বড় হও
খুব ছেলেবেলায় আমি প্রতিধ্বনিকে ভয় পেতাম।
সিড়ি ভাঙ্গার কালে আড়াল হওয়া মায়ের ভরসায়
যখন 'মা' বলে চিৎকার দিয়ে উঠতাম
প্রতিধ্বনি শুনে আমি ভয় পেতাম।
এখন আমি বড় হয়ে গেছি
তুমি যে আজো প্রতিধ্বনি মত খড় কাদার
পুতুল দেখলেই ভয় পাও,
অস্ত্র হাতে আসো ভেঙে দিতে।
তার যত হাতই থাকুক,
হাতে যতই অস্ত্র থাকুক
খড়টুকু সে নাড়াতে পারে না।
প্রতিবাদটুকু সে করতে পারে না।
অথচ যতবার তুমি একটা করে মূর্তি ভাঙ
ততবার তোমার একটা করে ভাবমূর্তি ভাঙে।

ক্ষেতের মাঝে কাকতাড়ুয়া দেখে
পিচ্চি বেলায় ভয়ে বোনকে জড়িয়ে ধরতাম।
দিদি বলত এটা যে তোকে ভয় দেখানোর জন্য না
পাখিকে ভয় দেখানোর তরে রাখা।
এখন আমি বড় হয়ে গেছি আমি বুঝি
মানুষ নেই অথচ মানুষের রেপ্লিকা তাড়িয়ে দিচ্ছে কাক!

ছেলে বেলায় মণ্ডপে যখন যেতাম
দেখতাম মায়ের মতই সুন্দর করে সাঁজ
কোন এক বধু মাথায় সুন্দর তাজ
কত স্নেহ তার চোখে ঝরছে।
হাতে কত অস্ত্র! যুদ্ধ করছে বীরাঙ্গনা
সেই হাতেই আবার অভয় -'ভয় পেয়ো না'।
মায়ের রূপে মা-ই আমার প্রতিমা হয়েছে
তাড়াতে মনের বাঘ
কাকতাড়ুয়া যেমন তাড়ায় ক্ষেতের কাক।
তুমি ভয় ঠিক পেলে।
যেমন আমি কাকতাড়ুয়া দেখে ভয় পেয়েছিলাম।
বড় হয়ে ওঠো। মানুষ হও।






ভালো লেগেছে কবিতা।
ওয়েলকাম টু "আমরা বন্ধু"
পুরোপুরি বুঝিনাই। যতটুকু মাথায় ঢুকেছে ভালোই লেগেছে।
অফঃ এমনিতে কবিতা আমার বুঝে কম আসে।
এট্টা ব্যাপার বুঝি না, আপনি খাজুর গাছের উপ্রে কিতা করেন?
পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যা। আরেকবার পড়লে আরো ধন্যা। কোন জায়গায় বুঝেন নাই?
আরেকবার পড়ছি। কাজ হয়নাই। যেই পেপসি সেই কোক। সেইম ফিলিংস বিফোর। আপ্নাকেও
মানুষের রেপ্লিকা দেখে আমিও ভয় পাইতাম। এখন ভয় পাই আসল মানুষকে।
পড়ার জন্য ধন্যা।
আগে মানুষ জন্তু জানোয়ারের ভয় পেত। এখন মানুষকেই বেশী ভয়।
কবিতা ভাল লেগেছে,
অথচ যতবার তুমি একটা করে মূর্তি ভাঙ
ততবার তোমার একটা করে ভাবমূর্তি ভাঙে।
এটা সত্য কথা ..
পড়ার জন্য অনেক ধন্যা
ভালো হইছে!
ধন্যা
কবিতা ভাল লেগেছে। কিনতু অসংখ্য বানান ভুল
ভুল বানানগুলো উল্লেখ করে দিলে আমার জন্য সুবিধা হত। শুদ্ধ করে নিতাম। যদি একটু কষ্ট করে বলে দিতেন কোনগুলো কোনগুলো তাইলে কৃতজ্ঞ থাকব।
পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ
খাইছে আপনার পড়া তো দেহি অহনো শেষ হয় নাই
মন্তব্য করুন