ইউজার লগইন

জয়তু বন্ধুতা !

সামুয়েল ইকবাল। ডাক নাম গগন। আমার বন্ধু। রংপুর মুন্সি পাড়ার ছেলে। ওর বৌ শাপলা। সামুয়েলদের রংপুরের বাসায়ও গিয়েছিলাম। সেটা ৯৮ বা ৯৯ সালের গল্প। হঠাৎ একদিন শুনি সে বন্ধুটি দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। সাথে তার বৌ। যেদিন তাদের ফ্লাইট- তার ৪/৫ দিন আগে ঢাকায় চলে আসলো ওরা। নবাবপুরের একটা হোটেলে উঠলো। সেখান থেকে ফোন করে জানালো আমায়। হোটেলে উঠায় একটু অভিমানই হয়েছিলো আমার। তারপরও তার সাথে দেখা করতে হোটেলে যাই। সেখানেই পরিচয় তার বৌ শাপলার সাথে। নতুন বৌকে নিয়ে বাসায় আসতে বলি। পরদিন আসে। সারাদিন বাসায় থেকে রাতে আবার হোটেলে ফিরে যায়। সেই সামুয়েল ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দেশ ছেড়ে ইংল্যান্ডের পথে উড়াল মারে। তার সাথে যোগাযোগটা নিয়মিতই রয়ে যায়। এখনও আছে। প্রায়ই ফোনে বলে, চলে আসবে দেশে। আবার বলে- এসে এখানে কী করবে ? গত বছর তাদের একটা কন্যাসন্তান জন্ম নেয়। এই ছেলেটাকে আমি খুব মিস করি...

সোহেল কাদের। একটা সময় চিত্রালিতে লিখালিখি করতো। সেটা ৮৮- ৮৯- ৯০ সাল। ফেনীতে বাড়ি। থাকতো চিটাগাং এ। জিইসির মোড়ে ওর চাচার একটা কম্পিউটার ট্রেনিং ইনিস্টিটিউট ছিলো। কম্পিউটার হোম। সেটা এখন বোধ করি আর নাই। সেখানেই ট্রেনার হিসাবে ছিলো সোহেল। ওর নামের সাথে আগেই পরিচয় ছিলো। তারপর কোনো একদিন চট্টগ্রাম গিয়ে ওর সাথে দেখা হয়। সেই থেকে বন্ধুত্ব আমাদের। সেই সোহেল ঢাকায় এল। বিয়ে করলো ডাক্তারনীকে। ওর বৌ নাসরিন। তারপর একদিন সোহেল নাসরিনসহ স্বপ্নের দেশ আমেরিকার দিকে পা বাড়ালো। আমি এই ঢাকাকে আঁকড়ে পড়ে রইলাম। ২০০১ সালে ওরা আমেরিকায় চলে গেলো। ২০০৪ পর্যন্ত যোগাযোগ ছিলো। তারপর যা হয় আর কী ! ওদের ব্যস্ততা বেড়ে গেলো। বাড়লো আমারও। একসময় এক্কেবারে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লাম আমরা। ২০০৮ সালে ফেসবুকের কল্যাণে সোহেলকে উদ্ধার করলাম। ওর ইনবক্সে গিয়ে একটা ম্যাসেজ দিয়ে আসলাম। তারপর আবার যোগাযোগ শুরু হলো আমাদের। এর মধ্যে বার তিনেক বাংলাদেশে এসেছে ওরা। প্রতিবারই দেখা- আড্ডা- বেড়ানো হয়েছে একসাথে...

