পাঁচ পাঁচটি পার্সেন্ট কতটুকু হেলা করা যায়?
![]()
ওরা পাঁচ পারসেন্ট ওরা গিরগিটি, বর্ণচোরা
গিরগিটি যখন অজগরের সওয়ার
তখন চিন্তা করতই হয়।
ওরা আল্লাহ বেচে খায়, ধর্ম দিয়ে মানুষ চিনে
দাঙ্গার প্রয়োজনে ওরা মসজিদ ভাঙে;
ধার্মিককে কোরআন হাতে নিয়ে দেখাতে হয় না,
দুষ্কৃতিকারীর ছলের অভাব হয় না;
তোমরা ওদের হেলা করতে পার আমি পারি না।
একথা আমি ভুলি নাই--
তারাই ক্ষমতায় ছিল যারা স্বাধীনতার শত্রু।
দেশ জুড়ে সিরিজ বোমা হামলা আমি ভুলি নাই,
বাংলাভাইকে আমি ভুলি নাই,
২১শে আগস্ট, রমনার বটমূল
কোনটাই আমি ভুলি নাই।
ভুলি নাই হাটহাজারি,
ভুলি নাই আহাজারি রামুতে সাতক্ষীরায়।
ভুলি নাই শৈবাল সাহা পার্থের মায়ের কান্না,
ভুলি নাই ভোলা যায়ও না।
এসব অজগর ও তাদের সওয়ারির মিলিত ফল।
ওদের স্ট্রং ইকোনমি আমি দেখেছি,
ওদের সাংগঠনিক শক্তি আমি দেখেছি। আমি চট্টলাবাসী।
দেখেছি তারা বিশ্বাস নিয়ে খেলে
কি করে মানুষকে উন্মত্ত করে তোলে।
আমাদের মায়েরা বলে কোন প্রতিবাদ করবি না। যা ইচ্ছে বলুক, সরে আসবি।
বলে, বলতে হয়,বলতে হয়েছে।
সেসব আমি কি করে ভুলি!!
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙা একুশে ফেব্রুয়ারি,
ত্রিশ লক্ষ বুকের রক্ত, দুই লক্ষ যোনীর রক্ত,
হ্যাঁ, হ্যাঁ রক্ত-খুন আমি কি ভুলতে পারি!
না না না, আমি ভুলতে পারিনা পূর্বপুরুষের খুন
তছনছ করে দেয়া একাত্তর
অনেক ত্যাগের পতাকা
আর রঙ বদলানো গিরগিটির দ্বিখণ্ডিত জিহ্বা।
এসব ভোলা যায় না।







কবিতা পছন্দ করলাম। যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই। গোলাম আজম, নিজামি, মুজাহিদ, সাঈদী, সাকা চৌধুরির ফাঁসি দেখতে চাই। রাষ্ট্রযন্ত্রের কাছে এই আমার যৎসামান্য চাওয়া।
সহমত
যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই।
নো চুদুরবুদুর...
বিচার অবশ্যই চাই, সেই সাথে জামাত-শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। কারন শুধু বিচার করলে হবে না, ওদের প্রোডাক্ট রয়ে যাবে।
যুদ্ধাপরাধের বিচার চাই।
নিষিদ্ধ করতে হবে। স্বাধীন দেশে ওদের গাড়িতে বাংলাদেশের পতাকা লাগিয়ে চলতে দেখা সহ্য করা সম্ভব নয়।
সহমত
হ
রঙবদলের রাজনীতিতে জামায়াত কে সঙ্গ দেওয়ার জন্য বিএনপি ও আওয়ামী লীগের ও যথাযত শাস্তি হওয়া উচিৎ।
আওয়ামীলীগের বহুত দোষ আছে এটা ঠিক। জামাতের সাথে ওরা জোট করে নাই সেটাও কিন্তু ঠিক। ৯০এর আন্দোলনের সময় জামাত, বিম্পি, আওয়ামীলীগ একসাথে আন্দোলন করেছে(আমার জানা মতে)। এখানে আওয়ামীলীগকে দোষ দেয়া যায় না। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের পর গুয়াজমকে দেশে আনছে, নাগরিকত্ব দিছে জিয়া। সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতাকে বাদ দিয়ে ধর্মীয় রাজনীতিকে বৈধ করেছে এরশাদ(আমার জানায় ভুল হলে সংশোধন করে দিবেন প্লিজ)। জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান থাকায় হয়ত '৯০এ তাদের সাথে নিয়ে আন্দোলন করতে হয়েছে। তবে এটাও ঠিক যে ৯/১১ এর ঠিক কিছুদিন আগে আওয়ামীলীগ ধর্মপূজির একটা দলের সাথে জোট করতে চেয়েছিল। আবার আওয়ামীলীগের ভিতরই ওলামা লীগ নামে একটা ধর্মীয় সংগঠন আছে যা তাদের দলের সাথে বেমানান।
এগুলো সবই অতীত ইতিহাস। বর্তমানে আর জামাতকে চাই না, রাজাকারদের ফাঁসি চাই।
হুম। তা ঠিক।
তবে তারাহুড়া করতে গিয়ে পুরো বিচারপ্রক্রিয়াই না গুবলেট হয়ে যায়, সেটাই ভাববার বিষয়।
বাংলাদেশের হাজার হাজার মানুষ বিচার পাওয়ার আশায় অপেক্ষা করে আছে। এইবার মিস হয়ে গেলে আর সম্ভব হবে কিনা জানি না। তাই আর মিস হোক তা চাই না।
মন্তব্য করুন