ইউজার লগইন
ব্লগ
ডাইরী ৬৭
এক.
আমার সবটাই অনুমেয়। আমি কিছু বলার আগেই তুমি বুঝে ফেলতে আমার মিথ্যাগুলো...কিছুতেই লুকোতে পারিনি আমার আবেগ। রহস্যহীনতায় আমি গদ্য ভাষা হয়ে উঠি। শস্যপর্ব যেমন আবর্তনের নিয়ম মেনেই চলে, প্রাণীকূলের জীবনচক্র নিয়ে যেমন নিশ্চিত হয়ে যায় প্রাচীন মানুষ। আমাকেও তুমি তেমন পড়েছ নিষ্পলকে...
একজন সফল অথবা বিফল নারীর গল্প...।(প্রথম অংশ)
রাত তখন ৮ টা,রুবাই বাবুকে খাওয়াচ্ছিল, তানভির রবাইর কাছে এসে কিছু না বলেই চলে গেল।একটু পর হঠাৎ ই বলল একটু নিচে থেকে আসি..চাবিটা নিচের দোকান এ রেখে এসেছি নিয়ে আসি...।রুবাই শুনল কিন্তু কিছু বলল না।
আবজাব-৩
বলি নাই অপেক্ষায় থাকো।
এই সব হেমন্তের ধান কাটা শেষে
নবান্নের উৎসবে যাব।
তারপর শীতঘুম।
অতঃপর ঘুম শেষে খামোখায় বাতাসে তোমার ঘ্রাণ খুঁজি।
আকাশের ওপারে আকাশ, বাতাসের ওপারে...........
সেই আট বছর বয়সে আবদুল্লাহ-আল-মুতির বই থেকে আকাশ নিয়ে কৌতুহলের যে অভিযাত্রা, আজও তা অব্যাহত আছে। ৪০ হাজার কিলোমিটার ব্যাসের কমলালেবুটা লক্ষকোটি জীবজড়প্রানসমেত সেকেন্ডে ২৯ কিলোমিটার গতি নিয়ে সুয্যিমামার চারপাশে যে ঘুরে মরছে তার মায়া ছাড়িয়ে মহাশুন্যে উড়াল দিতে সেকেন্ডে ১১কিমি শক্তি লাগে, কী নিদারুন ভালোবাসা বুকে তার!
পাঠ প্রতিক্রিয়া - "সাময়িক শব্দাবলি" , লেখক - তনুজা ভট্টাচার্য্য
বইটা পড়ার পেছনে খুব বেশি যুক্তি আমি দাঁড় করাতে পারবো না ।
অভিলিপি: তার কান্নার পাশে আমার নির্জন, ভায়োলিন-ব্রাত্য চিনে রেখে
অভিলিপি: তার কান্নার পাশে আমার নির্জন, ভায়োলিন-ব্রাত্য চিনে রেখে
১
আমাকে সে টোকা দিয়ে বলল, 'কেমন আছো? সময় কেমন কাটছে?'
আবার আসিব ফিরে- চাচাকাহিনী
ভাবছিলাম মামা খালাদের নিয়া পোস্ট লেইখাই শেষ ... পরে মনে হইলো চাচাদেরে নিয়া কিছু একটা লেখা দরকার , নাইলে পিতৃঋণ শোধ হবেনা ... না না শোধ হবেনা ...
ডাইরী ৬৬
এক.
মানুষ গোপনীয়তা ভালোবাসে। জানিনা কেবল আমিই কি তবে নিজেরে মেলে দিতে চাই উঠোনে উঠোনে। আর তাই আড়ালে কখনো আস্থা রাখি নাই। কে আমার কোন কথাগুলো রটিয়ে বেড়াবে ভয়ে, চুপচাপ তারে বয়ে বেড়াবো কেবল, আর নিজের ভেতর তারা রাক্ষসের মতো তৈরী হবে...
বধ করবে তারা, কোন ভবিষ্যতের রাখাল, ভাবতেও পারিনি এমন...
দুই.
আজকে হাইজ্যাকারের পাল্লায় পরসিলাম!
কিন্তু ব্যাটা কিছু না নিয়াই আমারে ছাইরা দিসে...খুবই হাসির কাহিনী...কিন্তু অনেক বড়...
