ইউজার লগইন
ব্লগ
ঈশ্বরের পিঠাগাছ
অল্প একটু আকাশ তার
রুটিনমাফিক নেমে আসে রোদের সারস,
ব্যক্তিগত উঠোনজুড়ে কুয়াশার বিপরীতে
সম্পূর্ণ একা দাঁড়িয়ে সে
ছিঁড়তে থাকে কল্পনার নিষিদ্ধ গন্ধে
গর্ভধারণ করা স্বপ্নের ফুলগুলো,
উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত বৈষয়িকতাটুকু নিংড়ে
যেটুকু জল, তা বিকোয় নিজের কাছেই
বাণিজ্যিক বাতাসের প্ররোচনায়
সে ছুঁতে চায় অপেক্ষাকৃত উঁচুর অধিবাসী
উচ্চবিত্ত মেঘ,
তার অনুভূতির ঝিল টলোমল,
কেননা অসংখ্য উরু
অহনার অজানা যাত্রা (তিন)
বিশাল এয়ারপোর্টের এদিক থেকে ওদিক দেখা যায় না। চারধারে আলোর খেলা। বড় বড় গ্লাস দিয়ে আটকানো পুরো বিল্ডিং এর গ্লাসের মধ্যে দিয়ে বিশাল বিশাল পেট মোটা প্লেনগুলোকে দেখা যাচ্ছে যারা অলস পায়ে দাঁড়িয়ে আছে। হয়তো ক্লান্ত হয়েছে নেমেছে নতুবা জিরিয়ে আবার ওড়ার অপেক্ষায় রয়েছে। কোনদিক দিয়ে কোথায় যাচ্ছে সে তার কোন ধারনা নেই। ইউনিফর্ম পরা এক অফিসারের পাশে পাশে হেটে চলছে তারা। অফিসারটি অহনার সাথে টুকটাক হাসির আর মজার কথা বলে যাচ্ছে, অহনা তার কথা কিছু শুনছে কিছু না। কিছু বুঝতে পারছে আবার কিছু না। ইউরোপীয়ান ইংরেজী উচ্চারন তার জন্য নতুন। তারপরও কিছু সামান্য ছোটখাটো কথার জবাব সে দিয়েছে চেষ্টা করে।। অনেকক্ষন হেটে একটি মোটামুটি বেশ বড় ঘরে উপস্থিত হলো, যেখানে আরো বেশ কজন ভিনদেশী লোক দাঁড়িয়ে ও বসে আছে। অহনাকেও বসতে বলা হলো সেখানে, সে অফিসারটি এসে ইঙ্গিত করতেই অন্য আর একজন অফিসার এসে অহনাদের পাসপোর্ট নিয়ে ভিতরে আর একটা
মিষ্টি কেনার টাকা নেই, তাই....
**পোস্টটি দুদিন আগের। সময়মতো দিতে পারিনি বলে দুঃখিত।***
[sb]এটি একটি কপি পেস্ট পোস্ট.....[/sb]
ব্লগে, পেপারে, নিউজে দেখলাম প্রচুর জিপিএ৫ পাওয়া পরীক্ষার্থী তাদের আনন্দ শেয়ার করছেন। ভালো লাগে। কারো আনন্দে শামিল হতে পারাটা কম ভাগ্যের ব্যাপার নয়।
অলীক
রাত যত বাড়ে, হাস্নুহেনার সৌরভ তত ছড়াতে থাকে। ঘোর লাগা সেই নির্জনতার মাঝে হঠাৎ কোথাও বেজে ওঠে মৃদু পায়েলের আওয়াজ।
২৮ দিনের অন্যরকম জিন্দেগী (পহেলা পর্ব)
ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিয়া ফালাইছি। কোন টেনশন নাই। ফলাফল কী হৈবো, সেইটাতো আমি জানিই। অন্তত ৩ মাস পড়ালেখার টেনশন দুর হৈলো। এই আনন্দ নিয়া রাইতে ঘুমাইতে যাই। সকাল ১১ টায় ঘুম থেকে উঠি। মা দয়া কৈরা নাস্তা খাইতে দেয়। খাইয়া বাইর হই। আড্ডা-টাড্ডা মাইরা ২-৩ টার দিকে বাসায় আসি। আবার খাওন দেয় মা। আহারে, দরদী মা আমার !
