ওর আর কাছে যেতে চাই না আমি
আমি হসপিটাল খুবই অপছন্দ করি, ভয় না তবে কি একটা অস্বস্থি কাজ করে তাই পারতপক্ষে যাওয়া হয় না আমার। বোন-ভাইয়েদের বাচ্চা হলো, আমি ওদের দেখেছি বাসায় আসার পর। সৃষ্টিকর্তার অসীম করুনায় হাতে গোনা দু’একবার ছাড়া আমাকে যেতেই হয়নি হসপিটালে। সেই আমিই যখন ভর্তি হলাম ছোট্ট একটা অপারেশনের জন্যে খুবই বিরক্তিকর অবস্থায় পড়লাম। ব্যাথাবেদনার একটুও স্মৃতি নাই আমার ঐ বিষয়টায়, তবে অম্লান হয়ে আছে যে মূহুর্তটা থাকবে সারাজীবনই। পোষ্ট অপারেটিভে সাধারনত বাইরের কাউকে ঢুকতে দেয়া হয় না, তবে ভাইয়ার বন্ধুস্থানীয়রা ছিলো বিধায় আম্মা-আব্বা গেলেন আমায় দেখতে, গলার স্বরে বুঝতে পারলাম উনাদের উপস্থিতি তবে চোখ মেলে দেখতেই পারছিলাম না সিডেটিভের ঘোরে। প্রথম চোখটা মেলে দেখলাম ওর মুখটা, অবাক হয়েছিলাম এখানে কি করে এলো “ও”!
একভাইয়ের বন্ধুর সাথে পরিচয় হলো, অবাক হয়ে দেখলাম একে তো আমি চিনি প্রায় বছর দুয়েক যাবত, ব্লগিং সূত্রে এই পরিচয় শুধু নিকের আড়ালের ব্যক্তিমানুষটা আজ জানছি। ব্যাপারটা নিজেদের মাঝেই রাখলাম, আর নিজেরাই কুটকুট আলাপচারিতায় মেতে উঠলাম। ওমুক এমন, তমুকের কান্ড বিরক্তিকর এমনি নানান কথার মাঝে একটা কথায় খুব মজা পেয়েছিলাম এই শুনে, যে আমার আর “ওর” বন্ধুত্বতা কি সেই ছোট্টবেলা থেকে নাকি, কি আন্তরিকতা আমাদের, অনেক আপন মানুষ।
অনেক চেষ্টা করে দেখলাম, কেমন করে যে আমাদের শুরুটা হলো আজ মনেই করতে পারিনা। তবে যেকোন কিছুই করার আগে মনে এসে যায়, এমনটা করলে ওর প্রতিক্রিয়া কেমন হবে? সেইজন ও!
নিজের স্বপ্নগুলোতে অন্যএকজনের আবির মাখিয়ে রঙ্গিন করে তোলার সময় ভাবছিলাম কারে দেখাই ওই রংধনু যাতে আমার মনের আকাশ ঝলমল করে উঠছে, প্রথমেই “ওর” নাম মনে এলো। কিন্তু নানান কারনে করে হয়ে ওঠা হয়নি তা, আর ভেবেছিলাম চাদঁ উঠলে জোৎস্নায় ভেসে যাবে চারিদিক, সে আলোয় অবাক আনন্দময় “ওর” মুখ দেখার লোভ সামলাতে পারিনি। ভাগ্যের পরিহাসে প্রত্যাশিত চাদঁনী অমাবস্যায় রুপান্তরিত হলো যখন, তা জানার মানুষটা হলো “ও”। আমাকে সেই দমবন্ধ করা আধাঁর থেকে আলোতে এসে শ্বাস নিতে অনুপ্রানিত করতে প্রতিনিয়ত কাছে থেকেছে যে মানুষটা সে “ও”।
অনেক স্বার্থপর আমি, তাই আমার খুব কাছের মানুষটার কাছে অন্যদের খুব ঘেষতে দেখলে জ্বলেপুড়ে যাই আমি, তাই “ওর” আশেপাশে অনেকের ভিড় দেখলেও আমি অকারনেই খেপে গিয়েছি কতবার। তবে পরক্ষনেই সামলে নিয়েছি, আরে বন্ধুত্বতা এতো হবে ছোট কেন, আমার অক্ষমতা তাই পারিনা, কিন্তু “ওর” মাঝে আছে অপার ভালোবাসা ছড়িয়ে দেবার ভান্ডার, তাই অন্যরা তো সিক্ত হবেই তাতে। আর নিয়তি আমাকে সবসময় এমন পরিস্থিতিতে ফেলেছে যখনই কাউকে নিয়ে নিশ্চিন্ত হই যে, সে আমার, তখনই মুখ থুবড়ে পড়েছি বারংবার। তাই যতদূর পেয়েছি তাই সই, আর কাছে যেতে চাই না আমি। হ্যাঁ স্বার্থপরের মতো চাই আমাতে আরো মিশে যাক “ও”।
চারদিক আলোকছটায় উদ্ভাসিত করে তোলা আমার “ও” থুক্ক “জ্যোতি” আবারো থুক্কু আমাদের “জয়িতা” তোমায় জানাই জন্মদিনের অশেষ শুভকামনা





আমি ভয় পেয়েছিলাম একটু
শুভ জন্মদিন জয়িতাপু।
কেন ভালুবাসা খ্রাপ এই জন্যে ভয় পাইলা, এপু?... ;)
অনেকদিন পর দেখে বেশ ভালো লাগছে...
