ইউজার লগইন

ন্যাড়া বার বার বেল তলায় যায়

আমার জানের জান জানুর সব কিছু হাতের কাছে বেড় করে দিলেও সে কিছুই খুঁজে পাবে না যতক্ষন না পর্যন্ত সেই জিনিস তার চোখের সামনে ঝুলানো না হয়। কথাটা একটু বুঝিয়েই বলি। জানু অফিসে যাবে। সে জানে তার কোন জিনিস কোথায় আছে। সেই সব ড্রয়ার সে তন্ন তন্ন করে খুঁজবে এবং যথারীতি কিছু খুঁজে না পেয়ে চিৎকার করে আমাকে ডাকবে। এই কাজ তার সারা জীবনেই চলে আসছে। আল্লাই জানে যখন আমি ছিলাম না তখন সে কাকে ডাকতো? তাই বলে ভাবার কোন কারন নাই যে, সে মায়ের আদরের দুলাল। সেই ক্লাশ সেভেন থেকেই উনি হোস্টেলে থাকেন।

আমারও কাজ থাকে। অফিস আছে , বাচ্চাদের স্কুল আছে , বাড়িতে সারাদিনে কী কী করতে হবে তা কাজের লোকদের বুঝিয়ে দেয়া আছে। উনি তো সকালে ঘুম থেকে উঠে তার কাজটুকু সেরে অফিসে যাবে। বাড়ির আর কোন খবরে বা কাজে তিনি নাই।
মাঝে মাঝে খুব বিরক্তও লাগে। তখন ড্রয়ার খুলে তার হাত দিয়েই জিনিসটা বেড় করে নেয়াই। সেই সময় খুব কাচুমাচু মুখ করে বলে --আমি তো এতক্ষন ধরে খুঁজলাম কিন্তু পেলাম না তো। আবার মাঝে মাঝে বিরক্ত হয়ে আমি সামনেই যাই না।

তখন আমি শাহজাহানপুরে থাকি। একদিন শুক্রবার। নামাজে যাবে। জানি কিছুই খুঁজে পাবে না, তাই ও গোসলে যাবার সাথে সাথে পাঞ্জাবী, পায়জামা, টুপি, আতর ও অন্যান্য সব কিছু বিছানার উপরে রেখে রান্না ঘরে গিয়েছি। যথারীতি চিল্লাচিল্লি। এটা কই, ওটা কই? আমি ও চিৎকার করে বলছি --সব তো রেডী করে রেখেছি বিছানায়। কিন্ত তার চিল্লাচিল্লি চরমে উঠলে পরে ঘরে যেয়ে জিজ্ঞাসা করলাম --এই কী হয়েছে কী?
খুব রাগ রাগ স্বরে বলল---জানই আমি নামাজে যাব, দেরী হয়ে যাচ্ছে, একটু আসা যায় না? পাঞ্জাবী, পায়জামা নাই।
---এগুলি কী?
---গ্যাঞ্জী আন্ডারওয়ার কই?
পাঞ্জাবী তুলে দেখালাম -- এই তো। তিনি তার রাগটা এখন কেমন করে কমান?। অন্য সময় হলে হেসে বলতো দেখিনি, সেদিন কি কারনে যেন গজ গজ চলতেই থাকলো । পাঞ্জাবী, পায়জামা, টুপি পরে গজ গজ করতে করতে বললেন --আতরটাও তো নাই। টুপির পাশে রেখে দেয়া আছে দেখালাম। মানিব্যাগটা হাতিয়ে বিরক্ত হয়ে বললেন --দেখি কয়টা খুচরা টাকা দাও, দুই টাকার নোট, মসজিদে দিতে হয়। দিলাম খুচরা দশটাকা। কোন কথা বললাম না। যাবার সময় দেখি সেন্ডেল সু পায়ে দিচ্ছে। শুধু বললাম স্পঞ্জ পরে যাও চুরি হয়ে যাবে। --মতব্বরী করতে হবে না। চলে যাবার সাথে সাথে আটকিয়ে রাখা হাসিটাকে ছেড়ে দিলাম।

