ভর্তি পরীক্ষা স্মৃতি: আর্কিটেকচারে চান্স পাবার ঘোড়ারোগ এবং আমার আঁকাআঁকি বিপর্যয়
"শুধু ইন্জিনিয়ারিং এ অ্যাপ্লাই করবা কেন ?
পাহাড়ী বলতে কি বুঝায়?
আমি বুঝি না পাহাড়ী বলতে কি বুঝায়? কই আমরা তো কখনো কাউকে বলতে শুনি না
রাজশাহী-বাঙালী বা খুলনা-বাঙালী বা সিলেট-বাঙালী নামক কোন কথা? তাহলে
পাহাড়ী-বাঙালী আবার কি? আমরা তো সবাই বাংলাদেশ এর নাগরিক। এই বোধ টা
আন্তরিকতা টা আমরা পার্বত্য এলাকার মানুষদের দিতে পারি নাই এবং আমাদেরও
বোধদয় হয় নাই, আমরা আন্তরিকও হতে পারি নাই...
কাহার বোনের রক্তে রাঙানো ২০ শে ফেব্রুয়ারি?
আমাদের আজ শোকের দিন, আবার সঙ্গে আনন্দেরও দিন, আমাদের মাতৃভাষাকে আমরা রক্ত দিয়ে হলেও রক্ষা করতে পেরেছি। আজ আমাদের ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি...
একুশের ফটোব্লগঃ সাতরাস্তার মাথা ঘুরে শহীদ মিনারে

রাতেই কথা দিয়ে রেখেছিলাম কন্যাকে সকালে শহীদ মিনারে নিয়ে যাবো। ভোরে যাবার ইচ্ছে থাকলেও চা নাস্তা পর্ব শেষ হতে হতে দশটা বেজে গেল। ওশিনকে নিয়ে রিকশায় উঠতেই খুশীতে গান গেয়ে উঠলো সে। রিকশা হলো তার একমাত্র প্রিয় বাহন। বাকী দুনিয়ার সমস্ত গাড়ী চোখের বিষ।
চোরে না শোনে ধর্মের বাণী
অন্যান্য ভার্সিটিতে কি অবস্থা জানি না, তবে বুয়েটে যারা হলে থেকে পড়াশোনা করছেন তাদের তিনটা লীগের অত্যাচার ভুলে যাওয়ার কথা না। ছাত্রলীগ, প্রিমিয়ার লিগ আর তাবলিগ। ছাত্রলিগ অবশ্য আগে কি করতো জানি না তবে বর্তমানে প্রতিদিন নতুন নতুন যে খেল দেখাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে ওদের সবগুলারে বাইন্ধা সার্কাস পার্টিতে দিয়ে আসলে ভালো নাম কামাইতে পারতো। এখন অফ সিজন বলে প্রিমিয়ার লিগ নামক মধুর যন্ত্রণাটা নাই। পরীক্ষা চলছে
সব ফুল বিকি হয়ে গেছে।
মধ্যরাত থেকেই নগরে সারা পড়ে গেছে। ভীড় জমেছে মিনারের চার পাশে। ওরা আজ মিনারকে সাজিয়েছে নতুন রঙে। ফুলের দোকানগুলোতে ফুলের ছিটেফোঁটাও নেই। সব ফুল বিকি হয়ে গেছে। বাগানে ফুল নেই, সব ফুল বিকি হয়ে গেছে।
আমরা বন্ধুঃ ভাষা দিবসে প্রথম পোষ্ট
আজ ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘২০১০ খৃষ্টাব্দ; ৯ই ফাল্গুন ‘
তেনা
আরবী হরফে যাতে বাংলা বর্ণমালা লিখতে না হয়, তার প্রতিবাদে একুশের সংহার
এরপর ইতিহাস- একুশ এলেই উৎসব
আর দেখুন, ঘরে ঘরে বাংলাকে গ্রাস করে অ-বাংলা রাক্ষস
যুগপৎ কী তীব্র স্বাধীনতা বাংলাভাষায় আর তার বর্ণমালায়
আমরা চটকে চটকে বাংলাভাষার তেনা বের করে ফেলছি, নাটক-সিনেমা ও ব্লগে
মিনার কথন [কবিতা]
কতদিন আমি ঘুমাতে পারিনি
আমার ঘুম আসছে, ঘুম।
দু'চোখ ভেঙে আমার কেবল ঘুম আসছে।
আর কত কাল আমি জেগে থাকবো?
