নারী তুমি ঝলসে ওঠো সদ্য কেনা ছুরির ধারে...
ওপরের শিরোনামটি এবির এক বন্ধুর কবিতা থেকে নেয়া, ব্ন্ধুটির নাম মনে নেই, কিন্তু...বাক্যাটি স্মৃতিতে গাঁথা ছিলো (বনধুটির প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা)। নারী -" ডান হাতে খড়গ জ্বলে, বাঁ হাত করে শংকাহরণ" (জেবিনের লেখা থেকে)। সত্যি মহিয়সী নারী এখন কি না করছে! রান্না ঘরের হেঁসেল ছেড়ে মহাশূণ্যে পাড়ি দিচ্ছে...। নারী এখন বিজ্ঞানী,পাইলট, প্রকৌশলী, পুলিশ, এমন কি টেরোরিস্ট ও।দেশে দেশে পুরুষের পাশাপাশি নারী ও এখন প্রতিরক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। এমনকি যুদ্ধক্ষেত্রেও নারীর এখন সমান পদচারণা...জয়তু নারী। আসুন বীরঙ্গনা নারী সৈনিকদের কিছু ছবি দেখি....।
নারী সৈনিক:বাংলাদেশ
ভারত
পাকিস্তান
পাকিস্তান
ইউক্রেন
চীন
ব্রাজিল
ইতালী
নিউজিল্যান্ড< img src="/sites/default/files/users/ishan/41-AN-SOLDIER-600x800.jpg" width="600" height="800" alt="41-AN-SOLDIER-600x800.jpg" /> পেরু
সার্বিয়া
কোরিয়া
পোল্যান্ড
আলজেরিয়া
মালোশিয়া
পেরু
তুরস্ক
চিলি
নেপাল
ইরান 
নারী সৈনিক: বাংলাদেশ ############### আরো ছবি দেখতে চাইলে ক্লীক মারুন এখানে......
http://www.facebook.com/album.php?aid=48544&id=100000560462073&l=d418b1e580





পোষ্টটা ঠিক বুঝলাম না, এটাকি ছবি ব্লগ?
সরি, ট্যাগ খেয়াল করি নাই
বাংলাদেশের সৈনিককে বোন বোন লাগতেসে। তাই ওইটা বাদ।
ইন্ডিয়ারটা বেশি সুবিধার না।
ইউক্রেনেরটা ভালো ফর চিল।
বাই ডিফল্ট চীন-জাপান-কুরিয়া ভাল্লাগে না। যদিও নিচে যে কুরিয়ানটা আছে সেইটা বেশ কিউট, তাও।
ব্রাজিলিয়ানগুলা মুখে কালি লাগায় রাখলে কি হৈসে, ঐগুলা ডট ডট।
ইতালিয়ানটা বেশি বড়।
নিউজিল্যান্ডের দুইটাই ফাউল।
পেরুরটা আসে নাই। আমার এখান থেকে হয়তো দেখা যাচ্ছে না।
সার্বিয়ানটা খারাপ না। তবে মুখ দেখে মনে হচ্ছে পরিবার-পরিজন কাউকে হারানোর শোকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছে।
(চলবে...)
মীর, দুষ্টুমী আরও চলবে ? এতে সহযোগীর আকাল পড়বে না আশা করি ।
ঈশান, ভাল লাগলো । অন্য পেশার নারীদের সাথেও পরিচয় করিয়ে দেবেন তো !
মীর,আপনার মন্তব্যের তারিফ করতে হবে। আমার আসলে বাংলাদেশী নারী সৈনিকদের দেখে গর্ব হয়। গ্ল্যামারের উৎকট প্রদর্শনী নেই। ১০০% প্রফেশনাল। ভারতীয় মেয়েটির মধ্যে সৈনিকভাবের চেয়ে ' র্যাম্বো 'স্টাইলটাই বেশী।আর বাকিদের কথাতো আপনিই বলে দিলেন...। ধন্যবাদ মন্তব্যর জন্য।ও হাঁ আরেকটি কথা, আমার 'ছবিব্লগে' পোস্ট দেয়ার অনুপ্রেরণা কিন্তু আপনি, আপনাকে দেখেই.....। কিন্তু কাজটা যে এতো 'খতরনাক' জানা ছিলোনা। হেল্প নেয়ার জন্য টিউটোরিয়ালে ঢুকে মাথা আরো আউলাইয়া গেলো। ভাগ্যিস ওখানে টুটুলের একটা অপোক্ষাকৃত সহজ টিউটোরিয়াল ছিল।টুটুলের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা..।
ধন্যবাদ হুদা ভাই...।
সেনা দেখলে যে ডর লাগে, নারীসেনা দেখলে সে ডর খানিকটা কমে
কিছু ছবি দেখে আমি ঝলসে গেলাম..।কি আছে জীবনে???