নামাজ শেষে ফিরলো। কলিং বেলের শব্দে দরজাটা খুলবার সাথে সাথে বলল-- মানিব্যাগটা দাও, মানিব্যাগ।
বললাম ---কেন? রিক্সায় এসেছ?
--কথা না বলে মানিব্যাগটা দাও না? আমি মানিব্যাগটা এনে দিলাম। সে সিঁড়ি দিয়ে নেমে চলে গেল। কিছুই বুঝলাম না। শুধু বুঝলাম বাবুর রাগ কমেনি বরং আর একটু বেড়েছে। মনে মনে ভাবলাম দেখি না তার রাগ কত বাড়ে।
কিছুক্ষন পরে বাসায় এল। ঘর্মাক্ত কলেবরে। কাপড় খুলে বাতাসে এসে দাড়াঁল। ভাত খেতে ডাকলাম। ভদ্রভাবে এসে টেবিলে বসলো। মুখ দেখি হাসি হাসি, এবার তো আমার গম্ভীর থাকার পালা। তাই আমি গম্ভীর। ভাত খেতে খেতে বললো -- কী হয়েছে জান?
জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে তাকালাম। --আমার সেন্ডেলগুলি দেখ না? আমার নামাজ কবুল হয়েছে।
--কী?
--আর বলো না নামাজ পড়ে বেড় হয়ে দেখি স্যান্ডেল নাই। বহু কষ্টে হাসি চাপালাম। কারন এবারে আমি রাগ দেখাব।
--তখনই না করলাম।
--- খালি পায়ে হেঁটে আসতে যে কী কষ্ট এই রোদে। একটা খালি রিক্সা দেখে ওটাতে উঠলাম। ভাবলাম রিক্সায় যদি উঠেছি স্যান্ডেল একজোড়া কিনে নিয়েই যাই। সব দোকান বন্ধ নামাজের জন্য। শান্তিনগরের মোড়ের বাটার দোকান খোলা। সেখানে নামলাম। রিক্সা দাঁড় করিয়ে রেখে স্যান্ডেল চয়েস করে কিনতে যেয়ে দেখি মানিব্যাগ নাই। একেবারে আহাম্মক হয়ে গেলাম। ফিরে এসে মানিব্যাগ নিয়ে যেয়ে স্যান্ডেল কিনে ফিরলাম। তার হাসি আর কমছে না। হাসি চেপে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা করে আমিও হা হা করে হাসতে লাগলাম। একবার শুধু মনে করিয়ে দিলাম ---কাঙ্গালের কথা বাসী হলেও ফলে।

ঘটনা এখানে শেষ হলে শিরোনাম টা আলাদা হত। গত ৩ তারিখে ঢাকায় আবার ও জুম্মার নামাজ পরতে যেয়ে সেন্ডেল চোরকে দিয়ে নামাজ কবুল করে ফিরেছে। এরপরের কাহিনীটা একটু বেদনা দায়ক।
ত ৮ তারিখে বেচারার একটি পার্টি ছিল ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে। সেখানে তিনি যাবার জন্য খুব মাঞ্জা মেরেছেন। ফতুয়া-জিন্স পরেছেন। এরপর রাস্তায় বেড় হয়ে তার মনে হয়েছে এই জ্যামে বসে আছি দেখা যাচ্ছে মসজিদ একটু মাগরিবের নামাজটা আদায় করেই নেই। যা ভাবা সেই কাজ। নামাজে গেলেন। নামাজ পড়ে উঠে দেখেন নিয়মমত ওনার স্যান্ডেল নেই। গাড়িতে উঠে স্যান্ডেলের দোকান পর্যন্ত পৌঁছাবার আগেই মার্কেট বন্ধ হবার তোড়জোড়। গাড়িতে একজোড়া স্পঞ্জ ছিল মাঝে মাঝে নামাজের ওজু করার জন্য প্রয়োজন হয় তাই। সেই স্পঞ্জ জোড়া পরেই তিনি সম্পূর্ন পার্টি শেষ করে ফিরলেন। আমি কপট রাগ করে বললাম ---আবারও মসজিদে স্যান্ডেল পরে গেছ?
--আমি তো ভেবেছি শুধু জুম্মাবারে জুতা চুরি হয়!।

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

ফিরোজ শাহরিয়ার's picture


আহা রে...! তবে বেল তলায় বার বার যাওয়াও ঠিক আছে। যদি মাথায় না পড়ে উনি ক্যাচ ধরতে পারেন, তাহলে?

