বৈদেশ যামু, না যামুনা- ২
আগের পর্ব http://www.amrabondhu.com/aajad/5168
রাইতে ঘুমাইতে ঘুমাইতে ১ টা বাজে কমপক্ষে। শোয়ার পরে লাইট নিভাইতে গেলে ছোট পোলায় চিৎকার দেয়, আর লাইট না নিভাইলে বড় পোলায় চিৎকার দেয়। রাইত মোটামুটি ১ টা বাজলে ছোট পোলায় ঘুমাইতে যায়। প্রথমে শুইয়া মোবাইলের সব ছবি দেখবো। তারপর গান শুনবো। তারপর হঠাৎ তার মনে হৈবো সে 'সি' করবো। আবার উঠতে হয়। তারে 'সি' করাইতে হয়। এরপর শুইবো। বানাইয়া বানাইয়া তারে গল্প শুনাইতে হয়। কারন প্রত্যেকদিন গল্প পাইবো কৈ ? নতুন গল্প না হৈলে আবার সে শুনবো না। গল্প শুনা শেষ কৈরা তার চোখে যখন ঘুম আইবো আইবো করতাছে- হঠাৎ তার মনে হৈবো- পানিতো খাই নাই ! তারপর কৈবো- বাবা/মা, মাম থাবো...। এই ভাবে চলতে চলতে মোটামুটি ঘুমায় সে। আমার ঘুমাতে ঘুমাতে আরো ২০/৩০ মিনিট। ঘুম গেলাম কী গেলাম না, মোবইলে অ্যালার্ম বাজা শুরু করে। ৩ টা ১৫ বাজে। সেহেরি খাইতে উঠি। তারপর সেহেরি খাওনের পর নামাজটা পড়ি। মোটামুটি ৪ টা ৩০ বেজে যায় । আবার ঘুমাইতে যাই ৫ টায়। উঠি ১০ টায়। অফিস টাইম ১১ টায়। এই ভাবেই দিন যাইতেছে...
৩১ জুলাই ভিসার ফরম জমা দেওনের টাইম ছিলো ১০ টায়। আমি জমা দিতে গেলাম দিলকুশায়। এই খানেই নাকি সহজ। ২ ঘন্টা লাইনে দাঁড়াইয়া জমাও দিলাম। আরো ৩০ মিনিট পরে কাউন্টারের ওই পাড় থেকে আমারে হাতে হারিকেন ধরাইয়া দিলো। আবার ফিলাপ করতে হৈবো। পাসপোর্টের নামানুসারে বাপের নাম 'শামসুল আলম'। ভোটার আইডি কার্ডে লেখা 'মোঃ শামসুল আলম' সুতরাং 'মোঃ' লাগাইতে হৈবো। মর জ্বালা ! ২/৩ ঘন্টা পরে যদি এইরকম ভুল ধরে তাইলে মেজাজ ঠিক থাকে কেমনে ? ফরম লৈয়া অফিসের দিকে রওয়ানা হৈলাম। এই দিকে অন্য ২ বন্ধু ফরম এবং ভিসা ফি বাবদ ৪০০ টাকাও জমা দিয়া দিছে। আমি কৈলাম- যামুনা, তোরা যা।
স্বপন কৈলো- দুর বেটা, সময় আছে এখনও। আবার ফরম ফিলাপ কর।
অফিসে আইসা আবার ফরম ফিলাপ করলাম। ডেট পাইলাম ৬ তারিখে। সকাল ১১.৪৫ এ। এই বার আর দিলকুশায় যামুনা। সকাল ১০ টার দিকে গুলশানের দিকে মোটর সাইকেল ছুটাইলাম। অ্যাম্বাসির কাছে গিয়া দেখা নজরুল, তার বৌ নূপুর আর কইন্যা নিধির লগে। হেরা ফরম জমা দিয়া আসতেছে। বিদায় নিয়া আগাইলাম। সামনে যাইতেই পথ আটকাইলো গার্ড। ব্যাগ নিয় যাওয়া যাইবো না...
