রায়েহাত শুভ'এর ব্লগ
আত্মমগ্ন কথামালা (নৈর্ব্যক্তিক সময়ের শব্দ)
কয়েকটা টেলিফোন বেজে উঠেছিল কোথাও
আর, রাতজাগা ঘুমেদের আস্ফালনে চাপা পড়ছিলো
বিবিধ আগুনের তাপ
ত্রিধাবিভক্ত জিহ্বা নিয়ে উল্লসিত সাধুগোত্র
অন্যের রক্তে পানপাত্র ভরে নিচ্ছে অবিরাম
পাথর চোখের কার্নিশে ঘর বাঁধা প্রজাপতি, তোমরা উড়ে চলে যাও
এখানে স্বপ্নের বলি দেয়া হবে কিছুক্ষণ পর
বেজে উঠবে বিকলাঙ্গ নর্তকীর কাঁচের চুড়ি
হাড়ের গভীরে হেঁটে যাওয়া ঘুন পোকা, তুমি কেঁদে উঠোনা
ধর্মের সো কল্ড সু-শীতল ছায়াতল থেকে গনগনে রোদেলা যুক্তির পথে আমার যাত্রা...
ক্লাস থ্রি/ফোরে পড়ি, খুলনার খালিশপুরে থাকি। প্রতিবেশীরা মোটামুটি সবাই বিহারী।
"এএএ মিস্টার...লাড্ডান ভাই...গুড্ডুউউউ"
হাতুড়ে গদ্য (বারেকের টিভি)
বাজারের ঠিক শেষ মাথায় বারেকের চা’র দোকানটা। মৃত্যুর দিন গুনতে থাকা বুড়ো বাবলা গাছটা দাঁড়িয়ে এতদিন ধরে কিছু মানব শিশুর বিভিন্ন উচ্চতার অত্যাচার সহ্য করে আসছিল। তার চিরল পাতার ছায়ার নাগালের ভিতরেই বারেক দোকানটা শেষ পর্যন্ত বসিয়েই ফেলল। মফস্বলের এই মৃতপ্রায় বাজারে দোকান বসানোর মত নির্বুদ্ধিতা নিয়ে বাজারের লোকেরাও বারেককে কম খোঁচায়নি, সে নিজ সিদ্ধান্তে অনড়। সাধারন চা’র দোকানগুলো যেমন হয় বারেকের দোকান
আত্মকথন...
ইংরেজি গান শোনার অভ্যাস ওভাবে ছিলনা কখনো। মূলতঃ ইন্টার জীবন থেকে একটু একটু ইংরেজি গানের জগতে হাঁটা চলা। তবে এখনও ইংরেজি গানের প্রতি তেমন কোনো আগ্রহ গড়ে ওঠেনি। আর আমার টেস্টও খানিকটা ভেজাইল্যা। কোনো স্টেশন নাই। গান শোনা শুরু জ্যাকসন দিয়ে। বন্ধুর পাল্লায় পড়ে মারকস, এডামস, বোল্টন, ডেনভার, ম্যাডোনা, টয়াইন, মেটালিকা, মেগাডেথ, এমিনেম ব্লা ব্লা ব্লা... সবরকম হাবিজাবিই শুনি। ভালো লাগে কিংবা লাগে না।
হাতুড়ে গদ্য (ক্যাকফনি)
সন্ধ্যার ঝিম ধরানো সিগন্যালে; এলোমেলো কিন্তু সারিবদ্ধ ঝিঁঝিঁ পোকাগুলোর চিৎকার শুনতে শুনতে অতিষ্ঠ আলফেসানী, কানে ইয়ার-প্লাগের হোসপাইপ লাগিয়ে মগজের শুকনো জমিতে কিছু শব্দ আর ছন্দের চাষে ব্যাস্ত ছিলো। হঠাৎই রিয়ার ভিউ মিররে তাকিয়ে স্মৃতির কলসি ভেঙ্গে একঝাঁক কোমল ছবি ছড়িয়ে ফেলল এদিকে সেদিকে।
-----------
আত্মমগ্ন কথামালা (মৃত্যু)
আয়নাতে দেখি দু'টো অপরিচিত চোখ তাকিয়ে রয়েছে
সকালের জুতো গুলো চিত্কার করে বলে চিনি না তোমাকে
শার্ট বা টি-শার্টেরা, মনিবের গন্ধ ভুলে যাওয়া কুকুরের মত
দুরে দুরে সরে যেতে চায়
গলার স্বরে শুকনো পাতাদের প্রতিধ্ধনি
চমকে দেয়
দুপুরের রোদ-বিকেলের প্রলম্বিত ছায়া-রাতের নিঃশব্দ ঘেরা অন্ধকার
ধুলিকনার চুমুতে শিহরিত, মৃত এবং উত্থান রহিত দেহের প্রতিটি কোষ |
হাতুড়ে রুপকথা (পান্না চৌখি জল ফরিং আর নারিকোলিয়া চন্দ্রহার)
রইদের পাহাড়ে পান্না চৌখি জল ফরিঙের ঘর |
অন্ধ সোলেমান সদাগর জীবনের শ্যাষ সদাগরী করতে গিয়াছিল রইদের পাহাড়ে। সতের শহর আর দশটা মহাশহর পাড়ি দিয়া। পান্না চৌখি জল ফরিঙের খোঁজে, এইবার তার লগে আছিল তার জওয়ান পোলা আমিরজান।
সব্বেরে হেপ্পি নিউ য়িয়ার...