সামছা আকিদা জাহান's picture


ভাই ক্যাচ তো দুরের কথা সে তো খালি ছয় পেটানোর ব্যবস্থা করে দিচ্ছে চোরকে।

মিতুল's picture


স্যান্ডেল এবং ছাতা - একটা পায়ে পায়ে ঘুরে অন্যটি হাতে হাতে। চমৎকার লেখা।

সামছা আকিদা জাহান's picture


স্যান্ডেল তো পায়ে পায়েই ঘুরার কথা কিন্তু আমার জানুর জুতা যে চোরের হাতে হাতে --

হাসান রায়হান's picture


এরম একটা লোকরে বিয়ার এত্ত বছর পরেও জানু!!!!! দুনিয়াটা বড়ই আশ্চর্য্যের।
দুনিয়ার সবথিকা মহীয়সী প্রেমময়ী নারীর নাম সামছা।

রাসেল আশরাফ's picture


রায়হান ভাইয়েরর কমেন্টে ১ ভোট।

=======================

ডেভুব্যাটা কমেন্টে লাইক বা ভোট দেয়ার অপশন দেয় না ক্যান?? Crazy Crazy Crazy

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমি আনন্দিত হইলাম।

সামছা আকিদা জাহান's picture


কী করবো ভাই --- ঈশ্বর কে তো প্রভু , স্বামী, পতি ইত্যাদি বলা হয়। এই রকম একটা অপদার্থকে তো আমি তার সাথে তুলনা করতে পারিনা। আর জানের জান বলার কারন এত্ত বছর পর আবিষ্কার হইছে যে তার সাথে সাথে থাকতে তাকতে আমার আর জান বলে কিছু নাই সবই বরবাদ---থাক আর বেশী কিছু কইলাম না ।

হাসান রায়হান's picture


একটু মজা করলাম। আসলে আপনার এই জানু বলা কিন্তু বেশ ভালো লাগে। শুভকামনা রইল আপনাদের দুইজনের জন্য।

১০

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমিও তো মজা করেছি ভাই। মজা করার জন্যই তো লিখেছি। ধন্যবাদ।

১১

রাসেল আশরাফ's picture


আমারো একবার নতুন স্যান্ডেল হারায়ছিলো মসজিদ থেকে। Sad Sad

১২

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমার জানু সবার সেরা সে হেট্রিক করেছে, আপনি তো তা পারেন নাই।

১৩

সকাল's picture


আপনার জানু হচ্ছেন প্রাণখোলা মানুষ।
আপনার এবং আপনার জানুর জন্য শুভকামনা।

১৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


শুধু প্রান খোলা হাত ও খোলা। তাকে খালি পায়ে দোকানে ঢুকতে দেখেই দোকানি বগলিত হাসি দিয়ে জিজ্ঞাসা করে --কি স্যার জুতা চুরি হয়ে গেছে?।

১৫

জ্যোতি's picture


লেখাটা কি যে ভালো লাগছে! আমাদের দুলাভাই দেখি দারুণ সুইট! আমিও বলি, মায়াবতী এক নারীর নাম সামছা। আহারে মায়া!

