ইউজার লগইন
ব্লগ
গুলনাহার সাহাবউদ্দিন নামা
১।
একটা জন্মদিনের অনুষ্ঠানে
কুটকে বসে আছি এক কোনার সোফায়।
পত্রিকা পড়ছিলাম, আশে পাশে খেয়াল নেই
হঠাৎ ছুঁড়ির শব্দে পত্রিকা থেকে দুইচোখ সামনাসামনি-
একটা গাত্তা মেয়ে বসে আছে
ভীষন রিস্টপুস্ট দেহ, গোলগাল মুখ, চোখে মায়াবি হাসি,
ছুঁড়ি গুনছিলেন, দুই হাতে মেহেদির উল্কি,
সাজগোজ আহামারি নয়, আমার দিকে নজর নেই।
আমার শরীর স্থির, মন অস্থির হলো
নেড়ে চেড়ে বসি আমি- সেই আমাদের প্রথম চোখাচুখি।
আমি বিবাহিত, বিবাহের আঠার বছর কদিন আগে হয়েছে-
কিন্ত এ প্রথম মনে হল আমার অনেক কিছু বাকি!
জন্মদিনের কেক কাটা হল
সারাঘর ভর্ত্তি লোকজন, এখানে ওখানে জটলা
সবাই ব্যস্ত একে ওকে নিয়ে, আমার দুই চোখে শুধুই সে
আমি তাকেই খেয়াল রাখছি, সেও আমাকে!!
কেমন যেন তার ভাব, সে কি আমার প্রসঙ্গে জানে আগে!
নাকি ধরে নিচ্ছে - একটা নুতন প্রেম পাগলা!
তার চোখের ভাষায় আমি খই হারাছি - বসে ভাবছি,
আমার বাপের মৃত্যু- জানা অজানায় করা পাপের শাস্তি
১.
আমি হচ্ছি আমার বাপ মায়ের তিন নম্বর বাচ্চা। ছাগল হতে হতে মানুষ হয়ে জন্মানো, এই যা।..কারণ ভাই মায়ের ফেভারিট আর বোন হলো বাপের আদরের। আমি সবসময়ই ছিলাম ত্রৈধ বিন্দু অবস্থানে। কেউ কি বিশ্বাস করবেন? আমি ভিষণ চুপচাপ ছিলাম..একা থাকতে পছন্দ করতাম..অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, এখনও আমি একা থাকতে পছন্দ করি।
২
কবিতারা
মাঝে মধ্যে কবিতায় পায় আমাকে। সেল্ফ থেকে কবিতার বই বার করি, বার বার পড়া কবিতা বার বার পড়ি। উপন্যাস বা প্রবন্ধ বারবার পড়া যায় না। কবিতা যায়।
আঞ্চলিক ভাষায় লেখা কবিতা কেমন লাগে? আমি তো মুগ্ধ হয়ে পড়ি।
কাকে দিয়ে শুরু করবো? সৈয়দ শামসুল হক?
জামার ভিতর থিকা যাদুমন্ত্রে বারায় ডাহুক,
চুলের ভিতর থিকা আকবর বাদশার মোহর,
মানুষ বেকুব চুপ, হাটবারে সকলে দেখুক
নিপীড়ণের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌননিপীড়ক শিক্ষক আব্দুল্লাহ হেল কাফী এবং ছানোয়ার হোসেন সানীকে যথাযথ শাস্তি প্রদান এবং আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার আদেশ বাতিলের দাবিতে জাবি'র প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মানববন্ধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
৩০ এপ্রিল শুক্রবার সকাল ১০.৩০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্মল সেনের আপডেট সংবাদ
নির্মল সেন ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালের ৫৫৫ নং কেবিনে প্রফেসর ডাঃ সিরাজুল হকের অধীনে গত ৭ এপ্রিল থেকে ভর্তি আছেন। ২০ এপ্রিল প্রফেসর ডাঃ সিরাজুল হক (নিউরো মেডিসিন), প্রফেসর খাদেমুল ইসলাম (জেনারেল সার্জন), প্রফেসর এম আমজাদ হোসেন (অর্থপেডিক্স সার্জন), প্রফেসর জাহাঙ্গীর কবীর (ইউরোলজিস্ট) এবং ডাঃ স্বপন চন্দ্র ধর (গ্যাস্টোএন্ট্রোলজিস্ট) এই ৫ জনের সমন্বয়ে মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়।
এলোমেলো কথা
সকালে অফিসে ঢোকার পর পরই খবর শুনলাম চ্যানেল ওয়ান বন্ধ করা হতে পারে। জোট সরকার আমলে ইটিভি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সিএসবি আর এই সরকার চ্যানেল ওয়ান বন্ধ করলো। এ যেন একটা ধারাবাহিক কার্যক্রম। আর সরকারের একজন মন্ত্রী নির্লজ্জভাবে বললেন, জোট সরকার একুশে টেলিভিশন বন্ধ করে দিয়েছিলো। তখন তার কর্মীদের অন্যখানে কাজ করার সুযোগও কম ছিলো, তারপরও তারা বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে সংযুক্ত হয়ে কাজ করতে পেরেছে। এখন
যদি বন্ধু হও তবে বাড়াও হাত !
প্রিয় কবির ঢংয়ে বলি, " ঈর্ষাতুর নই আমি তবুও তোমাদের ..বড়ো ঈর্ষা করি ।"
কেননা তোমরা সবাই সবার বন্ধু । কী ভীষণ সাবলীল তোমাদের কোলাহল !