তাইলে কী করুম, জিগাইলাম সিকিউরিটির লোকেরে।
পিছন থেকে এক মোটাসোটা মহিলা কৈলো- মামা, আমারে দেন আমি রাখুম।
কয় কি মহিলা, চিনি নি জানিনা... সি্কিউরিটি কৈলো- রাখেন সমস্যা নাই।
ব্যাগ রাখলাম। মহিলা একটা কাগজের টোকেন ধরাইয়া দিলো। সেই টোকেনে মহিলার নাম লেখা- নাছিমা । মোবাইল নম্বরও লেখা। ব্যাগ রাইখা লাইনে দাঁড়াইলাম।
গেইটের ভিতরে ঢুকলাম ৩০ মিনিটের মধ্যে। সিকিউরিটির লোক একটা চিপা গলি দেখাইয়া কৈলো- এই রাস্তার শেষ মাথায় গিয়া বসেন। এই গলি সেই গলি হৈয়া শেষে একটা ক্যান্টিনে গিয়া উঠলাম। সেখানে আরো ৪০/৫০ জন বসে আছে। সবাই ফরম জমা দিবো। ৩০/৪০ মিনিট বসার পরে সিকিউরিটির লোক আইসা ১১ টায় যাগো টাইম তাগোরো লৈয়া গেলো। আমার ডাক আইলো আরো প্রায় ঘন্টা খানিক পরে। প্রথমে টোকেন দিলো একটা। টোকেন নং ২৮৮। তারপর নিচতলায় বৈতে কৈলো। বসমু কৈ ? রুম জুড়ে ৬০/৭০ জন মানুষ। তারমধ্যে দাঁড়িয়ে আছে ১৫/২০জন। কিছুক্ষণ দাঁড়ানো পরে একটা চেয়ার পাইলাম বসার জন্য। বসে বসে 'বোবা' সময় টিভি দেখছি। সাউন্ড নাই। তবে এই রুমে এসি চলে। ঠান্ডা একটা আবহ আছে। ১২ টা ২০ মিনিটে আমার টোকেন নম্বর দেখা গেলো স্ক্রিনে। সামনে আগাইলাম। কাউন্টার থেকে আরেকটা টোকেন দিলো। নম্বর ২৫৪। তৃতীয় তলায় যাইতে কৈলো। গেলাম। সেইখানেও এলাহি কারবার। মানুষজন দাঁড়াইয়া আছে... ভাগ্য ভালো যে, পিছনের দিকে একটা সিট পাইলাম।
এই খানে ২ টা কাউন্টার। এক কাউন্টারে আবার ৩ জন করে 'দিদি' বসে আছেন। মোট 'দিদি' র সংখ্যা ৬ জন। এর মধ্যে বসে বসে দেখলাম- ১ নং কাউন্টারের 'দিদি' সবচেয়ে খতরনাক মহিলা। তিনি প্রায় সবাইকেই ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এর এই প্রব্লেম তো, ওর ওই প্রব্লেম বলে। আর তার গলার স্বর এবং বলার ধরন এতটাই খারাপ যে আমারি মেজাজ খারাপ হচ্ছিল। পাশের ভদ্রলোক আমারে বল্লেন- দোয়া করেন যেনো ১ নং কাউন্টারে ডাক না দেয়। আমার পালা যখন আসলো তখন যান্ত্রিক গলা শোনা গেলো- টোকেন নম্বর ২৫৪, কাউন্টার নম্বর ৫। যাক বাবা, বাঁচলাম। ৫ নম্বর কাউন্টারে গেলাম। 'দিদি' প্রথমেই বললেন- এই ছবি চলবে না। সাথে ছবি আছে ? বললাম, আছে কিন্তু সাইজমত নাই। মানে 'দিদি'-দের রিকয়ারম্যান্ট ছবির সাইজ হচ্ছে- ২ ইঞ্চি বাই ২ ইঞ্চি। আমার কাছে আছে পাসপোর্ট সাইজ ছবি। 'দিদি' পাশের 'দিদি' কে বললেন- চলবে এই ছবি ?
পাশের জন বললেন, চলবে। ছবি ক্লিয়ার আছে।
এই বার বল্লেন- বিল এনেছেন ?
জ্বী, এনেছি।
এই বিলতো হবেনা....
এইটাতো ফোন বিল, সমস্যাটা জানতে পারি ? মোলায়েম গলায় জানতে চাইলাম (মনে মনে বললাম, হারামজাদী তোর বিলের নিকুচি করি আমি...)।
মোবাইল বিলের কপিতে হবেনা। ল্যান্ড লাইনের বিল লাগবে... 'দিদি' বিরক্ত হয়ে বললেন্।
পাশের দিদি বললেন, অ্যাড্রেস ঠিক থাকলে রেখে দেন- সমস্যা নাই...।
আমিও বললাম- প্লিজ দিদি (তোর বাপের শ্রাদ্ধ, হারামজাদী ...)।
ফরমটা এক প্রকার ছুঁড়ে দিলন আমার দিকে। বললেন- নিচে ম্যানেজার আছে, তার কাছে যান। তিনি বললে রেখে দেবো...
আমি নিচে নেমে আসলাম। ম্যানেজারকে বুঝিয়ে বললাম। ম্যানেজার হচ্ছেন 'দাদা'। এ হারামজাদা আরেক কাঠি সরেস! বলে কিনা, ল্যান্ড ফোনের বিল লাগবে বলেছে ব্যস সেটাই লাগবে। নিয়ে আসুন। বুঝলাম- রসুনের কোষ আলাদা হলেও পাছা সবাইর এক... বেরিয়ে পড়লাম। বাইরে বৃষ্টি তবে হালকা। নাছিমা আপারে খুঁজে বের করলাম। তার কাছ থেকে ২০ টাকা দিয়ে ব্যাগ নিয়ে অফিসের দিকে...