১৬

সামছা আকিদা জাহান's picture


আহারে মায়া--- ।

দুলাভাই খুব সুইট। দুলাভাইকে জানিয়ে দেব। দেখি গর্বে তার বুকের ছাতি কয় ইঞ্চি বেরে যায়।

১৭

জ্যোতি's picture


দুলাভাই এর বুকে ছাতি আছে তাতো বুঝতেই পারছি। মামদো ভূত আর মাকে ছায়া দিয়ে রাখে। ছাতিটা বাড়লো কিনা জানা হলো না।

১৮

সামছা আকিদা জাহান's picture


আজ সকালে তার খুশি দেখে তো মনে হচ্ছে কিছু হইছে আবার দেখি গুন গুন করে গান গাইবার চেষ্টা করছে। আমাকে বলছে চুলটা কালার করতে হবে------ ছাতি তো তাইলে ভালই বারছে

১৯

জ্যোতি's picture


খাইছেরে! ঘটনা তো তাইলে বেসুবিধার লাগতেছে। দেইখেন আবার ..........

২০

সামছা আকিদা জাহান's picture


এখন ও তো চোখ দুইটা কপালে আছে, চিন্তা নাই সুপার সুপারভিশনে রাখা হপে??

২১

লীনা ফেরদৌস's picture


জামাইকে যে কি পরিমাণ ভালবাসেন সেটা ভালই বোঝা যাচ্ছে, Love এভাবে দুজনে সারাজীবন কূজন করুন এটাই চাই Smile

২২

সামছা আকিদা জাহান's picture


জামাইরে না ভালবাইসা উপায় আছে রে বন্ধু আর যে বিকল্প নাই।( জিব্বায় কামর দেয়া ইমো হবে)।

২৩

লীনা ফেরদৌস's picture


Tongue বিকল্প থাকলে কি ভালবাসতেন না? Wink Shock

২৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


গোপন কথা খোলা জায়গায় বলতে নেই।

২৫

লীনা দিলরুবা's picture


খুক খুক খুক ...

ঠিকাছে গোপনেই বলো। আসো চিপায় যাই Tongue

২৬

সামছা আকিদা জাহান's picture


বুঝছ ---হি হি হি। কাউকে বলোনা কিন্তু।

২৭

লীনা দিলরুবা's picture


মাথা খারাপ! গোপন কথা গোপন থাকবে Tongue এগিয়ে যাও বন্ধু Wink

২৮

সামছা আকিদা জাহান's picture


তোমার দোয়ায় ---

২৯

লীনা দিলরুবা's picture


হ। দোয়া গো Tongue

৩০

সামছা আকিদা জাহান's picture


উহ্‌ চৌক্ষে পানি আইসা গেল--

৩১

লীনা দিলরুবা's picture


আয় বাবুল বুখে আয় Wink

৩২

সামছা আকিদা জাহান's picture


আহারে, এবারে চিক্কুর পাইরা কান্তে ইচ্ছা করতাছে, ----এত দিন কই আছিলা?

৩৩

লীনা দিলরুবা's picture


আর চিপায় নিয়ো না।
তোমার গোপন কথায় একমতের উপরে সহমত।

৩৪

সামছা আকিদা জাহান's picture


তোমারে কী দিয়া যে কিতজ্ঞতা জানাই। ধইন্যা পাতা গুলি কই যে গেল ---তবে ঐ কথাই রইল। ভাল থাক।

৩৫

লীনা দিলরুবা's picture


ধইন্যা পাতা

এই নাও, এগুলা আবার আমারে দাও Smile

৩৬

সামছা আকিদা জাহান's picture


http://www.amrabondhu.com/sites/all/modules/smileys/packs/Emo2/dhoinnapata.jpg নাও হাত ভরে।

৩৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


@লীনা তোমার কাছে কিছুতেই ধইন্যাপাতা যায় না। খাস দিলে দিলাম , মনের মধ্যে কুনো ভেজাল নাই তাও যায় না।

৩৮

জ্যোতি's picture


তিন মেয়ে মিলে চিপায় যাচ্ছেন এটা কিমুন কথা! নাউজুবিল্লাহ।

৩৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


জয়িতা এখন নাওজুবিল্লাহ বলে ফায়দা নাই, যাওয়া শেষ। এখন মাশাল্লাহ বল। মেয়েদের চিপায় থাকা ই উচিত। পর্দা মানতে হপে না।

