কৌশিক আহমেদ'এর ব্লগ
২০৩৬ - এ ব্লগ স্টোরি
হঠাৎ ডান হাতে চাপ বোধ হলো। কোনভাবে দূর করতে পারছি না। মনে হলো নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। মাংসের মধ্যে কিছু একটা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। চাকা চাকা পিন্ড জোট পাকাচ্ছে। ভয় পেয়ে গেলাম, প্যারালাইজড হয়ে যাচ্ছি না তো!
মাউস ধরতে গিয়ে বিপত্তি। একমাত্র নাতিটা এ নিয়ে বেশ কথা শোনায়। “এখনও তুমি মাউস ব্যবহার করো? কবে যে একটু আধুনিক হবে! সেই পুরানো ওয়েবে পড়ে আছো ত্রিশ বছর যাবত!” কিন্তু মেমরী স্ক্রিনে তেমন সুবিধা পাই না। মাউস, কীবোর্ড চেপে এখনও শান্তি মেলে। হাতের ভেতরে জোট পাকানো ক্লাস্টার গুলো আলগা হলো। মাংস আর রক্তের মধ্যে স্বাভাবিক ত্বরণ শুরু হয়েছে।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -৭
কিছু ভাবার না পেয়ে বা ভাবতে গিয়ে আটকে গিয়ে বৃক্ষ গুনতে শুরু করলাম। নদীর বুক চিড়ে দৌড়ে যাবার তাড়া নেই ভাসমান যানের, কেউ একজন গিয়ে বলে এসেছে ক্যাপ্টেনকে ধীরে চলতে। বড় নদী ছেড়ে সুন্দরবনের ভেতর থেকে প্রবাহিত শাখা নদীতে। দিবস-সায়াহ্নে নির্জনতা প্রখর হয়ে ওঠে। অভূতপূর্ব গুঞ্জন আছড়ে পড়লো - দিবসের কোলাহল তাড়িয়ে। সূর্যালোকের কিরণ সশব্দ বিচ্ছুরিত হয়, আর আঁধারের থাকে কোমল শব্দমালা। হরিদ্রা বর্ণের কোঠরে সবুজাভ সংমিশ্রণ যেন দূর্দান্ত ক্যানভাস তৈরী করেছিলো। এক, দুই থেকে হাজার ছাড়িয়েও ক্লান্তিহীন গণনা চলছিলো আমার।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -৬
ঘোরতর বিতর্ক আছে ডায়েরীর অডিয়েন্স নিয়ে। আমাদের নিপাট প্রচারবিমুখ সংস্কৃতি বলে নয়, বিশ্বে গত দশক পর্যন্ত ডায়েরীর সাথে ব্যক্তিগত শব্দটির অর্থপূর্ণ সংযোগ ছিলো। একান্তও যুক্ত হতো যার সাথে গোপনীয়তার একটা প্রকাশ্য অবস্থান ছিলো। প্রচলিত এই মতকে আমার ভাওতাবাজি মনে হয়। ব্যক্তির উন্মুখ প্রচারণার পরিশীলিত কৌশল ছাড়া ডায়েরীর আর কোনো উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। ডায়েরীকারকরা নিজের জন্য এত পরিশ্রমী হবেন কেনো, বরঞ্চ কোড-ডিকোডই যথোপযুক্ত হতো; ভাষায়-গঠন ও প্রকরণে অন্যের পাঠ্য-যোগিতা করার কোনো মানে হয় না। যখন ডায়েরী লিখতাম তখন মাথার মধ্যে থাকতো বিশেষ কেউ - নির্মাণ করতাম চেতন-অবচেতনে তার চোখে যেভাবে দেখতে চাই নিজেকে। প্রতিজন ডায়েরী-পরিচালক তার অনির্ণীত অথচ মূল্যবান পাঠকের চোখে নিজের বিনির্মাণ সম্পন্ন করেন। ফলে আমি একসময় ডায়েরী লেখা বাদ দিলাম। সুন্দরবন ভ্রমণের বছর দুয়েক আগে।
ভার্চুয়াল পরাধীনতার শেকলে বন্দী
কাগজে পেন্সিলে আঁকিবুকি মুছে যাওয়া দুস্কর। একমাত্র ঝড়ো বাতাসে উড়িয়ে না নিলে ভার্চুয়াল পোস্টগুলোর মত 'নাই' হয়ে যেতে পারে না। ভার্চুয়াল মানুষগুলো যেমন মুহূর্তে স্টাটাস পাল্টে দিতে পারে, ওভাররাইট হলেও পেন্সিল দাগের পেছনেরটা অস্পষ্ট থেকে যায়, ডিলিটের মত স্পষ্ট নিষ্ঠুরতা নয়।
