অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন সদস্য ও জন অতিথি অনলাইনে

অনলাইন সদস্য

আমিও একটু ধরাধরি করি [উৎসর্গ কানু গ্রুপ]

প্রচণ্ড ক্লান্ত। ঘুমাতে যাবার আগে আমার একটা ধরা খাওয়ার কাহিনী বলে যাই।

তখন স্কুলে পড়ি। সিদ্ধান্ত নিলাম পাড়ায় একটা অনুষ্ঠান করবো। মহল্লাবাজী আরকী। এসব সাধারণত বড়ভাইরা করে, কিন্তু স্কুলের শেষকালে নিজেরে তো বিরাট মনে হয়, আমরা কী করবো? তাই আমরাও একটা বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আর নাটকের আয়োজন করে ফেললাম।

এ কোন বিপাকঃ

খুব বেশি দিন আগের কথা নয়। আমার ভাইয়ের ছেলের (৩ বছর) সহিত শুরু হইতেই আমার সম্পর্ক ও ভালবাসা বেশ প্রবল। আমাকে দেখিলেই কোলে উঠিয়া প্রথম যে প্রশ্নটি করিবে তাহা হইতেছে, আমার জন্য কি আনিয়াছো? সেই দিন কাজে বাহির হইবো বলিয়া রেডি হইয়া যেই না দরজা পর্যন্ত গিয়াছি, অকস্যাৎ সে সামনে পড়িল এবং যথারীতি তাহার ঐ প্রশ্ন। কি করি?

প্রসঙ্গতঃ ফকির লালন শাহ্‌ ও তার রচিত পদ

জাত গেল জাত গেল বলে
একি আজব কারখানা
সত্য কাজে কেউ নয় রাজী
সবই দেখি তানা না না।।

ধরাকে সরা

সবাই যার যার ধরা খাওয়ার গল্প বলে যাচ্ছে, আমিও বাদ থাকি কেন? যথারীতি উৎসর্গ কানু গ্রুপকে।

আমার এই ক্ষুদ্র জীবদ্দশায় ধরা খাওয়ার কাহিনী অল্পই, এতেই প্রমাণ হয় আমি কতটা চামবাজ ছিলাম - তারমানে কাহিনী ঘটায়েও ধরা না খাওয়ায় পারদর্শী ছিলাম আরকি ;-)। যেমন-

কল্পনায় ৭১ - ২

ব্রিগেডিয়ার কাছে আসতে ওরা উঠে দাড়ালো।
- আরে বসো বসো। তোমাদের সাথে কথা বলতে এলাম।
মাহফুজ বলল, জ্বী স্যার। প্লীজ বসুন। ব্রিগেডিয়ার ইফতেখার চেয়ার টেনে বসলো।
- কি অবস্থা তোমাদের?
- জ্বী স্যার ভালো।
- যুদ্ধ নিয়ে কি ভাবছো?
- স্যার কিছুই না। দুঃখজনক ব্যাপারটা।
- কি রকম?
জামি বলল “ স্যার নিজেরা নিজেরা যুদ্ধ করাটা দুঃখজনক।”

ভেতর-বাহির (তৃতীয় পর্ব)

আমার ধরা খাওয়া অথবা না খাওয়ার গল্প (এইটারও উৎস্বর্গ করলাম নুশেরা আর কাকনকে)

বিদ্যুৎ ভাই চমৎকার গান করেন। বিদ্যুৎ ভাই মানে সুজিত মোস্তফা, আবু হেনা মোস্তফা কামালের ছেলে। অনেকে যেটা জানেন না তা হল বিদ্যুৎ ভাই আসর জমাতে পারেন চমৎকার। সম্ভবত বাবার এই গুণটা তিনি ভালই পেয়েছেন। এই আড্ডা অবশ্য সুশীল না, বড়দের গল্প বলার ক্ষেত্রে এরকম দক্ষতা আমি অন্তত আর পাইনি। বড়দের গল্প না হয় অনেকে শুনুছেন, বড়দের গান? শুনতে হলে বিদ্যুৎ ভাইই ভরসা।

ধরা খাওয়ার কাহিনীনামা (নুশেরা'বু ও কাকনা'দিকে)

সবগুলো ঘটনাই মাতুলবাসের ঘটনা।

১) সে বছর প্রাইমারী থেকে নতুন হাই স্কুলে উঠছি মাত্র। কাঞ্চন ভারতচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র এটা ভাবতেই কেমন গর্বিত গর্বিত ফিল হইয়া সিনা কয়েক ইঞ্চি উঁচু হইয়া যাইতো। ক্লাস সিক্সের ঘটনা।

পিকনিক সংক্রান্ত ব্রেকিং নিউজ...

