ইউজার লগইন
ব্লগ
ক্যানবেরা সফর - পর্ব ৫ (ইন ক্যানবেরা)
ঘুমাতে যাওয়ার দশ পনের মিনিট পর মুজা কাকু একত্রিশ দাঁত বের করে (একটা পড়ে গেছে ) মামুরে বলে কালকে তো আমাদের কোন ঝামেলা নাই শুধু ঘুরাঘুরি আর দাওয়াতে যাওয়া। আমার দিকে ইশারা করে বলে এই দুই নম্বরের কালকে অনেক কাজ। আমাদের কে সব যায়গায় নিয়ে যাবে হে হে হে। এরপর কাকু আর মামু তাদের সুখ দুঃখের আলাপ জোড়া দিলো। কে কবে কখন কিভাবে ছেঁকা গলাধঃকরণ করছে, কোথায় আর একটু পরিশ্রমী হলেই ..........
প্রকারান্তর
ভনিতা: পাঠক হিসেবেই আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। লেখালেখি আমার কম্মো না। টুকটাক যা লেখি, সেগুলো কতোটাই লেখা সে নিয়েও ঘোর সন্দেহ আছে। কিন্তু কেউ কেউ এমন আশকারা দেন, যে ইচ্ছে হয় রাতারাতি লেখক বনে যাই। আমার জানের দুস্তোর বিশ্বাস, আমাকে দিয়ে 'হবে'! সে আমায় আগে বাড়তে বলে। তার বিশ্বাসকে মুঠোয় পুরে আমার এই প্রথম গল্প আপনাদের সামনে হাজির করবার সাহস দেখালাম। আমি প্রচুর বানান ভুল করি, যতিচিহ্ন এর ব্যবহারেও ভীষণ দুর্বল, দয়া করে ভুলগুলো ধরিয়ে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো।
==========================================================
ফ্রয়েডজীর জন্মদিনে শ্রদ্ধাঞ্জলি
গ্রামের এক কৃষক একবার হালচাষের সময় একটি মাথার খুলি পায় । কি মনে করে সে খুলিটি ভাল করে মুছে আলমারিতে রেখে দেয় । তার স্ত্রী একদিন আলমারি খুলে দেখে ভিতরে একটা খুলি । স্ত্রীর মনে সন্দেহ দানা বাঁধে । নিশ্চয় এটি স্বামীর বিয়ের আগের কোন প্রেমিকার খুলি । দাঁড়া দেখাচ্ছি মজা ! কৃষকের স্ত্রী পাটার মধ্যে খুলিটি রেখে শিল দিয়ে ছেঁচা শুরু করল এবং এরই মাঝে লক্ষ্য করল খুলির কপালে লেখা-‘কপালে আরো দুঃখ আছে !'
: এটা জানতাম যে, 'কপালের লিখন না যায় খন্ডন' কিন্তু আপনার এই গল্পের তাৎপর্য কি?
সর্বসত্ব সংরক্ষিত
পুরনো বাক্স ঘাঁটাঘাঁটি যদি করো, এখনও আচমকা
দু-একটা নীল খাম বেরিয়ে পড়তে পারে।
গোটা গোটা অক্ষরে ভুল বানানের ভালবাসা
রাখা না রাখার দ্বন্দ্ব।
অব্যবহৃত হলদে পাতার বইয়ের ভাঁজে এক আধটা
মৃত রুক্ষ গোলপের অবাঞ্ছিত উপস্থিতি কিছু বিচিত্র নয়;
বহু আগের ছুঁড়ে ফেলা অসমাপ্ত কাজের ইতি।
দু-একটা ফেলনা উপহার, যা না রাখলেও চলে।
চলে যেতে পারে জঞ্জালের বাক্সে
শতেক কবিতার শবযাত্রা।
নাহ,
অহনার অজানা যাত্রা
বেশ হুড়মুড় করেই ধরতে গেলে অহনার বিয়েটা হয়ে গেলো অর্নর সাথে। পাত্র অর্ন বিদেশ থাকে, তার ছুটি ফুরিয়ে এসেছিলো প্রায় এই মেয়ে বাছাবাছি করতে করতেই, অবস্থা অনেকটা সে পর্যায়ে চলে গিয়েছিল যে বিয়ে না করেই অর্নকে আবার কর্মস্থলে ফিরে যেতে হবে, যদিও পাত্রপক্ষীয় প্রথানুযায়ী অর্ন ছুটিতে আসার আগে থেকেই অর্নের পরিবার মেয়ে বাছার কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু ঠিক যেনো মিলাতে পারছিলেন না। এই মেয়ের বাবা পছন্দ হয়তো ভাই না, সে মেয়ের ভাই পছন্দ হয়তো মেয়ে না। সেই অন্তিম মূহুর্তে একজন কমন বন্ধুর মারফত পাত্রপক্ষের পাত্রীপক্ষের যোগাযোগ হলো। তারপর মেয়ে দেখার সেই চিরন্তন পালা। তবে অহনাকে স্বীকার করতেই হবে সে ভাগ্যবতী বর্তমান সময়ে জন্মানোর কারণে। আজকের আধুনিক সমাজে পড়াশোনা জানা সোকলড আধুনিক শিক্ষিত লোকজনের ভিতরে যাইই থাকুক, সবার সামনে আর সেরকমভাবে মেয়ের হাতের আঙ্গুল, পায়ের গোড়ালির পরীক্ষা তারা নিতে পারেন না, সাজানো মুখোশ খু
গোধুলীর শেষপ্রান্তে দাড়িয়ে, একটি আর্তি ....
