কম্পিউটারাইজড জ্যোতিষিদর্শন এবং আমাদের “সোল-হিলিং”
কম্পিউটারাইজড জ্যোতিষি দর্শনের শানে নুজুল দেখার জন্য মৌসুমের ব্লগটি দেখুন।
তো তুহি আর লিরা যখন জ্যোতিষিবাবার দোয়া নিচ্ছে, আমি আর মৌসুম তখন পাশে বসা আন্টির সাথে কথা বলে তাঁর নানারকম রহমত, ফজিলত এবং কেরামতের গল্পে প্রায় আধামরা। “তোমারা জানো” আন্টি বললেন, “প্রথমবার যখন আমি এসেছি, একদমই বিশ্বাস করতাম না এইসব তুকতাকে, কিন্তু উনি একদম সঠিক পয়েন্টে হাত দেন।” মৌসুম আর আমি সঠিক পয়েন্টের একটা যৌনব্যাখ্যা চিন্তা করে খুবই আমুদিত হইলাম এবং সজোরে ইতিবাচক মাথানাড়ানি দিলাম। আমি বললাম, “জ্বি আন্টি সবাই তো এরকম পারেননা, না?” আন্টি গদগদ হয়ে বললেন, “আরে না, কেউই পারেননা, কিন্তু ইনি একদম অন্য রকম।” এইবার আমি আর মৌসুম দুইজন দুইজনের দিকে তাকাইলাম, আমাদের মাথানাড়ানো সিনক্রোনাইজড, প্রলম্বিত এবং আরো গতিশীল। আন্টির চোখমুখ উজ্জ্বল “উনি আমাকে বলেছেন যে আমার জীবনে একটা গভীর সমস্যা আছে, এবং তার সমাধান আমার মেয়ের হাতে; এইবার তাই মেয়েকে নিয়ে এসেছি।" আমি আর থাকতে না পেরে হেসে দিলাম; পাঠক আশাকরি বুঝে নিবেন, আমাদের মাথায় ঘুরছে “সঠিক পয়েন্টের” কাহিনী।আন্টি অন্তত নাখোশ দিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উঠতি অবিশ্বাসীদের প্রতি উনার হতাশা ব্যক্ত করে ছুটে গেলেন জ্যোতিষিবাবার অফিসের দিকে। এসিস্টেন্ট বিরক্ত গলায় ডাক দিয়েছে, “নেকশট!”
এরমধ্যে তুহি ও লিরার প্রত্যাবর্তন, এবং লিরা ভন্ডবাবা সম্পর্কে সেইরকম উল্লসিত, তুহি সঙ্গতকারনে একটু মনমরা। আমি তুহিরে জিজ্ঞেশ করলাম, কিরে তোরে কি কইলো চাচামিয়া? সে আরো গম্ভীর হয়ে গেলো, “চাচামিয়া বলিসনা, তেমন বয়স না উনার”। আমি কইলাম, “কস কি? অল্পবয়সেই এইরকম কেরামতি, আর কয়েকদিন পরে তো নব্যুয়ত পাবেন মনেহয়।" সে আরো বিমর্ষ হয়ে গেলো। তুহির তখন বহুদিনের প্রেম কেবল বিয়ের দিকে গড়াচ্ছে, চাচামিয়া তাকে বলেছেন, তোমার জীবনে অনেক ঝড়-ঝঞ্ঝা হবে, বাপ-মা বিয়ে মেনে নিবেনা, চুলা সংক্রান্ত দুর্ঘটনা ঘটবে পরিবারে, আর বিয়ের দুইবছর পর ডিভোর্সের ঘোর লক্ষন দেখা যাচ্ছে।