অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

জীবনের যত ভালোবাসা এবং ছ্যাকা...

৭৮ সালের কথা। আমি তখন চাঁদপুর খলিশাঢুলী প্রাইমারি স্কুলের ৪ ক্লাসের ছাত্র। ক্লাসের জোছনার (বেদের মেয়ে 'জোছনা' নয়) প্রেমে পড়লাম। সেই আমার প্রথম প্রেম। জোছনাকে লেখা চিঠি জামার বুক পকেটে রেখেছি, পরদিন তাকে দেব বলে। একটু পর পর হাত দিয়ে দেখছি-চিঠিটা আছে কি না ! বড় ভাইয়ের চোখ পড়লো একসময়। অত:পর পকেট থেকে চিঠি উদ্ধার এবং ধোলাই...প্রেম বলে পালাই পালাই..

স্ক্রু কাহন

বৃষ্টি বিষয়ক কিছু ভাবনা...

১.
যখন স্মৃতিরা ঝরে গেছে...কোথাও তাহারা চিহ্ন রেখে যায় নাই। আর আমি অবুঝ বৃষ্টির ঝরে যাওয়াতে চিহ্ণ খুঁজে ফিরি। বৃষ্টির চাইতে জোরালো বৃদ্ধের পদছাপ দেখে দেখে আমি বয়সের কাছাকাছি চলে গেছি...সেইখানে কোন কালো মেঘ নাই! শূন্যতায় কালো মেঘ থাকে না কখনো।

২.

আত্মহত্যার পূর্বরাত্রি

সিঁথি খুব আয়েশ করে শেষ রাত্রির শেষ কাপ চা টা উপভোগ করছে তরিয়ে তরিয়ে।

আমরা মেয়েদের কথা মনে রাখি, মেয়েরা ভুলে গেছে

শিমুলের মতো সুন্দরী মেয়ে আজও দেখি না; সারাদিন কেটে গেছে ওর উড়ন্ত ওড়নার রংধনু দেখে, ‘আমার দিকে ফিরেও চায় নি’- কেটে গেছে দিনের পর দিন এভাবেই; বহু বহুদিন।

বইমেলা, বই কেনা ও বাইয়ের দাম বিষয় ছাইপাশ ভাবনা

১.
যখন দশ টাকায় পাইজাম চাল কিনতাম, তখন বাজারের টাকা মেরে, বিশেষ করে মাছের দামটা নিয়ে চাপাবাজি করে দু'তিন সপ্তায় একটা করে সেবা'র বই কেনার টাকা উঠিয়ে ফেলতাম। এখন হিসেব করুন তো দেখি, তখন সেবার বইয়ের দাম কত ছিলো?

হাফিজার ক্রিয়েটিভিটি

"....নাহ, লোকটা বোকাই আছে"...শাক বাছতে বাছতে ভাবে হাফিজা। নাইলে কালকা যখন মাইর খাইয়া রাগে দিশাহারা হৈয়া বটি নিয়া ভয় দেখাইতে নিলো হাফিজা, লোকটা গোসলে যাওয়ার জন্য জামা খুলে তখন, কোনো বিকার ছাড়া।
"আরে, তখন জিদ্দের চোটে যদি বডিডা দিয়া কোপ টা দিয়া বসতাম?"
তাইলে পরদিন পত্রিকায় আসতো, কনস্টেবল মোছাদ্দেদ কে কুপিয়ে হত্যা করেছে স্ত্রী হাফিজা আক্তার।

স্বাধীনতা দিবসের ই-পুস্তক: "স্বপ্নের বাংলাদেশ"

বন্ধুরা ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমরা বন্ধু ব্লগে একটি ই-পুস্তক প্রকাশিত হবে। বইটি ধারণ করবে আপনার স্বপ্নের বাংলাদেশকে। "স্বপ্নের বাংলাদেশ" নামের এই ই-পুস্তকে লিখে দিন আপনার স্বপ্নের দেশটির কথা। প্রিয় বাংলাদেশকে যেরকম দেখতে চান, সেই কথাগুলোই লিখে দিন। গল্পে, কবিতায়, প্রবন্ধে, ছড়ায় নতুবা ছবি এঁকে দিন আপনার স্বপ্নের দেশটির। লিখে দিন বাংলাদেশ নিয়ে আপনার চিন্তা আর প্রস্তাবগুলোও। তারপর পাঠি