এমন একটা ভার্চুয়াল পৃষ্ঠার কয়েক ছত্র রিক্যাপচার আমার মুছে গেলো - মুহূর্তের জন্য শোকাচ্ছন্ন হলাম। যা শব্দপৃষ্ঠে অঙ্কিত হয় অলংকরণের কষ্টকে আড়াল করে, তার জন্য পাঠকের আহাজারি থাকে না, নির্মিত সৌন্দর্যের অবগাহনে তিনি যুক্ত হন। কেবল শ্রমিকের বুকে লেগে থাকা খেদ অপর্যাপ্ত সহানুভূতিতে বিক্ষুব্ধ হয়।
আমার হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তের পুনর্জাগরণ পুনরায় হারিয়ে গেলো। ভার্চুয়াল পরাধীনতার শেকলে বন্দী হলো। ভার্চুয়াল অভ্যস্ততা স্বস্তিকর - তবে শোকাবহ প্রতিঘাতে মৃত শব্দদের বিদেহী সমাধিতে গেঁথেও রইলাম।
রিক্যাপচারিং পাস্ট-৫
'রিভার ক্রুজ' শুনতে মাদকতাময় লাগে। চোখের সামনে ভেসে ওঠে সূর্যধোঁয়া বিকেল যখন একটা হালকা আবরণ ঝুলতে থাকে। নদীটার নাম মনে নেই। সামনে বিশাল বঙ্গোপসাগর - এক তীরে বরগুনা এবং অন্য তীরে পাথরঘাটা, দূরে সুন্দরবনের হালকা বনানী, সমতটের পরে দীঘল ছায়া, আঁধারে - রক্তিমাভায় এক অদ্ভুত বিনুনি। মনে হচ্ছে আকাশের গায়ে লেপ্টে থাকা শুভ্রগুল্ফ নদীর ঢেউয়ে আছড়ে পড়বে। সেবার যখন জীবনের একমাত্র সুন্দরবন যাত্রার জাহাজটির ছাদে লেপ্টে রইলাম ধার করা বাইনোকুলার নিয়ে, আমার কেবল চিৎকার নয়, গলা ফাটিয়ে বলতে ইচ্ছে করলো - জেক্কুসসসসসস গিলিম গিলিম গিলিম। কি এর মানে জানি না, ইচ্ছেমত বাতাসের নীরবতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছিলাম।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -৪
হতে পারে বরিশাল থেকে খুলনা আমরা স্টিমারেই যাইনি। গিয়েছি অন্যভাবে। বাসে। সে সময়ের বাস ছিল লক্করঝক্কর, মিনিবাস টাইপ নয়। শৈশবে কোনো ক্ষুদ্রকায় বাস দেখা স্মরণে নেই। বিশাল একটা বাহন, অসংখ্য আসন, প্রচন্ড ঝাঁকুনি আর বেজায় ভিড় মনে পড়ে। সামনে বাম দিকে লাগানো লম্বা সিটে মায়ের পাশে বসার স্মৃতিও আছে। তবে কোন ট্রিপে বলা মুশকিল। ৮২ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে আমাদের সেই অভ্যন্তরীণ অভিবাসন সম্পন্ন হয়েছিলো কিনা সেটাও মুখ থুবড়ে পড়ছে স্মরণে। বিচ্ছিন্ন কিছু স্মৃতির সাথে গণিতের মাপ ঝোপে মাসটা চিহ্নিত করছি বটে, কিন্তু একে খনন বলে না, রীতিমত ধোলাই।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -৩
তো কথা হলো বরিশাল থেকে স্টিমারে চড়ে খুলনা গিয়েছিলাম এবং এই আনন্দদায়ক ঘটনাটা আমার বিস্মৃতিতে থাকবে সেটা হতে পারে না। যেভাবে হোক, নদী খুড়ে বা স্টিমার খুড়ে হলেও স্মৃতি প্রকোষ্ঠে জমা করতে হবে। মনে থাকার প্রক্রিয়াটা বেশ জটিল, কোন থিউরি কাজে লাগে না। একসময় মনে হতো যা হৃদয়ে দাগ কেটে যায় তাই কেবল মনে থাকে। আমার বিজ্ঞ ও আতেলায়িত পরিচিতকরা 'মনে কি থাকে' আর 'কি থাকে না' প্রসঙ্গে কোন একটা বিষয়ের সাথে ব্যক্তির ঘনিষ্ঠতম যোগাযোগের সম্বন্ধ আছে বলে ব্যাখ্যা করেছেন। কিন্তু এর কোনো কাঠামো নেই, নিদিষ্ট ধরণ বুঝতে আমি অক্ষম। স্টিমারের দুটো বিশালকায় চাকা দেখে বিস্ময়াভিভূত আমার মুহূর্তটা না হয় বুঝলাম দাগ কেটে থাকার মত, কিন্তু এর চেয়ে ঠুনকো বিষয়ওতো মনে থাকে। আর পুরা স্টিমার যাত্রাটাই বেমালুম ভুলে যাবো তা হতে পারে না এবং হতে দেয়া যাবে না।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -২