মৌসুম ব্যস্ত হইলো তুহিকে বুঝাতে যে এইরকম প্রেডিকশন যে কেউ করতে পারে, ইত্যাদি আর আমি দেখতে শুরু করলাম চাচামিয়ার (ওহ স্যরি!, হজরত গনক) অফিস। আমরা বসে আছি বেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ওয়েটিং এরিয়ায়, ভিতের একটি অংশ কাঁচের দেয়ালে ঢাকা, ওখানে উনি বসেন।এসিস্টেন্ট সাহেবের কম্পিউটারের স্ক্রিন সেভার নেচে চলেছে নন-স্টপ, খেয়াল করে দেখলাম, লেখা আছে ‘Soul Heealing’. আমি এসিস্টেন্টকে জিগেশ করলাম, আচ্ছা, কম্পিউটারাজড পদ্ধতিতে ভাগ্যগননা করে কেমনে, মামা? উনি বিরক্ত গলায় বললেন আপনি তো যাইতেসেন, গেলেই বুঝবেন।ও আচ্ছা। আমি আবার বললাম, মামা, এই স্ক্রিনসেভারে একটা বানান ভুল আছে। সে এবার সম্পূর্ন বৈরাগ্য নিয়ে অন্যদিকে তাকায়ে থাকলেন। আমি ডাকলাম, মামা, এইযে মামা। কোন সাড়ানাই। বুঝলাম 'সোল হিলিং' হইলেই হইলো, বানানের ভুল-সঠিক ব্যাপার না। যথাসময়ে “সঠিক” আন্টি সন্তুষ্ট হয়ে বেরহয়ে আমাদের দিকে আবজ্ঞামিশ্রিত অগ্নিদৃষ্টি ছুঁড়ে দিয়ে চলে গ্যালেন। “অ-ঠিক” আমি যথাসম্ভব হাসিহাসি মুখে তাকায়ে থাকলাম। মৌসুম তখনো ব্যস্ত তুহির ভবিষ্যত দাম্পত্যজীবনের ফাঁড়া কাটাইতে। এসিস্টেন্ট মামা আমার দিকে তাকায়ে উদাস ভঙ্গিতে বললেন, আপনি যাইবেন এবার?
জ্যোতিষি্র অফিসেও এক বিশাল কম্পিউটার, সেখানেও ভুল বানানের “সোল হিলিং” নেচে বেড়াচ্ছে। সাথে চলছে ঘুমপাড়ানি একটা সুর। আমি যেয়ে বসলাম সামনের চেয়ারে। হজরত আমাকে জিগেশ করলেন কি পড়ি, বললাম। সাহিত্যের প্রতি তিনি তার অনুরাগ ব্যক্ত করে, সামনে রাখা একটা কাগজে মনোযোগ দিয়ে এটা-ওটা আঁকতে শুরু করলেন।মাঝে মাঝে প্রশ্ন,
- তুমি কি হলে থাকো?
- জ্বি না ...উম আসলে মাঝে মাঝে থাকি।
- বাবা কি ব্যবসা করেন।
- জ্বি না...
- কি করেন?
- কিছুই না, বেকার। লেখালেখি করেন মাঝেমাঝে।
- তোমাদের পরিবারে ভাই কম, বোন বেশি।
- জ্বি
-ঢাকার নর্থ সাইডে থাকো?
-এটার মানে বুঝলামনা আঙ্কেল।
- কি জানতে চাও?
-তেমন কিছুনা। এই মানে পড়ালেখা কেমন হবে...
- তোমার তো পড়ালেখায় মন নাই। (এইবার আমি টাশকি, ব্যাটা বলে কি?)
- না মানে মন তো আছে। (আমতা আমতা করে)
- হ্যা আছে, তবে অন্যবিষয়ে মন বেশী, যেমন সাজগোজ।(আরে অদ্ভুত!)
