ইউজার লগইন
ব্লগ
মডুদের প্রতি সবিনয় নিবেদন...
ভেবেছিলাম কমেন্ট করবো আড্ডাবাজ ভাই এর মা দিবস ই-বুক - "মায়াবতি মা আমার" এই পোষ্টটাতে। কিন্তু পরে দেখলাম যে একটু বড় হয়ে গেল আর অনেক টা জরুরি বার্তা তাই কমেন্ট টা পোস্ট আকারেই দিলাম।
২১২০' মা দিবসে আমি...............সানজিদা শাহরিয়া
বেশ ক’দিন থেকে গাড়িটা সমস্যা করছে... সকাল সকাল গেছি গ্যারেজে। যেভাবেই হোক ঠিক করতেই হবে। ভীড়ের কারনে গতকালও ফেরত এসেছি। কাজ করাতে পারিনি। তাই আজ সকাল ৯টার মধ্যে হাজির।
অহনার অজানা যাত্রা (দুই)
সারারাত বৃষ্টি হয়ে সকালে খুব মিষ্টি রোদ উঠেছে। চারপাশটা তাই অনেক স্নিগ্ধ। দুরু দুরু বুকে দোয়া ইউনুস পড়তে পড়তে অহনা এ্যম্বেসীর ভিতরে গেলো হাতের ফাইল শুদ্ধ, সে টেবিলের একপাশে বসল আর অন্যপাশে বসলেন একজন শ্বেতাঙ্গ আর একজন দেশী ভাই। শ্বেতাঙ্গ ভাই অবশ্য বেশ হেসে তার খোঁজ খবর নিলেন, সে কি করতো, কবে বিয়ে হলো, অর্ন অহনার পূর্ব পরিচিত কিনা, বাবা মাকে ছেড়ে যেতে মন খারাপ লাগবে কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি, দেশী ভাই অবশ্য তেমন কোন কথা বললেন না শুধু শ্যেন দৃষ্টি দিয়ে তার ভিতরটা এফোড় ওফোর করে এক্সরে করে দেখার চেষ্টা করলেন। দৃষ্টি দিয়ে উনি বুঝার চেষ্টা করছিলেন সে কি টেররিষ্ট কিংবা কোন ভয়াবহ অপরাধী কী না, যে নেদারল্যান্ডসে চলে যেতে চায় তাকে ফাঁকি দিয়ে। শ্বেতাঙ্গ ভাইয়া অবশ্য খুব আরামদায়ক ভঙ্গীতে ছিলেন, অহনা কফি খাবে কিনা তাও এক ফাঁকে জিজ্ঞাসা করলেন এমনকি চলে আসার সময় তাকে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে গেলেন। এরি মধ্যে ফ
মা (আমার সবচেয়ে প্রিয় বন্ধুর জন্য যে তার মা এর কাছ থেকে দূরে আছে বলে কষ্ট পাচ্ছে)
তাকে ভালবাসতে আমার কোন দিবস লাগে না
আরও একটা দিবস চলে গেল। বিশেষ দিবস। মা দিবস। ফেসবুকের পাতায় পাতায় মা'কে শুভেচ্ছা জানিয়ে হাজার হাজার স্ট্যাটাস ম্যাসেজ সবার, পেপার-পত্রিকায় বিশেষ সম্পাদকীয়, রেডিও-টিভিতে এটা সেটা অনুষ্ঠান, কর্পোরেটদের চোখে পানি নিয়ে আসা সব বিজ্ঞাপনের সাথে কম খরচে কিভাবে জননীর মুখে হাসি ফোটান যায় সেই টিপস। সবই চোখে পড়ল। মা দিবস শেষ হয়ে গেল, এবার এইসব স্ট্যাটাস ম্যাসেজ মুছে যাবে। সম্পাদকগণ তাঁদের মোটা কাঁচের চশমা
আগে খুব করে মোরে মেরে ধরে শেষে আয় যাদু বাছা বলে, ও মা এই যে নিয়েছ কোলে
http://www.youtube.com/watch?v=mOpVdmFSkeU&feature=related
মা কে নিয়ে পৃথিবীতে অনেক অনেক গান হয়েছে। সেই ছোটবেলা থেকেই 'মায়ের এক ধার দুধের দাম কাটিয়া গায়ের চাম' শুনতে শুনতে বড় হয়েছি। বড় হতে হতে জেমসের মা গাইতে গাইতে কণ্ঠ ফাটিয়েছি।
বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি - ৩
আজ মা দিবস। এফ এম রেডিও তে তাই মা'কে নিয়ে গান, ব্লগ গুলোতে মা'কে নিয়ে পোষ্ট, ই বুক , ফেসবুকে মা কে নিয়ে স্ট্যাটাসের ছড়াছড়ি।
সে যে কেন এলো না, কিছু ভালো লাগে না
যুদ্ধ শেষ। দেশ মাত্র স্বাধীন হয়েছে। স্কুলে যাবার বয়স হয়নি আমার তখনো। পটিয়ায় দাদার বাড়ীতে গ্রামে থাকতাম। স্কুলে ভর্তি হবার আগ পর্যন্ত বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর সেই গ্রামটিতে শৈশবের চমৎকার ৪ বছর কেটেছে।
ঝটিকা সফরে রাঙামাটি
প্রতি বছর মুন্নি রিমঝিমকে নিয়া ঢাকার বাইরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া হয়। এবছরও শেষের দিকে যাওয়ার প্ল্যান ছিল। এর মধ্যে দাওয়াত আসল রাঙামাটি যাবার। আমার আগের অফিসের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশাল আয়োজন করেছে। প্রথমেই না করে দিলাম। একটা ট্যাকনিক্যাল কারণ প্লাস এই তাতানো গরমে পুরতে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। সিদ্ধান্ত অবশ্য পাল্টাই আমার ছবি তোলার বন্ধু ইকবালের মন্ত্রনায়। যাব না শুনে ইকবাল হায় হায় করে উঠে। বলে, আমি
আধা টেকি পোস্টঃ ব্যানার কথন
এক.