মনে কেনো পড়বে না! পড়তেই হবে। একাশি সালের ঘটনাও মনে আছে। এরও আগে কোথায় ছিলাম সেসবেরও কিছু কিছু মনে আছে। কিন্তু এমন মনে পড়ায় চলবে না। আমার চাই প্রতিটা দিনক্ষণের হিসাব। চব্বিশ ঘন্টার হিসাব। ষাট মিনিটের হিসাব। সেকেন্ডের হিসাব না হলেও চলবে। থাক..মিনিটের হিসাবেরও দরকার নেই।
ক্লাস থ্রিতে যে স্কুলটাতে ভর্তি হলাম সেটা বিশেষ পছন্দ হয়েছিলো। সরকারী প্রাইমারী স্কুলের বেহাল দশার থেকে সেটা হয়তো উন্নতর ছিলো। অবশ্য এটা এখন মনে হতেই পারে। এর তিনবছর পরে সে স্কুল যখন ছাড়লাম - আর কখনই যাওয়া হয়নি, অথচ বড় হতে হতে দেখলাম চারদিকে কেবল রঙহীন প্রাইমারী স্কুলের ছড়াছড়ি। সম্ভবত এর আগের স্কুলটার তুলনায় সবুজ, সুন্দর আর খোলামাঠের হওয়ায় ভালো লেগে গেছিলো।
রিক্যাপচারিং পাস্ট -১
ফিরে যাবার চেষ্টা করছি অতীতে। যত অতীতে যাওয়া যায়। একদম দিনক্ষণ, মুহূর্তের পুনর্জাগরণ ঘটাতে প্রানান্তকর ঘেটে যাচ্ছি। যেমন কিছু স্মৃতি আমার মাথা থেকে বিলকুল হারিয়ে গেছে।
এই যেমন বরিশাল থেকে একবার আমরা খুলনা গেলাম স্টিমারে। প্রথম। সেই সালটা কত ছিলো? মনে নেই। মনে করার চেষ্টা করতে গিয়ে দুটো সাল মাথায় এলো, ১৯৮২/১৯৮৩। এর ভেতর থেকে সঠিক সালটা বেছে নিতে হলে আরো একটু মাথা ঘামাতে হবে।
জিভের যখন খিদে পায়
এই সমস্ত অঙ্গন জুরে যত আমার জিভেরা
উদরপূর্তিতে এবং হৃদয়মুর্তিতে আলগোছে বেড়ে ওঠে
গ্লাসোভিত শৃঙ্গারের চোয়াল আর লম্বা ভুরুর জোয়াল বেয়ে
ততই অভুক্ত কথকের চড়াস্বর আমার বিসম্বাদ লাগে
এর চেয়ে উনুনে-অঙ্গারে অর্ধসিদ্ধ জিভের তলে বাতিল মাংস
দুয়েকটা নোনতা চুমুর চেয়ে অনেক দুরন্ত স্যালিভায় জোটে
হুটহাট বালখিল্য অভ্যর্থনায় দু-পেগ কড়কড়ে রামের দু-ঠোঁটে
মিহি চিকনাই গন্ধের সাথে টনিকের টোটা হৃদয়ের মগজ খোলে
সড়কে মড়কে নরকে সোজাসাপ্টা গন্তব্যের বিবস্ত্র ইংগিতে
দু'পা থেকে দৌড়ানো ইঞ্জিন ফেলে একেবারে উলঙ্গ খিদেয়
জিভেদের এবার শাসন বারণ তপস্যান্তে মেটানো ক্ষুধায়
তোমার বহিস্থ সকল অঙ্গ থেকে মশলাই কাবাব কেটে খায়
'ইমপসিবলের চেয়েও অধিক ইমপসিবল হলো আনইমপসিবল'
যেমন আমি লিখতাম বা লিখতে পারতাম আজ সকালের নৈয়মিক দিনাচার নিয়ে। দুটি বালিকা সামনের সিটে বসে বিস্তর বকবক করেই যাচ্ছিলো। টুইটারের মনযোগ থেকে বাধ্য হলাম তাদের খুনসুটি শুনতে। সাধারণত সহযাত্রীদের কানের দূরত্ব মেপে চাপা গলায় যেমন মানুষ ফিসফিস করে - সেসব নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে আগেই। মাইক্রোবাস ভর্তি মানুষ এখন মনযোগী অডিয়েন্স।
একজন বললো, মা'কে দারোয়ান বানিয়ে রেখেছি সাড়ে ৬টা থেকে। গাড়ী আসলেই যেনো আমাকে ডাক দেয়! সকাল থেকে মেজাজ গরম!