- না সেটা ঠিক না। (আমি এগ্রেসিভ এবার)
- এই বয়সের মেয়েদের ফ্যাশন করা খারাপ কিছুনা (খুব নরম স্বরে)
- হুম।
- তোমার আমেরিকা/ ইংল্যান্ড পড়তে যাবার খুব শখ, কিন্তু পড়াশুনায় মনোযোগ নাই, তাই পড়তে যেতে পারবানা।
- হুম
আবার কিছু আকাজোকা করে ৩,৬,৯ ইত্যাদি সংখ্যা লিখলেন। আমি খুব গম্ভীর। দ্বিতীয় রাউন্ডে যাবার প্রস্তুতি হিসাবে বললেন।
-তোমার বাপ-মা’র সাথে তোমার সম্পর্ক ভালো না।
- আমি চুপ।
-মানে তোমার আর তাদের জীবনদর্শন খুব আলাদা।
এইটা বুঝতে গনক হইতে হয়না। আমি এইবার মজা পেয়ে বললাম, জ্বি জ্বি। তোমার যেটা করতে হবে তা হলো, উনাদের কথা মেনে নিতে হবে। আমি বললাম জ্বি জ্বি। আর যেই ছেলের সাথে প্রেম করছো তাকে ছেড়ে দিলেই মঙ্গল, অন্য অনেক ভালো অপশন আসবে জীবনে। তখন আমার কোন প্রেমিক নাই, সিঙ্গেল জীবনের যাতনা নিয়ে প্রায় ইন্টারন্যাশ্নাল হলের ছাদে বসে হা-হুতাশ করি। আমি জোরগলায় বললাম অবশ্যই, আমিও তাইই মনে করি। তা তোমার প্রেমিকের ভাইবোন কতজন। আমি জিগেশ করলাম কোনজনের কথা জানতে চাইছেন? এখনকারজন নাকি প্রসপেক্টিভগুলো? উনি বললেন এখনকার। আমি চোখ সরু করে চিন্তিত ভঙ্গিতে বললাম ওরা ১১ জন। উনি বললেন, তুমি কি মস্করা করছো? আমি বললাম জ্বি না (আসলেও ঐসময় যার প্রতি একটু তরল ছিলাম সকল জন্মনিয়ন্ত্রন স্কিমের প্রতি কদলি প্রদর্শন করে তারা ছিল ১১ ভাইবোন); তোমার যে বন্ধু এসেছিলো একটু আগে, ও অনেক সিরিয়াস, তুমি একদমই না। আমি ব্যাপক উৎসাহ দেখায়ে বললাম, জ্বি জ্বি, আমি ওর কাছ থেকে ইন্সপিরেশন নিচ্ছি আঙ্কেল। উনি আরো কিছু কথা বলে আমার জীবনে সিরিয়াসনেসের অভাবে কতকিছু হারাবো সেটার একটা ব্যাখ্যা দিলেন। আমি হাসিহাসি চেহারায় তাকায়ে থাকলাম। তবে আমি যদি একটা টোপাজ পাথর নেই তাহলে আমার এইসব ঝামেলা কেটে যেতে পারে। আমি মিনমিন করে বললাম, আমার আংটি পড়লে হাত চুল্কায়, আঙ্কেল। হজরত প্রায় রেগে গিয়ে বললেন, তাহলে মালা করে পড়। আমি সাগ্রহে বাকবাকুম করে উঠলাম “কোথাথেকে কিনতে হবে?” উনি বললেন এসিস্টেন্টের সাথে কথা বলতে। আমি বললাম, এবার আমি যাই, আরেকটা কথা, আপনার সোল-হিলিংয়ের বানানে ভুল আছে। বানানের ব্যাপারে হজরতের তেমন কোন টেনশন দেখা গেলোনা। উনি শুনতে পাননি এরকম ভঙ্গি করে অন্যদিকে তাকায়ে থাকলেন। আমি বুঝলাম ‘সোল হিলিংয়ের’ মত বিষয় ছেড়ে আমার এই বানান-ফেটিশ নিয়ে এসিস্টেন্ট মামা’র মত হজরতও মহাবিরক্ত।
বের হবার পর মৌসুমকে বললাম, শালা পুরা দুই নম্বর। তুহির মনোবেদনা এবং লিরার আহ্লাদ তখনো ক্ষনে ক্ষনে প্রকাশিত হচ্ছে। মৌসুমের ততক্ষন ডাক পড়েছে। ও তুহির দিকে হাল্কা ঈশারা দিয়ে ঢুকে গেলো অফিসে।