মনু আমার বাল্যকালের মানে নেংটা কালের বন্ধু। আমাদের পাশাপাশি গ্রামে বাড়ি। এরশাদের আমলে কলেজে পড়ার সময় ছাত্র আন্দোলন হয়। সে আন্দোলনের সামনের কাতারে ছিলো বন্ধুটি। আমি তখন ঢাকায়। খবর পেলাম বুকে গুলি খেয়েছে মনু। লক্ষীপুর থেকে ওকে ঢাকার সিএমএইচ এ নিয়ে আসা হলো। ২১ দিন অজ্ঞান থাকার পর অবশেষে তার জ্ঞান ফিরলো। অপারেশন করে তার বুকের ভেতর থেকে বুলেটের একটা অংশ বের করা হলো। কোনো মতে বিএ পাশ করে ও ঢাকা চলে আসলো। আমরা এক সাথেই থাকতাম ফার্মগেট এলাকায়। মনুর বড় ভাই রহিম থাকতো জাপানে। মনুর শয়নে, স্বপনে আর জাগরনে ছিলো জাপান। শুধু জাপান যাবার অপেক্ষায় থেকে থেকে এই ছেলে ফার্মগেট এলাকার প্লাজা আর স্টার এই দুটো হোটেলের নাস্তার বিল দিয়েছে লক্ষাধিক টাকা। সকাল বিকাল কখনো সে একা নাস্তা করতো না। আমাদের নিয়ে খেত। কারো কোনো বিপদ, ডেটিং এ যাবার টাকা নেই, দুপুরে খাবার টাকা নেই, বাসা ভাড়া বাকি- নো প্রব্লেম। লাগে টাকা দেবে গৌরী সেন (মনু)। অকাতরে পরিচিত যে কারো বিপদে টাকা- পয়সা দিয়ে সাহায্য করার ক্ষেত্রে ওর কোনো জুড়ি ছিলো না। আমরা ওকে সংক্ষেপে ডাকতাম 'সাস' বলে মানে সাহায্যকারী সংস্থা। দিনে অন্তত ২ প্যাকেট সিগারেট খেত ও। আমার দেখা একমাত্র মানুষ, যাকে কখনো সিগারেট খেতে অনীহা করতে দেখিনি। সে বন্ধু শেষতক হংকং, সুইডেনসহ আরো কোন কোন দেশ পেরিয়ে অবশেষে একদিন গিয়ে পৌঁছালো তার স্বপ্নের দেশ জাপানে। সেখানে ছিলো ১৪ বছর। তারপর যখন দেশে ফিরলো মানে ফিরতে বাধ্য হলো- ততদিনে তার সম্বল হচ্ছে- এক স্ত্রী, দুই কন্যা আর নগদ হাজার বিশেক টাকা...

ফেরদৌসি ইয়াসমিন তনু। তুখোড় লেখিয়ে ছিলো। ওরা ছিলো দুই বোন। মালিবাগে ছিলো ওদের বাসা। ঘরে অসুস্থ মা। বাবা ছিলেন সিনেমার পরিচালক। হাতে গোন দু-চারটি সিনেমা বানিয়েছিলেন তিনি। ঢাকার একটি বেসরকারি কলেজের বাংলার অধ্যাপক ছিলেন্। সেই তনুর সাথে পরিচয় আমার ৮৯ সালে। সেটাও লেখালেখির কারনে। খুব সহজেই ওর সাথে আমার সম্পর্কটা ভাই-বোনের হয়ে যায়। আমি ওকে 'তুই' করে বলতাম। ও বলতো 'ভাইয়া'। তনুদের বাসায় ছিলো আমার নিত্য আসা যাওয়া। ৯২-৯৩ সালের দিকে আমি স্কয়ারে চাকরী নিয়ে ঢাকা ছাড়ি। তনু থেকে যায় ঢাকাতেই। এর মধ্যে ওর মা মারা যান। আমাদের সাথে নিয়মিত চিঠি যোগাযোগ ছিলো। সপ্তাহ শেষে ঢাকা এলে ওর সাথে দেখা হতো। এমনি একসময়ে তনু 'রানা' নামের এক ছেলের সাথে জড়িয়ে পড়ে। রানা থাকতো শ্যামলী এলাকায়। ওদের গার্মেন্টের ব্যবসা ছিলো। হুট করে একদিন শুনলাম- রানা আর তনুর বিয়ে। তনু আমাকে জানালো না। খুব কষ্ট পেলাম। প্রচন্ড অভিমান হলো আমার। তারপর ২০০২ সাল থেকে তনুর সাথে আমার যোগাযোগ একদম বন্ধ হয়ে গেলো। জানতাম ঢাকাতেই থাকে। এর বেশি কিছু আর না। মনে মনে ওকে কত খুঁজেছি। কিন্তু কারো কাছে জানতে চাইনি কখনো। ইচ্ছে করলে ঢাকায় ওর অবস্থান জেনে নেয়া খুব কঠিন ছিলো না। কিন্তু কী এক তব্রি অভিমানে আমি সে চেষ্টা করিনি। সম্প্রতি আমার এক কাজিনের সাথে মিরপুর এলাকায় তনুর দেখা হয়েছে। তনু তার ভাইয়ার খবর জানতে চেয়েছে ! ওর ২ মেয়ে। থাকে মিরপুরে ...

কাল বন্ধু দিবস। আমার এই কজন বন্ধুকে আজ কেনো জানি খুব করে মনে পড়ছে। যে যেখানে আছে, ওরা ভালো থাকুক। ওদের সবার জীবন মঙ্গলময় হোক। জয়তু বন্ধুতা !

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রায়েহাত শুভ's picture


দিবস মাইনা বন্ধুদের স্মরণ করার বিরোধী হওয়া সত্ত্বেও, বন্ধু দিবস উপলক্ষ্যে এই লেখাটা জোস লাগ্লো...

