ইউজার লগইন
ব্লগ
খারাপ মেয়ের খোঁজে
মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে একটা খারাপ মেয়ের গল্প লিখি।
কিন্তু বিষম একটা সমস্যায় পড়ে যাই। বারবারই।
খারাপ মেয়ে মানেটা যে কী, সেটা ঠিক ধরে উঠতে পারিনা।
ছোটবেলায় ব্যাপারগুলো অনেক সহজ ছিলো। এই যেমন ধরি, দুধ না খেলে খারাপ মেয়ে, চুল আঁচড়ে না বাঁধলে, দাঁত না মেজে দাঁতে পোকা হলে, ঝগড়াঝাঁটি করলে, পুতুল খেলায় খামচাখামচি করলে - এগুলোকে অনায়াসেই খারাপ মেয়ের বৈশিষ্ট্য বলে চালিয়ে দেয়া যেতো।
| সৃষ্টিতে যাপনে কথাশিল্পী মাহবুব-উল আলম |
আদুরির শব্দকঙ্কাল : পুনঃপাঠ : পর্ব এক ও দুই এক সঙ্গে
পাগল ছাগলের পাল্লায় পড়লে যা হয়। সময়টা গোল্লায় যাচ্ছে। ভাবনা আসছে। লিখতে বসছি। কিন্তু তখনি ব্যা ব্যা ডাক। লেখালেখি বাদ। এরকম করে হয় না। পিছিয়ে পড়ছি বারবার। আর নিজেরও কিছু ফালতু আবেগ আছে। গ্রাম গ্রাম ভাব পুষে রাখলে যা হয় আর কি। আবার শুরু করা যাক আমার বন্ধুতে যদি এডমিন পারমিশন দেন--
সহজ কথা
১
আমার মনের ভালোলাগাগুলো খারাপলাগার মতই নড়বড়ে।
খোলা হাওয়া, দম্কা বাতাস অনেককিছুই তাকে নাড়িয়ে বেড়ায়, তাড়িয়ে বেড়ায়।
তাই ভাবছি কী লিখি, কী লিখি।
ব্লগ মানে সবার কাছে যে রকম দরজা জানালা খোলা হুট করে ঢুকে পড়া অন্দরমহল, আমার কাছে সেটা একটা না হোক একটুখানি অসোয়াস্তি মত লাগে।
সবাই শুধু জানতে চায় সব অন্দরকার কিছু।
কয়েকটি পাখির ডাক ও অন্যান্য
আজ রাতে কয়েকটি পাখির ডাক শোনা যাবে তোমাদের তেমাথায়। সেখানে একটি গর্তের ভেতরে লুকানো রয়েছে আধেক গোধূলী রঙ। আজ রাতে গোধূলী দেখবেন যাঁরা, তাঁদের স্মৃতিমালা রক্ষিত হবে প্রতি শতকের রৌদ্রতম দিনে। অধরা, অদৃশ্য হ্যাঙ্গারে ঝুলে আছি - আমায় শুষে নেবে শীতল আলখেল্লার গভীর কালো রঙ। নিঃশব্দে।।
গুলনাহার সাহাবউদ্দিন নামা
১।
একটা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে
কুটকে বসে আছি এক কোনার সোফায়।
পত্রিকা পড়ছিলাম, আশে পাশে খেয়াল নেই
হঠাৎ ছুঁড়ির শব্দে পত্রিকা থেকে দুইচোখ সামনাসামনি-
একটা গাত্তা মেয়ে বসে আছে
ভীষন রিস্টপুস্ট দেহ, গোলগাল মুখ, চোখে মায়াবি হাসি,
ছুঁড়ি গুনছিলেন, দুই হাতে মেহেদির উল্কি,
সাজগোজ আহামারি নয়, আমার দিকে নজর নেই।
আমার শরীর স্থির, মন অস্থির হলো
নেড়ে চেড়ে বসি আমি- সেই আমাদের প্রথম চোখাচুখি।
আমি বিবাহিত, বিবাহের আঠার বছর কদিন আগে হয়েছে-
কিন্ত এ প্রথম মনে হল আমার অনেক কিছু বাকি!
জন্মদিনের কেক কাটা হল
সারাঘর ভর্ত্তি লোকজন, এখানে ওখানে জটলা
সবাই ব্যস্ত একে ওকে নিয়ে, আমার দুই চোখে শুধুই সে
আমি তাকেই খেয়াল রাখছি, সেও আমাকে!!
কেমন যেন তার ভাব, সে কি আমার প্রসঙ্গে জানে আগে!
নাকি ধরে নিচ্ছে - একটা নুতন প্রেম পাগলা!
তার চোখের ভাষায় আমি খই হারাছি - বসে ভাবছি,
আমার বাপের মৃত্যু- জানা অজানায় করা পাপের শাস্তি
১.
