দৈনন্দিনতা
বহুব্রীহি নাটকে দেখেছিলাম বাচ্চারা বাবাকে জিজ্ঞেস করছে, “বাবা আমরা স্বাধীন হতে চাই’, আর স্বাধীন হয়ে কাপড় খুলে চলতে চাই!”
স্বাধীনতা কি নির্লজ্জতা শেখায়? স্বাধীন হলেই যথেচ্ছাচার করা কি সম্ভব নাকি শোভনীয়? উলটো স্বাধীনতার সাথে দায়িত্ববোধটাই চলে আসে সামনে, নিজের ব্যবহারেই আরো বেশি যত্নশীল হতে হয়। আমি স্বাধীন তাই বলেই যার তার সাথে যেমন তেমন চলে জীবনকে উপভোগ্য করে তুলবো, এতে কার কি আসে যায়। একটা মূহুর্তের খাতিরে হাজারো মিথ্যের ঝাপি খুলে বসে, সেই ক্ষনিকের আনন্দটুকু পেলাম না হয়, কিন্তু সেই মিথ্যের বেড়াজালে যাদেরকে জড়িয়ে ফেলি, একটা ক্ষমা প্রার্থনাই তো তাদের সব বেদনা মুছে ফেলতে পারে না। বিশ্বাস ভঙ্গের কালিমা যেই দমবন্ধ করা প্রকোষ্ঠে অন্যদের ফেলে দেয় এক ক্ষমাতেই তা থেকে বেরিয়ে আনা সম্ভব হলে মানুষ মহামানবের পর্যায়ে পৌছেঁ যেত।
আব্বা-আম্মা বাসায় নাই, ভাইরা তুমুল ব্যস্ত, আপু শ্বশুরবাড়িতে চরম দৌড়ের উপর আছে, তাই ইদানিং আমি স্বাধীন হালে আছি, পুরাঘর আমার মতে চলছে, যা ইচ্ছে করতে পারি, হাতে বিশাল ব্যালেন্সের ২টা কার্ড মজুত, পুরা ঈদ হালে আছি, কিন্তু এখনকার মতো বিরাট গ্যাড়াঁকলে আগে কখনো পড়ি নাই। এতো দায়িত্ব একলা পালন করার পরিস্থিতিতে কিছুটা বিরক্ত কিন্তু ভয় পাইনি আত্নবিশ্বাস যায়গা মতোন ঠিকই আছে, কারন আমি আগেও খেয়াল করেছি, ঝামেলায় পড়লেই আমি দারুন কিছু কাজ সুচারুভাবে করে ফেলতে পারি। সবসময় আব্বা-মা, এত্তোগুলা ভাইবোনদের আল্লাদিতে থাকতে থাকতে পরজীবি টাইপ হয়ে গেছে, তাই যাই পাই আকড়েঁ ধরে চলতে চাই। করতে গেলেই অনেককিছু শিখতে পারা যায়, তাই শিখছি, জানতে পারছি, পরজীবী হওয়া থেকে মুক্ত থাকার উপায় পাচ্ছি।
কোন কিছুরই গর্ব করা ভালো নয়, এককালে অনেক কিছুই বলতে পারতাম গর্ব করে, যতইদিন পার করছি গর্ব করার স্থানগুলো খুইয়ে ফেলছি ধীরে ধীরে। আমার কথার ধার অনেক, মুখের উপর কথা বলে ফেলি, এটা আমার ফ্যামিলির মানুষরা জানেন, কিন্তু তাদের বাইরে অন্য সবার কাছেই আমি উলটো মতে চলা কেউ। অনেক কথা বলি, তবে গুছিয়ে টার্গেট নিয়ে কিছু করা হয়ে উঠেনি কখনো, অন্যেকে কষ্ট দেইনি কভু জানামতে, কিছু করার আগে মাথায় রাখি দেখি এতে করে কেউ, সে যে কেউই হোক না কেন কষ্ট পেল কিনা। এইটুকুন গর্ব এখনো আছে, মন আর হুশ খুইয়ে ফেলিনি আজো।
একলা থাকলে মাথায় উল্টাপুল্টা চিন্তা আসে, - মন খারাপের, মরে যাবার, কে কবে আমারে কষ্ট দিলো হেনতেন। গতকাল থেকে সবাই কি একলা নিজের মাঝেই গুটিয়ে আছে নাকি, শুধুই মন খারাপি লেখা, নানান আঙ্গিকের।
একটা গল্প লেখা শুরু করছিলাম, হাবিজাবি তে শেষ করি নাই... যেটুকু লেখছি তাই দিয়ে দিলাম, মন চাইলে পরে বাকিটা লিখবো নে।
--------------------------------------------------------------------------------------------------------
একাকীকথন
টুউউ! টুউউ! ...
