কোন মালায় তোমায় বরি

আমার স্বপনে লেখা তোমার গাঁথা
হৃদয়ে লেখা সে কবিতা কাগজ পায় না
মানিব্যগের সব শব্দের নোট ভাঙ্গিয়েও বড় নিঃস্ব হই
কী করে একটা তর্জনী জাদুর কাঠি হয়!
কী করে তুমি পার আজো!
এত্তো বড়ো একটা বঙ্গোপসাগর, এত্তো বড় চলন বিল
বিশাল এক সুন্দরবন,
কতগুলো নদী তোমার মায়ের মত- পদ্মা মেঘনা যমুনা,
কোটি কোটি প্রাণ
কী করে ধরলে এসব এক সুতোয় গাঁথা তোমার পাঞ্জাবিতে!
আমি অবাক হয়ে যাই
কার কবিতা লিখবো যে নিজেই কবি
কী করে আঁকব তোমার ছবি পেন্সিলে
যখন বাংলাদেশের মুখ দেখি ওমুখে!
আমি বাংলাদেশের মুখ দেখি তোমার রক্তাক্ত বুকে
যৌথখামারে ঘুঘু চরল ছাগলে খেয়ে গেল ধান।
সেই যে ছিনতাই হল আমার স্বপ্ন তোমার প্রাণের সাথে
আজো আমি ঘোর অমাবসে, তোমায় খুঁজি তারার পানে চেয়ে।
আমার নেতা, তোমায় ফিরে পাবো আমি
শাহবাগের লক্ষ জনতার ভিড়ে,
স্বেচ্ছা শ্রম দিয়ে যাওয়া নিবেদকের চিঠিতে,
নিজের ছেলে দাবী করে পরশীকে বাঁচাতে যাওয়া মায়ের মুখে,
মাথায় বাঁধা ওই শিশুর পতাকাতে,
জয় বাংলা বলে ঊর্ধদিকে মুষ্টিবদ্ধ হাতের ভগিনীর দৃঢ় চোয়ালে,
তালুবিহীন হাতের মুক্তিযোদ্ধার দৃঢ়তায়।
কোথায় নেই তুমি? বাঙলার ধান শালুকের ঠোটে ঠোটে,
সরল জীবণের কঠিন যাপনের সুরে সুরে,
ইতিহাসের বক্ররেখার অক্ষরের চড়াই উৎরায়ে-
কোথায় নেই তুমি!
বল কোন মালায় তোমায় বরি
আমি মুক হয়ে যাই তোমার কথা ভাবতে বসি।
তোমাকে বাদ দিলে বাকি সব গোল্লায়
যারা পরাজিত তারাই তোমাকে ভুলতে চায়।






আপনারা যে ধৈর্য নিয়ে পড়েন তাতে আমি অবাক হই।
মন্তব্য করুন