পরে লিখব 
আত্মমগ্ন কথামালা (কিছু দ্বিধান্বিত পংক্তি)
*
পরিযায়ী পাখার বিস্তারে জমাট অসুখের বিকি-কিনি
কসমোপলিটন পতঙ্গের সুপার-শপের কাউন্টারে
**
ক্লান্তির ট্যালকম পাউডারের অবাধ ব্যবহার
শৈল্পিক রাত এঁকে দেয় অধরা মৌমাছির প্রতিটি চোখের নিচে
***
বিয়ার কিংবা কফি ফ্রথে একটু আধটু হিসেবী চুমুকে
নির্ণয় হয় আপেক্ষিক মূল্য পার্থক্য
****
যত্তোসব নাই কাহীনি
সন্ধ্যা হয় হয় অবস্থা, মাত্র মাগরিবের আযান দিচ্ছে। টিকাটুলির মোড়ের আমগাছ তলায় দাড়িয়ে আছি করতোয়া সিটিং সার্ভিসে (একচুলি জটিং সার্ভিস) চড়ে চাষাড়া যাবো। কিছুক্ষণ পর কাঙ্খিত বাস এলে ভিড়ের মধ্যে ঠেলেঠুলে পিছনের গেইট দিয়ে বাসে উঠলাম। 
আমজনতার প্রতি কাঁঠাল
শোন বে হালায় তরা হইলি
আমজনতা চ্যাটের বাল
সরকারী কাম কাজবার নিয়া
পারবি না আর কোনো ফাল
সরকারী কাম বেজায় কঠিন
জানস না? ঘাস চিবাস?
দূর্নীতি আর চুরিচামারিতে
মন্ত্রী এমপিগো জান হাঁসফাঁস!
তারপরেও যেট্টুক টাইম
দয়া কইরা দেন তারা
তখন তোগো একটাই কাম
সংবর্ধনা দে বাড়া
কত ঘুষ খেয়ে, কতো চুরি করে
ভরে না তাদের পেটটা
তোর কি কোনো দায়িত্ব নাই?
আবাল মূর্খ্য ক্ষ্যাতটা?
অই জনগন বান্দির পো
একি উৎকন্ঠা নাকি নখরামি?...
আমি নাকি রঙে আছি! কানাঘুষা শুনলাম বসন্তকালে আমার গায়ে রঙ লেগেছে! শুনেছি যাহা রটে তা কিছু হলেও ঘটে, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে একদম ঠিক মিলে গেলো গুজবটা! এধার ওধার করে গা বাচিঁয়ে যতই পথ চলতে চাই রঙ লেগেই যাচ্ছে বারবার, লাগাতার। হাপিয়ে উঠেছি রঙে রাঙিয়ে উঠতে উঠতে!
আড্ডা!!! :: এই মাসে ব্লগের আড্ডার সিডিউল
বন্ধুরা... আম্রাযে চ্রম আড্ডাবাজ ... আপ্নেরা হয়তো কিছুটা আঁচ কর্তে পার্ছেন এরমধ্যেই :)। ঢাকার শহরের বিভিন্ন গলিঘুপচিতে আম্রা একটু সময় বের করতে পার্লেই আড্ডাই। কখনো ঘোষণা দিয়া ... কখনো সময় স্বল্পতার কারণে অঘোষিত ... মানে হুট কইরা। আগে থেকে সিডিউল করা থাকলে সকলের কাছে আওয়াজ পৌছাই। এইবার দেখেন মার্চের আড্ডার সিডিউল ;)
দুর্বিসহ ভ্রমন কান্ড (এক)
এয়ারপোর্ট স্টেশানে পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই ট্রেনের হুইসেল শুনলাম যেন। জানুয়ারীর তীব্র শীতের বিকেল। সেবার সত্যি খুব শীত পড়েছিল, কয়েক বছর আগে। জোব্বা জ্যাকেটে শীত মানছিল না। টেক্সী থেকে নেমেই হাতের ব্যাগ আর কাঁধের ব্যাগ শক্ত করে ধরে ছুট দিলাম প্ল্যাটফর্মের উপর দিয়ে। ট্রেন ছেড়েই দিচ্ছিল।