আমি হচ্ছি আমার বাপ মায়ের তিন নম্বর বাচ্চা। ছাগল হতে হতে মানুষ হয়ে জন্মানো, এই যা।..কারণ ভাই মায়ের ফেভারিট আর বোন হলো বাপের আদরের। আমি সবসময়ই ছিলাম ত্রৈধ বিন্দু অবস্থানে। কেউ কি বিশ্বাস করবেন? আমি ভিষণ চুপচাপ ছিলাম..একা থাকতে পছন্দ করতাম..অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এখনও আমি একা থাকতে পছন্দ করি।
২
কবিতারা
মাঝে মধ্যে কবিতায় পায় আমাকে। সেল্ফ থেকে কবিতার বই বার করি, বার বার পড়া কবিতা বার বার পড়ি। উপন্যাস বা প্রবন্ধ বারবার পড়া যায় না। কবিতা যায়।
আঞ্চলিক ভাষায় লেখা কবিতা কেমন লাগে? আমি তো মুগ্ধ হয়ে পড়ি।
কাকে দিয়ে শুরু করবো? সৈয়দ শামসুল হক?
জামার ভিতর থিকা যাদুমন্ত্রে বারায় ডাহুক,
চুলের ভিতর থিকা আকবর বাদশার মোহর,
মানুষ বেকুব চুপ, হাটবারে সকলে দেখুক
নিপীড়ণের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌননিপীড়ক শিক্ষক আব্দুল্লাহ হেল কাফী এবং ছানোয়ার হোসেন সানীকে যথাযথ শাস্তি প্রদান এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার আদেশ বাতিলের দাবিতে জাবি'র প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানববন্ধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
৩০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০.৩০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্মল সেনের আপডেট সংবাদ
নির্মল সেন ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালের ৫৫৫ নং কেবিনে প্রফেসর ডাঃ সিরাজুল হকের অধীনে গত ৭ এপ্রিল থেকে ভর্তি আছেন। ২০ এপ্রিল প্রফেসর ডাঃ সিরাজুল হক (নিউরো মেডিসিন), প্রফেসর খাদেমুল ইসলাম (জেনারেল সার্জন), প্রফেসর এম আমজাদ হোসেন (অর্থপেডিক্স সার্জন), প্রফেসর জাহাঙ্গীর কবীর (ইউরোলজিস্ট) এবং ডাঃ স্বপন চন্দ্র ধর (গ্যাস্টোএন্ট্রোলজিস্ট) এই ৫ জনের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।
এলোমেলো কথা
সকালে অফিসে ঢোকার পর পরই খবর শুনলাম চ্যানেল ওয়ান বন্ধ করা হতে পারে। জোট সরকার আমলে ইটিভি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সিএসবি আর এই সরকার চ্যানেল ওয়ান বন্ধ করলো। এ যেন একটা ধারাবাহিক কার্যক্রম। আর সরকারের একজন মন্ত্রী নির্লজ্জভাবে বললেন, জোট সরকার একুশে টেলিভিশন বন্ধ করে দিয়েছিলো। তখন তার কর্মীদের অন্যখানে কাজ করার সুযোগও কম ছিলো, তারপরও তারা বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে সংযুক্ত হয়ে কাজ করতে পেরেছে। এখন
যদি বন্ধু হও তবে বাড়াও হাত !
প্রিয় কবির ঢংয়ে বলি, " ঈর্ষাতুর নই আমি তবুও তোমাদের ..বড়ো ঈর্ষা করি ।"
কেননা তোমরা সবাই সবার বন্ধু । কী ভীষণ সাবলীল তোমাদের কোলাহল !
উল্টো দহন
নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি মানুষের আকর্ষন দুর্বার। যেদিন থেকে ওর সাথে প্রকাশ্যে দেখা সাক্ষাতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হলো সেদিন থেকে ওর সাথে প্রতিদিন দেখা হওয়াটাই যেন জরুরী হয়ে গেল। নিষেধ অমান্য করার আনন্দ রোমাঞ্চ আলাদা।
ইলমা যেদিন আসলো
বিজ্ঞাপন তরঙ্গ
রেডিও বাংলাদেশ । আমাদের ঘড়িতে সময় এখন ১ টা বেজে ৫ মিনিট হয়ে অমুক সেকেন্ড - ঘোষক/ঘোষিকার ঘোষনা। আপনার শুনতে পাচ্ছে এই এই এই শট ওয়েভ মেগা হার্টজে । এখন প্রচারিত হবে বিজ্ঞাপন তরঙ্গ।
সাথে সাথে প্যা প্যা পো পো করে শব্দ (বিজ্ঞাপন তরঙ্গ আরম্ভ হবার আবহ সঙ্গীত ছিল ঐটা) , শব্দের মাঝের একজন টেনে টেনে বলতো - বিজ্ঞাপন তরঙ্গ। তারপর আরো কয়েক সেকেন্ড বাজতো প্যা পো শব্দ।