যাবো না আমি ভারতে, বন্ধুদের সাফ জানিয়ে দিলাম। ওরা অনুরোধ করলো, আবার ফরম ফিলাপ করতে। মাথা ঠান্ডা করে আজ আবার ফিলাপ করলাম। জমা দেওয়ার ডেট পাইলাম ৯ তারিখে। দেখি, শেষ চেষ্টা করে। কথায় আছেনা- দান দান, তিন দান... আগামি ৯ তারিখে আমার ৩য় দান... তবে এইবার আর গুলশান না এইটা শিওর। দিলকুশায় জমা দিমু। এখানকার 'দাদা' রা গুলশানের ১ নম্বর আর ৫ নম্বর কাউন্টারের 'দিদি' র চাইতে কম হারামী...।





ভারত কেন যাইবার চান?
ধুর এমনিই... বন্ধুরা যাচ্ছে। কোলকাতার বাইরে কোনোদিন যাইনি। এবারের প্ল্যান হচ্ছে- আগ্রা- দিল্লী- জয়পুর আর কোলকাতা... সেজন্যই
দাদা দেখি ভারত গিয়েই ছাড়বেন
না, যাবোই... এরকম কোনো পণ করি নাই
কতো গেনজামে আছেন!
হ, মহাগ্যাঞ্জাম রে ভাই...
হাহাহাহাহাহাহা। পরিচত কেউ থাকলে দেখবেন কেস আলাদা। বাসায় এসে ভিসাসহ পাসপোর্ট দিয়া যাবে। গুরুত্বপূরন কাউরে দিয়া ফোন করান দাদাভাই
সামনেরবার দেখা হলে এই কাহিনী বয়ান দিবো

এই সব করতে চাই না...
কী হবে না গেলে ?
ওদের আচরন এক্কেবারে যা-তা
ইন্ডিয়া যায় মাইনষে ?
তো, প্রতিদিন যে যাইতাছে- এরা তাইলে 'মানুষ' না ?
আপনিওতো দেখি 'দাদা' আর 'দিদি'দের মত কথা
বলা শুরু করলেন মশাই
যাইয়েন্না
এত্ত কাহিনী কইরা ইন্ডিয়া বিদেশ কেন যাইতে হপে?
হ, তাইতো
আপনে আমার বাড়ি পর্যন্ত আসেন বর্ডার পাড় কইরা দিমু তার পর আল্লা ভরসা
এরই বোধ হয় কয়-
গাছে উঠাইয়া মই সরাইয়া নেয়া...
ইন্ডিয়া কি বৈদেশ?
না, পাশের দেশ
ভিসা আনতে যায় মাইনষে?
কতদিন বিদেশ যাই না। আফসুস
আপনের ভিসা বুঝি বাসায়/অফিসে আইসা দিয়া যায় ?
দাদারে "দাদা-দিদি"রা ভালই পাইছে
~
বাপ্রে বাপ ! ইন্ডিয়া যাওয়ার এতো হ্যাপা !
হ্যাপাতো মাত্র শুরু... আরো আছে, কমুনে
বিকালে কারে লইয়া বার হইছিলেন? রোদ্দুর না সমুদ্দুর? ওরে হেলমেট পরান নাই কেন?!
সমুদ্দুর...

আপনে দেখি আমার উর্পে গোয়েন্দাগিরি শুরু করছেন
দেখা দেননা কেন ?
ডাক দেয়ার আগেই আপ্নের সাইকেল দৌড় মারে!
হ, সেদিন আমিও দেখলাম পান্থপথ
হায় হায় কও কি ! সবতে আমারে দেখে, আমি কাউরে দেখিনা
সমুদ্দুরকে আমার খুব ভীষণ ভালো লাগে।
এই অংশটুকু সবচে' দারুণ হয়েছে!
ভিসার জটিলতা কেটে যাক। শুভকামনা
ভিসার জটিলতা কাটলেও যাওয়া না যাওয়া ৫০:৫০
ভিসার জটিলতায় কোন দিন ইন্ডিয়া যাইতে ইচ্ছা হয় নাই।
ভিসার জটিলতায় কোন দিন ইন্ডিয়া যাইতে ইচ্ছা হয় নাই।
ইন্ডিয়া না যাওয়াই ভালো
ইডাতো দেহি মহাঝামেলা।

এখুন তো দেখি ইউরোপ যাওন সুজা ইন্ডিয়া যাওন থেইক্কা।
কেমনে কৈ ! আমিতো আর ইউরোপ যাই নাই কুনুদিন
আসলেই কি এত ঝামেলা?
