হে আল্লাহ, তুমি এত নিষ্ঠুর কেনো ?
আমরা ৬ ভাই বোন। সবার বড় ভাইয়া, তারপর আপা, আমি, আমার ছোট দুই ভাই, সব ছোট এক বোন। সবাই এখন ঢাকায় পরবাসী। আপার ৩ ছেলে। বড়টির নাম তূর্য। এবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করলো। অনার্স, মাস্টার্স দুটোতেই প্রথম শ্রেণী পেয়েছে। গত মাসে একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে জয়েন করেছে। আপা চাকুরী করেন অগ্রণী ব্যাংকে। দুলাভাই একমি ল্যাবরেটরিতে। আপার মেজো ছেলে প্রত্যয়। আমরা ডাকি প্রত্যু বলে। দারুন ব্রিলিয়েন্ট ছেলে। বড়টার চেয়েও বেশি। এসএসসি আর এইচএসসিতে গোল্ডেন এ পেয়েছে। ওর বড় স্বপ্ন ছিলো বুয়েটে পড়বে। এইচএসসিতে গোল্ডেন এ পাওয়া স্বত্বেও কোন্ একটা বিষয়ে মাত্র ৩ নম্বর কম পাওয়ায় বুয়েটে পরীক্ষা দিতেই পারলোনা। খুব মন খারাপ হলো- প্রত্যুর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয় দুইটাতেই পরীক্ষা দিলো। চান্স পেলো দুটাতেই ভর্তি হবার। মাকে বললো, ঢাকাতে নয় আমি ভর্তি হবো জাহাঙ্গীর নগর বিশাববিদ্যালয়ে। আই.টি বিষয়ে ভর্তি হলো জাবিতে। ক্লাস শুরু হয়েছে মাত্র দিন পনের হবে। গত ১৫ দিনের মধ্যে ক্লাস করেছে ১২/১৩ দিন। প্রতিদিন ক্লাস থেকে ফিরে মাকে বলতো, তার মাথা ব্যথা করছে। মা মাথায় হাত বুলিয়ে দিতেন আর বলতেন, বাসে প্রতিদিন যাতায়াতের কারণে মাথাব্যথা হচ্ছে। শনিবার প্রত্যুর শরীরটা বেশি ভালো লাগছিলো না। মাকে বললো- আম্মু, আজ ভালো লাগছেনা। আজ ক্লাসে যাবোনা। মাও যেতে নিষেধ করলেন। দুপুরে সেজো মামার (আমার সেজো ভাই) বাসায় ভাত খেয়ে বাসায় ফিরলো। ফিরেই বমি করলো। বললো, শরীরটা ভালো লাগছেনা। বিকাল নাগাদ আবার বমি করলো। অবশেষে মায়ের জোরাজুরিতে বিকালে সেজো মামার কাছে গেলো ডাক্তার দেখাতে। আমার সেজো ভাই চাকুরী করে গ্রিন লাইফ হাসপাতালে। জরুরি বিভাগে ডাক্তার দেখানো হলো প্রত্যুকে। ডাক্তার বললেন, তেমন কিছুনা। সামান্য ওষুধ দেয়া হলো তাকে। ওষুধ নিয়ে বাসায় ফিরলো প্রত্যু। রাতে কিছু খেলোনা।
সকালে আপা অফিসে যাবার সময় বলে গেলেন, ঠিকমত ওষুধ আর খাবার খেতে। অফিসে যেয়েও মার মনে স্বস্তি নেই। ফোন করলেন প্রত্যুর মোবাইলে। ফোন আর ধরেনা। শেষে আমার বাসায় ফোন করে বললেন, খবর নিতে। আমার ছেলে রোদ্দুর গিয়ে দেখলো- প্রত্যু ঘুমাচ্ছে। ফুপিকে ফোন করে জানালো রোদ্দুর। এসবের কিছুই জানিনা আমি।