মেসবাহ য়াযাদ's picture


থ্যাংকু, থ্যাংকু

শওকত মাসুম's picture


পরশু দিন বিশ্ব বান্ধবী দিবস। তাদের নিয়া লেখেন এবার

মেসবাহ য়াযাদ's picture


কাগজে লিখো নাম, কাগজ ছিঁড়ে যাবে
পাথরে লিখো নাম, পাথর ক্ষয়ে যাবে
সো,
হৃদয়ে লিখো নাম, সে নাম রয়ে যাবে...... Wink

মীর's picture


মেসবাহ য়াযাদ। আমরা বন্ধু ব্লগের সুবাদে পরিচয়। গত ২০১০ সাল থেকে। সেই হিসাবে পরিচয়টা বেশিদিনের না। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে মায়ময় আচরণ আর ব্যবহার দিয়ে হৃদয়ের গভীরে আসন করে নিয়েছেন ভদ্রলোকটা। কিছুদিন ব্লগে অনুপস্থিত থাকলেই সবার আগে যে মানুষটা এসে ঝাড়ি মারতে শুরু করেন, সেটা এই মেসবাহ য়াযাদ। যেকোন বিপদ-আপদ, সমস্যা, সুখবর-দুঃসংবাদ ইদানীং যার সঙ্গে অকাতরে ভাগ করে নিই; সেটাও এই মেসবাহ য়াযাদ। এই ব্লগে সবাই তাকে দাদাভাই বলে ডাকে এবং যেকোন বিপদের 'মুশকিল-আসান' মনে করে। এসব সম্ভবত সফলভাবে জাহাজভর্তি ট্যূরিস্ট নিয়ে সুন্দরবনে হারিয়ে যাওয়া, সুপারহট পাংখা নিয়ে সূর্য উৎসবের আয়োজন করা, প্রত্যেক বছর এবিবাসীর জন্য পিকনিকের যাবতীয় আয়োজন করা- ইত্যাদি কারণে। তবে আমার কাছে এই লোককে একজন 'দিলখোলা ভালো মানুষ' ছাড়া আর কিছু মনে হয় না। বন্ধু দিবস উপলক্ষে প্রতি বছর উনি এই ধাঁচের একটা করে লেখা দেন। আমি যথেষ্ট বিরক্তি নিয়ে সেগুলো পড়ি। কারণ সেগুলোতে কখনো আমার নাম থাকে না। বড়ই আফসোস্!

টুটুল's picture


Wink

জ্যোতি's picture


আপনার নাম কেন লিস্টে থাকে না সে কারণে একটা ঝগড়া তো লাগাতে পারেন, নাকি!

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মারাত্বক শর্মিন্দা লাগতেছে Puzzled

জ্যোতি's picture


আপনার বন্ধু ভাগ্য সত্যিই হিংষা করার মত। মাঝে মাঝে মনে হয় একজন এমন বন্ধু পেলাম না যে আত্নার একটা অংশ হত।
বন্ধু দিবসে অগ্রীম শুভেচ্ছা মেসবাহ ভাই। এবি ব্লগের সকলকে বন্দু দিবসে শুভেচ্ছা, ভালোবাসা।

১০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মাঝে মাঝে মনে হয় একজন এমন বন্ধু পেলাম না যে আত্নার একটা অংশ হত।

কেউ না কেউতো আছেই... তুমি হয়তো দেখছোনা বা বুঝতে পারছোনা...

১১

সাবেকা's picture


বন্ধুরা ভাল থাকুক সাথে আপনিও ।
লেখাটা ভাল লাগল পড়ে ।

১২

মেসবাহ য়াযাদ's picture


বন্ধুরা ভাল থাকুক সাথে আপনিও

ধন্যবাদ আপনাকে

১৩

রাসেল আশরাফ's picture


জয়তু বন্ধুতা।

১৪

টুটুল's picture


জয়তু বন্ধুতা !

১৫

মেসবাহ য়াযাদ's picture


জয়তু বন্ধুতা !

সেইটাই আসল কথা Big smile

১৬

সামছা আকিদা জাহান's picture


প্রথম মন্তব্য পড়ে মনে পড়ল আজ বন্ধু দিবস। খুব আশ্চর্য হয়ে আবিষ্কার করলাম আমার কোন বন্ধুর সাথে এখন কোণ যোগাযোগ নেই আর তাদের আমি মিস করিও না তবে মাঝে মাঝে বন্ধু শূন্য জীবনটা খুব কষ্ট দেয়। তাই তো ব্লগে বা ফেসবুকে বন্ধুত্বের মাঝে নিজেকে রেখেছি। কিন্তু এখানে কি সব পাওয়া যায় যা চাই। কি সব লিখে গেলাম। লেখাটা নস্টালজিক। খুব ভাল লাগলো।

১৭

মেসবাহ য়াযাদ's picture


Sad
Stare
Shock

১৮

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


টিপ সই

১৯

মেসবাহ য়াযাদ's picture


Welcome

২০

আরাফাত শান্ত's picture


বন্ধুত্ব জিন্দাবাদ!