দ্বিধা-দ্বন্দ
MAAra ato valo hy.karn tara MAA.kno meye jkn MAA hy tkn se jane ate take simahin ksto pete hbe.amnki mrittuo hte pare.tbou se tar sorire nutun 1ta ongso darn kre kno puruser bongso rokkhar jno!erpr nirdoyvabe se ongsotake tene cire kete sorir teke alada kra hy!nam hy sei puruser nama!ato ksto kreo nijer sorirer 1ta ongso onnodr bilia dey.ata ki kno karap manus pare?tai MAAra attttoooooooo valo hy
এবার ফিরাও মোরে – চিত্রা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সংসারে সবাই যবে সারাক্ষণ শত কর্মে রত ,
তুই শুধু ছিন্নবাধা পলাতক বালকের মতো
মধ্যাহ্নে মাঠের মাঝে একাকী বিষণ্ন তরুচ্ছায়ে
দূরবনগন্ধবহ মন্দগতি ক্লান্ত তপ্তবায়ে
সারাদিন বাজাইলি বাঁশি । ওরে তুই ওঠ্ আজি ;
আগুন লেগেছে কোথা ? কার শঙ্খ উঠিয়াছে বাজি
জাগাতে জগৎ-জনে ? কোথা হতে ধ্বনিছে ক্রন্দনে
শূন্যতল ? কোন্ অন্ধকারামাঝে জর্জর বন্ধনে
অনাথিনী মাগিছে সহায় ? স্ফীতকায় অপমান
ঘোনচক্করের স্টক ইনডেক্স

ডিসক্লেইমার- এইপোস্টে কোন ফান স্টাফ নাই ... সো পড়তে গিয়া চুনা খাওয়ার চেয়ে না পড়াই উত্তম
ভীড়বাট্টায় বড়ো বেমানান মনে হচ্ছে নিজেকে
পৃথিবীর রঙ্গমঞ্চে খাপ খাওয়াতে না পারা একজন। বারবার হোচট খেতে খেতে পায়ে ক্ষত হয়ে গেছে। এখন আর হোচট খেলে উঠতেই ইচ্ছে করেনা। কেন যে এখানে রেজি করলাম, নিজেই জানিনা। সামুতে লিখিনা এখন আর। সামুতে কেন, কোথাও লিখিনা আর। লেখার হাতটা প্যারালাইজড হয়ে গেছে।
কপিরাইট অফিস নোটিশ পাঠালো 'অভ্র জনক' মেহদী হাসান খানের কাছে !!!!!!!
কপিরাইট অফিস নোটিশ পাঠালো 'অভ্র জনক' মেহদী হাসান খানের কাছে !!!!!!! আমি জানতাম না। এমাত্র জানলাম, অন্য একটি ব্লগে দেখলাম। কে যেন সারা শরীরে আগুন ধরিয়ে দিল! মনে যা ভেবে ছিলাম তাই হ্ল!
ভাই মেহদী হাসান খান, আমরা আছি তোমার পাশে।
আমরা বন্ধু থেকে একটা ফান্ড গঠন করা হউক। আসুন আমরা অর্থ দিয়ে মেহদী ভাই এর মনোবল চাঙ্গা করি তথা একবারেই আদালতের ফয়সালা শুনি!!
আমার ইত্তেফাক
'৯৪ সালে একটা লেখা লিখে পাঠিয়ে দিলাম বাই পোস্ট, ইত্তেফাকের ঠিকানায়। তারপর প্রতিদিন সকালে পত্রিকা আসার সময় হলে দরজার সামনে দাঁড়ায়ে থাকি, খুজিঁ আমার লেখা ছাপা হইছে কী না... হয়না।
অতঃপর কলিকালের মা কহিলেন..
লোকে এখন কথায় কথায় বলে, দিন বদলাইসে..কতটুকু বদলেছে তার একটা ছোট্ট নমুনা না দিয়ে পারছিনা..
অনেক স্মৃতির ইত্তেফাক
মা দিবসের eপুস্তক ...
মায়ের চেয়ে আপন কেহ নাইরে
মা জননী নাইরে যাহার
ত্রিভুবনে তাহার কেহ নাইরে... ...