পাদটীকা
কম্পিউটারাইজড “সোল হিলিং” জ্যোতিষি দর্শনের পরে আমরাঃ
তুহির বিয়ের প্রায় ৪ বছর হতে চলেছে। ডিভোর্সের কোন সম্ভাবনা দেখা যায়নি এখনো।যদিও প্রথম দুইবছর সে ব্যাপক টেনশনে কাটাইসে। জামাইয়ের সাথে ঝগড়া হইলেই বলতো, দেখসিস, জ্যোতিষি বলসিলো...ইত্যাদি। মৌসুমের ইঞ্জিনিয়ার বর এখনো আসেনি। পড়াশুনায় মনোযোগের যথেষ্ঠ অভাব নিয়ে টোপাজ পাথর ছাড়াই আমি এখন আঙ্কেলের বলা নির্বান্ধব একটি দেশে নির্বাসন নিয়েছি। লিরাও স্বামী-সংসার নিয়ে ভালো আছে। আমাদের কারো “সঠিক পয়েন্টে” উনি হাত দিতে পারেননাই। আফসোস! “জীবনে আরো অনেক ভালো অপশন আসবে” এই আশায় অপার হয়ে বসে আছি (ওহে দয়াময়!)। এবার দেশে ফিরে হজরতের ডেরায় আবার যাবার ইচ্ছা আছে। ‘পারে যাবার উপায়টা এইবার যদি বাতলে দিতে পারেন! ইতিমধ্যে আপনার কেউ যেতে চাইলে, লোকেশনটা দিয়ে দিলাম। এইটা হলো গ্রিনরোড ও পান্থপথের কোনার বিন্ডিংটার ৪ তলায়, কম্পিউটারাইজড ‘সোল-হিলিং’ সেন্টার।)





কতো অজানারে!
স্বাগতম শর্মি। লেখালেখি চলুক।
ধন্যবাদ।
জটিল হইছে লেখাটা।
ধন্যবাদ।
অচিনদা কোন পয়েন্টের কথা কইতেছেন একটু বুঝাইয়া বলেন!!!!
দুর্ভাগ্যজনক... উনার সঠিক পয়েন্টে হাত দিতে না পারাটা
যাউকগা... জীবনে আরো অনেক ভালো অপশন আসবে
স্বাগতম এবিতে
ধন্যবাদ। ভালো অপশনের আশায় আশায় দিনি কাটাচ্ছি। হা হা।
তুহি কৈ? ওর কথাও কথা শুন্তে চাই
উনি সংসারধর্ম পালনে বিজি আছেন।
ব্লগ জগতে কিছু কথা স্থায়ী হয়ে যায়। আমার ধারণা আপনি এরকম কিছু ব্লগে দিলেন।
এইটা স্থায়ী হয়ে গেলো।
রেখা দারুণ।
এইটা বড় আফসোসের বিষয়! হজরতের কুদরত থেকে বঞ্চিত থাকলাম আমরা। দিলে বড়ই ব্যাথা পাইতেছি।
হ, রেখা দারুণ
রেখা-লেখা হবে। তবে দুইটাই দারুণ।
সঠিক পয়েন্ট !!
।
জ্বি জনাবা।
ক্যান দিতে পারলো না??

কি জানি ভাই, এইটা তো আন্টিরে জিগাইতে হইবে।
আর ভবিষ্যতের ভালো অপশনের স্বপ্নে হজরতকে ক্ষমা করা হইলো।
ব্লগে কিছু আবিয়্যাত্তা নাবালক কিন্তু দুষ্ট কিসিমের পোলা-মাইয়া আছে। তাগো জন্য "সঠিক পয়েন্টে"র একটা ব্যাখ্যা রেডী রাখেন।
ব্লগে ১৮+ একখান ট্যাগ আছে ঐটা লাগাইলে ট্যাগের দিক দিয়ে পয়েন্টটা সঠিক হইত মনে হয়।
সবশেষে কই এইটা একটা ঝালমুড়ি পোষ্ট হইছে। ব্লগে স্বাগতম।
ব্যাখ্যার দরকার নাই মনে হয়। যে যে ভাবে ব্যাখ্যা করে নিক। সেইটাই ভাল। আমার ব্যক্তিগত মত এইটা।
জ্বি য়ামারও তাই-ই ছিলো।
আরিফ ভাই এইটা কি কইলেন??