অনেকক্ষন থেকে ডাক শোনা গেলেও পাত্তাই নাই তার। পাতার আড়ালে পালিয়ে থাকা কলির মতোই কই যে লুকিয়ে আছে দেখাই যাচ্ছে না মিষ্টি হলুদিয়া পাখিটাকে। নিশ্চিন্তে ঘর বানিয়ে থাকা চড়ুইগুলোর হুটোপুটি এড়িয়ে আর বারান্দার গ্রীলের ফাকঁ গলে কতোটাই বা দেখা যায় ফুরুত ফারুত উড়ে বেড়ানো ছোট্ট কুটুম পাখিটাকে। ছোটকালে এটা ডাকলে বলা হতো আজ বাড়িতে কুটুম আসবে, একটু হলেও বাড়ির ঢিলেঢালা ভাব কেটে যেত যেন এর ডাকে। কথাটা মনে হতেই বুক ফুড়েঁ দীর্ঘশ্বাস পড়লো রাহেলা খাতুনের। কতোদিন হুটহাট কোন কুটুম আসে না এবাড়িতে, সুনির্দিষ্ট দিনক্ষন দেখেই তবেই তারা আসে। কুটুম ... আত্নার আত্নীয়রা নয়, নিজের নাড়ি ছেড়াঁ ধনেরাই এখন কুটুম এবাড়িতে! প্রচন্ড আগ্রহ আকাঙ্ক্ষার সেই কুটুম আসা ক’টা দিন অনেক ব্যস্ততায় কেটে যায়। কতো কি যে দিনমান ঘটতে থাকে তবে সেসব কুটুমভরা দিনগুলো যে শুধুই আনন্দমুখর হয় তা কিন্তু নয়। সুখের পরেই থাকে দুঃখ নাকি কোন সুখই চিরস্থায়ী নয়, জীবনের এইসব অমোঘ বানীর সত্যতা বজায় রাখার জন্যেই কিনা প্রতিবার কিছু না কিছু মন মোচড়ানো কষ্ট জমা হতে থাকে। কারো সাথে ভাগ করে নেয়া যায় না সেসব, মর্যাদাহানির ভয়ে, আরো বড়ো কথা অন্য একজন কষ্ট পাবে সেসব জানতে পারলে।
আরে কি ভুলোমন! উনাকে খুজঁতে এসে পাখি খুজঁতে লেগে গেলাম!





অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত।
খেলুম না!... :| পয়লা মন্তব্যেই কুফা লাগাইলেন!!... কপি-পেষ্ট কমেন্ট নিলাম না...
ওরে টুটলা!!!!!!! এই কমেন্ট রেখে দিলাম। কত পোষ্ট যে পড়ি! কমেন্ট দিতারি না।
আমিও রাখলাম... দেখিবা মাত্রই ছেপে দেয়া হবে!...তবে, টুটুল্ভাই'র পোষ্ট দিয়া বিসমিল্লাহ করমু... J)
আমার চোক এখানেই আটকে গেলা। ওইইইইইইইইইইইইইইইইই!!!!!!!!!!!! আমার কি কি লাগবো লিস্ট দিলাম। পাঠায়া দিও। ওকিজ?
শুঞ্ছিলাম "চোরে চোরে মাসতুতো ভাই লাগে" তুমি এক পাহারাদারনি হইয়া অন্যটারে চিন্তে ভুল করলা!! :( নিজেই যে কতো লিষ্টি বানাইছি, কিনতে যাবার সুযোগই তো পাই না রে!!... :((
কবে যাইবা? মনে করে আমারগুলাও কিনো কিন্তু!

