সম্পূর্ন রঙ্গিন "বন্ধু বেঈমান" সিনেমার পোষ্টার

পুরা জমজমাট কাহিনী! সে এক
বিরাট কাহিনী!! ভাড়া করা গাড়িতে ছিলো না কেরোসিন থুক্কু গ্যাস!! বেড়াতে গিয়েছিলাম আমরা বেশক'জন। যা যা জানতে পারলাম
সেইদিনঃ
পৃথিবী বদলে গেছে যা দেখি নতুন লাগে -
দুলকি চালে সিডিউল টাইমের ঘন্টা দেড়েক পরে যখন হাজির হলো, ততক্ষনে
শাহবাগের মোড়ে লোকজন দাড়াঁইয়া থাকতে থাকতে খিদায় জান যায় যায় হাল, উপস্থিত ধৈর্য্যের বাধঁভাঙ্গার কাল! সবাই হাড়ে হাড়ে আমরা বুঝলাম জামানা পাল্টাইয়া গেছে, আগেকার দিনে গাড়ি দাড়াঁইয়া থাক্তো পাবলিক দেরি করতো আর এখন... :(
পুলিশে হুদাই ফাপড়ঁ নেয় -
গুলশানের কাছাকাছি যেতেই ট্রাফিক পুলিশ গাড়ি থামাইয়া পত্র ধরাইয়া দিতেই গাড়ি নিয়া যাইতে রেকার ডাকা হইলো!!!... মারাত্নক হালের গাড়ির দেখা গেলো ততধিক মারাত্নক ইতিহাস!! শুধু কি নাই গ্যাস, তার নাই কোন রাস্তায় চলার পার্মিট কিন্তু আছে কেবল ভুরিভুরি কেস খাওয়া! প্রচুর ঝোলঝাল বুঝাইয়া গাড়ি ছাড়াইয়া আনার পর এতক্ষন মিনমিন করতে থাকা ড্রাইভার ভাব গম্ভীর গলায় জানাইলো, "ব্যাটা পুলিশ হুদাই ফাপর নিছে!!" 
দাদাভাইয়ের দিন গেল ঝাড়িময় -
সব দিকে সুনজর দেয়া মেসবাহভাই সবার আড্ডা দেয়া দেখে বাবুর্চিকে অর্ডার দিইয়ে বললেন, জলদি দিতে পারবা তো! ব্যাটা ঝাড়ি দিয়া বলে - ""আবার জিগায়!!!"' কারন আগেই অর্ডার দেয়া নাস্তা প্রায় তৈরী হয়েই গেছিলো ততক্ষনে।
এর আগে যখন একেতো দেরি তার উপর খুব ভাব নিয়ে ড্রাইভার এসে বলে "গ্যাস নাই" রায়হানভাই আর
মেসবাহভাইয়ের মাঝে ধুন্ধুমার এ্যাকশন হয়ে গেলো এই নিয়ে, কাহিনীতে টুইস্ট
এটুকুই যে এখানে ঝাড়ি দিলো রায়হানভাই আর তদ্ধা খাইয়া শুনতে লাগলো
দাদাভাই!!
ঝাড়ি শুরু
ঝাড়ির রিয়েকশন
>ব্যাঙের ছাতার মতো গজানো হেনতেন সিটিগুলা
কিন্তু নয় অদূরে তারা সেই সুদূরেরই -
রওনা দিছিলাম পূর্বাচলের পথে, কিন্তু পিংকসিটি > বারিধারাসিটি > রাজসিটি
> আশিয়ান্সিটি> যমুনাসিটি>
রিভারসিটি> এমনি করে সিটির পর সিটি পার হয়েও টিকি দেখা যাচ্ছিল না পূর্বাচল সিটির। শেষে ঢাকাসিটির আমরা ক্ষ্যান্ত দিলাম ঢাকাভিলেজ পর্যন্ত গিয়ে!!
ঘুরে বেড়ানো, মজার খানা আর গ্রামে নাম ছড়ানি -
কেম্নে কেম্নে জানি সুন্দর একটা জায়গা
পেয়ে গেলাম আমরা, গাছের সারি,
সর্ষেক্ষেত, টানা শুকনো জমি পেরিয়ে গ্রাম। গ্রামে মাটিরঘর, টিনেরঘর এমনকি এক্টা পাকাদালানও আছে। ওইগ্রামে
অনেকবাড়িতে তাবিজের খোল বানানোর কাজ করে মেয়েরাসব। আছে রাধা-গোবিন্দের
বিশাল মন্দির। সবার সাথে কথা বলে বলে ছবি তুলছিলাম আমরা, নিজেরাও পোজ দিসি
অনেক সর্ষে ফুল দেখে, টুটুল-নাজের টাইটানিক পোজতো মনমুগ্ধকর। আর ঋহানতো মুঠ করে
খাওয়াই শুরু করছিল ফুল এত
পছন্দ হওয়াতে! ঘুরেফিরে ছবি তুলে দুপুরের খাবারের সময় দেখি
বিশাল আয়োজন! লীনা'পা একাই পুরা বিয়েবাড়ির খানা হাজির করেছেন আমাদের জন্যে! এই
কারনেই মুকুলের সাথে ফোনে কথা বলার সময় আমরা বলছিলাম বিয়েতে এসেছি
গ্রামে আমরা। ঘুরেফিরে দেখতে গিয়ে দেখি একবাড়িতে বিয়ের
গেইটও!! খাওয়া শেষে আবার আরেকটু দূরের গ্রামে ছবি তুলতে গিয়ে শুনলাম মজার কথা, কেউ বলছে বিশাল এলাকা কিনেছি আমরা তাই দলবেধেঁ জমি দেখতে এসেছি, আবার কেউ জিজ্ঞসা করছে, ডিসের কোন টিভি চ্যানেলে কবে দেখাবে আমাদের অনুষ্ঠান!!!
বিষাক্ত মানুষ- ভাষ্কর'দার মেটাল বন্ধন -
কোথাও গেলেই আমাদের বিমা'র গান শুরু হয়, যদিও বেশিরভাগই হয়
ফরমায়েশি গান। এবার চলছিল, গতানুগতিক গানগুলা ছাড়াও মন মাতানো ছিলো ওর আর ভাষ্কর'দার
ইচ্ছামতোন হেভিমেটাল আর রকগানের তালমেল! আর
তাতে কোরাসের সময় সবার একসাথে গলা মেলানো! রকস্ট্রাটা,
অবসকিউর, নোভা, আযমখান,
উইনিংস কার না গান ছিলো...