অবশেষে পোলাপাইনের বিশেষ অনুরোধে আমি ক্যাপ্টেনের দায়িত্ব নিলাম আবারো (প্রথমবার নিছিলাম সুর্য উৎসবে, সে প্রসঙ্গে আর কথা না বলি)। সব অকর্মার দল। কিয়ের বলে পিকনিক করবো ! মাগার কামে নাইমা দেখি সবতের বিয়াপক অভিজ্ঞতা এই ব্যাপারে !

সবতে সব কাম কৈরা দিছে। আমি খালী যা যা করছি :
১. আপন টাকা দিয়া কিনা অকটেন পোড়াইয়া, নিজের মটর সাইকলে লৈয়া মিরপুর দুয়ারিপাড়া গিয়া একখান বাস ঠিক করলাম

প্রসঙ্গতঃ ফকির লালন শাহ্‌ ও তার রচিত পদ

জাত গেল জাত গেল

হুদাই আরি

এক.

নড়বড়ের সৌজন্যে আমরা বন্ধু এসো রান্না শিখি

সুধি ব্লগারবৃন্দ নড়বড়ের সৌজন্যে আমরাবন্ধু এসো রান্না শিখি অনুষ্ঠানে আপনাদের স্বাগতম। আজকে আমরা শিখবো কিভাবে চা রান্না করতে হয়। শুধু চা নয় যেকোন রান্নার জন্ই আপনার গরম পানি রান্নার সম্যক জ্ঞান থাকতে হবে; যেহেতু এখানে সাত ঘাটের পানি খাওয়া থুক্কু সাত ব্লগের পোস্ট পরা ব্লগার রা আছেন তাই আমি বাই ডিফল্ট ধরে নিচ্ছি আপনারা গরম পানি রান্না করতে পারেন। তারপরো যেসব ব্লগাধম গরম পানি রান্না করতে প

chobi koi ..chobi......( picnic 2010)

aami mori nai .....ekhono beche  achi ...tomra sobai moja kore  picnic khaiba ....aar amra jara jaite parmu na tader jonne to chobi tuku tule dhorte parba tomra..ei jono sommukhe...vai sob ashun jar kache  je somosto picture  machin ache '' amra bondhu group er  picnic 2010'''  e giye ...sundor sundor picture tuli ar amra sob picture  gulo jatir sommukhe tule dho

কল্পনায় ৭১ - ১

আমি প্রায়ই স্বপ্নে দেখি যুদ্ধে গেছি, মুক্তিযুদ্ধে। আমার অবসেশন এটা। মাঝে মাঝে খুব দুঃখ হয় তখন কেন হলাম না। হইনি তো কি হয়েছে? গল্প লেখতে তো দোষ নাই। তাই এই গল্পের প্রয়াস। প্লট হবে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেরই। কিন্তু মর্ডান টেকনোলজি থাকবে কিছু। আশা করি এটাকে কেউ খারাপ ভাবে নিবেন না। ও হ্যা, গল্পে আমি নিজের নামটাই ব্যাবহার করলাম। অন্তত গল্পে তো মুক্তিযুদ্ধ করতে পারবো।

বন্ধু হয়ে ওঠার গল্প: স্পেশাল পিকনিক পর্ব

আমরা বন্ধুর পিকনিক

পর্ব ১ http://www.amrabondhu.com/nazrul/212
পর্ব ২ http://www.amrabondhu.com/nazrul/236

তো সেই বৈঠকেই আসলে যা হবার তাই হলো। সব সিদ্ধান্ত পাক্কা। পিকনিকের আগে আরো অনেক অনেক মিটিং করা হইলেও সেগুলা আসলে আড্ডাই হইলো।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