রোববার মানে গতকাল দুপুরে বাসা থেকে বেরিয়ে যাই আমি। পুরানো ঢাকায় এক বন্ধুর বাড়ির ছাদে। ঢাকাবাসীর সাকরাইন উৎসবের দ্বিতীয় দিন। সবাই মিলে ছাদে উঠে ঘুড়ি উড়ানো, সন্ধ্যায় বিভিন্ন ধরনের তারা বাতি জ্বালানো... এইসব দেখে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে বন্ধুদের নিয়ে ছবির হাটে আসি আমি। এমন সময় আপার ফোন পাই। প্রত্যু কেমন জানি করছে... তাড়াতাড়ি বাসায় যেতে ... আমি বিলম্ব না করে মোটর সাইকেল ছুটালাম বাসার দিকে। শাহবাগ থেকে ফার্মগেট। মোটামুটি ১৫ মিনিটের মাথায় আপার বাসায়। ততক্ষণে ছোট ভাই- বোন সবাইকে খবর দেয়া হয়ে গেছে। হাত ধরে দেখলাম, ওর পালস রেট খুব বেশি। হাত দুটো কুঁচকে যাচ্ছে। সেন্স নেই বললেই চলের ওর। ছোট ভাইকে তাড়াতাড়ি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে আসতে বললাম। তারপর প্রত্যুকে কোলে করে ৩ তলার সিঁড়ি বেয়ে নামলাম আমরা। অ্যাম্বুলেন্সে করে সোজা গ্রিণ লাইফ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। ডাক্তার দেখে-শুনে বললেন, ভর্তি করাতে। রাতটা তারা অবজারবেশনে রাখতে চান। ইতিমধ্যে তার চিকিৎসা শুরু করে দিয়েছেন ডাক্তাররা। নিউরো সার্জন প্রফেসর আবুল খায়েরকে ডেকে আনা হলো। উনি এসে দেখে প্রত্যুকে পোস্ট অপারেটিভে ভর্তি করে দিতে বললেন। বিশেষ লক্ষ্য রাখতে বলে গেলেন ডিউটি ডাক্তারদের। রাত ১২ টার পরে বাসায় ফিরলাম সবাই। হাসপাতালে রয়ে গেলেন দুলাভাই। বাসায় এসে ঘুমাতে ঘুমাতে প্রায় রাত দুটো।
সকাল ৫ টা ৩০ মিনিটে ছোট ভাইয়ের ফোনে ঘুম ভাঙ্গলো। কেঁদে ছোট ভাই জানালো, প্রত্যুর অবস্থা ভালো না। ওকে কিছুক্ষণ আগে আইসিইউতে নেয়া হয়েছে। কোনো রকমে চোখে পানি ছিটিয়ে ছুটলাম হাসপাতালের পথে। পথে আবার ফোন। প্রত্যুকে ভেল্টিলেটর মানে লাইফ সাপোর্ট দিয়েছে। ৬ বছরে হাসপাতালে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে যেটুকু বুঝতে পারছি- ওর অবস্থা শংকটাপন্ন। নইলে লাইফ সাপোর্ট দিতে হবে কেনো ? দু-তিনবার অ্যাক্সিডেন্ট করতে করতে কোনো ভাবে হাসপাতালে পৌঁছলাম। হেলপ ডেস্কে জেনে নিয়ে সিঁড়ি টপকে পৌঁছে গেলাম ৫ তলার আইসিইউতে। ডিউটি ডাক্তার বললেন, ভোর ৫ টার দিকে প্রত্যুর বিপি এবং পালস রেট এতটাই কমে গিয়েছিলো যে, লাইফ সাপোর্ট না দিয়ে উপায় ছিলো না। দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছি প্রত্যুকে। আমার সারা শরীর হিস্টিরিয়াগ্রস্থ রোগীর মত কাঁপছে। পড়ে যাচ্ছিলাম। সিস্টার এসে ধরে ফেললেন। ডাক্তারের হাত চেপে ধরে বললাম, প্রত্যুকে বাঁচান... পাগলের প্রলাপের মত আরো কী সব বলেছি, মনে নেই।
প্রফেসর আবুল খায়ের সাহেব এলেন ৮ টার পরে। ইতিমধ্যে ফোনে তিনি ডাক্তারদের পরামর্শ দিলেন বিপি নরমাল হলেই যেনো ওর সিটি স্ক্যানটা করে ফেলে। এর মধ্যে পরিবারের প্রায় সবাই হাসপাতালে আইসিইউর সামনে। প্রত্যুর বিপি এতটাই কম ছিলো যে, ওই মূহুর্ত্যে জরুরি হলেও তার সিটি স্ক্যান করানো যাচ্ছিলো না। আবশেষে সকাল সাড়ে নটার দিকে ওর ব্লাড প্রেশার একটু স্ট্যাবল হবার পরে সিটি স্ক্যান করানো হলো...