একজন দীপা এবং ভুলে যাওয়া একটা প্রেম

১.
জাকের মাষ্টারের অর্ধপ্রকাশিত ইতিহাসটা অনেক রহস্য অমীমাংসিত রেখে চাপা পড়ে গিয়েছিল তাঁর মৃত্যুর পরেই। ঘটনাটা তার মৃত্যুর কয়েক বছর পর আমার কানে আসার পর উত্তরপুরুষ হিসেবে কৌতুহল দমিয়ে রাখা সম্ভব ছিল না। কারন জাকের মাষ্টার যে সময়ের মানুষ সেই সময়ে ওরকম একটা ঘটনা উপমহাদেশে বিরল। তবে জাকের মাষ্টারের চেয়েও যাঁর কারনে কৌতুহলটা চিড়বিড় জেগে উঠলো তিনি হলেন দীপালী চক্রবর্তী বা দীপা আহমেদ।

হাতুড়ে গদ্য (বারেকের টিভি)

বাজারের ঠিক শেষ মাথায় বারেকের চা’র দোকানটা। মৃত্যুর দিন গুনতে থাকা বুড়ো বাবলা গাছটা দাঁড়িয়ে এতদিন ধরে কিছু মানব শিশুর বিভিন্ন উচ্চতার অত্যাচার সহ্য করে আসছিল। তার চিরল পাতার ছায়ার নাগালের ভিতরেই বারেক দোকানটা শেষ পর্যন্ত বসিয়েই ফেলল। মফস্বলের এই মৃতপ্রায় বাজারে দোকান বসানোর মত নির্বুদ্ধিতা নিয়ে বাজারের লোকেরাও বারেককে কম খোঁচায়নি, সে নিজ সিদ্ধান্তে অনড়। সাধারন চা’র দোকানগুলো যেমন হয় বারেকের দোকান

ডাইরী ৪৮

এক.

বিব্রত দৌড়ের বিবৃতি (১৯৯৪-১৯৯৯)

৯৪ এ ইরান থেকে ফেরার পর দৌড়াদুড়িতে খানিক বিশ্রাম মিলল । লোকমুখে শোনা , বিশ্রাম পেলে মৃদুহাস্য বদনমন্ডলে ছড়িয়ে পড়ে , কিন্তু ইরানের মুক্ত প্রান্তর ছেড়ে আসা ঢাকার কংক্রিট আমার মত ১০ বছরের বালককে অষ্টপ্রহর নিরুদ্ধনিঃশ্বাস করে তুলল।

আসল ইডিয়টের সন্ধানে...

মুন্না ভাই এমবিবিএস কিংবা লাগে রাহো মুন্না ভাইয়ের মতো জনপ্রিয় ব্যঙ্গাত্মক হাসির সিনেমা নির্মাণের মধ্য দিয়ে রাজকুমার হিরানী উপমহাদেশীয় ছবির জগতে উল্লেখযোগ্য চিত্র পরিচালক হিসাবে আগেই নজর কেড়েছিলেন। থ্রি ইডিয়ট্স নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছিলো ছবির মহরত অনুষ্ঠানের ঘোষণা থেকেই। ভারতের অভিনয় জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র আমির খানের উপস্থিতি এসব আলোচনার প্রধান হয়ে উঠেছিলো। তার শেষদিককার একটি ছবি তারে জমিন পার আসলে দ

একটি উত্তরাধুনিক ছোট গল্প

১.
উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট জানার জন্য ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব চষে বেড়াই। টানা কয়েক ঘন্টার চেষ্টার পর ঠিকুজি মিলে। অবশ্য ভাগ্যের সহায়তাও ছিলো তাতে! দৈবচয়ন পদ্ধতিতে ডাটাবেজ চেক করতে করতে কয়েক লক্ষ এন্ট্রির মধ্যে এক সময় মিলে যায়। আশানুরূপ রেজাল্টই। জিপিএ-৫।

২.

ছবি ব্লগ :: বৃষ্টি

এবারের সামারটা একটু অন্যরকম মনে হল। অন্যবারের চেয়ে বৃষ্টির পরিমান তুলনা মূলক ভাবে বেশী। প্রায়ই হালকা পাতলা বৃষ্টি হয় আর মাঝে মধ্যে তুফান ( আমার কাছে নিতান্তই জোরে বাতাস বই কিছু না )। বৃষ্টির সাথে মনে হয় আমার একটু আলাদা যোগসুত্র আছে। এখানে বৃষ্টি শুরু হলে দেশের বৃষ্টিকে মিস করা শুরু করি আর মনটা একটু নস্টালজিক হয়ে যায়। মনে পরে দেশে বৃষ্টি শুরু হলে আমাকে আর ঘরে আটকে রাখা যেত না। ছোট বেলায় বাসার পাশের

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