৪০

লীনা দিলরুবা's picture


মেয়েদের চিপায় থাকা ই উচিত। পর্দা মানতে হপে না।

হাহাপেফা

৪১

সামছা আকিদা জাহান's picture


হি হি হি --হাইসো না হাইসো না তাইলে দুই দিকেই লস। হাসতে হাসতে পেট ফাটলো আর মোল্লারা বেপর্দার(চিপায় না থাকার) কারনে দোররা মারলো-- বড়ই জটিল কলিকাল।

৪২

লীনা দিলরুবা's picture


এত হাসি কেন এই দোষে জামাইরা চোখ গেলে দেবে, তিন দিকে বিপদ Stare

৪৩

সামছা আকিদা জাহান's picture


জমাইদের কাজ জামাইরা করবে তাই নিয়ে তুমি মেয়েমানুষ আবার কথা বল? জামাইরা কি তোমার খায়? বেয়াদপ বেপর্দা বউদের এমন করেই বেহেস্তের পথে নেয়া জামাইদের কর্তব্য।

৪৪

জ্যোতি's picture


কি সব কথাবার্তা! নাউজুবিল্লাহ।

৪৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


তওবাসতাকফিরুল্লাহ্‌,

৪৬

লীনা দিলরুবা's picture


এইটা কী আরবি ক্লাস Wink

৪৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


না দোস্ত ইহা মাস্তানী শিক্ষার প্রতিষ্ঠান।

৪৮

মেসবাহ য়াযাদ's picture


আমার জানের জান জানু....

Big smile Laughing out loud Smile

৪৯

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমার জানের জান জানু.... সোনার চান পিতলা ঘুঘু---

৫০

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


আমিও একবার ধরা খাইছিলাম Sad

আমি কি আর জানতাম নাকি যে চোরায় ছেঁড়া জুতাও চুরি করবে Puzzled

৫১

সামছা আকিদা জাহান's picture


ছেঁড়া জুতা?? বেচারা চোরের বিরাট লস্‌ হয়ে গেল।

৫২

একজন মায়াবতী's picture


সেই স্পঞ্জ জোড়া পরেই তিনি সম্পূর্ন পার্টি শেষ করে ফিরলেন।

Big smile Big smile বেচারা

৫৩

সামছা আকিদা জাহান's picture


আহারে বেচারা। সত্যিই সেদিন ওর জন্য আমার খুব মায়া হয়েছিল।

৫৪

শওকত মাসুম's picture


আহা! আহা!

৫৫

সামছা আকিদা জাহান's picture


আহা আহা ।

৫৬

তানবীরা's picture


আপনার গল্প শুনে আমার খুব ভালো লাগল। আমি একা না তাহলে দেখি Big smile

৫৭

সামছা আকিদা জাহান's picture


না না আমরা কখোনই একা না তা না হলে তো চোরেরা ভাতে মারা পরবে।

৫৮

কামরুল হাসান রাজন's picture


সেই ক্লাশ সেভেন থেকেই উনি হোস্টেলে থাকেন।

৫৯

কামরুল হাসান রাজন's picture


ওই ছয় বছর সব নিজে নিজে করতে হয় বলেই তো পরে আর কিছু নিজে করতে ইচ্ছা করে না Smile

৬০

সামছা আকিদা জাহান's picture


আহারে-----

৬১

সামছা আকিদা জাহান's picture


হ্যাঁ রে ভাই তবে এখন বাসায় থাকে।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

সামছা আকিদা জাহান's picture

নিজের সম্পর্কে

যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারেবারে,
আমার জীবনে তোমার আসন গভীর আন্ধকারে।
যে লতাটি আছে শুকায়েছে মূল
কূড়ি ধরে শুধু নাহি ফোটে ফুল
আমার জীবনে তব সেবা তাই বেদনার উপহারে।
পূজা গৌরব পূর্ন বিভব কিছু নাহি নাহি লেশ
কে তুমি পূজারী পরিয়া এসেছ লজ্জার দীনবেশ।
উৎসবে তার আসে নাই কেহ
বাজে নাই বাঁশি সাজে নাই গেহ
কাঁদিয়া তোমারে এনেছে ডাকিয়া ভাঙ্গা মন্দির দ্বারে।
যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারে বারে।