ইউজার লগইন
ব্লগ
ক্যানবেরা সফর - পর্ব ২
সেই সার্ভো থেকে বের হয়ে ইউরোয়া শহর বাইপাস করা নতুন ফ্রীওয়ে ধরে সামনে এগিয়ে গেলাম। মুজা কাকুরে খেপানোর জন্য বললাম নেক্সট ব্রেক মিনিমাম ৩০০ কিলোমিটার যাওয়ার পর, এর মধ্যে কোন থামাথামি নাই। কারো ১/২ নম্বর কিছু পাইলে যেন হাসি খুশি মুখ কইরা চাইপা রাখে। আর হ্যাঁ যেহেতু শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ তাই বিড়ি খাওয়া নিষেধ। এইটা শুনার পর কাকু তার সেই জগৎ বিখ্যাত ডায়ালগ "হায়রে........" দিলো। মামুরে বললাম অন বোর্ড
প্রতিবিম্ব মুখগুলো
আজ একটা কাজে একটু ব্যাঙ্কে যেতে হয়েছিলো। আমার একজন বন্ধুর কাছে অনেকদিন হলো কিছু টাকা ধার নিয়েছিলাম। সেই টাকা ফেরত দেয়ার জন্যই ব্যাঙ্কে যাওয়া।
কতই না ব্যস্ত ব্যাঙ্কের মানুষগুলো। যারা টাকা জমা দিতে এসেছে তারা, যারা তুলতে এসেছে তারাও। চুপচাপ তারা লাইনে দাঁড়িয়ে আছে অথচ তাদের চোখেমুখে কি একটা চাপা অস্থিরতা। যেন কত কাজ ফেলে এসেছে বাইরে, এখুনি ফিরতে না পারলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।
হুরুতার হুরুকাল - দ্য প্রি-বাফড়া ডেইঝ
আজকে ব্লগে ঢুইকা অনেকের ব্লগাব্লগি দেখতে দেখতে আমার নিজের ছোটবেলার কথা মনে পইড়া গেল ... বিশেষ কইরা মুক্তবয়ানের বর্ণমালায় ঘেরা শৈশবের কথা পইড়া আমার ভেতরের পাঠক টা ব্লগারটারে খোচা দিয়া কইল ''যা ব্যাটা তুইও খানিক ব্লগা, এইরকম উচাটন-মন-টপিক কয়টাই বা আছে'' 
সবাই খালি চান্স পাইলেই ডায়লগ মারে - আহা যদি শৈশবে যাওয়া যেত
!!!! ''পাগল নাকি?
'' এই কথাই ভাবি।
আমার প্রথম যা কিছু (কিছুটা সত্য , কিছুটা মিথ্যা, কিছুটা অতিরঞ্জিত )
প্রথম স্কুল : বাসার কাছে একটি সরকারি প্রাইমারী স্কুল । পড়াশোনা খুব কম করতে হত । তাই বেশি প্রিয়! কত কিছুর প্রথম জড়িয়ে আছে সেখানে! প্রথম বই, প্রথম ক্লাস মেট, প্রথম কমিক, প্রথম "প্রথম হওয়া"...
ডাইরী ৬৩
এক.
আজ ইচ্ছে ছিলো তারে বিদায় জানাবো। তার হাত ছুঁয়ে দেবো। যে হাতে সে অচীরেই ছোঁবে ভালোবাসা। অতএব আমিও ভালোবাসার নৈকট্যে চলেছি বলে সাজাই সুখের সওদা। জানি এমন চিন্তারে অসুস্থ মনে হবে তোমার নিকট। নিকট নৈকট্য কেবলি সংকটে চলে ভবিতব্যহীন...
"স্বপ্নের বাংলাদেশ" লেখা ও ছবি পাঠানোর তাগাদা
বন্ধুরা,
২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আমরা বন্ধু ব্লগে একটি ই-পুস্তক প্রকাশের ঘোষণা ছিলো এই পোস্টে - http://www.amrabondhu.com/lokenbosh/445
মেয়েটা নদীকে “মা” ডাকতো
মেয়েটা নদীকে "মা" ডাকতো ।
যে নদীতে ওর ঘর-চালা-গোয়াল
আর সাথে দেড় বছরের ভাই -
মা'র কোল চুরি করা ভাই
ভেসে গিয়েছিলো
গত আষাঢ়ের আগের আগের বার বানে
....নাকি তারও আগের !
সেই নদীকে -
কাঁশের ফাঁকে হাঁটতে হাঁটতে মুখে
বুলানো জোয়ার-বাতাস আঁচল ভেবে -
মায়ের নুন-হলুদ গন্ধ আঁচল ভেবে ;
আরামে চোখ বুজে ফেলতো
খোলা মাঠে শিশিরের ঘুম -
মেয়েটা
কাশবনের কাছে ইনিয়ে বিনিয়ে
ছোটোমেয়ের মত আহ্লাদ করতো -
আদরের বাবা এবং তার ছেলেমেয়েরা...
