ইউজার লগইন
ব্লগ
কাস্টমার সার্ভিস@বার্গার কিং ডট আজাইরা ডট পোস্ট
পুরানা বাংলা ছবিতে (ঢাকাই বা কলকাত্তি যাই হোক না কেন) খালি দেখা যাইত নায়ক বিলেত থিকা একটা বিদ্যাই শিখ্যা আইছেন- সেইটা হইলো পাইপ টানা; আর আইসাই নায়িকার বাপের সামনে ভুস ভুস কইরা পাইপের ধোয়া উগরানো
...
ডাইরী ৬৯
এক.
পুরো একটা দিবস হয় সিনেমার...ঘুম ভাঙতেই সিনেমা, দুপুরে খেয়েছি সিনেমার সংলাপের সাথে ভাত-মাছ। বৈকালিক ভ্রমণেও ছিলো সিনেমার জগিং শু...আর রাতের আঁধারে সিনেমা আলোক বর্তীকার মতো ধরা দেয়।
যদিও রুচীর ভিন্নতায় থাকে মন ও মেজাজ। বেলা করে আসে অ্যাকশন আর প্রতিশোধ। দুপুর পেরিয়ে বিকেলের রোদে ডার্ক হিউমার...আর আঁধারের সাথে গাটছড়া বেধে ফেলে বিল গেট্স আর স্টিভ জব্স।
ক্যানবেরা সফর - পর্ব ৪
হলব্রুক ছাড়িয়ে তখন আমরা বেশ দূরে মূরুমবিযি নদীর কূল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা আদিবাসীদের শহর গুন্ডাগাইয়ের পাশ দিয়ে ছুটে চলছি। অষ্ট্রেলীয়ার পুরানো শহর গুলোর মধ্যে অন্যতম এটি। শহরটির গঠন শৈলী অদ্ভুত সুন্দর। নদীর পার ধরে উপরে উঠে যাওয়া শহর কোথাও তিনশত মিটারের কাছাকাছি উঁচু। হাইওয়ে দিয়ে যাওয়ার সময় পাহাড়ের ঢাল বেয়ে গড়ে ওঠা ঘর বাড়ি আর রাস্তাগুলো দেখলে মনে হয় যেন দেশ থেকে দেখা জাফলংয়ের পাশ থেকে পাহাড়ের ঢালে গড়ে
জামাইবাবু সিনড্রোম
১.
আজকের হাবিজাবি (ভর দুপুরে একলা রাতে অন্যমন)
১)
"তবুও ভাবে সে ফুটবে পলাশ
ডাকবে কোকিল বিছানায় সে ফিরবে পাশ......."
কখনো কখনো পাশ ফিরে শোয়ার কোন নির্দিষ্ট অর্থ থাকে না কিন্তু মাঝে মাঝে পাশ ফিরে শোয়া মানেই মুখ ফিরিয়ে নায়া।
"আজ তোমার মন খারাপ মেয়ে.......আমি তোমার জন্য এনে দেব অঝোর শ্রাবন...."
ডাইরী ৬৮
এক.
সারাদিন আমার কেটেছে ভুল দেখে। ভুল দেখারেই চেয়েছি অভ্যাস মতো...ভুল দেখারেই আমি উপভোগ করি। হাত বাড়িয়ে ছুঁয়েছি ভুল স্বপ্ন...ভুল ঘ্রাণ...ভুলের পরান।
ক্রুঢ় বাস্তবের চেয়ে ভুল দেখে চলারেই বরং আমার নিয়তির মতো লাগে। আর তাই ভুলে যাই তাহার অভাব। ভুলের মুখোশে সে আমার পাশাপাশি থাকে। পাশ ফিরে চাইনি ভয়ে যদি ভুল বুঝে ফেলি...
দুই.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা (ভার্সন - ২০০৯)
১ম দৃশ্য
নবাব সিরাজ বসে আছেন সিংহাসনে। তাঁর সামনে চেয়ারে উপবিষ্ট সভাসদ।
সিরাজঃ বাংলা বিহার উড়িষ্যার মহান অধিপতি......
এমন সময় কে যেন বলে উঠলো - কা-আ-ট
সিরাজঃ কে কে ওখানে ? কাট বলে কে ?
