জনপদের দাবানল যদি গদিতে ছড়িয়ে যায়...
বাঘাইছড়ি জ্বলছে । জ্বলছে খাগড়াছড়ি । সেখানকার প্রকৃত ঘটনা জানা যাচ্ছেনা । তবে, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে । গ্রামগুলো পাহাড়ীদের । পাহাড়ীরা ভিন গ্রহের প্রাণী না । এদেশেরই বাসিন্দা । সংখ্যালঘু বলে আজ তারা নির্যাতিত । গৃহহীন । ভয়াবহ সব অভিযোগ আসছে । আতকে উঠার মতো । সেইসব অভিযোগ সত্যি হলে, মাটির কাছে আমাদের মাথানত হবার যথেষ্ট কারণ আছে ।
জীবিত বা মৃত ব্যক্তির সাথে কোনো মিল নাই কিন্তু
১.
আলফ্রেড হিচকক মশাই জীবনে একটাই কমেডি বানাইছিলেন। ১৯৪১ সালে মুক্তি পায় মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ। কঠিন ভালবাসা দুই জনের মধ্যে। একদিন তারা আবিস্কার করলো তিন বছর আগে তারা যে বিবাহ করেছিলেন, সেইটা বিধিমত হয় নাই। নতুন কইরা যখন বিবাহের কথা উঠলো, বাইকা বসলো মিসেস স্মিথ। সে নাকি কোনো অবস্থাতেই এই ছেলেরে আরেকবার বিয়া করবো না।
সিনেমাটা দেইখা একটু ভাবিত হইলাম। মনে মনে চিন্তা করলাম, আমারে যদি এখন কেউ কয় নিজের বউরেই কি আবার বিয়া করবা? তাইলে আমার উত্তর কি হইবো?



২.
খেলা (গল্প)
বিরামহীনভাবে একটার পর একটা এসএমএস এসেই যাচ্ছে।
-রাগ করেছো?
-অনেক রাগ? অনেক অনেক রাগ? অনেক অনেক অনেক রাগ?
-রিপ্লাই দেবে না?
-কথা বলবে না?
-একটুও না?
-যদি আদর করি?
-যদি অনেক অনেক অনেক আদর করি?
বেহিসেবি ভাবনার এলোমেলো কথা
নিজের এবং চারপাশের মানুষজনের জন্ম আসলে এক চমৎকার দুর্ঘটনা। এই শ্বাপদসংকুল পৃথিবীতে অনেক আগেই আমার কোন পূর্বপুরুষ মারা যেতে পারতো।আমার বাবার আমার মায়ের সাথে বিয়ে না হয়ে অন্যকারো বিয়ে হতে পারতো এবং আরো অনেক কিছু হতে পারতো তাহলে তো আর জন্মানো হোতোনা। জন্মনিয়ন্ত্রণ আরো ২০০ বছর আগে সহজলভ্য হলে হয়তো রবীন্দ্রনাথের জন্মানো হোতো না। এই কুড়িয়ে পাওয়া জীবন নিয়
কিছু সেটআপ গেমসের গেটআপ কথাবার্তা
সৃষ্টির আদিকাল থেকে মানুষ জীবিকার সন্ধানে এদিক সেদিক ছুটছেন যার যার সামর্থ্য আর যোগ্যতানুযায়ী। কেউ মুন্সীগঞ্জের লঞ্চে ওঠে সদরঘাট নামে আর কেউ কুর্মিটোলার প্লেনে ওঠে ভিন দেশে নামে। যার যার যোগ্যতানুযায়ী তাকে অনেক ধরনের ট্যারা ব্যাঁকা প্রশ্নের মাধ্যমে ঝাঝড়া হয়ে, তীক্ষন এক্সরে মার্কা দৃষ্টির সামনে ফালা ফালা হয়ে তার গন্তব্যের টেবলে পৌঁছতে হয়। এরমধ্যে অনেক প্রশ্নই থাকে নেহাত গৎবাঁধা আর বেহুদা। প্রশ্নকর্
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (এক)
(এই লেখাটা পুরানা। তবু এর প্রাসঙ্গিকতা আমার নিজের কাছে তৈরী থাকে আজীবন। অনিশ্চয়তার ভ্রমণপ্রিয় আমি আজীবন হয়তো মনে রাখবো এই ভ্রমণাভিজ্ঞতা...আজীবন মনে রাখবো বিজয় কেতন চাঙমার সান্নিধ্য, আর তাই পছন্দের পাঠকদের জন্য আবারো তুলে দেই বহু বছরের পুরানা মদ। মদ পুরানা হইলে কদর বাড়ে। এই লেখার কদর আপনাদের কাছে কিরম হইবো তা জানার প্রত্যাশায় থাকলাম...)
শহীদ মিনারে কর্পোরেট তাণ্ডব, ৭টি বকুল বৃক্ষ ও ৭ দফা দাবী
২১ ফেব্রুয়ারি বহুল প্রচারিত এবং গ্রামীণ ফোন ও প্রথম আলোর যৌথ পরিবেশনায় 'দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট' এর ন্যাক্কারজনক ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে হলো আমাদের। এতোটা বীভৎস! এতোটা নারকীয়! এও সম্ভব!
জানি না মানসিকভাবে অসুস্থ কারও পক্ষেও একাজ করা সম্ভব কী না? লজ্জা আর ঘৃণার সর্বোচ্চ প্রকাশও এর পক্ষে যথেষ্ঠ নয়।
দুই দশ ১
“মামণি, মামণি”।
একটি 'দুনিয়া ক্রাপানো গ্রথম আলো' পরিবেশনা