চলো যাই কাল নরসিংদী। দেখো কত সুন্দর ধানক্ষেত।
তোমার বাড়ি?... ওহ! আমরা ওদিন সহজেই যেতে পারতাম...নিলে না তো!... ক্ষেতটার সবুজটা দারুন...
এখন তো যাইতে পারতাম না...
নিলাম না মানে?

নাও
রান্নাঘর থেকে কি সুন্দর আকাশ দেখা যায়!
ক্ষেতটা আসলেই মারাত্নক দারুন... :)
lekha nice lagse...
specially golpo parter bishonno toneta jani chokher samne dekhte paitesi...
হ্যাঁ, বিষন্নতা ঠিকই ধরছো, ওমন ধাচেঁরই হবে গল্পটা...
দেখছো, আমার মাথায় কত্ত কিডনী???
আমার মনেহয় গতকালের লেখা গুলো কাকতালীয় ভাবে সব মন খারাপ করা লেখা হয়ে গেছে। আর হবে না
লেখা ভালো লাগলো। গল্পের শেষ পড়তে চাই।
সেটাই ঐদিন কাকতালীয়ভাবে সবার মন খারাপ ছিলো!... তাই লেখাগুলো এলো ওমন, আর না হোক তেমন... :)
গল্পের শুরু পড়ার জন্যে ধন্যবাদ... শেষ করমু...
গল্পটার শুরু ভালো হইছে । মনে করে বাকিটুকু লিখে ফেইলেন
ধন্যবাদ লিজা, :) মনে করলেই লেখার ইচ্ছে আছে...
অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। এই পোস্টটিকে স্টিকি করা হৌক।
গৌতম'দা আপ্নেও!!... :টিসু:
অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। এই পোস্টটিকে স্টিকি করা হৌক।
মাহবুবভাই@তাও ভালো ফিউশ্ন ফাইভের কথা কপি-পেষ্ট দিছেন, তাওতো কিছু বলছেন, নইলে আমার এখানে আপ্নে খালি "কেইস কিতা" বলেই ভাগেন... কপিপেষ্ট কমেন্টের লাগি ধইন্যবাদ :p
কপিকমেন্ট:
অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত। এই পোস্টটিকে স্টিকি করা হৌক
সিরিকাস সাজেশান:
বিষন্নতা আসে যারা সুখী তাদের মধ্যে। বাসা থেকে বের হয়ে রোদের মধ্যে ১ মাইল জোরে দৌড়াও, বাসায় এসে ঠান্ডা পানি খাও। দেখবা বিষন্নতা বাপ বাপ করে পালাবে!
সিরিকাস কমেন্ট:
গল্পের চেয়ে ভূমিকা বড় কেন?
কপি কমেন্টের কারনে গুড়ের ধন্যবাদ। :|
সিরিয়াস সাজেশন পছন্দ হইছে, এতে কেবল বিষন্নতাই নয় মেদভূড়ি বাপদাদার নাম নিয়া পালাবে, কিন্তু আইলসামিতে করে উঠতে পারছি না! :((
সিরিকাস কমেন্ট পড়ে বুঝলাম তুমি লেখা ঠিক মতো পড়ো নাই, কারন গল্পটা শুধু এক প্যারা লেখছি শেষ করি নাই!! 8)
হুম,গল্পের থেকে ভূমিকা বড়। ভুমিকা বেশি ভালো লাগল
আপনিও লেখাটা ঠিক মতোন পড়েন নাই, ওটা একটা অসমাপ্ত লেখার শুরু মাত্র... যেটাকে ভূমিকা বলছেন ওটাই পোষ্ট!! :)
আমি তো ঠিক মতোই পড়লাম।(

অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত।
বাহ! তুমি ও ঘুম ভাইঙ্গা আসছো এই আপাত মহান বানী প্রচারের জন্যে!! তাও ভালো!!
ওরে দারুন! কবে খাওয়াইবা, আজকা? কখন?