একজন পাথর ভাঙ্গা মানুষ (১৪ মে ২০১০)
তিনি পাথর ভেঙ্গে থাকেন
বিছিয়ে দিয়ে কুচকুচে পিচ
পথ গড়ে দেন,
যোগাযোগ গাঢ় হয়
দেখতে দেখতেই
আমরা রূচিশীল, আধুনিক
আর সূর্যের উত্তপ্ত সহবাসে
জ্বলতে জ্বলতে তিনি বৃদ্ধ
চুলের সিঁথিতে পরিপাট্য নেই বহুকাল,
আমাদের ধর্ম, রাজনীতি, মূল্যবোধ
তিনি বুঝবেননা কোনদিন
কেবল ক্ষুধা আর দারিদ্র্য বোঝেন,
আমরা তো হরেক রঙে সাজাই শরীর
ভীষণ সভ্য আর উচ্চশিক্ষিত তাই
মেঘের গায়ে আবাস গড়ি,
পাগলরে তুই সাঁকো নাড়াইস নারে
চল চল চল/ ওরে তরুন দল/ তোদেরকে বোকা বানিয়ে/ যত্তসব আইবুড়োদের দল
ভয়ের কারন নাই। কবিতা লেখার অপচেষ্টা হচ্ছে না। আরেকটা টেকি গল্প। কম্পিউটারের ভুত স্মৃতি নিয়ে।
বেঁচে থাকার বৈধতা (২৪ মার্চ ২০১০)
একটি ভ্রূণের সাফল্যের পেছনে
চাপা পড়ে থাকে -
আরো অসংখ্য সম্ভাবনার মৃত্যু,
আর একটি শিশুর আগমনী আনন্দে
চাপা পড়ে যায় জন্মদাত্রীর যন্ত্রণা ;
কত যুদ্ধে, কত সংগ্রামে
রাশি রাশি দুঃস্বপ্ন পাশে ঠেলে
শুভ্র, সুন্দর, আর অর্থবহ কিছু স্বপ্ন নিয়ে
একটি শিশু সম্পূর্ণ মানুষ হয়,
আলাদা মানুষগুলো কাঁধে কাঁধ মিলায়
সভ্যতা গড়ে পৃথিবীতে, বাঁচে ;
তবু এই বেঁচে থাকার বৈধতা কতটুকু ।
পৃথিবীর স্থল - বায়ু - জল
মিষ্টি কেনার টাকা নেই, তাই....
**পোস্টটি দুদিন আগের। সময়মতো দিতে পারিনি বলে দুঃখিত।***
[sb]এটি একটি কপি পেস্ট পোস্ট.....[/sb]
ব্লগে, পেপারে, নিউজে দেখলাম প্রচুর জিপিএ৫ পাওয়া পরীক্ষার্থী তাদের আনন্দ শেয়ার করছেন। ভালো লাগে। কারো আনন্দে শামিল হতে পারাটা কম ভাগ্যের ব্যাপার নয়।
আনন্দ বেদনার কাব্য
খুব ছোট করে দুইটি অনুভূতির কথা বলে আমারা বন্ধু ব্লগে আমার বিচরন শুরু করছি। আমি ব্লগে লেখা লেখি শুরু করেছি একবছরের বেশি হয়েছে। আমরা বন্ধু ব্লগটির নাম শুনবার পর থেকেই ইচ্ছা হয়েছে আমি এই ব্লগে লিখব। আজ আমি আমরা বন্ধু ব্লগে লিখবার সুযোগ পেয়েছি। এটা আমার মত অভাজনের জন্য একটি বড় সুখ সংবাদ।
আমারে আর ফায় খে ??
আমী এখঠা নথুন দরনের ভানান ফদ্ধথি ছালু খরথে ছাই।
ছিন্থা খরে ধেকলাম, শভাই শভ দরনের ফোশ্ট ধেয়...