অন্যজন হাসলো খিলখিলিয়ে। আমি তো এলার্মেও উঠি না। মা আমাকে সেই ছোটবেলা থেকে সকালে উঠিয়ে দেয়, ইস আরেকটু ঘুমাতে পারতাম যদি!
ব্লাস্টিং নিউক্লিয়ার
আমাদের তেত্রিশ ঘন্টা এবং চুয়ান্ন সেকেন্ডের
বিস্তারিত ইতিহাস মোটামুটি এমন
সান্নিধ্যে যেতে ঐ ঘন্টা কতেক লেগেছিলো এবং চূর্ণ হতে সেকেন্ড
যখন কণ্ঠ থেকে সেতারের তার খুলে গেলো
আর টিভিতে হাজির বিপদ সংকেত
বাহান্ন হাজার মানুষ খালি করে দিলো সমুদ্র সৈকত
আর এ পাড়ার গলিতে উড়ানো দুটো ঢাউস বেলুন
বিদীর্ণ আওয়াজে ফেটে গেলো!
তখনও সড়কে অজস্র হেডলাইট - নিকষ রাতের পায়ে
লম্বা ছায়ার ভেতরে বিদেহী ভূতেরা জলজ্যান্ত হাসে
সাতটা শলাকায় আগুণ জ্বালিয়ে হাতের সিগারেট পুড়ে
তোমার গলাকায় টাটকা আচড়ে ছাই দেয়া ভর্তূকি
আমার কণ্ঠে নামে!
তোমাকে ভালোবাসার থেকে মুক্তি চাই
দেখলেই যেমন বিটকেলে পরমাণুভূতি
ঠায় দাড়িয়ে থাকতে অশ্রাব্য গোঙানি শুনি
ব্যাকবেঞ্চিতে যাবতীয় ধীমান
আমার পুরুষ জঙ্ঘাতে প্রথম প্রেমিক পুরুষ!
যার সকল মুখস্থ দেহাবশেষ কেবল ধূসর বনলতা
আরাধ্য অঞ্জলী দিয়ে ফেসবুকের চিত্রে চিত্রে ট্যাগন
দুচারটে অভিমানী ফোড়ন পীড়নের পরে
পুরুষের দুই স্তনের মাঝে প্রেমাংশুর নখের আচড়!
আমার পুরুষ প্রেমিক এবার আমাকে পুরুষ করো
দেহস্থ ভাজের মাঝে হৃদয়ের অবোধনামায়
আমাদের উত্তররমনীদের বিস্ফোরিত উরু থেকে
জন্ম দাও এক যৌন-রাজনীতির আনকোরা পুরুষ!
খৃষ্টপর দুই সেঞ্চুরী
খৃষ্টপর দুই সেঞ্চুরির সিঁধেল অন্ধকারে
নায়কেরা কেমন বদ বখত হয়ে গেলো
আলোকালো আর কালোআলো তারকা থেকে
উৎক্ষেপণ যন্ত্রে চেপে নেমে এলো মাই ফুটে!
পানির বদলে গ্লাস ভেঙে খাই অটুট তৃষ্ণা মুখে
চাদরের হাতলে পিলোবন্দি ঘুরি রাতের দূর্বাঘাসে
যেখানে পতন তারও তলে গভীর খাদের বাঁকে
এক চুমুক অধর গিলে - আবার নায়ক হয়ে ফেরে!
আস্তিনে মোছা সফল গোঁফের সতেজ সফেদ ডাটা
কেবল চালান করে দিচ্ছি হেঁসেলের প্রয়োজন ভেবে
আরো কিছু পরে যদি কোনো গোয়েন্দা তল্লাশী চলে
দেখিয়ে দেবো সুয়ারেজের ছিপিটা কিভাবে খোলে!
প্রতিটা মানুষ রিসিপশনিষ্ট হয়ে গেছে
তোমাকে একটা ফোন করতে চাই
যখন 'গুডমর্নিং' জানাবে না
'গুডইভিনিং' অথবা 'হ্যালো', 'হাই' এবং 'কি ব্যাপার' ফেলে
স্রেফ একজন মানুষের মত আর্তনাদ করবে,
সালা - ফোন করার সময় হলো এতদিন পরে?
আমাদের রিসিপশনিস্টের প্রেমে প্রতিটা আগন্তুক
ভাবে তার প্রেমে মেয়েটা মশগুল
যদি সে বলে - 'দেখিনা কতদিন', 'কেমন ছিলেন'
মনে হয় যেনো তারই অপেক্ষায় ছিলো দিন গুনে
আমাদের কণ্ঠস্বর বেঁচে নেই আর ফোনে
রেকর্ডারের মত বেজে যায় আর কেউ দ্যাখে না ফিরে!