আশফাকুর, ঠিকই কইছেন-কি আছে জীবনে???

শানিট হোক নারী আপন শক্তিতে!
আরাফাত শান্ আপনার সঙ্গে সহমত....
আরাফাত শান্ত, আপনার সঙ্গে সহমত....
বিদেশিদের কথা জানি না, তবে আমাদের দেশের যে সকল নারী সেনা সদস্যদের ছবি এখানে দিয়েছেন তারা এই পোস্ট দেখতে মনে হয় না খুব একটা খুশী হবেন, বরং বিনা অনুমতিতে (ধরে নিচ্ছি আনুমতি নেননি) এভাবে পাব্লিক ব্লগে তাদের ছবি ব্যবহার করেছেন দেখলে তারা ক্ষিপ্ত হতে পারেন। আর ব্যক্তিগতভাবে এভাবে ছবি উপস্থাপন আমার কাছে সঠিক মনে হয়নি।
অচেনা অতিথি, বেনামী কোন মন্তব্যের জবাব দিতে আমি ইচ্ছুক নই, তবুও নিতান্ত অনিচ্ছা সত্ত্বেও আপনার মন্তব্যের জবাব দিচ্ছি। আমি যে বিদেশী ওয়েব সাইট থেকে এই ছবিগুলো সংগ্রহ করেছি, সেটি গোপন বা সংরক্ষিত কোন ওয়েবসাইট নয়। সেখানে এমন শতাধিক নারী সৈনিকের ছবি রয়েছে এবং তার মধ্যে বাংলাদেশী মেয়েরাও রয়েছে। আমার মতো বিশ্বের লক্ষ লক্ষ মানুষ হয়তো সে সব ছবি দেখছে এবং ডাউনলোডও করছে। আমার দেশের নারী সৈনিকের ছবি যদি বিদেশী কোন ওয়েবসাইটে থাকতে পারে...তবে দেশীয় একটি ব্লগে স্থান পেলে দোষ কি ! তাছাড়া আপনি ‘ফিমেল সোলজার’ লিখে যে কেন সার্চ-ইন্জিনে সার্চ দিয়ে দেখুননা, কতো ওয়েবসাইটের নাম চলে আসে। আর সেগুলোতে বিশ্বের অন্যান্য দেশের পাশাপাশি বাংলাদেশী নারী সৈনিকদেরও আপনি খুঁজে পাবেন...।
সৈনিক তো সৈনিক-ই, সেইটা পুরুষ হোক বা নারী। 'নারী' সৈনিকদের ছবি নিয়ে পোস্টের মর্তবা বুঝলাম না। তারা কি 'ইসপিশাল' কিংবা অন্যরকম কোন প্রানী?
অবশ্যই ব্যাপারটা 'স্পেশাল'। অন্তত আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক পেক্ষাপটে। যেখানে নারী ঘরে বাহিরে অবহেলিত, বন্চিত, নির্যাতিত, সেখানে নারীর ব্যতিক্রমী কীর্তিগাথা প্রচার করাটা কোন ধরনের পাপ? ব্যাপারটাকে এতো বাঁকা চোখে দেখছেন কেন !
অবশ্যই ব্যাপারটা 'স্পেশাল'। অন্তত আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক পেক্ষাপটে। যেখানে নারী ঘরে বাহিরে অবহেলিত, বন্চিত, নির্যাতিত, সেখানে নারীর ব্যতিক্রমী কীর্তিগাথা প্রচার করাটা কোন ধরনের পাপ? ব্যাপারটাকে এতো বাঁকা চোখে দেখছেন কেন !