পোলাপাইনের কথায় কান দিয়েন না... কি না কি কয় মনে নিতে নাই এইসব... :p
মন খারাপ? বিষন্ন? আমার পুরানা পোস্টগুলা পইড়া আসো তাইলে
মন খারাপ কেটে যাচ্ছে ... যাবেই
মজার কথা বলি, আমার এক ফ্রেন্ড যে কিনা ব্লগে নাই তবে টুকটাক পড়ে, তার সাথে ভোট নিয়া কথা বলছিলাম, আপনার কথা বলতেই বলে কি, "সেই যে অলওয়েজ 'ইয়ে' টাইপ লেখা লেখেন উনি?... অনেক মজা পাই উনার লেখায়" ... তারে আমার বুঝাইতে হলো এই লেখক কেবল 'ইয়ে' টাইপ না, অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয়েও লিখেন...
আত্মকথন চলুক........
গল্পের ভূমিকা জমছে, বাকীটুকু আসুক।
আত্নকথন চালানের শখ কম, ভাবে এসে লিখছি...
গল্পটা শেষ করার ইচ্ছে আছে...
এইরকম বৃষ্টির রাতে, একাকীকথনটা কিন্তু বেশ জমে যাইতো মনে হয়। শেষ করলে পারতা।

মন্খারাপ হৈলে বন্ধুর কাছে যাওয়া ভালো, টাকা পয়সা খরচ করলেও খারাপ হয়না!
আরে নাহ! বৃষ্টিরাতে এতো বিষন্ন লেখার চেয়ে মন উদাস করা কিবা দুঃখ বিলাসি লেখাই মজা দেয় বেশি...
তোমার লেখা কই... সেই না বললা আইডিয়া আছে মাথায় দারুন লেখা দিয়া ফেলবা... গেলো কই ঐগুলা?...
বাড়ির ছোট মেয়েরা দায়িত্বশীলা হয়, বড় ভাই বোনদের বোঝা টানতে টানতে আর এই জ্বালায় অতিষ্ঠ হয়ে মুখরা হয় যেটা দোষের কিছু না।
আমি কিন্তু সত্যি পোষ্ট ভালো পেলাম। তোমার পোষ্টে নিজেকে খুঁজে পাই সবসময় কোথাও না কোথাও।
ভালো থেকো।
আহা! তারা যদি এতো দারুন করে বুঝতো!... খালি ঝাড়ি দেয় "চোপাবাজ" গাইল দিয়া!! :টিসু:
থ্যাঙ্কস তাতা'পু... :)
আপনার পর্যবেক্ষনের দারুন দৃষ্টিভঙ্গি লেখায় যে জীবনের নানান বিষয়গুলো তুলে আনেন সেটা অসাধারন লাগে... অল্প কথায় অনেক কিছু জানাতে পারেন আপনি...
আমরা দুজন দুজনরে চিনছি, ভালু পাই আর একবার হবে নাকি গান খেলা
কালকে যে কি মজা পাইছি!... আমি আরো দিতাম, মৌসুমের অপেক্ষা করছিলাম, ও দিলে আরো দিতাম, কিন্তু দেরি হচ্ছে দেখে চলে এলাম... হয়ে যাবে আরেকদিন কবিতা-গানে তালগোল!!...
আমিও মজা পেয়েছি, হঠাৎ করে তোমাদের সাথে একটু ছোট হয়ে গেলাম
আপনি তাল দিলেন বলেই আম্রাও চালাইছি...
অসম্ভব ভালো লিখেছেন। এক কথায় অনবদ্য।
বহুদিন পরে একটা ভালো লেখা পড়লাম। রবীন্দ্র পরবর্তী যুগে এধরনের লেখা আর আগে আসে নি। অনবদ্য...অসাধারণ... শুধু যে প্রাসঙ্গিক ও সময়উপযোগী লেখা তাই নয় একেবারে সমস্যার মূলে কুঠারাঘাত করেছেন। লেখকের বক্তবের সাথে পুরোপুরি একমত।
লেখাটা আসলেই খুব ভাল লাগছে।
মন্তব্য করুন