জনৈক সভাসদঃ গোস্তাগি মাফ করবেন হুজুর। বাংলা সিনেমার এক আবাল ডিরেক্টর, আপনার রাজদরবারে "দেবদাস" সিনেমার শুটিং এ এসেছিল। আপনার ডায়লগ শুনে মনে করেছে এখানেও সিনেমার শুটিং হচ্ছে বুঝি !!!
গিনজা রোড নিয়ে দুটি কবিতা
পরীক্ষামূলক প্রচেষ্টা।
একই বিষয়ে ভিন্ন সময়ে লেখা দুটো কবিতা, অবশ্যই ইচ্ছেপ্রণোদিত। সময়ের ভেদে অনুভূতি কিভাবে বদলায়, সেটা খুব অল্প সময়ের মধ্যে টের পাবার একটা ফলশ্রুতি এ কবিতাদ্বয়।
বেশ আগে লেকহা, অনেকদিন পর স্তুপ থেকে টেনে তোলা গেলো।
গিনজা রোড বিষয়ে দুটি কবিতা
[ক্রিসমাসের একসপ্তাহ আগে]
...নৈঃশব্দ্য ছুঁবে তোমাকে ...
ছায়াপর্বঃ
আজকের হাবিজাবি "ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মোটি"
১)
"বহুদিন আগে নাকি ছিলো ভগবান, ধনুকেতে টান দিয়ে ছুড়ে দিত বান
কথা নাকি শুনে তার সব হনুমান যুদ্ধের ক্ষেত্রে দিয়ে দিত প্রাণ
_____________ প্রজারা তাকে কত করে সম্মান
তাই সীতা সতী কিনা করতে প্রমাণ প্রজাদের অনুরোধে আগুন জ্বালান"
হে বিশ্বাসভঙ্গের দেবী, অবাধ্যতার দেবী (promiscuity and disobedience) তোমাকে অভিবাদন।
ডাইরী ৬৭
এক.
আমার সবটাই অনুমেয়। আমি কিছু বলার আগেই তুমি বুঝে ফেলতে আমার মিথ্যাগুলো...কিছুতেই লুকোতে পারিনি আমার আবেগ। রহস্যহীনতায় আমি গদ্য ভাষা হয়ে উঠি। শস্যপর্ব যেমন আবর্তনের নিয়ম মেনেই চলে, প্রাণীকূলের জীবনচক্র নিয়ে যেমন নিশ্চিত হয়ে যায় প্রাচীন মানুষ। আমাকেও তুমি তেমন পড়েছ নিষ্পলকে...
একজন সফল অথবা বিফল নারীর গল্প...।(প্রথম অংশ)
রাত তখন ৮ টা,রুবাই বাবুকে খাওয়াচ্ছিল, তানভির রবাইর কাছে এসে কিছু না বলেই চলে গেল।একটু পর হঠাৎ ই বলল একটু নিচে থেকে আসি..চাবিটা নিচের দোকান এ রেখে এসেছি নিয়ে আসি...।রুবাই শুনল কিন্তু কিছু বলল না।
আবজাব-৩
বলি নাই অপেক্ষায় থাকো।
এই সব হেমন্তের ধান কাটা শেষে
নবান্নের উৎসবে যাব।
তারপর শীতঘুম।
অতঃপর ঘুম শেষে খামোখায় বাতাসে তোমার ঘ্রাণ খুঁজি।
আকাশের ওপারে আকাশ, বাতাসের ওপারে...........
সেই আট বছর বয়সে আবদুল্লাহ-আল-মুতির বই থেকে আকাশ নিয়ে কৌতুহলের যে অভিযাত্রা, আজও তা অব্যাহত আছে। ৪০ হাজার কিলোমিটার ব্যাসের কমলালেবুটা লক্ষকোটি জীবজড়প্রানসমেত সেকেন্ডে ২৯ কিলোমিটার গতি নিয়ে সুয্যিমামার চারপাশে যে ঘুরে মরছে তার মায়া ছাড়িয়ে মহাশুন্যে উড়াল দিতে সেকেন্ডে ১১কিমি শক্তি লাগে, কী নিদারুন ভালোবাসা বুকে তার!
পাঠ প্রতিক্রিয়া - "সাময়িক শব্দাবলি" , লেখক - তনুজা ভট্টাচার্য্য
বইটা পড়ার পেছনে খুব বেশি যুক্তি আমি দাঁড় করাতে পারবো না ।