বাঁকা চোখে দেখিনাই তো! ব্যাপারটা হল, নারী সৈনিক-ও আমাদেরকে 'ব্লাডি সিভিলিয়ান'-ই মনে করবে, নারী পুলিশ-ও গিয়ে বুট দিয়ে গার্মেন্টস ওয়ার্কারকে লাথি-ই মারবে। নারী বলিয়াই সে অবহেলিত, বঞ্চিত, নির্যাতিত = মহান এই ধারনা থেকে একটু বের হয়ে আসার প্রয়োজন বোধহয়।
আরেকটা ব্যাপার হল, নারীদের যদি সাধারন মানুষ হিসাবে ভাবি, তাহলেই বৈষম্যটা আর থাকেনা। নারীর কোন এ্যাচিভমেন্টকে আমার স্পেশাল লাগেনা, মনে হয় এইটাই হবার কথা, এটাই স্বাভাবিক। নারীর সাফল্য নিয়ে এত উচ্ছ্বাসটাতে আসলে 'একটি আপাত দূর্বল মানুষ অভাবনীয় একটা কিছু করে দেখিয়েছে' এই উচ্ছ্বাসটাই প্রকট হয়ে ওঠে বলে আমার মনে হয়। সেইখানে ধরেই নেয়া হয় নারী দূর্বল, আর এইখানটাতেই আমার আপত্তি।
নাম নাই'র সঙ্গে অত্যন্ত শক্তভাবে একমত। অতিথি'কে স্বনামে কমেন্ট করার অনুরোধ করছি। এতে কি বলতে চাচ্ছেন বুঝতে এবং জবাব দিতে সহজ হয়।
কেন নারী ব্যপারটা অবশ্যই 'স্পেশাল'? লিঙ্গভেদ আর শারীরিক কাঠামোগত ভিন্নতার কারণে?
ভাই এটা খুবই সেকেলে চিন্তা এবং যতই এটার ওপর দেশের দুর্বল আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটের প্রলেপ দেয়ার চেষ্টা করেন না কেন, মানা সম্ভব নয়।
এই কথাটা যদি বুঝতে না পারি তাহলে আমার সঙ্গে ঐ প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না পেয়ে দা-দিয়ে-পা-কেটে-আনা-সন্ত্রাসীর পার্থক্য কি থাকলো?
মীর, নারী ব্যাপারটা নয়, নারী ইস্যুটাই 'স্পেশাল' এবং অস্বাভাবিক। আপনি চিন্তা-ভাবনায় যত আধুনিকই হোননা কেন, লিঙ্গ বৈষম্যের ব্যাপারটি আপনি অস্বীকার করতে পারবেননা। এই দেশে এখনো নারীকে তার অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করতে হচ্ছে, কারণ এই সমাজ এখনো পুরুষতান্ত্রিক। এখনো এইদেশে ঘটা করে নারীদিবস পালন করা হয়, নারী অধিকার সম্বন্ধে সচেতনতা তৈরী করার জন্য। আপনি মানুন আর নাই মানুন, এটাই বাস্তবতা...। ধন্যবাদ আপনাকে।
ধন্যবাদ সদয় মতামতে জন্য।
নারী ইস্যূটা আসলেই 'স্পেশাল'। কারণ নারীকে আমরা প্রথমে একটা ইস্যূ বানিয়েছি, এরপরে সেটার ওপর ইমপোজ করেছি স্পেশালিটি। পোড়কপালওয়ালা পুরুষ মাইনষের কি আর অত সৌভাগ্য হইসে বলেন? নারীকে ইস্যূ বলেন বা ব্যপার বলেন, সবই স্পেশাল। অস্বীকার কেমনে করি?
তবে একটা কথা কি, পুরুষ মাইনষের কপালে অত সৌভাগ্য জোটে নি, এতে কিন্তু ওরা ভালোই আছে। তো নারী জাতিরও অতো সৌভাগ্য দরকার ছিলো না। খালি যদি ইস্যূ, ব্যপার, স্পেশালিটি -এইসব টার্মের আড়ালে ওরা যে মানুষ এই বিষয়টি চাপা না পইড়া যাইতো তাইলেই মনে হয় এত টেনশন নেয়া লাগতো না।
কি কন?
