ইউজার লগইন
ব্লগ
ধন্য হে মোস্তফা জব্বার ধন্য তোমার ফাঁদ
পেটেন্ট, কিবোর্ড লেআউট, কপিরাইট নিয়ে আমরা যারা মুখে ফেনা তুলে ফেলেছি, কিংবা কিবোর্ডে ঝড় তুলেছি এবার মনে হয় তাদের বাস্তবের দিকে ফেরা উচিত। মোস্তফা জব্বার যে ফাঁদ পেতে বসে আছেন সেই ফাঁদকে অনুধাবন করে সেদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত। আমাদের অনুধাবন করা উচিত যে, ৫ কোটি টাকার বেদনা থেকে মোস্তফা জব্বার হাদুম পাদুম করছেন না, বড়ং ভবিষ্যতে এর কয়েক গুন টাকা হাতানোই তার উদ্দেশ্য।
হুর পুরস্কার পেলেন...
আজকে সব পত্রিকায় একটা সংবাদ দেখেছি।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ডাঃ
সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে
পুরস্কৃত হয়েছেন। দেখে ভালো লাগলো।
একটি পত্রিকার শিরোনাম ছিলো এরকম :
হুর পুরস্কার পেলেন সৈয়দ মোদাচ্ছের...
দেখে মনে হলো, কী ভাগ্যবান আমাদের উপদেষ্টা
মহোদয়। জীবদ্দশাতেই তিনি হুর পেয়ে গেলেন !!
আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
(থাঙ্ক ইউ মেহেদী, গেট আউট জব্বার!)
একটা বিষয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার না করে পারছি না। কদিন আগে অভ্র ও জাব্বার নিয়ে যে বিতর্ক হয়ে গেলো তাতে আমার একটা লাভ হয়েছে! আমি অভ্র লোড করে বাংলা লিখা শিখে ফেলেছি! যে বাংলা টাইপিং দেখলে ভয়ে পালিয়ে যেতাম আজ আমি বাংলায় চেটিং(!) ও করছি। কম্পিউটার এ বাংলা লিখতে হবে বলে আমি অনেক কাজ করতাম না। আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
মজার বিষয় হল আমি বাংলা শিখে আমার আত্নীয় সজন দের মেইল পাঠাছিলাম - আমার মা বোন ইতালীতে থাকেন। এত কাল এংলিশ-বাংলা করে মায়ের/বোনের/ভাগিনার সাথে মেইলে কথা হত। মাকে ও বংলিশ শব্দ গুলো পড়ে শুনানো হতো - কি যন্ত্রনার কথা ছিল! আজ তিনি নিজেই মেইল পড়ছেন! কি মজা! দেখুন আমাদের মেইল গুলো-
এলোমেলো মুক্তগদ্য
।।
*
গদ্য কেনো বন্দী হয়ে থাকবে? তার ডানাগুলো তো কেটে নেয়া হয়নি? তাকে তো কোনো খাঁচায় আটকে রাখা হয়নি? তাহলে কেনো থাকবে সে বন্দী হয়ে? স্বাধীন গদ্যরা ডানা মেলুক চাঁদের অপর পৃষ্ঠায়। হেঁটে বেড়াক বৃহঃস্পতির সবচে বড় উপগ্রহে, জমাট বরফের হ্রদে।
**
ছবি তোলার ইচ্ছা ও তুলতে না পারা
অনেক দিন আগে থেকেই শুরু না। বেশ কিছুদিন আগে যদিও তুলতাম সেটা তোলার জন্যই তোলা। একটা ক্যামেরা ছিল, ফিল্মের। সেইটা দিয়া ফোকাস করে ছবি তুলতাম ব্যাস। তবে ফটোগ্রাফি কোর্স করার ইচ্ছে যে হয় নাই তা না। তবে আরও শ পনের ইচ্ছার মত এইটাও বাস্তবায়নের মুখ দেখে নাই। আগ্রহটা আসে যখন বছর দেড়েক আগে একটা ডিজিটাল ক্যমেরা হাতে পাই। ছবি তোলার নিয়মরীতি জানিনা কিছুই। খালি ছবি তুলি। ফুলের ছবি তুলি। নদীর ছবি তুলি। কাকের ছবি
নতুন সংসার শুরু করতে যাচ্ছি,
বিয়ের পর মনে হচ্ছিল স্বপ্ন দেখছি। তারপরের সময়টাও সেই রকমই ছিলো। ইদানিং বউ অভিযোগ করছে, আমি নাকি আগেই বেশি রোমান্টিক ছিলাম, এখন নাকি চামার স্বভাবের হয়ে যাচ্ছি। এতকাল চাকরি করতাম, আর জমিদারি হালে চলাফেরা করতাম। বাইরে খাইতে খাইতে স্বাস্থ্যও মাশাল্লাহ বেশ ভালো (!!) হয়ে গেছে। তারপর দেখলাম কালে কালে দুপুর হয়ে
তারেও তো ভুলতে পারি না
ববিতার পর যার প্রেমে পড়ছিলাম তিনি হইলেন ডিম্পল কাপাডিয়া। ববির ডিম্পল না, ফিরা আসার পর যে ডিম্পল তিনি।

যন্তণা!
ডাক্তারদের কথামতে আমি একজন অভিমানী মানুষ! অ্যালার্জিক সেন্সিটিভিটির কথা বলছি। নতুন কাপড় পরলেও হাঁচি পায় আর দেরাজ থেকে বের করা পুরোনো হলেতো কথাই নেই, হাঁচি সম্মেলন শুরু হয়! আমার বন্ধুরা আমার হাঁচিরোগ নিয়ে মহা বিরক্ত, কারণ কয়েকটা হাঁচি দেবার পরেই তাদের গুনতে ইচ্ছে করে আর অন্য যেকোন কাজ চাঙ্গে ওঠে। এখন পর্যন্ত রেকর্ড ১৩৪টা...তবে আমার চাচাতো ভাইয়ের রেকর্ড নাকি আরও বেশী!