উল্টো দহন
নিষিদ্ধ বস্তুর প্রতি মানুষের আকর্ষন দুর্বার। যেদিন থেকে ওর সাথে প্রকাশ্যে দেখা সাক্ষাতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হলো সেদিন থেকে ওর সাথে প্রতিদিন দেখা হওয়াটাই যেন জরুরী হয়ে গেল। নিষেধ অমান্য করার আনন্দ রোমাঞ্চ আলাদা।
ইলমা যেদিন আসলো
বিজ্ঞাপন তরঙ্গ
রেডিও বাংলাদেশ । আমাদের ঘড়িতে সময় এখন ১ টা বেজে ৫ মিনিট হয়ে অমুক সেকেন্ড - ঘোষক/ঘোষিকার ঘোষনা। আপনার শুনতে পাচ্ছে এই এই এই শট ওয়েভ মেগা হার্টজে । এখন প্রচারিত হবে বিজ্ঞাপন তরঙ্গ।
সাথে সাথে প্যা প্যা পো পো করে শব্দ (বিজ্ঞাপন তরঙ্গ আরম্ভ হবার আবহ সঙ্গীত ছিল ঐটা) , শব্দের মাঝের একজন টেনে টেনে বলতো - বিজ্ঞাপন তরঙ্গ। তারপর আরো কয়েক সেকেন্ড বাজতো প্যা পো শব্দ।
ধন্য হে মোস্তফা জব্বার ধন্য তোমার ফাঁদ
পেটেন্ট, কিবোর্ড লেআউট, কপিরাইট নিয়ে আমরা যারা মুখে ফেনা তুলে ফেলেছি, কিংবা কিবোর্ডে ঝড় তুলেছি এবার মনে হয় তাদের বাস্তবের দিকে ফেরা উচিত। মোস্তফা জব্বার যে ফাঁদ পেতে বসে আছেন সেই ফাঁদকে অনুধাবন করে সেদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত। আমাদের অনুধাবন করা উচিত যে, ৫ কোটি টাকার বেদনা থেকে মোস্তফা জব্বার হাদুম পাদুম করছেন না, বড়ং ভবিষ্যতে এর কয়েক গুন টাকা হাতানোই তার উদ্দেশ্য।
হুর পুরস্কার পেলেন...
আজকে সব পত্রিকায় একটা সংবাদ দেখেছি।
প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ডাঃ
সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে
পুরস্কৃত হয়েছেন। দেখে ভালো লাগলো।
একটি পত্রিকার শিরোনাম ছিলো এরকম :
হুর পুরস্কার পেলেন সৈয়দ মোদাচ্ছের...
দেখে মনে হলো, কী ভাগ্যবান আমাদের উপদেষ্টা
মহোদয়। জীবদ্দশাতেই তিনি হুর পেয়ে গেলেন !!
আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
(থাঙ্ক ইউ মেহেদী, গেট আউট জব্বার!)
একটা বিষয়ে আপনাদের সাথে শেয়ার না করে পারছি না। কদিন আগে অভ্র ও জাব্বার নিয়ে যে বিতর্ক হয়ে গেলো তাতে আমার একটা লাভ হয়েছে! আমি অভ্র লোড করে বাংলা লিখা শিখে ফেলেছি! যে বাংলা টাইপিং দেখলে ভয়ে পালিয়ে যেতাম আজ আমি বাংলায় চেটিং(!) ও করছি। কম্পিউটার এ বাংলা লিখতে হবে বলে আমি অনেক কাজ করতাম না। আর ভয় নাই- এখন আসুন মামা, আমি তৈরী অবস্থায় আছি!
মজার বিষয় হল আমি বাংলা শিখে আমার আত্নীয় সজন দের মেইল পাঠাছিলাম - আমার মা বোন ইতালীতে থাকেন। এত কাল এংলিশ-বাংলা করে মায়ের/বোনের/ভাগিনার সাথে মেইলে কথা হত। মাকে ও বংলিশ শব্দ গুলো পড়ে শুনানো হতো - কি যন্ত্রনার কথা ছিল! আজ তিনি নিজেই মেইল পড়ছেন! কি মজা! দেখুন আমাদের মেইল গুলো-
এলোমেলো মুক্তগদ্য
।।
*
গদ্য কেনো বন্দী হয়ে থাকবে? তার ডানাগুলো তো কেটে নেয়া হয়নি? তাকে তো কোনো খাঁচায় আটকে রাখা হয়নি? তাহলে কেনো থাকবে সে বন্দী হয়ে? স্বাধীন গদ্যরা ডানা মেলুক চাঁদের অপর পৃষ্ঠায়। হেঁটে বেড়াক বৃহঃস্পতির সবচে বড় উপগ্রহে, জমাট বরফের হ্রদে।
**
ছবি তোলার ইচ্ছা ও তুলতে না পারা
অনেক দিন আগে থেকেই শুরু না। বেশ কিছুদিন আগে যদিও তুলতাম সেটা তোলার জন্যই তোলা। একটা ক্যামেরা ছিল, ফিল্মের। সেইটা দিয়া ফোকাস করে ছবি তুলতাম ব্যাস। তবে ফটোগ্রাফি কোর্স করার ইচ্ছে যে হয় নাই তা না। তবে আরও শ পনের ইচ্ছার মত এইটাও বাস্তবায়নের মুখ দেখে নাই। আগ্রহটা আসে যখন বছর দেড়েক আগে একটা ডিজিটাল ক্যমেরা হাতে পাই। ছবি তোলার নিয়মরীতি জানিনা কিছুই। খালি ছবি তুলি। ফুলের ছবি তুলি। নদীর ছবি তুলি। কাকের ছবি