সিটি স্ক্যান রুমের সামনে দাঁড়িয়ে আছি অনন্তকাল ধরে... এক সময় ওর সিটি স্ক্যান করা শেষ হল। খায়ের সাহেব আমি এবং ছোট ভাইকে ডেকে নিয়ে গেলেন সিটি রুমের ভেতরে। তারপর তিনি কী কী যেনো বললেন... কিছুই কানে যাচ্ছিলো না আমার... মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছি আমি... একটা কথাই শুধু কানে বাজতে লাগলো... এ কী করে সম্ভব ? নিজে নিজেই যেনো কথা বললেন ডাক্তার। ছোট ভাই চিৎকার দিয়ে জড়িয়ে ধরলো ডাক্তারের পা... স্যার আমার ভাগিনাকে বাঁচান...আপনার পায়ে পড়ি। ওর কথাতে আমার হুশ আসলো... অবস্থা কী, জানতে চাইলাম। ডাক্তার বললেন, তার জীবনে এমন রোগী হাতে গোনা ২/১ টি পেয়েছেন তিনি। ১০-১৫ হাজারে এরকম ১ জন রোগী পাওয়া যায়। প্রত্যুর অবস্থা সম্পর্কে তিনি যা বললেন তার সারমর্ম হচ্ছে- ওর মাথার ভেতরে রক্ত ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকী সারা মাথা রক্তে ভরে গিয়ে সে রক্ত প্রত্যুর স্পাইনাল কর্ডেও চলে এসেছে। রোগীর সারভাইব করার সম্ভাবনা এক হাজার ভাগের এক ভাগও নেই। ১ ভাগ সম্ভাবনা থাকলেও তিনি ওর মাথা ওপেন করতেন... এ ধরনের রোগীরা জন্ম থেকেই এ সমস্যা নিয়ে জন্মায়। ধরা পড়ে ১৯ বছর থেকে ২০ বছর বয়সে গত ২৫ ডিসেম্বর প্রত্যুর ১৯ বছর শেষ হয়ে ২০ বছর শুরু হয়েছে)। এ ধরনের রোগীরা তাদের আত্মীয়- স্বজন বা ডাক্তারদের সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা সময় দেয়... কারোরই কিছু করার থাকেনা... কোন লক্ষণই দেখা দেয় না... এর পর কঠিন কাজটি করতে হয়েছে আমাকে... কীভাবে করেছি জানিনা ? আমার উপর কোনো কিছু ভর করেছে নিশ্চিত... এখন এই লেখা লেখতে গিয়ে শিউরে উঠছি... আমার চোখের নোনা জলে কি-বোর্ড আর কম্পিউটার টেবিলের একাংশ ভিজে উঠেছে... পরিবারের সবাইকে আস্তে আস্তে জানাতে শুরু করলাম... ঘন্টা তিনেক চেষ্টার পর সবাইকে বুঝাতে পারলাম, প্রত্যু আর আমাদের মাঝে নেই... ও চলে গেছে না ফেরার দেশে... অবশেষে রাত ৮ টার পরে ওকে আজিমপুর শুইয়ে রেখে আকাশের দিকে তাকিয়ে শুধু বল্লাম- হে আল্লাহ, তুমি এত নিষ্ঠুর কেনো ?





আল্লাহ আপনাদের এই শোক সইবার ক্ষমতা দিক। এছাড়া আর কিছুই বলার নেই।
খুব খারাপ লাগছে খুব। মাথা ধরলেতো পাত্তাই দেই না। কি থেকে কি কান্ড।
প্রত্যু বাবা, যেখানেই থাকো, শান্তিতে থাকো
কিছুই বলার নাই। আল্লাহ ওকে যেখানেই রাখুক শান্তিতে রাখুক।
পরশু রাতে যখন আপনার সাথে কথা হ'লো, কিচ্ছু বুঝিনি। কালকে বিকেলেও বুঝিনি আপনি এরকম স্ট্রেসফুল সময় পার করছেন...
ভাই, আল্লাহ আসলেই নিষ্ঠুর ।
পড়তে পড়তে চোখ ভিজে এল। সবাই বেহেশত বাসি হউক , সেই দোয়া করি।
আপনি এই শোক বইবার শক্তি পান , সেই দোয়াও করি।
আপনি কবে আবার ব্লগে লিখবেন, এখানে সেই অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু এরকম লেখা নিশ্চয়ই কেউ আশা করেনি
আল্লাহ প্রত্যুকে ভাল রাখুক।
~
মেজবাহ ভাই, আপনাকে ফিরে আসতে বলেছিলাম, কিন্তু আপনি এ-কি লেখা নিয়ে ফিরে এলেন!
এই ভয়াবহ দূর্যোগে আপনার জন্য কোনো সান্ত্বনা বাক্যই আসলে যথেষ্ট নয়, তবু বলবো, আপা-দুলাভাইসহ আপনাদের পরিবারের সবাই এই কঠিন শোক সামলে ওঠেন, এই প্রত্যাশাই করি।
কি বলবো খুঁজে পাচ্ছি না মেজবাহ ভাই।
ওস্তাদ আপনাকে শোক সহ্য করার শক্তি দিক মেসবাহ ভাই।
......