অবশেষে ফটোসেসনে রাজী হলেন মিস ববিতা – (মাসুম ভাই নিখোঁজ)
ভাবিতেছি মাসুম ভাইয়ের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে, সেদিন উনি ববিতা নানুর ফটোসেসনের অর্ধেক ফটু দিছেন, বড়ই আফসোসের ব্যাপার বাকি ফটুগুলান মাসুম ভাই কুক্ষিগত করছেন, এই জন্য ঝাতি আজ মাসুম ভাইকে ধিক্কার জানায়। এই খবর পাওয়ার পর মাসুম ভাইকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। 
আমরাবন্ধু ব্লগের নীতিমালা, ডুয়েলিঙ-পোস্ট এবং একজন সাধারণ ব্লগার
আমরাবন্ধু ব্লগের মডারেটর (বা মডারেটরবৃন্দ) কিছুদিন আগে জানিয়েছেন যে তারা নীতিমালার প্রয়োগ করবেন কঠোরভাবে। যদি-ও পূর্বের নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন হয়েছে এবং অনেকে জানেন না বা নজর দেন নি, সেটা মুখ্য নয়- সেই প্রয়োগকে কেন্দ্র করে ব্লগার মানুষ, ব্লগার হিমালয় এবং ব্লগার রোবটের কিছু পোস্ট প্রথমপাতা থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে ডুয়েলিঙ পোস্ট সম্পর্কিত নীতিমালার আওতায়।
নারীর মর্যাদা রক্ষায় চাই আত্মমর্যাদাশীল জাতিঃ চাই অলৈঙ্গিক সমাজ ব্যবস্থা
২০০০ সালের থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-তে বিবস্ত্র করা হয়েছিল বাঁধন নামের এক তরুণীকে। পুলিশের উপস্থিতিতে একদল যুবক ক্ষুধার্ত পশুর মত হামলে পড়েছিল তার উপর। পরদিন পত্রিকার পাতায় দেখেছিলাম সেই ছবি। স্মৃতিটা এখনো টাটকা। ঘটনাটি অত্যন্ত আলোচিত-সমালোচিত হয়েছিল সেই সময়।
শিশির বিন্দু=ঠোঁট
নরম ঘাসের ডগায় এক একটি শিশির বিন্দু যেনো
কিশোরীর এক এক জোড়া মালতী ঠোঁট :
নরম ঘাসের ডগায় এক একটি শিশির বিন্দু যেনো
কিশোরীর এক এক জোড়া মালতী ঠোঁট :
নরম ঘাসের ডগায় এক একটি শিশির বিন্দু যেনো
কিশোরীর এক এক জোড়া মালতী ঠোঁট :নরম ঘাসের ডগায় এক একটি শিশির বিন্দু যেনো
কিশোরীর এক এক জোড়া মালতী ঠোঁট :
নরম ঘাসের ডগায় এক একটি শিশির বিন্দু যেনো
কিশোরীর এক এক জোড়া মালতী ঠোঁট :
নরম ঘাসের ডগায় এক একটি শিশির বিন্দু যেনো
কিশোরীর এক এক জোড়া মালতী ঠোঁট :
ন কবিতা (দাড়ি কমা বাদে, ১০০% কপিরাইটেড )
তোমাকে দেখি আর নিজেকে দারুন উচ্ছৃংখল লাগে
তোমাকে দেখি আর নিজেকে বড় অপাংক্তেয় লাগে
আমাকে উচ্ছৃংখল রেখে তুমি
দু'পায়ে আলতা মেখে হাঁটছো ওই সংসারে
ভরাডুবি চাঁদটাকে আজ বিষ জ্যোৎস্নায় চুবিয়ে
খেয়ে ফেলতে ইচ্ছে করে
নেক্সাস ওয়ানে বাংলা- ক্যামনে কি?

এই পোষ্ট যদি আপনারা কেউ না পড়েন তাইলে কোন কথা নাই। আর যদি পড়েন তাইলে দুইটা কথা আছে। প্রথম এবং সব চাইতে গুরুত্বপূর্ণ কথা হইতেছে, আমি টেকি কেউ না। সুতরাং আমার উপদেশ অমৃতবচন মনে করিয়া কেউ যদি বিপদে পড়েন তাইলে আমি দায়ি থাকিব না। এবং দ্বিতীয় কথাটা হইতেছে এইসব আকাম কুকাম করলে আপনার নেক্সাস ওয়ানের ওয়ারেন্টি ভয়েড হইয়া যাইবে; অতএব সাধু সাবধান। তাইলে আসেন বিসমিল্লাহ বইলা শুরু করি। চাইলে দুই রাকাত নফল নামাজও পড়তে পারেন। সাবধানের মার নাই।
উপনির্বাচনের সেই ভয়ঙ্কর স্মৃতি
[ভোলার উপনির্বাচন দেখে হঠাৎ করেই ক্লাশ এইটে দেখা একটি উপনির্বাচনের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে ইচ্ছে হল]
আহমেদ তফিজউদ্দিন পারিবারিকভাবে আমার দাদার সাথে বেশ ঘনিষ্ঠ ছিলেন । ৭০ এর গণপরিষদে নির্বাচিত এই বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের টিকেটে নির্বাচিত হন ।