ইউজার লগইন
ব্লগ
ডাইরী ৭২
এক.
চোখের পলক ফেলতেও দ্বিধা লাগে, যদি প্রকাশিত হয় আমি কতোটা ছিলাম অপরাধী...স্থির নয়নে তারপর পথ হেটে ছুঁয়ে দেই কানাগলির দেয়াল, যেখানে থমকে দাঁড়ানোটাই নিয়তি। যেখানে থমকে গেলে আর কোন পথ থাকে না পলায়নের। তবুও চোখের পলক পড়ে নাই, আমি শক্ত চোয়ালে অনুভূতি লুকিয়ে দেয়ালে পিঠ সেটে, দাঁড়িয়েছি হাত প্রসারিত করে।
দুই.
সেমিনার এবং অতঃপর ...
আমাদের এক বন্ধু । ওর সাথে পরিচয় সেই ছোট বেলা থেকে। ২৬ বছর বয়স হবে বন্ধুত্বের। নাম না হয় নাই কইলাম। ধইরা নেন ওর নাম - মিঃ এক্স।
এবার বই মেলা থেকে যে সব বই কিনেছি.......
আমি বছরের যে কোন সময় বই কিনি, যখনই হাতে টাকা আসে অথবা সময় করতে পারি। তারপরেও বেশীর ভাগ বই কেনা হয় মহান একুশের বই মেলা থেকে। বেশ ক'বছর দেশে নাই, বই পড়ার কষ্ট যেমন পাই তেমনি বই কিনতে না পারার কষ্টও অনেক বেশী। তার পরেও চেষ্টা করি বই মেলা থেকে বই কিনাতে। গত কয়েক বছরে অনেক অনেক বই কিনলেও সেগুলি সঠিক ভাবে সংরক্ষন না করায় বেশীর ভাগ বই চুরি হয়ে গেছে। তাই এ বছর সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বই কেনার পর আলমারিতে বিশ
সিনেমা রিভিউ: এ্যাটোনমেন্ট
এক বিবাহিত মেয়ের প্রতি
সেই বয়সের কথা। এক বালিকার সাথে তুমুল প্রেম করি। সেই বালিকা একদিন আবেগঘন হইয়া কইল, বিয়ার পরেও কি তুমি আমারে এইভাবে ভালবাসবা?
আমি কইলাম, অবশ্যই বাসবো। আমি বিবাহিত মেয়েদেরই সবচেয়ে বেশি ভালবাসি।
টেরাই করলাম..........
এই বার না হইলে আমার টেরাই করুম না............ হক মাওলা
হঠাৎ বৃষ্টি
অনেক দিন থেকে ইচ্ছা ঝুম বৃষ্টিতে ভিজবো। আমি ভুলেই গেছি কবে বৃষ্টিতে ভিজেছি। আগে সকাল সন্ধ্যা যখনই বৃষ্টি হতো নেমে পড়তাম উঠোনে কিম্বা দৌড়ে যেতাম ছাদে। মায়ের কাছে কতোই বকা খেতাম সেই জন্য।
এলাম
এলাম। তবে এসেই জয় করতে পারব বলে ভাবছি না। কিন্তু তোমাদের মন জয় করতে চাই লেখালেখিতে। দেখা হবে বন্ধু।
আর ২০ মাত্র ঘন্টা!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!তা-র-প-র???
সময় যে আর কাটে না................................। আর ২০ ঘন্টা বাকী। তা-র-প-র। জমবে আড্ডা, হই হই রই রই। টুটুল, রায়হান ভাই, বিমা অস্থির হয়ে আছে কখন ১৭ মার্চ সকাল হবে? এত কেন দেরী? পারলে ওরা গতকালের বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যাটাকে ১৭ মার্চ দুপুর বানিয়ে দিতো। সময়কে মাইনাস। তবে কে জানে হয়ত এমন অঝোরে বৃষ্টি ঝড়তে পারে সবার মন ভিজাতে।
রোদ্দুর থেকে সমুদ্দুর
১ মার্চ কী টেনশন আমার !
বর্ষবরণ ই-পুস্তক: রঙিলা বৈশাখ
মূলকথার বাইরে [অ.ট.?]: প্রথমেই জানিয়ে রাখি স্বাধীনতা দিবসের ই-পুস্তক কথা। যারা লেখা ও ছবি পাঠিয়েছেন, প্রত্যেককে অশেষ ধন্যবাদ। আর সবাইকেই ফিরতি পত্র পাঠানো হয়েছে। ফিরতি পত্র না পেলে বুঝতে হবে আপনার লেখাটি আমাদের হস্তগত হয়নি। সেক্ষেত্রে মন্তব্যের ঘরে জানালে কৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদ।
চলুন এবার সাজি বৈশাখের রঙে।
ডাইরী ৭১
এক.
শহরটা গিয়েছে থেমে রূপবতী বৃষ্টিরে সামাল দিতে। আহা বৃষ্টি তুমি বড়ো অসময়ে এলে! গরাদের মতো বৃষ্টি দেখে যে কবির বিবমিষা ছিলো তারে আমি ভালোবাসি আজ। শহরের দূরবর্তী প্রান্ত থেকে আমারে যদিবা যেতে হয় কোন এক নারীর ভালোবাসায় আমি তারে কেনো দূরে ঠেলে যাবো...সে নারী ভালোবেসেছে সব লেখকজনেরে।
দুই.
যাপিত জীবন ২
আমি মানুষটা দেখতে বেশ ছোট খাট। ঠিক এই কারনে কিনা জানি না। আমার চাহিদাটা সবসময় বেশ কম। সেটা কাপড় চোপড়ের মতন অগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ই বলেন অথবা ক্যারিয়ারের মতন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি খুব বেশি চাই না। খুব অদ্ভুত ব্যাপার, আমার ছোট ভাই বোন দুইটার মধ্যেও এই ব্যাপারটা বেশ খুঁজে পাই। এর কারন মনে হয় অল্পতে ভাল থাকার দুর্লভ ব্যাপারটা কিছুটা হলেও আমরা আয়ত্ত্ব করতে পেরেছি। এই বাক্যটা পড়ে কি মনে হচ্ছে কিছুট
ভালোবাসার রসায়ন (lkhte giya dekhi sob vule gesi) কি মর্মান্তিক
১)
স্বর্গীয় কিন্তু খাইস্টা (১৮+?)
অনেক আগে লিখছিলাম, সামুতে, ঝালাই কইরা দিলাম। এবির অনেকেই হয়তো পড়েননাই 
---------------------------------------------------------------------------------------
স্বর্গে সেদিন সেন্ট পিটারের মন ভাল না।
এর আগের কয়েকদিন যাবৎ তার ওপর বিচারের দায়িত্ব পড়েছে দাগী দাগী সব আসামীর; বেচারা ফাদার মানুষ, মন-দিল নরম। এতগুলো মানুষের নরক গুলজার করতে করতে মুষড়ে পরেছেন।