আমিও হাসপাতাল অনেক ডরাই ও অপছন্দ করি
আমি পেত্থমে ভেবেচিলুম ঐ হালার " ও " টা কে !! একন বুজলুম উনি আমগো চায়াপা
চায়াপা কেডা?
হ! "ও" টা হালা না হালী!!... :bigsmile: আর যাই হই আমার মাতাত কিডনী আছে ঠিকই, হালার কতা কি আর এম্নে কমু নাকি :p
শুভ জন্মদিন ।কেক পাঠাই দিও।
কেক চট্টগ্রামে পাঠাইতে গেলে পচেঁ যাবে, আর অপচয়কারী শয়তানের দোসর! তাই তোমার ভাগেরটা আমরা কেউ খেয়ে নেবো, কেমন?... 8)
পোষ্ট পড়তে পড়তে চোখের কোণাটা ভিজে গেলো সত্যি। এত ভালোবাসা কই রাখি! এরম করে কেন বলো!
তাই দিলাম না। ভালো থেকো আজীবন।
অনেক ধন্যবাদ। চুম্মা দিলে তো কইবা আমার কাছ থেকে চাও না
শিরোনাম এমন কেন? আমার কাছে তো কেউ নাই, একা বসে ব্লগিং করছি, তুমি আবার কইলা আসবা না। কাহিনী কি?
চুম্মা দিলে তো কইবা আমার কাছ থেকে চাও না
ছি ছি ছি।।য়িতা এগুলি কি করতেছে, লা হাওলা.।.।.।.।
এই মাইয়্যা সন্দেহজনক!!... খামোখাই দূরে সরে যেতে চাই!!... :p আকাল পড়ছে নাকি যে তোমার থেকে নিমু!!... :|
যাও তুমার সাথে রাগ করলাম।(গাল ফুলানোর ইমো হপে।) এমন করে আর তো কেউ 'ও' বলে নাই। তুমি কাউরে ধোকা দিতে গিয়া হইলেও তো আমারে শেষে এমুন রুমান্টিক করে 'ও' বললা। তাই আর কি এটকু......
ছি ছি !!! চায়াপা এইসপ কি..
“ওর” মাঝে আছে অপার ভালোবাসা ছড়িয়ে দেবার ভান্ডার, তাই অন্যরা তো সিক্ত হবেই তাতে----- আরে আমার নিয়তি, আমার মাইয়ারে আর জ়ামাইরে ভালউবাসা ছড়াইয়া আমারে কাঙ্গাল বানাইছেরে
(
মেয়েরে ভালুবাসা দিতে দেখছি, তাই বলে আপ্নের জামাইরেও!!... খেয়ালই তো করলাম না!! তবে রে জয়িতা!! তোমার এত্তো বড়ো সাকশ!! :চোখ
পোস্ট পইড়া দাগা খাইলাম! একটা জমজমাট রুমান্টিক কাহিনী পড়তে পড়তে ভাবতেছি কী কমেন্ট করা যায় এই লেখায়, কীরকম কমেন্ট করলে জেবীন ভড়কায়া যাবে... অথচ শেষ লাইনে আইসা
এনিওয়ে, জয়িতার জন্য অফুরন্ত শুভেচ্ছা...