আমরা আবিয়্যাত্তা ঠিক আছে তাই বইলা নাবালক???????

আপনার পয়েন্ট সঠিক @ রাসেল ভাই
আমার প্রধান টেনশন কিন্তু ভুল বানান।
সেইটা নিয়া চিন্তা কইরেন না, আমরা সঠিক পয়েন্টেই থাকবো।
আপনার জন্য আজাইরা লেখার সিরিয়াস ব্যাখাঃ
জীবনের কঠিন সমস্যা, যেগুলো নিয়ে মানুষ হিমসিম খায় সেইটাই সঠিক পয়েন্ট। জৈতিষি ওগুলো কারো কারো ক্ষেত্রে প্রেডিক্ট করতে পেরেছিলেন, আমাদের ক্ষেত্রে পারেননাই। প্রথম প্যারায় আন্টির কথা থেকে তা পরিস্কার আশাকরি।
ধন্যবাদ।
আমি ফান কইরা কইছিলাম। আপনি মনে হয় সঠিক পয়েন্টে হাত দিতে পারেন নাই।
সবার কি সঠিক পয়েন্টে হাত দেয়া সঠিক?
এটার দ্বায়িত্ত হয্রতের, আমি তো আপামর জনগন। এইসব লোহানী কুদরত আমার জ্ঞানের বাইরে।
ব্যাপক মজা পাইলাম। কেচালময় জীবনে সঠিক পয়েন্টের পোষ্ট খুব ভালো লাগলো। স্বাগতম এ বি তে।
ধন্যবাদ।
সম্ভবতঃ উনার সাথে দেখা কইরা দুইশ টাকা দেওনের বদৌলতেই আপনারা সুখে আছেন, পাথর নিলে হয়তো আমেরিকার প্রথম বাঙালি প্রেসিডেন্ট হওনের সম্ভাবনা ছিলো। উনি সঠিক পয়েন্টে হাত দিতে না পারলেও যদি এই হয় দিতে পারলে না জানি কি হইতো!
আপনিই বুঝলেন জনাব। ধন্যবাদ।
তোর ভবিষ্যৎ যে মাস্টর হওয়া ছিল সেইটা আমরা বুঝতেছি, জ্যোতিষী বুঝেনাই। বানানের বিষয়টা মনে ছিলনা আমার হাহাহাহা!
কিন্তু চুলা সংক্রান্ত দুর্ঘটনাটা কিন্তু ঘটছিল দোস্ত, কিন্তু সেইটা তুহির বাসায় না, লিরার খালার বাসায়! বেটার সঠিক পয়েন্টের গ্যানজাম সবসময়-ই ছিল,,, আমার ধারনা ঐ আন্টির সঠিক পয়েন্টটা ঠিক জায়গায় ছিলনা হিহিহি
বুঝ অবস্থা, কইলো তুহিরে, ঘটলো লিরার খালার বাসায়।
তাইলে তুহিরে যে কইছিলো তার বিয়া ২ বছর টিকপে না... ওইটা কোন পয়েন্টে যাইয়া লাগছে?
দুইজনেই সঠিক পয়েন্টে ছিল তাই........
জ্বি ঐটা এখনো বুঝা যাইতেসেনা। আমরা ২ বছর ২ বছর করে অব্জার্ভেশনে রাখিয়াছি।
টুটুল ভাই দেখি চিন্তায় পইরা গেলেন, ঐটা মনে হয় আমার লাগছে, আমার বিয়া ভাইঙ্গা গেছিল দুই বছরের মাথায়! খাইছে, লোকটা দেখি বিরাট পাওয়ারফুল!