পোড়কপালওয়ালা=ভুল।
'পোড়-খাওয়া-কপাল-ওয়ালা' হবে।
মীর , বাদ দেন সিরিয়াস কথাবার্তা, ব্যাপারটা একটু হালকা কইরা কই...জগৎ-সংসারে নারীর কর্তৃত্ব কি আসলে কম ! দেশ চালাইতেছে নারী, সংসার চালাইতেছে নারী ।শেখ হাসিনার কথাই ধরেন,উনিতো দিন দিন বাংলাদেশের 'লৌহমানবী' হইয়া যাইতেছেন। আমার সংসারের চাবি এবং কর্তৃত্ব -দুইটাই আমার প্রিয় নারীর হাতে...(প্রিয় না কইলে অসুবিধা আছে)। নিজের ঘরে নিজেরেই মাঝে মাঝে মেহমান মনে হয়। আমার ভুমিকা কেবল রোজগার করা আর বাজার করা । শুধু আমার ক্ষেত্রে না, ঘরে ঘরে এখন নারী রাজত্ব । বিশ্বাস না হইলে উদরাজীরে জিগাইতে পারেন...।
নাম নাই,
আপনার মন্তব্যের এই অংশের সঙ্গে আমি সম্পুর্ণ একমত। কিন্তু এই স্বাভাবিক ব্যাপারটা কি ঘটছে বাংলাদেশে ? যদি ঘটতো, তবে নারীর অধিকার বা সমাধিকারের প্রশ্নই উঠতো না। আমাদের সমাজে নারীর অবস্থান পশ্চাৎপদ-এটা রূঢ় বাস্তবতা। এখনো নারীকে তার প্রাপ্য মর্যাদা আর অধিকার আদায়ের জন্য ঘরে-বাহিরে যুদ্ধ করতে হচ্ছে...। এই যুদ্ধে যারা জয়ী হচ্ছে, নিজেদের প্রাপ্য মর্যাদা এবং অধিকার যারা অর্জন করতে পারছে, তাদের এইএ্যাচিভমেন্টকে দৃষ্টান্ত হিসাবে অন্যদের সামনে তুলে ধরাটা নিশ্চয়ই দোষের কিছু নয়।ভালো থাকবেন।
ঈশান, বাংলাদেশে যদি নারীর অধিকার আদায় করতে হয় তাহলে প্রথমে, "নারীর অধিকার" কথাটা তুলে মানুষের অধিকার কথাটা বলতে হবে। বাসের নারী সিট তুলে দিতে হবে, নারী মার্কা পোষ্ট বন্ধ করতে হবে, পত্রিকায় মেয়েদের পাতা বন্ধ করে দিতে হবে। সর্বোপরি মেয়েরা করছে এধরনের চিন্তা, মেয়ে পুরুষ সবারই বন্ধ করে দিতে হবে আর মানুষে করেছে ভাবার চেষ্টা করতে হবে।
মেয়ের অধিকার কথাটা বলেই যে মেয়েদের ওপর কতোবড় ব্যরিকেড দেন অনেকে সেটা ওনারা নিজেরাই জানেন না।
ধন্যবাদ আপনাকে।
আমি আপনার সংগে সম্পুর্ণ একমত তানবীরা। তবে নারীকে নারী না ভেবে মানুষ জ্ঞান করার মতো শিক্ষিত আমাদের সমাজ এখনো হয়ে উঠেনি, যদি হতো তবে ঈভ-টিজিং'র ব্যাপারটা একেবারেই ঘটতো না । অবশ্য শিক্ষার অভাবই শুধু নয়, মানসিকতায়ও প্রবলেম আছে, অনেক শিক্ষিত লোকের মধ্যেও ঈভ-টিজিং'এর প্রবণতা দেখা যায়। তাই আপনার মতামত অনুযায়ী বাসের 'নারী সিট' তুলে দিলে এই সমাজে নারীরা চলা-ফেরাই মুশকিল হয়ে যাবে...। হাঁ নারী অধিকার নয়, আসলে সর্বক্ষেত্রে মানবাধিকারই জরুরী । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মতামত দোয়ার জন্য ।