১,২,৩ কৈ
এখানে বেঈমান কে?
দাদাভাই না কইছিলো নায়ক হবে আমাদের লুবেল ভাই।এখন দেখি মাসুম ভাই।আর বিদ্যা আপায় তো হুমড়ি খাইয়া পড়লো বইলা।

লীনাদি গড়াগড়ি দিয়ে হাসেন ক্যান?
শুনলাম এই ছবির অফার নাকি আপনার কাছেও গেছিলো?নায়ক হিসাবে লুবেল ভাই নাই দেইখা আপনে ফিরায় দিসেন।পরে দাদাভাই মাসুম ভাইরে ম্যানেজ কইরা বিদ্যারে আনছে।

ঘটনা সত্য।
পোস্টারের ৩ জনই হাসতেছে। কেউ একশনে নাই... পোস্টার হয় নাই... তীব্র ধিক্কার
আরে ! আপনের নাম তো লেখা। আপনি হয় নাই বলেন কেন?
ডিজাইনার টেকা মারছে, কামে ফাঁকি দিছে
অডিও রিলিজ কবে??
আমি তো হাসতে হাসতে মইরা যাইতেছি, আমার লাশের কী হইবো
আর পারি না। দুপুর থেকে হাসতেছি চাদর মুখে চেপে ধরে। বাসায় যাইগা।
ও-রে ঝাক্কাস ! ইলাহি কারবার ! শুটিং কবে- কোথায় ? পোস্টারে নাই, তা' বাস্তবে কি আর একশন থাকবেনা ? নতুন করে পোস্টার ছাপা হোক ।
জাককাস!
পরিচালক দাদাভাই নায়িকা খুঁজছিলেন যখন