একটা কথা শুনেছিলাম, "যে যেইটা নিন্দে, সেটাই সে পিন্দে"... আমাকে ভড়কাইতে এসে কেমন ভড়কে গেলেন!!... :p
আপ্নের বড়ো বড়ো কমেন্টের অপেক্ষায় রইলাম, এখানে না হলেও য়ামার অন্য লেখাগুলোতে... :)
কামাল ভাই এর জন্য সমবেদানা।
। কামাল ভাইকেও দিও একটু।
কামাল ভাইরে দাগা দিতে পারার জন্য জেবীনকে
সরকারি হাসপাতালগুলোর পোস্ট অপারেটিভ ব্লকের চিত্র অবশ্য এত ভালো না।(

যাই হোক,মূল প্রসঙ্গে আসি। প্রথমটুকু পড়ে বুঝতেই পারিনি, কী বলতে চেয়েছেন। এত সুন্দর করে লিখেছেন! জয়িতা আপু নিশ্চয় খুব খুশী। আপুকে শুভেচ্ছা জন্মদিনের
একবার সেইখানেও গিয়েছিলাম, আম্মার অপারেশনের কারনে... বিতিকিচ্ছিরি হাল... :( সে এক বিরাট ঘটনা, ঘরে ছিলো না তখন কেরোসিন!!... :p
খুশি না হয়ে যাবে কই! বাইন্ধা এনে স্বীকার করাবো মনের কথা... :D
এই জয়িতার জন্য আজ জেবীনের ''ও'' কিডা জানা হলো না।
জেবীন আসলে ''ওর'' কথা লিখেছিলো কিন্তু লীনাদির পোস্ট দেখে শেষের লাইনটা ঢুকায় দিসে।
এনিওয়ে জয়িতার জন্য এক ছাতা মানে এক আমব্রেলা শুভেচ্ছা।

লিনা'পুর লেখা পড়েই কিন্তু এটা লেখা শুরু করছি!!... আর উনিতো দারুন আদুরে করে পোষ্ট দিছেন, ওম্নে তো পারবো না, তাই দিলাম একটু ড্রামা মিশাইয়া লেখা... নাচগান আর একটু এ্যাকশন লাগাইলেই পুরা সিনেমা বানাইয়া ফেলতে পারতাম... আফসুস!! :(
শুভ শুভ শুভ জন্মদিন জয়িতা।
জয়ীতা, অসাধারন এই মেয়েটার আজ জন্মদিন। এর জন্যই হয়তো ঢাকায় আজ প্রচণ্ড যানজট। শুনলাম আজ সকলেই শাহবাগ ছুটছে। মিস করি দেশের আড্ডা গুলো।
শুভ জন্মদিন জয়ীতা ওরফে ছায়াফুউউউ
আমাদের এইসব ছুটছাট হুদাই আড্ডাগুলা হয়তো খুব বড়ো কিছু হয় না, কিন্তু সেগুলোর আন্তরিকতা ছুয়েঁ যেতে বাধ্য যে কাউকেই...
চরম ২ নম্বরী।
যাই হোক, জয়ী'র জন্য অনেক হেপি বাড্ডে।
২নম্বুরী কই করলাম!!!... সাসপেন্স তো শেষে বলি দিলাম... :O
এই 'ও'র জায়গায় অন্য কারো নাম বসায় দিয়ে একটা সিরিজ করিস, ঠিকাছে
জয়িতাকে শুভ জন্মদিন---------------
আরে নাহ! আমার খাইয়াদাইয়া কতো কাজ আছে বাকি... কোন কইন্যারে নিয়া ভাবে পড়ে যা বলার বলে ফেলছি একবার... সিরিজ চালামু না!! 8)
মডু! এত্তো যে ভাব আমার লগে, যখনতখন আমার লেখার কমেন্ট বন্ধ কইরা দেয়! তার কি দ্বায়িত্ব ছিলো না যে, এই লেখাটা যে দু'বার হলো তা ঠিক করে দেয়া!!... খুবই অন্যায় হলো!! :মাইর:
যত কথাই কও জেব্রিল, ও সম্পর্কিত বিষয়টা আমরা যারা বুঝনের তারা বুঝছি...
লেখাটা ঠিক করো, মানে আধা প্যারা ২ বার দেখতেছি।
আচ্ছা, ইদানীং নায়ক রুবেলের কোনো সিনামা কি মুক্তি পায় নাই ?
বেলি আপা, দেখা হৈবে বিকালে । ততক্ষণ ভাল থাইকো
@দাদাভাই, কত্তদিন তোমারে দেখিনা!
ওহ! তাইলে বুইঝাই গেলেন এই লেখাটা জয়িতাই লেখছে... খালি শেষ লাইন আমি দিয়া দিলাম... :bigsmile:
ঠিক করে দিছি লেখা... :)
ইদানিং লায়ক রুবেল ইলেকশন নিয়া ব্যস্ত পড়ছিলাম প্পত্রিকায়।।তাই সিনেমার দেখা নাই মনে হয়...