নারীর অবস্থান আমাদের সমাজে পশ্চাদপদ না, দুনিয়া জোড়াই পশ্চাদপদ..তো এখন এইটার কারণ হলো পুরুষতান্ত্রিকতা, যেইটা আপনি-ই বললেন। এখন সেইজন্য নারীকে স্পেশাল স্পিসিস বানায়ে তাকে 'উৎসাহ' 'উদ্দীপনা' দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আমি আপনি কে? উৎসাহ উদ্দীপনা দেয় কারা? যে নিজেকে বেটার মনে করে। তাই তার সমান যারা হতে পেরেছে, তাদেরকে দৃষ্টান্ত হিসাবে দেখিয়ে বাকিদের উত্সাহ দেয়া। পুরা প্রক্রিয়াটাই কি পুরুষতান্ত্রিক না, যেইটাই নাকি আবার এই বৈষম্যের কারণ? একটা মানুষের দৃষ্টান্ত আরেকটা মানুষ-ই হতে পারে। একটা 'মেয়ে' একটা 'পুরুষ'কে দৃষ্টান্ত হিসাবে নিলে কোনো সমস্যা তো নাই। মেয়েদের দৃষ্টান্ত মেয়েদেরই কেন হতে হবে, মেয়েরাও মানুষ প্রজাতির অংশ, অন্য কোনো প্রজাতি তো না। তানবীরা আমার কথাটাই বলে দিয়েছেন অনেকটা। নারী দিবস, নারী অধিকার, নারীর সাফল্য ইত্যাদি ইত্যাদি নারীকে আরো বেশি নারী-ই করে তোলে। এক মুহুর্তের জন্যেও ভুলতে দেয়না তুমি নারী, তুমি কিন্তু অবহেলিত, নির্যাতিত ব্লা ব্লা ব্লা, যেটার বদৌলতে আমাদের মনে নারী মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন আরেকটা জীব হয়ে ওঠে, বিপন্ন আর বিভ্রান্ত। নারীকে সাধারন একটা মানুষ বলে ভাবা দরকার, তাহলেই আর বৈষম্যের জায়গা থাকেনা।
বানান ভুল লিখলাম দেখি...'পশ্চাৎপদ' হবে (গুগল ট্রান্সলিটারেশনের দোষ, আমার না
)।
নাম নাই, আপনার সব বক্তব্যের সংগে আমি একমত হতে না পারলেও আপনার দৃষ্টিভঙ্গীকে আমি অ্যাপ্রিসিয়েট করছি।এ ব্যাপারে আপনি যে গভীর চিন্তাভাবনা ধারণ করেন ,আমাদের সমাজে অনেক শিক্ষিত নারীও ব্যাপারটা এভাবে চিন্তা করেনা, যদি করতো, তবে নারীঅধিকার বা সম-অধিকারের দাবী নিয়ে নারী সংগঠনগুলো তথা নারী নেত্রীরা মাঠ গরম করতেননা ।বাংলাদেশে এনজিও বাজীর অন্যতম হাতিয়ার হলো নারী। এদেশে যতো এনজিও আছে, আমার ধারণা -তার অর্ধেকই নারীকেন্দ্রীক। তাহলে এনজিও গুলো কি নারীপ্রগতি,নারী অধিকারের কথা বলে নারীকে সেকেলে ধারণার বেড়াজালে আটকে রাখছে নিজেদের স্বার্থেই ! এব্যপারে আপনি কি বলবেন? আমি যেটা বুঝি এদেশের বাস্তবতায় নারী নিজেই নিজকে নারী মনে করে, এবং সে তার আধিকার নিয়ে সেভাবেই চিন্তা করে, পুরুষ তাদের এই নারীতান্ত্রিক চিন্তাধারার সুযোগ নেয় মাত্র।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
নারী এগিয়ে যাক দূর্বার গতিতে। জয় নারী জাতির জয়
সৈন্য হউক আর পুলিশ হউক, আমগো দেশের মাইয়াগোরে ঠিকই মানায়।
চিটাগাঙ ক্যান্টনমেন্টে দুইজন মেজর পদবীর নারী দেখছিলাম। দেখতে তেমনই লাগছিলো। যেন আগুন দিয়া তৈরী দুইজনে।
আমার আসলে বাংলাদেশী নারী সৈনিকদের দেখে গর্ব হয়। গ্ল্যামারের উৎকট প্রদর্শনী নেই। ১০০% প্রফেশনাল। ধন্যবাদ জুলিয়ান সিদ্দিকী ।
আমার আসলে বাংলাদেশী নারী সৈনিকদের দেখে গর্ব হয়। গ্ল্যামারের উৎকট প্রদর্শনী নেই। ১০০% প্রফেশনাল। ধন্যবাদ জুলিয়ান।
চুপচাপ দেখে গেলাম।
তোমাকে চুপচাপ একটি ধন্যবাদ দিলাম।
মন্তব্য করুন