লেখাটা পড়তে পড়তে শেষদিকে এসে আশাবাদী হয়ে গেলাম, মনে হল বাচ্চাটা বেঁচে যাবে। কিন্তু...আল্লাহ যেন আপনাদের সবাইকে শোক সইবার শক্তি দেন।
আমরা যারা মাথা ব্যথা হলে তেমন গা করি না, তারা প্লিজ এখন থেকে সচেতন হবেন। বিশেষ করে বাচ্চাদের অসুস্থতাকে বেশি গুরুত্ব দিন। প্লিজ।
কি বলবো......
( ..... আল্লাহ্্ আপনার পরিবার-স্বজনদের শোক সামলিয়ে উঠবার শক্তি দিন।
এমনও সময় মানুষকে দেয় আল্লাহ
পরিবারের সবাইকে এই কঠিন সময় পার করার শক্তি দিন আল্লাহ আপনাদের।
khub kosto lagse...Allah Prottur jonno jannat nosib korun.
r poribarer shobai k dhorjo dhorar toufik daan korun..ameen.
চোখের পানি ধরে রাখতে পারছিনা বন্ধু।
আমি কাঁদছি.।.।।।
ওকে আমি কয়েকবার দেখেছিলাম। মিষ্ট চোহারা আমি কিছুতেই ভুলতে পারছি না।
কি বলবো? খোদা কেন তার সৃষ্টিকে নিয়ে এভাবে খেলেন? আমাকে মাপ করবেন কিছু বলতে পারছি না।
লেখাটা পড়তেছি আর ভয় বাড়তেছিল


আল্লাহ পরিবারের সবাইকে এই কঠিন সময় পার করার শক্তি দিক
বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি
আমি লেখাটি পড়তে গিয়ে আমার মুখ থেকে আর কোন শব্দ বের হয়নি ভাইয়া। আমি জানি এমন সম্ভাবনাময় মানুষরা কেন জানি পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। এই বয়সের আমিও একজনকে হারিয়েছি আজ থেকে তিনবছর আগে। আসলে ঈশ্বর বড় নিষ্ঠুর।
আমি লেখাটি পড়তে গিয়ে আমার মুখ থেকে আর কোন শব্দ বের হয়নি ভাইয়া। আমি জানি এমন সম্ভাবনাময় মানুষরা কেন জানি পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। এই বয়সের আমিও একজনকে হারিয়েছি আজ থেকে তিনবছর আগে। আসলে ঈশ্বর বড় নিষ্ঠুর।
আল্লাহ যেন আপনাদের সবাইকে শোক সইবার শক্তি দেন।
আল্লাহ যেন আপনাদের সবাইকে শোক সইবার শক্তি দেন। বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি
খুবই খারাপ লাগছে লেখাটা পড়তে, তাই কমেন্টই করিনি সেদিন। ছবি দেখে আরো আরো কষ্ট পেয়েছি, চোখ ভরে আসছিলো বারবার, কেন এইটুকুন ছেলেটা এমন কষ্টের সম্মুখিন হলো! কেন ও নাই আর ...
আল্লাহ যেন আপনাদের সবাইকে শোক সহ্য করার শক্তি দেন। প্রত্যু'র আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি
আল্লাহ আপনাকে শোক সহ্য করার শক্তি দিক।
শোক সামলে উঠবার শক্তি আসুক আপনাদের সবার ভেতর।
আজ ১৯ জানুয়ারি ২০১২, বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটা ৩০ মিনিটে জাবির আইটি বিভাগে ভাগিনা প্রত্যুর স্মরণসভা এবং ওর জন্য দোয়া হবে... আমাকে যেতে বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কী বলবো আমি ওখানে গিয়ে...
লেখাটি পড়ে চোখের জল ধরে রাখতে পারিনি । কিছু বলার মত খুঁজে পাচ্ছিনা
আল্লাহ আপনাদের এই শোক সইবার ক্ষমতা দিক। এছাড়া আর কিছুই বলার নেই।
মন প্রচণ্ড খারাপ হয়ে গেল।।
(
তুর্যকে আমি খুব ভালো করে চিনি। কিন্তু প্রত্যয়কে হয়তো খুব ছোটটি দেখেছি। অনেক চেষ্টা করেও ওর মুখটা স্মৃতিতে আনা গেল না। উনিশ বছরের একটি তরতাজা তরুণের এভাবে হঠাৎ প্রস্থান। কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না। জানি এ ক্ষেত্রে কোন সান্তনার বাণীই যথেষ্ট নয়, তাই সে চেষ্টায় গেলাম না। শুধু প্রার্থনা করি, যে জগতেই থাকুক, ভালো থাকুক প্রত্যয়।
শুধুই প্রার্থনা
(
মন্তব্য করুন