২১

মেসবাহ য়াযাদ's picture


জয়তু বন্ধুতা Big smile

২২

রন্টি চৌধুরী's picture


স্যামুয়েল ইকবালের সাথে বারদুয়েক দেখা হয়েছিল কই যেন। একবার মনে হয় বন্ধুসভার নৌবিহারে। ঠিক মনে নেই, নিশ্চিত নই তাই। অদ্ভুত লাগত লোকটাকে। বিচিত্র, তাই ভালো লাগত।

মেসবাহ য়াযাদ লোকটাকেও কই কই জানি দেখেছিলাম। সবসময় রাগী রাগী চেহারা করে রাখে লোকটা। ব্লগে তার লেখা পড়ে মনে হয় রাগী চেহারাটা একটা শোঅফ, লোকটা আসলে অতটা খারাপ না।

২৩

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মেসবাহ য়াযাদ লোকটাকেও কই কই জানি দেখেছিলাম। সবসময় রাগী রাগী চেহারা করে রাখে লোকটা। ব্লগে তার লেখা পড়ে মনে হয় রাগী চেহারাটা একটা শোঅফ, লোকটা আসলে অতটা খারাপ না।

Smile Laughing out loud Big smile Wink Tongue

২৪

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


মেসবাহ ভাই,
আপনি কি গ্রীন রোডের মোস্তফা গলি তে থাকেন?

২৫

মেসবাহ য়াযাদ's picture


তাইতো থেকে আসছি ৮৬ সাল থেকে Big smile
কেনো বলুনতো ? আপনিও কি আশে-পাশে Wink

২৬

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


পাশের গলি,
জাহানারা গার্ডেন।
আমার মোটে বছর তিনেক হল এখানে।

কালকে রাত দশটা এগারটা নাগাদ দেখলাম আপনের পংখীরাজে,
এই জিনিস এখনও ঠিক রাখছেন কেমনে?!

২৭

মেসবাহ য়াযাদ's picture


গলির মাথায় সিগারেটের দোকানের সামনে ?
আবার দেখা হৈলে ছোট কৈরা একটা আওয়াজ দিয়েন.. Tongue

২৮

মেসবাহ য়াযাদ's picture


২০০৩ এ কিনা, আমার এক বন্ধুর।
হিরো এই কালারের অ্যাম্বিশন আইছেই ৬ টা বাংলাদেশে।
তারপর আর আসে নাই।
আমি চালাইতেছি ২০০৬ থেকে। ৬ বছর।
ঠিক ঠাক যত্ন করি। একটু বোধহয় মায়াই পড়ে গেছে। ইঞ্জিনটা এখনও দারুন...

২৯

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


ওয়াহ,
আপনে তো সেরাম লাকী মানুষ।

আজকালকার ঝাকানাকা মার্কা মোটরসাইকেল দেইখা ত্যাক্ত ব্র্যাক্ত হৈয়া গেছি! আগের সিম্পল গুলাই ভাল।

৩০

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


না, গলিতে ঢুকলে সেকেন্ড লন্ড্রী টার অপজিটে ছিলাম।

আইচ্ছা।

৩১

মেসবাহ য়াযাদ's picture


কম্পুটারের দোকানটার সামনে/ ফ্ল্যাক্সির ওখানে (পাশের একটা গ্লাসের দোকান তাইনা ?)

৩২

রাসেল আশরাফ's picture


Big smile Tongue

৩৩

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


হ! আপ্নে তাকাইছেন, দেখছিলাম।

৩৪

তানবীরা's picture


লিষটে নাম নেই দেখে শিওর হলাম আমাদের আপনার মনে পড়ে নাই Sad

বন্ধুত্ব জিন্দাবাদ!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মেসবাহ য়াযাদ's picture

নিজের সম্পর্কে

মানুষকে বিশ্বাস করে ঠকার সম্ভাবনা আছে জেনেও
আমি মানুষকে বিশ্বাস করি এবং ঠকি। গড় অনুপাতে
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি।
কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
কন্যা রাশির জাতক। আমার ভুমিষ্ঠ দিন হচ্ছে
১৬ সেপ্টেম্বর। নারীদের সাথে আমার সখ্যতা
বেশি। এতে অনেকেই হিংসায় জ্বলে পুড়ে মরে।
মরুকগে। আমার কিসস্যু যায় আসে না।
দেশটাকে ভালবাসি আমি। ভালবাসি, স্ত্রী
আর দুই রাজপুত্রকে। আর সবচেয়ে বেশি
ভালবাসি নিজেকে।