আর কতকাল এভাবে দাঁড়িয়ে থাকা?
একা একা।
তবু কি আমি ঘুমাতে পারি?
শহীদদের রক্তে যে প্রদীপ জ্বালা
আমারই হাতে ধরা,
আমি ঘুমালে যদি নিভে যায়?
কি জবাব দেবো আমি পরবর্তী প্রজন্মকে?
আমি পারবো না,
না, আমি পারবো না এখন ঘুমাতে
আমাদের ভাষা আন্দোলন :: এক নজরে

দেশ বিভাগের পর ১৯৪৭ সালে গঠিত পাকিস্তান সরকারে পশ্চিম পাকিস্তানের রাজনীতিবিদরাই প্রায় সব জায়গা দখল করে রাখে আর এর ফলশ্রুতিতে তারা ঠিক করে উর্দুই হবে পাকিস্তানের জাতীয় ভাষা।
আমাদের মৌসুমী দেশপ্রেম
আজ সন্ধ্যায় ঘুরতে ঘুরতে নিউমার্কেটে গিয়েছিলাম। ১ নং গেট দিয়ে ঢুকে একটু সামনে এগিয়েই চোখে পড়ল, নিউমার্কেটের শহীদ মিনারটির সংস্কার কাজ চলছে। মিনারটিতে লাগানো হচ্ছে নতুন টাইলস। আজ ২০ ফেব্রুয়ারী, ঘড়ির কাটায় রাত ১২ টা বাজলেই সারাবিশ্বের বাংলা ভাষাভাষীসহ সংশ্লিষ্ট সবাই শহীদ মিনারে শ্রদ্ধান্জলি দিবে। কিন্তু দু:খের বিষয় খোদ রাজধানির নিউমার্কেটের একমাত্র শহীদ মিনারটির সংস্কার কাজ চলছে শেষ মুহুর্তে এবং কাজে
অমর একুশে
ফেব্রুয়ারীর একুশ তারিখ দুপুর বেলার অক্ত
বৃষ্টি নামে বৃষ্টি কোথায়, বরকতেরই রক্ত
হাজার যুগে সূর্যতাপে জ্বলবে এমন লাল যে
সেই লোহিতেই লাল হয়েছে কৃষ্ণচূড়ার ডাল যে
প্রভাত ফেরির মিছিল যাবে, ছড়াও ফুলের বন্যা
বিষাদগীতি গাইছে পথে তিতুমীরের কন্যা
চিনতে নাকি সোনার ছেলে ক্ষুদিরামকে চিনতে ?
রুদ্ধশাসে প্রাণ দিল যে মুক্ত বাতাস কিনতে
একুশে ফেব্রুয়ারী নিয়া কিছু স্মৃতিকাতরতা আর নায়কোচিত তিরিশ মিনিটের কাহন...
তখন স্ট্যান্ডার্ড টুতে পড়ি...ভোরে ঘুম থেইকা উঠতে হইবো এই চিন্তায় সারা রাইত নির্ঘুম...আমার প্রথম প্রভাত ফেরী...বাপ আর মায়ের কেনী আঙুল ধইরা আমরা তিন ভাই-বোন ধানমন্ডি থেইকা খালি পায়ে গেছিলাম শহীদ মিনারে...লাখে লাখে মানুষের আগমন...সেইদিন আমরা নাস্তা করছিলাম চীনাবাদাম দিয়া, এইটুক মনে আছে...তয় কেন যে আর কয় বছরের মধ্যেই শহীদ মিনারে যাওনের আগ্রহটা বাপ আর মা হারাইয়া ফেলছিলো, তা বুঝি নাই বহুকাল...ধীরে ধীরে