এই সেই পোলিও হাত... যেটা বিভিন্ন জনের কাধে দেখা যায়
ভালো কথা, দাদাভাইয়ের গায়ের জ্যাকেটটা কিন্তু আমার। টুটুলের মতো জ্যাকেট নিয়া গেলাম। কাজ হইলো না। দাদাভাইও ট্রাই করলো। কাজ হইছিল দাদাভাই? নাকি ছবি দেইখাই লগআউট? (কপিরাইট রায়হানভাই)
শেষ পর্যন্ত আপ্নে দাদা ভাইরে জ্যাকেট দিলেন?
আস্তাগফিরুল্লাহ
পোলিও হাতের গতিক
যায় না বুঝা সঠিক।
হাত তো এখন মাথার পরে,
নামে যদি হঠাৎ করে - - -
- - - - - - - - - - - - - -
কোন হলে মুক্তি পাবে এইটা ?
ইয়ে ভিলেন্রে দেখলাম্না তো ।
নায়িকা কি ভিলেন কে বলবে না - "শয়তান !! দেহ........ মন পাবিনা'' ???
অথবা ভিলেন কি নায়িকা নিয়ে কোন গান কল্পনা করবে
পুরা কোপা সামছু ফেইল.....।
প্রিমিয়ার শো কবে?
োষ্টারের সাইজ কাটা পড়ছে, পুরা দেখতে চাই। আগের সাইজটা ভাল ছিল! আমার কিছু বলার ছিল, কিন্তু আজ মন ভাল নেই! শেয়ারে ধরা আছি। পরে বলব।
পোষ্টার বার বার পাল্টে যাচ্ছে কেন? প্রথম যেটা ছিল তাই চাই।
ছবির হিরো সাহেবের হাসিটা পাল্টাবেন না প্লিজ!
ছবির নাম হিসাবে আরেক জন নায়কের দরকার ছিল কিন্তু দেখা যাইতেছে
নায়ক একজন আর নায়িকা দুইজন , তাহলে ছবি নাম চেঞ্জ করে দেন
"বান্ধবী বেঈমান "
খাওয়ার আইটেমের ছবি নাই ?
মজা রে মজা
পূর্বাচলে তাহলে কেউ প্লট পাইছে???
অসীম ক্ষমতাবান ছাড়া কেউ যে প্লট পায় নাই সেটা মাসুম ভাইয়ের নাম থেকে আবার প্রমানিত হইলো। আগে জানলে মাসুম ভাইয়ের পিছনে লাইন দিতাম
বিষাক্ত ভাস্কর না কইয়া মানুষ ভাস্কর কইলে ভালো হইতো না?
ভাগ্যিস আমার বউ ব্লগ দেখে না।
ঘটনা কিছু একটা ঘটসে। নাইলে এমুন মজারু পুস্ট আসে কেমনে? ভাগ্যিস মাইনষের পরিবার ব্লগ দেখে না।

সপরিবারে দেখার মত ছবি।
বিশেষ কইরা মাসুম ভাইরে পরিবার সহকারে দেখার রিকোমেন্ড করতেছি।
কারে ডর দেখান বুঝতেছি না।ক্রস ফায়ারে আসলে কে?
মারছে
খ্যাক খ্যাক খ্যাক।
ড্রাইভার সবার শেষে আমারে নামালো, আমি বললাম যাই ভাই, সে কয়, যান আপা বহুত ভেজালের দিন গেল
ভেজালের দিন তো আসলে তার যায় নাই, ভাব মারলো, যাইতো যদি রেকার আইসা তারে কট করতো 
একলা পাইয়া আপনের লগে দুঃখের আলাপ করলো।
হ। চোরার ড্রাইভিং লাইসেন্সও নাই
কি সাহস।
নয়া সিনেমা 'ড্রাইভার বেঈমান'

তার ছবি-টবি তো মনে হয় নাই, গলা কাইটা একটা নামায় ফেললে কেমন হয়? ছোট হুজুর যদি নামায় আর কি
ছোট হুজুর কে লীনা ? বুড়া ভাই ??
ছোট হুজুর! বুড়া ভাই! কি সব প্যাঁচাল পাড়েন ? সহজ করে বলেন, সবাই যাতে বুঝতে পারি ।
পোস্টারে নাই লেখিকা
হইলাম বড় হতাশ
এইভাবে কি যুগে যগে
মাসুম ভাই খাবে বাশ!
মন্তব্য করুন