দেখা হবে বৈকালে ইনশাল্লাহ...
@দাদাভাইকে দেখে বড়ই আনন্দ হইলো, দাদাভাই ব্লগে আসেনা, আমার গল্পটা শেষ করা দরকার, মীর-দাদাভাই ডুব মারছে তাই গল্পও শেষ হয়না
কবিতাটি কেমন যেন অন্যরকম ভালো লাগলো। কবিতার গভীরে যে সুর আপনি এনেছেন, তা অনবদ্য। কবিতার কাঠামোটা অনেক আকর্ষনীয় হয়েছে।
মুড়ি-মাখানি থুক্কু তেল-মাখানি'র জন্য পোষ্টে অনেকের মুখস্ত বুলি ""শুধু এই পোষ্ট পড়ে লগইন না করে পারলাম না, স্যালুট বস!!!""
মুড়ি-মাখানি থুক্কু তেল-মাখানি'র জন্য পোষ্টে অনেকের মুখস্ত বুলি ""শুধু এই পোষ্ট পড়ে লগইন না করে পারলাম না, স্যালুট বস!!!"" অসাধারণ শব্দ চয়ন! কেমন যেন অন্যরকম ভালো লাগলো।এবার চাই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। আনদোলন চলছে, চলবে
চুল ছিড়েন কেন!!... কপি-পেষ্ট কমেন্টের সেইরকমই উত্তর দিলাম 8)
ও...
এই তাইলে গঠনা?
ঘটনা আরো জটিল... কালকে দেখলেনই তো!!!... :p
আমি আর মুখ খুইলা কি করমু? সব তো আপনি আর লীনা'পা ই বইলা দিলেন
তোমারটা তুমি বলে দেও, বন্ধুদের শুভকামনা কখনো বেশি বেশি মনে হয় না, যত পাওয়া যায় ততোই মন ভরে... :)
জয়িতার নাম যে "ও", সেটা জানতাম না, হেহেহে........
সমস্য়া নাই... জয়িতা নাকি রিসেন্টলি ইরাম কেইস দুয়েকটা হ্যান্ডল করছে
জয়িতা রে শুভেচ্ছা..
তাই নাকি!! তাই তো বলি এতো স্মুথলি কেম্নে বলতেছে জয়িতা, কি করলে আমার কি করা উচিত জানানো... কিন্তু তুমি জানলে কেম্নে?... তবে কি? আসলেই কি তুমিও? ...
বাফু তবে কি? আসলেই কি তুমিও?
আহা! তুমি দেখি উচ্চমানের কন্সালটেন্ট, নিজের কেইসগুলার কথা নিজেই মনে পুষে রাখো না!!... ;)
আজকাল এসব এত ডিল করি যে পুষে রাখার জায়গা পাই না
হ! দেশের গন্ডি পেরিয়ে দূর-দুরান্তে ছড়িয়ে পড়ুক তোমার প্রসার! :p
জয়িতারে নিয়া পোস্ট দেয় লীনা ও জেবীন। আবার কয় ও। সন্দেহজনক লিখুম কীনা বুঝতাছি না।
8) :ভাগন্তিস:
তবে কবিতাটির শেষটুকু কেমন জানি বেখাপ্পা মনে হয়েছে :ডি
জয়িতার জন্য অনেক শুভেচ্ছা ।
আপনার বিদগ্ধ সমালোচনার জন্যে যারপর নাই ভাবে বিমোহিত, আপনার মন্তব্য প্রদানের ক্ষমতা উত্তরোত্তর চক্রবৃদ্ধিকারে বেড়েই চলুক ... আমিন!!...
এইটাতো চরম ছ্যাকা পোষ্ট। জেব্রীলরে চটকানা আর জয়িতারে শুভেচ্ছা
হায়! কত ভাবভালুবাসা দিয়া লেখা দিলাম, আর আপ্নে বলেন ছ্যাকা পোষ্ট!!... :O আর সেইদিন রাতভর ছায়াছন্দ খেল্লাম আপ্নের সঙ্গে এখন দিতাছেন চটকানা!!!... সেই জন্যেই বলে গেছেন রাজেশ খান্না, যত হাসি তত কান্না!! :টিসু:
শুভ জন্মদিন জয়িতা আপা।
োনেক সুনডর
ইশ! কি চমৎকার একটা লেখা!
মন্তব্য করুন