আমার অথ গেন নাই। থাই নথুন এই বাশার মাদ্যমে
লেকথে ছাই...
বুল থ্রুঠি হইলে নিজ ঘুনে ক্ষমা খরে ধিভেন।
আমি লেকতে ছাই, ভঢ় দরনের লেকখ হইতে আষা
রাকি। নথুন এই বাশাঠা একভার ছালু খরথে ফারলে
আমারে আর ফায় খে ??
পাঁচ পরহেজগার ব্যক্তির গল্প (শেষ অংশ)
ইহুদীর গৃহে আশ্রয়ের প্রশ্নে ঈমানী জোশ আর তাকতের কারণে উত্তেজিত মুসাফিরগণ ক্লান্তি ভুলিয়া যথেষ্ট পরিমাণ তর্কে লিপ্ত হইলেও, আশ্রয় লইবার সিদ্ধান্তে উপনীত হইবার পর প্রথম তাহারা অনুধাবন করিতে সক্ষম হইলো যে কিরূপ ভয়াবহমাত্রার ক্লান্তিতে তাহারা আচ্ছন্ন হইয়া পড়িয়াছে। বস্তুতঃ মরূর বুকে খাদ্য এবং পানীয়বিহীন অবস্থায় অনবরত তিন রাত্রি আর চারদিবস ধরিয়া পথচলার ফলে তাহাদের কেহ যদি মৃত্যুর কোলেও ঢলিয়া পড়িত তাহাতেও
অভিনন্দন তোমাদের :: এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা ছোট্ট বন্ধুরা
শুধু আমি নয়... আমাদের অনেকের জীবনের সবচাইতে বড় পরীক্ষাটাই ছিল এসএসসি। প্রথম সার্টিফিকেশন এক্সাম। আর কোন এক্সামের কথা এত পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে মনে নাই। বাসার সব্বাইকে ছালাম করে হলের দিকে রওনা দিয়েছিলাম। সাথে মসজীদের হুজুরের দেয়া তাবিজ ডান হাতে বেধে দেয়া ;)। আম্মা গিয়ে ছিলেন সাথে। এক্সাম শেষে সাথে করে আবার নিয়েও এসেছেন। মনে হইতে ছিল নয়া...
পলকবিহীন
যখন তুমি দাঁড়াও এসে বারান্দায়
সামনে তোমার টলোমলো দীঘির জল
গালেতে হাত দিয়ে ভাব আনমনে
তখন আমার বুকে শুধু ছলাৎ ছল্।
কেউ জানে না আমার মনে কী তখন
জানে আমার পলকবিহীন দুই নয়ন।
মাঝে মাঝে দাঁড়াও তুমি অনেকক্ষণ
মাঝে মাঝে একটু থেকেই যাও চলে
ঠান্ডা বাতাস ঝিরি ঝিরি যায় বয়ে
বলতে থাকে তোমার কথাই সারাক্ষণ।
খুঁজতে থাকি কোথায় থামে তোমার মন
অবুঝ আমার পলকবিহীন দুই নয়ন।
যখন তুমি হাঁটছ ছাদে আলতো পায়
প্রথম দেখা লেটেষ্ট কম্পিউটার
আশির দশকের দ্বিতীয়ার্ধে প্রথমবারের মতো শুনতে পাই কম্পিউটার নামক আজব বস্তুটার কথা। এই যাদুকরী বাক্সটিতে নাকি হেন কিছু নাই পাওয়া যায় না। তখনো সচক্ষে কোন কম্পিউটার দেখিনি। কেবল শুনে শুনেই গপ্পো করি। টিভিতে তখন নাইট রাইডার সিরিজ চলছিল। গাড়ীর সাথে কথা বলে নাইট রাইডারের নায়ক মাইক। সকল প্রশ্নের উত্তর দেবার এবং তার সকল ক্ষমতার উৎস এই গাড়ীটা। আমার ধারনা হয় মাইক তার গাড়ীকে যেভাবে হুকুম দিয়ে চালায়, কম্পিউটার