দোয়া কৈরেন
সব কিছু ঠিক হ্য়ে যাক এই কামনা রইলো

থ্যাংকু
ভাই, ওস্তাদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন এটাই সবচে' ভালো হয়েছে। শুভেচ্ছা নিরন্তর, শুভকামনা সবসময়।
পিচ্চির নাম কি সমুদ্দুর? ওর জন্য দোয়া করি। তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠুক।
হ, আমার পিচ্চিটার নাম সমুদ্দুর...
নিশ্চয়ই তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে উঠবে, সবার দোয়া আছেনা ?
ইউনাইটেড, অ্যাপোলো, স্কয়ার এগুলা বস ৫স্টার হোটেল। আমাদের জন্য না।
দোয়া করি রেজা য়ারিফের বেবী এবং পাটর্রার এর জন্য। একসময় আপনার সাথে, কখনো কখনো রেজা য়ারিফের সাথেও কথা হয়েছে। আপনার সাথে দেখা তো বইমেলায় বছরে একবার হতো। আমিও এখন নরমাল ডেভেলপমেন্টের দিকে ছুটি বস্, বুঝেন দিন দুনিয়ার অবস্থা!
খাঁটি কথা কৈছো
ভাগ্যিস ল্যাবএইডে ভর্তি করান নাই
ব্যবসা তো হাতে আছেই, সময় দেবেন। চাকরিটা করে দেখতে পারেন।
আমার রুটি-রুজি নিয়া একমাত্র আপনের কথায় ভরসা পাইলাম বস...
খোদার কসম, ল্যাবএইডে ১ মাস থাকলেও এত খরচ হৈতো না
এখন কি অবস্থা নবজাতক বাবু ও তার মায়ের ?
বস, সেদিন আসিলেন না কেন? আপনি ছাড়া কি আড্ডা জমে ?
বাবু এখন আশংকামুক্ত। তাও আরো ৬/৭ দিন থাকতে হৈবো কৈলো।
থাকলেইতো টাকা...
স্যরি বস, মিস করছি
এ ধরনের ডায়েরী পড়তে খুব ই ভাল লাগে। নিজেদের ছোট খাটো অনুভুতিগুলো শেয়ার করার মতন। দোয়া করি বাবু এবং মা দুজনেই ভাল হয়ে উঠবে এবং আপনার সময় ও ভাল কাটবে।
নিশ্চয়ই সব ঠিক হয়ে যাবে। থ্যাংকু
ঝামেলাপূর্ণ সময় যাচ্ছে দেখছি আপ্নের। ভালোয় ভালোয় সব বিপত্তি কেটে যাক...
সেদিন আমার মতো ঘরকুনো লোক-ও আড্ডায় গেল, আর আপ্নে ভাবীরে নিয়া ক্যাম্পাসে চক্কর খাইলেন!!! এই চক্করটা মিরপুরে খাইলেই তো একখান আড্ডা হয়ে যাইতো!
কামাল ভাই, সত্যিই মিস করেছি।
নো প্রব্লেম, নেক্সট টাইম
সব ঝামেলা কাটায়া উঠবেন এই কামনায়...
হরে, দৌড়ের উর্পে আছি। আছিস কিরাম ?
বাইচা আছি...
সব সামলে উঠেন মেজবাহ ভাই।
সব ঠিক হৈবো, আশাবাদী আমি। আছো কিরাম বইন ?
ভালোই আছি মেজবাহ ভাই। আপনে আড্ডায় আসেন্না, মিস্করি
রেজা আরিফ ভাইয়ের আপডেট জানাইয়েন... আর তারে বইলেন তার কাছে বিরিয়ানি তো আগেরি পাই ... সাথে যোগ হইছে মিষ্টি.... পাওনা থাকলো
..
আর তারে অভিনন্দন জানাইয়েন
বিরিয়ানী, মিষ্টি আর অভিনন্দন... সব খবর জানাইয়া দিছি
নতুন পিতামাতাকে অভিনন্দন।
আমি সপ্তাহখানিক আগে অ্যাপোলো হাসপাতালে ছিলাম মাত্র তিন দিন। এই সময়, আগে ও পরের টেস্ট, ডাক্তার আর অপারেশন মিলিয়ে খরচ হয়েছে মাত্র লাখখানেক।
এই ২ টা হাসপাতালে রোগীদের অনেক হিডেন টাকা পয়সা দিতে হয়...
যে কোনো রোগী ভর্তি হলেই কমপক্ষে ১ লাখ টাকা বিল দিয়ে বেরুতে হয়...
আগামী ২০ তারিখে আমার অপারেশনের ব্যান্ডেজ খোলা হবে। সব ঠিক থাকলে এর পর থেকে আমি আর ওমুখো হচ্ছি না। আমি এখন পুরা ফকির! পারলে আপনার ব্যবসায় আমারে পার্টনার হিসেবে নিয়া নেন। আপনার টাকা, আমার অভিজ্ঞতা।
লাভ ফিফটি-ফিফটি।
আপনার জন্য সমবেদনা
শেয়ারে কোন কিছু করা ভাল না
ভালো কথা, রেজা য়ারিফ ভাইকে দেখেছিলাম একবার ভোরের কাগজে। উনার কি এখনো থুতনির নিচে একটুখানি দাড়ি আছে?
একটুখানী না, অনেকখানী দাড়ি আছে তার
তবে তিনি যে আপনার ভাই এটা জানতাম না। ভোকায় কি পাল্লা দিয়া লিক্তেন?
আহ ! আমাদের সেই সব দিনগুলি
হপ্তা ধইরা লেখার স্টাইল ভালো লাগছে...
পিচ্চি আর আর মা আশা করছি সুস্থ হয়ে উঠেছেন...
আপ্নে না থাকলে হাউকাউ থাকে না আড্ডাতে, রায়হানভাই পচাঁনোর মতোন লোক পায় না, আমরা বকা/মাইর খাওনের হুদাই ডর খাইনা... আরো লিষ্টি দিমু?
সব ভাল তার শেষ ভাল যার। আপনার আগামী সপ্তাহগুলি আনন্দে কাটুক।
তবে তাই হোক
নতুন শিশুর জন্যে শুভ কামনার সঙ্গে সঙ্গে নতুন জ্যাডারে অভিনন্দন!
নবজাতক আর তার মায়ের কাহিনী পড়ে আমার আর ঋহানের সেই ভয়াবহ দিন গুলোর কথা মনে পরে গেলো।
আল্লাহ যেন আর কাউকেই এমন বিপদে, এমন কষ্টে না ফেলেন।
তাদের জন্য শুভ কামনা!
আমিন
গ্রেট জোক অভ দি লাইফ

হ, এক্কেবারে জীবন থেকে নেয়া সত্য জোকস্
খারাপ সময়গুলো পার করা খুব কঠিন কাজ, আল্লাহ তাদের দুজনকে সুস্থ করে দিন।। তাড়াতাড়ি। লেখাটি ভাল লেগেছে।। ।
মন্তব্য করুন