১. আপনার ফর্মে যদি লেখা থাকে যে ২" বাই ২" ইঞ্চি ছবি নিয়ে যেতে হবে, তাহলে পাসপোর্ট সাইজ ছবি নেবার মধ্যে কি কোন আলাদা বাহাদুরি আছে?
২. যদি একটা প্রতিষ্ঠান আপনাকে বলে যে একটি "অথেনটিক" জায়গা থেকে ডলার এনডোর্স করতে, তাহলে সমস্য কি খুব বেশি? যাদের কাছে মনে হয় ডলার এনডোর্সমেন্ট টা করাটা একটা বাড়তি ঝামেলা - খুব সিম্পলি আপনি আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট অথবা ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ডের ফটোকপি জমা দিয়ে দিন। কোন ঝামেলাই লাগবে না!
৩. আপনার বাড়ির গ্যাস/পানি/বিদ্যুত/টেলিফোন -এর মাঝে যে কোন একটির ফটোকপি চাওয়া হয় আপনার বাড়ির ঠিকানাটি সঠিক আছে কি'না তা জানার জন্য। যদি আপনি ভাড়া বাড়িতে থাকেন তাহলে আপনার নাগরিকত্বের সনদ অথবা জন্ম নিবন্ধনের সনদের ফটোকপি দিন যেখানে আপনার পাসপোর্ট অনুযায়ী যে কোন একটি ঠিকানা লেখা আছে। এতগুলো অপশনের মধ্যে একটি জোগার করা নিশ্চয়ই খুব একটা কষ্ট না!
৪. আপনি একটা সিম্পল ফর্ম ফিলাপ করবেন- সেখানে যদি আপনি ভুল করেন- তাহলে এটা কার দোষ? বাবার নাম ভুল লেখাটাও তো একটা লজ্জার বিষয় না? খুব ছোট্ট হলেও "মোঃ" শব্দটির মর্মার্থ নিশ্চয়ই নতুন করে বলার কিছু নেই।
উপরের সব কথাগুলো তাদের ওয়েবসাইট, অফিস এবং ভিসা ফর্মের উপরে অনেক সুন্দর করে লেখা আছে। যদি আপনি সেটা একবারও না পরেন - সেটা কার দোষ?
ভাই, নিজের আলসেমির দোষ কি অন্য কারো উপরে চাপিয়ে লাভ আছে?
বিঃ দ্রঃ আমি যদিও ভারত-বাসীদের অত্যন্ত্ম অপছন্দ করি কিন্তু বলতে দ্বিধা নেই, ভারত দেশটিকে আমি খুব পছন্দ করি। এত চমৎকার দেখার যায়গা, খাবার ও সুস্থ বিনোদোনের অপশন- এত কম খরচে আর কোথাও নেই। তাই সেই জায়গাটি দেখতে যদি সামান্য একটু মনোযোগ দিতে হয়- সেইটাও কি দোষের?
আপনার অনুভুতিতে আঘাত দিয়ে থাকলে দুঃখিত।
১. ছবি ২ বাই ২ ঠিকই দিয়েছি। বাট ওরা বললো ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা হতে হবে। এই তথ্য কোথাও লেখা ছিলো না... আমারটা ছিলো হালকা নীল...
২. ডলার এনডোস করার কাগজ জমা দিয়েছি। পাসপোর্টেও লেখা ছিলো। তারপরও ব্যাংক স্টেটম্যান্ট দিয়েছি। সেখানে আগের অফিসের ঠিকানা ছিলো। বললো, পাসপোর্টের ঠিকানার সাথে মিলছেনা...
৩. বিলের কাগজ দিয়েছিলাম। জানতাম না, মোবাইল বিলের কাগজ হবেনা... পরে বিদ্যুৎ বিলের কাগজ দিয়েছি...
৪. আমি পাসপোর্ট অনুযায়ী নাম, বাবার নাম লিখেছি ফরমে। ভোটার আইডিতে অতি জ্ঞানী লোকজন বাপের নামের আগে 'মোঃ' লিখেছে... এইটা আমার দোষ না। যে কারনে আমি ফরম ফিলাপ করার সময় 'মোঃ' লিখিনি...
আপনার এই তথ্যটা ঠিক না। কি কি কাগজ জমা দিতে হবে- এই তথ্যগুলো ভিসা অফিসের দেয়ালের পাশে একটা বোর্ড ছাড়া কোথাও উল্লেখ ছিলোনা। শুধু ছবি ২ বাই ২ এটা ভিসা ফরমে উল্লেখ আছে ব্রাদার। আরেকবার দেখুন...
আপনার এই কথাগুলোর সাথে শতভাগ একমত।
ভালো থাকবেন, ধন্যবাদ আপনাকে।
মন্তব্য করুন