২১ ফেব্রুয়ারি আমাগো আছিলো 'ভাষা শহীদ দিবস', বিশ্ববাসীর আছিলো 'ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ডে' আর গ্রথম আলোর [গ্রামীণ ফোন+প্রথম আলো] আছিলো 'দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট'।
ভাষা আন্দোলনের সুবিস্তৃত পটভূমিরে ইতিহাস তাগো চক্ষু থিকা উধাও, তাদের চোখে খালি ভাসলো ৩০ মিনিট। ছোটলোকে বড় কিছু দেখবো কেমনে?
ভাষা আন্দোলনের স্বজাতীয় ভিলেন
স্বাগত প্রশ্ন
ভাষা আন্দোলনের নিচের ইতিহাস উইকিপিডিয়া অবলম্বনে পুনর্লিখিত হলো। পাঠকের কাছে এ লেখাটি পাঠ শেষে সবিনয়ে জানতে চাইবো : ভাষা আন্দোলনে আমাদের স্বদেশীয় এবং স্বজাতীয় ভিলেন কারা? কেন তাঁরা এরূপ ভিলেন হয়েছিলেন?
রাষ্ট্রভাষা দাবি উত্থানের প্রেক্ষাপট
বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়ার প্রশ্নটি উত্থাপিত হয়
বেশরম মেয়ের........
....ধরি তার নাম জিনিয়া। আসল নাম নাহয় নাই বল্লাম, আমি জানি, আসল নাম বল্লে আপনাদের কেউ কেউ কাহিনী পড়ার পরে বৈলা বসতে পারেন, ওরে আমরা দেখছি....সেইটা আমার পছন্দ নাও হৈতে পারে.....
আমি শুধু বলি, জিনিয়া খুবই খারাপ একটা মেয়ে । বেশরম টাইপ । নটী বৈলা গালি দিলে পারলে শান্তি পাইতাম, সেইটা দেই ও, কিন্তু আপনাদের সাম্নে দেয়া যাবেনা, সমস্য আছে...
একুশে বইমেলায় আজকে আড্ডা এবং ব্লগার মামুন ম. আজিজ এর বই এর মোড়ক উন্মোচন
ফেব্রুয়ারী’র দিনগুলো চোখের পলকেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। আজকে ২২ শে ফেব্রুয়ারী। আর ৬ দিন পরই শেষ হয়ে যাবে বইমেলার হৃদয় কাঁপানো আহ্বান। ফাল্গুনের সিগ্ধ, মায়াবী বিকেলে, ভাষা শহীদদের স্মৃতি বিজরিত, আবেগঘন বিকেল, সন্ধ্যায় আমরা ঢাকা শহরের বিশাল জ্যাম ঠেলে, ক্লান্ত হয়ে হাজির হব না বইমেলায়। ভাবতেই বুকের ভিতরে শীতল বাতাস হু হু করে উঠছে।
ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ

ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চ যখন তার বন্ধুকে নিয়ে হোয়াইটহাউজে ফোন লাগালেন, সেটা আপনার আমার মতো আমজনতা যেভাবে ফোন দেয় সেভাবে করেননি। সরাসরি প্রেসিডেন্টের কাছেই কল করেছিলেন সবরকম প্রটোকল ফাঁকি দিয়ে। জানতে নিশ্চয়ই ইচ্ছে করছে, প্রটোকল ফাঁকি দেয়ার এতো হাঙ্গামা করে কি এমন বলতে চেয়েছিলেন তাঁরা প্রেসিডেন্টের সাথে? ক্যাপ্টেন ক্রাঞ্চের বন্ধু প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে বলেছিলেন লস এঞ্জেলসে টয়লেট পেপারের ব্যাপক ঘাটতির কথা!