আদর আমার বন্ধু। তার বড়াপার বিয়ে হয় নিজের পছন্দে। আদরদের বাবার বাড়ি আর বড়াপার শ্বশুরবাড়ি একটাই। আপার পছন্দ ছিলো তারই জেঠার (বড় চাচা) ছেলে। আদরের বাবা এ বিয়েতে একদম রাজি ছিলেন না। তার মা’র কারনেই আপার বিয়েটা হয় ১৯৮২ সালে। এটি আদরদের পরিবারের প্রথম বিয়ে।
ক্যানবেরা সফর - পর্ব ১
অবশেষে সবার কাজের সময় ক্লাসের সময় হিসাব করে আমাদের ক্যানবেরা যাওয়ার দিন ঠিক হল ২৮শে ফেব্রুয়ারী। প্রথমে আমি আর মামু (মাহবুব রব) যাওয়ার কথা ছিলো। পরিকল্পনার শেষ মুহুর্তে মুজা কাকুর (সৈয়দ এনায়েত হোসাইন মুজাফ্ফার) ফোন
"মুজা কাকুঃ তোমরা কখন রওয়ানা হবে?
আমিঃ কেনো? সকাল ১০ টায়।
মুজা কাকুঃ আমার কাজ শেষ হবে সকাল ৯ টায়। যদি ৩০ মিনিট পরে যাও তাহলে আমিও আসবো।
একটি সকালের গল্প [অনুগল্প]
কাদের ঘুম থেকে জেগে দেখে মাথার কাছের ফ্যানটা নিশ্চুপ হয়ে আছে। সারারাত ঘড় ঘড় শব্দ করে বাতাস দেয়া টেবিল ফ্যান এখন আর নড়াচড়া করছে না। নিচে তোষক , চাদর, বালিশ ঘামে ভিজে জুবুথুবু অবস্থা। অনেক ক্ষন ধরেই ইলেকট্রিসিটি নাই।
শৈশবজুড়ে বর্ণমালা
আমাদের লেখাপড়ায় হাতেখড়ি হয় বর্ণমালা দিয়েই, যদিও অক্ষরগুলোর সাথে ঘনিষ্ঠতা দূরে থাক, পরিচয় হওয়ার অনেক আগেই আমরা শিখে যাই পাগলা ঘোড়ায় চড়ে তেড়ে আসতে আসতে বুবুকে ধমকে দিতে, কিংবা চাঁদকে নিজের কপালে টিপ দিতে অনুরোধ করতে করতে অজ্ঞাতসারেই মামা ডেকে বসা অথবা, শিখে ফেলি Humpty Dumpty জুটির গল্প। তারপরও আমাদের মোটামুটি সবার পড়াশুনাটা বাংলা বর্ণমালা দিয়ে শুরু হয়ে ইংরেজিতে নোঙর ফেলে অংকের বন্দরের দিকে নতুন করে
ডাইরী ৬২
এক.
সে আমাকে ডেকে নিয়ে যায়। আমিও সকল সংসারে আগুন জ্বেলে দিতে সাথে সাথে সাড়া দেই। তবে তার আগে খেয়ে নেয়া যাক চকোলেট চিপ বিছানো নতুন ফ্র্যাপে...
যার হিম বরফে আমার প্রতিহিংসার আগুন নিভে গেলো, দপ করে। আহা কফি ওয়ার্ল্ড, কেনো যে আসি নাই এতোদিন আমি তোমার নিগরে। অতঃপর আমি তারে সোজা না বলেছি, বলেছি চিকিৎসক রমনীরা সুখেই থাকুক...
মূল্যহীন বা অমূল্য কথামালা
নখরামীটা ছাড়না এবার
ছাড়না ভূতের দাবী
দেশটা কি আর লুটের মাল
যে লুটেপুটে খাবি ।
পুর্ন থালা ভরছো আবার
করছ বেজায় ছল
অন্ধকারের হয় না যে শেষ
বক্ষে চোখের জল ।
খেলায় খেলায় হেসে হেসে
নিংরে নিলি শ্বাস
হিসাব হলে নেইকো গতি
পড়বে গলায় ফাঁস ।
কাস্তে কুড়াল পায় না কদর
শুধুই জোটে আটি
ভুলিস কেন এরাই সেদিন
ছিনিয়ে আনল মাটি ।
স্বপ্ন এখন শুকনো পাতা
ইচ্ছাগুলোয় হাড়ের ব্যথা
একখানা ভদ্রলোকের কবিতা, কবিতার নাম বালিশ
নিঃস্বঙ্গ শয্যার মম একমাত্র সাথি
হে মোর বালিশ! সেই যুবাদল বিশাদে কাটায় যারা রাতি
বধুহীন নিদ্রাহীন অশান্তির ঘরে;
তোমারে সৃজিল প্রভূ তাহাদের তরে;
যাতে তারা সহজেই সব কষ্ট যেতে পারে ভূলি'
এবং করিতে পারে তব সাথে হর্ষে কোলাকূলি!!!!
কিসের বা কষ্ট তাহে, কিসের বিষাদ
যদিও এ ওষ্ঠ মম না পারিল নিতে কোন সূন্দরীর অধরের স্বাদ
নাহি তাতে খেদ মোর, তাহা লাগি এতটুকু দুঃখ না করি;
মানুষ - ১
ধরা যাক্ , দুটি মানুষ x ও y
তারা পরস্পর থেকে xy দূরত্বে দাঁড়িয়ে ;
দাঁড়িয়েই ।
x ও y সমাধান না করেও এখানে
বলা যায় , "যথাক্রমে m1 ও m2 তাদের
ভর যদি হয় , তারা G m1 m2 / (xy)^2 বলে
নিজেদের আকর্ষণ করবে - কোনও শর্তেই
পদার্থবিদ্যার এই সূত্র মানুষ মানে না । "
এবং এমনকী -
দূরত্ব সসীম রেখেও তারা G, m1, m2
এর মতো ধনাত্মক অংকগুলোর গুণনে
নিরেট শূন্য করার ক্ষমতা রাখে ।