হেলু সব্বাই...
আমি গরিব মানুষ, হাতের লেখা খারাপ
এই খারাপ হাতের লেখায় সব্বেরে হেপ্পি নিউ য়িয়ার জানায় রাখলাম ;)
হাতুড়ে গদ্য (স্বপ্নাহত)
মেয়েটা দাঁড়িয়ে। শীতার্ত রাতের শুরুর দিকে, মৃতপ্রায় জানালা ধরে। অসাবধানে বানানো শরবতে; গ্লাসের কার্ণিশে যেমন এক-দু’দানা চিনি লেগে থাকে, তেমনি তার চুলের কার্ণিশ ঘেঁষে কয়েকটা রোদের দানা চুপটি করে বসে ছিলো একটু ছোঁয়াতেই মিলিয়ে যাবার অপেক্ষায়। নীচে রাস্তায় টুনটুন ছন্দে রিকশার নুপুর, সাথে হাইওয়ে থেকে ভেসে আসা দুরপাল্লার যানের বেস; অন্যরকম আবহ সংগীতে ভরিয়ে তুলছে পরিবেশ।
হাতুড়ে মুক্তগদ্য (শরীরের গান)
*
আমি দুরে বসে সিগারেটের সাথে কুয়াশার মিল খুঁজে ফিরি| আর টুপটাপ করে ক্লান্ত শিশির ঝরতে থাকে রাতের মসৃন সমভূমি বেয়ে| গানওয়ালারা সকল সুর ভুলে হামাগুড়ি দিয়ে চলে গেছে বহুদূরের বিছানায়| লেপের ওম|
বিন্দু বিন্দু ঘাম জমা করে শরীরের কানাগলিতে| কাগজের নৌকায় ভেসে আসা শব্দগুলো... চিরে চিরে ফেলে নিস্তব্ধতার জমাট বরফ|
**
টেস্টিং টেস্টিং ফটুক দেওয়া টেস্টিং
ভাইগ্নার ফটুক আপ করনের সিস্টেম টেস্ট কইরা দেখি

নিজের তুলা ফটুক...
আমার সম্মন্ধে জানতে প্রশ্ন করুন...
ছবির হাট গিয়ে জানতে পারলাম অনেকেই নাকি আমাকে চিনতে/বুঝতে পারেন না...
এই দুস্ক কই রাখি???
তাই ভাবলাম একটা পরিচিতি মূলক পোস্ট দেই,
জেখানে যার যা খুশি আমাকে নিয়ে কুচ্চেন করতে পারবেন...
আম্মো নিজেরে এট্টু বিশ্লেষনাত্মক স্টাইলে বুঝানির চেষ্টা করমু...
তো আমারে লইয়া যার যা কুচ্চেন কইরা ফালান...
উত্তর গ্যারান্তেদ...
কি আছে দুনিয়ায়, কি যন্ত্রনা, আরে ধুরু
কি আছে দুনিয়ায়...
ধুরু জ্বালা!!!
ভাবলাম পিচকি একটা পোস্ট মারমু , কি কি আমার পুস্টের শৈল নাকি ছুটু :( কি আর করা :|
আত্মমগ্ন কথামালা- (সুর্য্যভুক পাতালকন্যা)
গোর খোদকের চুলের কুয়াশায় জমা থাকে পাখিদের লাশ।
স্বপ্নের রক্তমাখা রুমালের হাতবদল ছায়াবাজী আঁধারে
সুর্য্যভুক পাতালকন্যার মুঠোফোনের ঝনৎকার,
রাত নিয়ে আসে হৃদয়ের অলিন্দ প্রকোষ্ঠে।
কালো মোরোগের তীক্ষ্ণ চুমুতে
চাঁদপোহানো বেড়ালের উষ্ণতা বেড়ে চলে নিরন্তর...
আর কাঁদতে থাকা ঘাসেদের শেকড়ে ঘর বাঁধতে থাকে
নপুংসক উঁইয়েদের হাড়গোড়।
29 Nov 2009