কিসের পাওয়ারফুল! এতদিন পরে টেনশনে পড়ে গেলাম, মাবুদ জানেন আন্টির সঠিক পয়েন্ট, কারে যেয়ে হিট করবে!
হাহাহা, আমি ভাবতেছি ইঞ্জিনিয়ার জামাইটা কার হইল? সে এসে কারে প্লেনে করে উড়িয়ে বিদেশ নিয়া গেলগা (হাত দিয়া প্লেন উড়ানো কল্পনা করে নিতে হবে)। সেই আন্টিরে নাকি দোস্ত
!
হুম, আরও গভীর চিন্তায় পড়লাম। তারমানে আমার ভাগ্যের উন্নয়নের চাবি থাকবে আমার মেয়ের হাতে? ইয়া নাবসি, ইয়া নাবসি!
বিরাট টেনশনের বিষয়! লিরারে কি বলছিল মনে নাই...কে জানে ঐটা কার ঘাড়ে পড়ল!
দোয়া-দরুদ পড়, জলদি!!
আন্টির সঠিক পয়েন্ট কেমনে ঠিক থাকে?
সঠিক পয়েন্টে পইড়্যালাইছি, এইবার যাইগা।
জ্বি আচছা।
এক এক কাস্টমারে ২০০ ! বিশাল বিজনেস
আমি উনার ঝাড়ি খেয়ে দৌড়ে পালিয়ে এসেছি। টাকা দিতে মনে ছিলোনা। মৌসুম ২'শ দিয়েছেন।
বন্ধু দুএকজন যোগাড় করতে পারলে শীঘ্রই লোকটাকে দেখার ইচ্ছা রাখি
আপনারা ইন্টারন্যাশনাল হলে কত সালের দিকে থাকতেন ? আমার ছোটোবেলা পুরোটা ব্যাচেলর'স কোয়ার্টারে কাটানো --- ইন্টারন্যাশনাল হল এর পেছনে ---এই জায়গাটা জোশ !
ওহ -- ২০০৫ এ -- পোস্টেই ছিলো মিস করেছিলাম ।
'আমরা বন্ধু'তে স্বাগতম । প্রথম পোস্টেই বাজিমাৎ ! একেবারে সঠিক পয়েন্টে হিট ! চমৎকার !
ধন্যবাদ।
আমিও এখনো কারো সঠিক পয়েন্টে হাত দিতে পারি নাই। তাই জীবনে কিছু হৈলোনা এখনো।
লেখা ভালৈছে।
আপনিও কি জৈতিষি নাকি?
না ভাই। জৈতিষি হৈলে তো কোন না কোন পয়েন্টে সফল হৈতাম। বোকা লুগ্জনের তো অভাব নাই সমাজে!
"জৈতিষি হৈলে তো কোন না কোন পয়েন্টে সফল হৈতাম।" জ্বি কথা সঠিক।
প্রথম পোস্টেই একদম সঠিক জায়গায় হাত দিয়ে বাজিমাত!!!

আইশ্লা!!!
এ.বি.তে স্বাগতম।
ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।
সঠিক মজা পাইলাম
ধন্যবাদ
ঢাকায় কিন্তু সম্পূর্ন কম্পিটারাইজড পদ্ধতিতে ভুরু তোলা, বউ সাজানো, মেদ ভুড়ি কমানো সব হয়।
এবিতে স্বাগতম। অনেক বেশি বেশি লেখা চাই
জ্বি ওগুলতো বুঝলাম, কিন্তু, সোল-হিলিং!
আর ধন্যবাদ আপনার কমেন্টের জন্য।
ধন্যবাদ।
পোস্ট ভাল্লাগছে । এবিতে স্বাগতম ।
আমারো ভাললাগ্তেসে। থ্যাঙ্কইউ।
বাবাজিরে আমার দেখতে বড় মঞ্চাইতেছে !
লেখাটা আকর্ষণীয়। ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ রণদীপম।
সেরাম হইসে!

আবা-আর জিগস!
মন্তব্য করুন