একটি মেয়ের গল্প
আমি যে মেয়েটির গল্প বলতে চাই, সে কখনো ঈভ-টিজিং’র শিকার হয়নি, গলির মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকা ‘সারমেয়’ গুলো তার দিকে হিংশ্র-লালসার দৃষ্টিতে তাকায়নি, ‘তার রূপে মুগ্ধ হয়ে’ কোন ভয়ন্কর সন্ত্রাসী তাকে প্রেম নিবেদন করেনি, পাড়ার কোন বখাটে তার কাছে কখনো কুৎসিত ভাষায় উড়ো চিঠি পাঠায়নি, মোবাইলে মিসকল দিয়ে কেউ কখনো তাকে অতিষ্ঠ করেনি। কলেজে যাওযার পথে বাসে কোন ‘হেল্পার’ (যাদের সে ‘মামা’ বলে সন্বোধন করে) তার গায়ে হাত দেয়নি, কলেজ বা ভার্সিটির কোন বিকৃত মনা শিক্ষক তাকে কখনো যৌন হয়রানী করেনি, ফ্ল্যাটের কোন ‘বড় ভাই’ সিঁড়িতে একা পেয়ে গভীর আবেগে জড়িয়ে ধরেনি। মা কখনো তাকে এক একা ঘরের বাহিরে যেতে নিষেধ করেনি, পিতা তাকে বাল্যবিবাহ দেয়ার চেষ্টা করেনি, কোন গৃহশিক্ষক পড়াতে এসে পড়া বুঝিয়ে দেয়ার ফাঁকে তার হাত ধরেনি, প্রেমিকের হাত ধরে রাস্তায় হেঁটেছিল বলে ‘ধার্মিক’ পুরুষেরা তাকে ‘বেহায়া মেয়েছেইলা’ বলে তিরস্কার করেনি। দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত প্রেমিকপুরুষ তার সঙ্গে প্রতারণা করেনি, অবৈধ সন্তানের মা হয়ে বিচারের আশায় সে সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে ধর্না দেয়নি,‘বিশ্বাসী' কাছের মানুষের হাতে সে কখনো ধর্ষিতা হয়নি, কোন ক্ষমতাশালীর ‘সুপুত্র’ তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়নি । কোন বেপরোয়া প্রেম প্রত্যাশী যুবক তার মুখে এসিড ছুঁড়ে দেয়নি। বিয়ের পর স্বামী কর্তৃক সে কখনো শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়নি,শাশুড়ি কর্তৃক মানসিক ভাবে নির্যাতিত হয়নি। শারীরিক এবং মানসিক নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে সে কখনো আত্মহত্যার চেষ্টা করেনি...।
এমন একটি সৌভাগ্যবতী মেয়ে আছে কি এই ‘আধুনিক ডিজিটাল’বাংলাদেশে !আমি তাকে দেখতে চাই, তার সংগে পরিচিত হয়ে ধন্য হতে চাই, এই সমাজে তার সুস্থভাবে, নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার গল্প মানুষকে বলতে চাই...। কোথায় সে !





ধুর মিয়া দিলেন তো মনটা খারাপ করে। এতটা রূঢ় বাস্তবতা সামলাবার মতো মানসিক প্রস্তুতি নাই
সত্যি বলেছেন মামুন,এতটা রূঢ় বাস্তবতা সামলাবার মতো মানসিক প্রস্তুতি আমাদের নেই, তবুও বলতে হয়,আমরা দিন দিন যেন অসভ্য হয়ে যাচ্ছি।
সত্যি বলেছেন মামুন,এতটা রূঢ় বাস্তবতা সামলাবার মতো মানসিক প্রস্তুতি আমাদের নেই, তবুও বলতে হয়,আমরা দিন দিন যেন অসভ্য হয়ে যাচ্ছি।
পুরুষ হিসেবে নিজেকে ছোট মনে হচ্ছে। পোষ্ট প্রিয়তে।
নাহীদ ,আপনার মতো আমারও একই অনুভূতি।
তার আগে খুঁজে দেখেন বাংলাদেশের কোথায় এমন সুস্থ পরিবেশ আছে? এমন পরিবেশেই আছে মেয়েটি।
জুলিয়ান সিদ্দিকী,আপনার অনুমান সত্যি হলে ভালো হতো !