আমি বেশ নিরাবেগ মানুষ। খুব আবেগী কথাবার্তা-কাজকর্ম আমারে দিয়ে হয় না। আমার মধ্যে অনুভূতি জিনিসটাই কম...স্টোন-কোল্ড যাকে বলে আর কি! বিপদে পড়লাম মা দিবসের ব্যানার করতে গিয়ে। অদ্ভূত রকম বিপদ।
একটা ব্যানার বানাতে খুব বেশি সময় নেই না আমি। মোটামুটি পনের থেকে বিশ মিনিট। এর মধ্যে দশ-বারো মিনিট যায় রিসোর্স খুঁজতে। বাকি পাঁচ-দশ মিনিটে আমি সেই রিসোর্স খিচুড়ি পাকিয়ে ব্যানার পয়দা করে ফেলি।
মা দিবস ই-বুক - "মায়াবতি মা আমার"
মা - ছোট্ট শিশুর প্রথম ভালবাসা। নিরাপত্তা আর মমতায় গড়া সেই কোল, সেই উষ্ণতার পরশে সারাটা জীবন কাটিয়ে দিতে চায় মন। বড় হয়ে ওঠার সাথে সাথে মা'কে ঘিরে জমা হয় ভালবাসা, অভিমান আর দুষ্টুমির শত শত গল্প। সঙ্কটকালে কেবলই মনে হয় যদি সব কিছু ছেড়ে মা'র স্নেহমাখা কোলে মুখ লুকাতে পারতাম, তবে পৃথিবীর কোন কষ্টই আমাকে স্পর্ষ করতে পারতোনা। দৃশ্যত মা কারও কাছে থাকেন, কারও বা দূরে - কিন্তু মা আছেন সবার হৃদয়ে - সব ময়। মা'কে নিয়ে লিখতে গেলেই মনে পড়ে যায় সেই ছেলেটির কথা, যে প্রিয়তমাকে উপহার দেবে বলে মা'র হৃৎপিন্ডটা ছিড়ে নিয়ে যাচ্ছিলো, পথে হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে মা'র হৃৎপিন্ড বলে ওঠে - "বাবা, ব্যাথা পেলি?"

বাংলাদেশ টেলিভিশন - ১
বয়সের হিসাবে খুব বৃদ্ধ না হলেও নিজেরে বয়স্ক ভাবা শুরু করেছি এরই মধ্যে। এই তো, বছর দুয়েক আগে ৩০ বছর অতিক্রম করেছি, এখন এই কোমর থেকে পড়ে যাওয়া যাওয়া প্যান্ট পড়া, বডি ফিটীং শার্ট পড়া ছেলে পুলে দেখলে নিজেকে বুড়োই মনে হয়।
সেই বুড়ো লোকটি এবং আমি..
২০০৬ সালে’র মাঝামাঝি’র কথা, একদিন দেখি “রন” নামক এক বালক আমাকে একটা ই-মেইল পাঠিয়েছে। "আমরা বন্ধু" নামক একটা ইয়াহু গ্রুপে যোগদান করার অনুরোধ। করলাম যোগদান। শুরু হলো মেইল প্রাপ্তি। শিক্ষনীয় মেইল, আজাইরা মেইল..
অচেনা এই আমি ....
যাপিত মা

এই পথে সবাই হেঁটেছে
মওলানা সাহেব, বামন ঠাকুর
দিদি স্বরস্বতী, আমাদের বড়পীর
স্বাক্ষী ঐ প্রহর, সূর্য, রাতের আকাশের
ঝলমল নক্ষত্রেরা
যুগে যুগে আমি অনেক বড়বোন মেঝো,সেঝোদির
ভাই হয়ে দেখেছি
অনেক মায়ের গর্ভে জন্মেছি
তাদের কপালে কি সিদুঁর ছিল ?
নাকি সেজদায় পড়া কালো দাগ ছিল ?
দেখিনি, শুধু দেখেছি
তপ্ত লাল রক্তে স্নাত হয়ে ভেসে আসা শিশু আমি