ইউজার লগইন
চিকলী নদী তীরে গোধূলী বেলায়।
লিখেছেন: সামছা আকিদা জাহান | সেপ্টেম্বর ২০, ২০১১ - ৫:১১ অপরাহ্ন
চিকলীর পথে।
চিকলীর পূর্বের আকাশ।
চিকলীর পশ্চীম আকাশ।
শ্যামলে শ্যামল গাছ।
একি অপরূপ সৃষ্টি।
এবারে প্রান্তরে প্রান্তরে হারিয়ে যাবার পালা।













পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন
সামছা আকিদা জাহান এর ব্লগ | ৩২ টি মন্তব্য |  ২৬১৫ বার পঠিত | ট্যাগঃ ছবি ব্লগ
বন্ধুর কথা
নিজের সম্পর্কে
যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারেবারে,
আমার জীবনে তোমার আসন গভীর আন্ধকারে।
যে লতাটি আছে শুকায়েছে মূল
কূড়ি ধরে শুধু নাহি ফোটে ফুল
আমার জীবনে তব সেবা তাই বেদনার উপহারে।
পূজা গৌরব পূর্ন বিভব কিছু নাহি নাহি লেশ
কে তুমি পূজারী পরিয়া এসেছ লজ্জার দীনবেশ।
উৎসবে তার আসে নাই কেহ
বাজে নাই বাঁশি সাজে নাই গেহ
কাঁদিয়া তোমারে এনেছে ডাকিয়া ভাঙ্গা মন্দির দ্বারে।
যতবার আলো জ্বালাতে চাই নিভে যায় বারে বারে।
সাম্প্রতিক মন্তব্য
- অঞ্জলী পেতেছি, জল দাও - বিষণ্ণ বাউন্ডুলে
- কোন রঙ নেই। - নিয়োনেট
- যন্ত্রনাদায়ক প্রশ্নের বিব্রতকর উত্তর ১৮+ - বিষণ্ণ বাউন্ডুলে
- বৃন্দাবনে কৃষ্ণের সাথে রাসলীলা। - এ. আর. টুটুল
- কি লিখি তোমায় - দূরতম গর্জন
- গীত --আপনারে চিনি - দূরতম গর্জন
- কি হবে? - দূরতম গর্জন
- খেরো খাতা - দূরতম গর্জন
- মঞ্চে যাত্রা দেখলাম - দূরতম গর্জন
- ১২ই নভেম্বর ১৯৭০--- একটি ছোট্ট ঘটনা - দূরতম গর্জন





প্রাকৃতিক সৌন্দরযে ভরা ছবি গুলো হৃদয় ছুঁয়েছে। অনেক সুন্দর
ধন্যবাদ ভাই প্রকৃতি সব জায়গায় সব সময়ই সুন্দর।
কি দারুণ সুন্দর জায়গা!! আজকাল লুকজনরে খুব হিংসা লাগে। মানুষ ঘুড়ে বেড়ায় আর আমি উদাস হয়ে বসে থাকি।
তোমার অভিশাপের কারনে বেড়াতে যাবার পর সেই জায়গায় নেমে মনে পরে ক্যামেরা আনা হয় নি।
কি আছে জীবনে! আমার মত মুফাইলের ক্যাম্রা দিয়া ফটুক তুলবেন। যে যাই বলুক দমায়া রাখতে পারবে না, এনশাল্লাহ।
সেটাই তো ভরসা কিন্তু ক্যাম্রা ম্যান্রা যে পেছনে (না ত্থুক্কু সামনে) হাসে।
আসল কথাই তো কইলেন না এই চিকলীটা কোথায়?
চিকলীটা যে কই ?? ভূমিকম্পে সব হারায় গেছে।
চিকলী একটি নদীর নাম। এটা নীলফামারীর দিনাজপুর রোডে।
ঘুরতে যাইতে মঞ্চায়
মন কি যে চায় বলওও ও ও , যারে দেখি লাগে ভালুউউউউ।
হুম, চমৎকার সব ছবিগুলো.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।
ভাই অতিথি আপনিও-- ছবি সুন্দর না ছবির জায়গাটা সুন্দর।
সৌন্দর্য এলাকা...
মন্তব্য পাঠ করে আবেগে উদ্বেলিত আমি।
দারুন, দারুন। নীলফামারীতো তাহলে যেতে হয়।
চইলা আসেন । নীল সাগরে মাঝ খানে যেয়ে যদি এক সাথে ৭ ডুব দিতে পারেন এবং এক চিমটি মাটি তুলতে পারেন তাইলে আপনার জন্য স্বর্গের একটি কক্ষ কেনা হয়ে যাবে।
অপূর্ব - অসাধারণ
চিক্কুর দিয়া কান্মু কিন্তু -------
ক্যান
(
সবাই যে প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখে আনন্দ পাইছে।
মারাত্মক সৌন্দর্য!
কেউ পেছন ফিরে থাকলে তার মুখ দেখতে বড় ইচ্ছা করে!
পর নারী বা পর পুরুষের মুখ দেখা পাপ ( নাউজুবিল্লাহ)
একবার সৈয়দপুর গিয়ে বিকেলে আমিও গিয়েছিলাম চিকলির উদ্দেশ্যে। দারুণ অভিজ্ঞতা ছিল সেটি। আরেকদিন গিয়েছিলাম তিস্তা ব্যারেজে। আরেকদিন ইছামতিতে।
বুঝেছি বালুকাবেলায় খেলেছেন পুতুল খেলা। তিস্তা ব্যারেজ এ যদি গেলেন তবে আর একটু সামনে যেয়ে দহগ্রামের আঙ্গরপোতায় ঘুরে আসতে পারতেন। ভাল লাগতো।
অঃটঃ-- আপনাদের কানাডা হাউজ ভূমিকম্পে ফাটল দেখা গেছে।
সৌন্দর্যমন্ডিত
হে হে হে
আমি এখানে যেতে চাই!
মন মোর মেঘের সঙ্গী ---
আমিও লীনাপুর সংগে এখানে যেতে চাই!

চলে আসুন সানন্দে। আমি আপনাদের নদী দেখাব। আমরা প্রায় প্রতি সাপ্তাহিক ছুটিতে নদী দেখরে যাই। সঙ্গে থাকে মালাই চা পাঁপড় আর পিঁয়াজু।
ভরা পূর্ণিমা, জল থৈ থৈ, উথাল পাথাল হাওয়া, আর মাঝি ”রামপাল”র মায়াবী গলার গান
আমন্ত্রন সবাইকে, জয়নুলের ব্রম্ণপূত্রে, ময়মনসিংহে।
আমি আসব, আমি আমন্ত্রন গ্রহন করলাম।
মন্তব্য করুন