হুম, এটা গল্প।
হাঁ তানবীরা, এটা গল্পই,কারণ বাস্তবতার সঙ্গে এর কোন মিল নেই।
গল্প গল্পই।গল্প কখনো সত্য হয় না।
হাঁ রাসেল আশরাফ, যা বাস্তব হওয়ার কথা ,সেটা এখন গল্প...।
এই সমস্যাটা হঠাৎ করে মহামারী আকার ধারণ করার কারণটা কি বুঝতে পারছি না। যতই লেখালেখি হচ্ছে ততই ঘটনা যেন বাড়ছে। নাকি আগেও এরকম ঘটে এসেছে বছরের পর বছর, কেবল মিডিয়া ওদিকে ফোকাস করেনি সেরকম ভাবে।
আগেও এরকম ঘটে এসেছে বছরের পর বছর, কেবল মিডিয়া ওদিকে ফোকাস করেনি সে...এটাই সত্যি,আমাদের মিডিয়া হলো ভেড়ার পাল, একটা যে দিকে ছুঁটে, সব গুলো সেদিকে ছুঁটে।
একমত হতে পারলাম না।
বর্তমান সময়ের অতি আলোচিত সমস্যা নিয়ে লেখাটি বেশ সাহিত্য নির্ভর। মনের মাধুরি মেশানো লেখকের লেখাটি পড়ে মনে হলো, এক্ষেত্রে লেখকের অভিজ্ঞতা প্রচুর। অতীতে ঈভ –টিজার ছিলেন নাকি ভাই?
অতি জ্ঞানী কথা বলেছেন লিটন, এতো জ্ঞান নিয়ে ঘুমান কিভাবে? খুন নিয়ে লিখতে হলে কি খুনের অভিজ্ঞতা থাকা জরুরী? আমিতো ভাই সাহিত্য নির্ভর লেখা লিখতে চাইনি, চেয়েছি বাস্তবতাকে স্পর্শ করতে।
দুঃখিত ঈশান, আপনি যে ধোয়া তুলসি পাতা সেটা জানা ছিল না। যাই হোক চালিয়ে যান।
জগতে কেউই জলে ধোয়া তুলসি পাতা নয়, আবার সবাইকে নিজের মতো ভাবাও ঠিক না।
কল্পনা ও বাস্তবে কি বিরাট ব্যবধান ! যা বাস্তব হওয়া দরকার ছিল, তা এখন সুদূর অবাস্তবতা । সমস্যাটি একেবারে নতুন নয়, কিন্তু বর্তমানে প্রকট । তবে ঈশান, এ কল্পনা তো একদিন বাস্তবতার আলো দেখবে । আমরা হতাশ হব কেন ? কোন একজন মেয়ে সাড়া দিন, যার বেলায় এ ব্লগের সব আশা পূরণ হয়েছে ! আমরা আশান্বিত হই !
বড় ভাই, আপনি বরাবরই আশাবাদী মানুষ, আপনার কথা শুনে আমিও আশান্বিত হলাম, কোথাও নিশ্চয়ই আছে আমার গল্পের মেয়েটি, আমরা তার খবর জানিনা...।আশা জাগানিয়া কথা বলার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ভাগ্যিস বিয়ের আগে ঈশান এমন কোন ক্রাইটেরিয়াযুক্ত পাত্রী সন্ধান করেন নাই
হুমম
হুমম হুমম হুমম
চুপচাপ পড়ে গেলাম।
উদরাজী, কবে ফিরলে?
৭ তারিখ রাতে, প্লেন লেট হইছে। কেমন আছেন আপনারা। লিটন কি সব কমেন্ট করছে! ওর মাথা ঠিক আছে? এত আতলামি ক্যান করছে?
আহাদ তো ফাইন্যাল!
ঠিক কথা কইছো,তোমার সঙ্গে আমি একমত উদরাজী।
বন্ধু সাহাদাত উদরাজীকে বলছি, আতলামির সংজ্ঞা কি তা আমি জানি না। জানলে বুঝতে পারতাম কাউকে এইডস্ সম্পর্কে সাবধান করাটা আতলামির মধ্যে পড়ে কি না। ভাল কথা ইন্ডিয়া থেকে ফিরে ল্যাব এইড থেকে রক্ত পরিক্ষাটা করিয়েছো তো?
বন্ধু লিটন, তোমাকে অনেক বড় ভাবছিলাম! আমার ভুল হয়েছে। তুমি এখনো ধদ্দু খাও বলে মনে হচ্ছে।
(ব্লগে লিখার জন্য যে উপযুক্ততা তা তোমার এখনো হয় নাই।)
...
!!!!!!
কোথাও পাবেন না এটুকু বলতে পারি।
হুমম্
হুমমম।:(
হুমম,হুমম,হুমম।
মন্তব্য করুন