অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন জন অতিথি অনলাইন

অভাগা স্টুডেন্ট ব্যাচ।

কথায় আছে অভাগা যেদিকে তাকায় , সাগর ও শুকায়। আর আমাদের স্টুডেন্ট ব্যাচ তাকানোর আগেই শুকনা সাগর দেখে আসছে সেই প্রথম শ্রেনী থেকে। কি আর বলবো সেই কষ্টের কথা।

ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হলাম , কোন সরকারী বই পাইনাই । ক্লাস টু তে উঠার পর শুনি শুধু ক্লাস ওয়ানে ফ্রী সরকারী বই দেয়া হবে। এইভাবে থ্রী তে উঠার পর শুনি টু পর্যন্ত ফ্রী বই দেবে, ফোর এ উঠার পর শুনি থ্রী পর্যন্ত সরকারী বই দিবে।

গরমছত্র

বাড়িতে কারেন্ট নাই
কী করিবো তাই,
শইল ঠাণ্ডা করতে আমি
বাথরুমেতে যাই

কল খুলি পানি নাই
কারবালা প্রান্তর
হায় হাসিনা হায় হাসিনা
করে ওঠে অন্তর

ভাবি বুঝি ঠাণ্ডা হওয়ার
নাই কোনো উপায়
বিষে বিষক্ষয়, আরো
গরম হইতে মঞ্চায়

রাস্তায় নামি আমি
'হট' বালিকা দেখতে
মুসলমান বালিকার দল
ঢাকে মুখ বোরখাতে।

Sad

ভারতীয় ছবি আমদানী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বিষয়ক জটিলতা

সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ছবি আমদানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ি এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিলো ১৯৬৫ সালে। তার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল।

পড়া'নের গহীন ভিতর

মাঝখানে পড়ার অভ্যাসটা একদম কমে গিয়েছিলো। পারতপক্ষে পড়তাম না। খুব অন্তর্জালা ছিলো।

আজাইরা

আকাশ মেঘে ঢাকা
চারিদিক ফাঁকা
শূণ্যতার মাঝে একা
পড়ে রয়েছি আমি

..............................................।

মায়াবতী কইন্যা রে তোর
মেঘবরণ কেশ
আউলা চুল না খুইল্যা
বাইন্ধা রাখরে বেশ।

মিটিমিটি হাসিরে তোর
চোখে দেখি খুশি
পরান আমার ভইরা উঠে
দেইখা তোর ঐ হাসি।

............................................

হাতের কিছু কষ্ট ছিলো
পায়ের কিছু কষ্ট
কষ্টগুলো দেখলো কেবল
মনের ভাষা নষ্ট।

ডাইরী ৯০

..............................................................................
..............................................................................
..............................................................................
..............................................................................
..............................................................................

বাংলাদেশের বর্তমান নারী এবং সামাজিক অবক্ষয়!

কেসলারের ল’অব কোয়েন্সিডেন্ট বলে একটি কথা আছে। এই ল’ যা বলতে চায় তা হলো, পৃথিবীতে কোন একটি জায়গায় একই ঘটনা হঠাৎ করে বার বার ঘটতে থাকে। এই ল’কে অনেকে বলেন, দিস ইজ রেয়ার ল’ অব কোয়েন্সিডেন্ট। অর্থাৎ এই ল’ সচরাচর ঘটতে দেখা যায় না।

দুঃখিত..

দুঃখিত ব্লগিং আর জার্নালিজম একই ব্যাপার নয়। তাই লেখালেখির এখানেই ইতি।

হাবিজাবি পোস্ট (কি লিখতে কি লিখি)

১)
গত দুইদিন ঝিরঝির বৃষ্টি ছিলো; গতকাল রাতে ঘুমোনোর সময় ভাবলাম আগামীকাল(আজ) খিচুরী রান্না করবো, আজ সকাল থেকে আর বৃষ্টি ছিলো না, কড়া রোদ ছিলোনা তবে মেঘলাও ছিলোনা, বাদ দিলাম খিচুরী রাঁধলাম ভাত, সন্ধে থেকে শুরু বৃষ্টির।
বৃষ্টি আমার সাথে সৃষ্টি ছাড়া আচরণ প্রায়সই করে। আমি বিছানার চাদর বালিশের কাভারের মতন বড় বড় জিনিস ধুলে রৌদ্রজ্জ্বল আকাশ থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে যায়।

২)

আমাদের দিনবদলের গল্প-দুই

আরেকটা দিন বদলের ঘটনা ঘটেছে। বলা যায় দিনবদলের প্রতিযোগিতা। এবং অবশ্যই অশুভ। সে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অথবা সম্ভাব্য সুবিধাভূগী না হওয়ার পরও তার ছোঁয়া লেগেছে আমার, আমার প্রতিবেশীদের জীবনে। মানে আমাদেরও দিন বদল ঘটেছে। কিছুটা।

শেষ পোস্ট :)

পহেলা বৈশাখে একটি ই-পুস্তক প্রকাশিত হবে 'আমরা বন্ধু' থেকে।
বিষয়: 'স্মৃতির পহেলা বৈশাখ' যেই বিষয়ে লোকেনদা আপনাদের বেশ কয়েক বার অবগত করেছেন।

আজ লেখা পাঠানোর শেষ দিন... লোকেনদা ইলেক্ট্রিসিটির জটিলতায় কম্পুউটারে বসার সুযোগ পাচ্ছেন্না। তাই মনে করিয়ে দেয়ার জন্য পোস্ট দিলাম।

স্বপ্ন উড়াই স্বপ্ন পোড়াই

স্বপ্ন উড়াই স্বপ্ন পোড়াই
থাকলো বাকি কি
আমার হাতের আয়নাতে আজ
তোমায় দেখেছি

.....................................................

আকাশে উঁকি দিয়ে কালো পথিবীর দিকে তাকিয়ে আছে সাদা চাঁদ
ধবধবে সাদা জ্যোৎস্নায় চারিদিক আলোকময়
কিন্তু একি? সাদা চাদের গায়ে ওগুলো কিসের দাগ
ছোপছোপ কালো দাগগুলো কিসের,
ওগুলো কি চাদের কলংক?
না শুভ্র চাদের গায়ে কলংক দিতে হয় না
ওগুলো চাদের টুকরো টুকরো কষ্টগুলো

দুই পংক্তির লঘু পয়ার

এক.
ভাটিবাসী মেয়ে তুমি উজানেতে যাও
ঐখানে বিষধর সাপের নিবাস।

দুই.
নিয়মিত শ্বাস ফেলে অনিয়মে বাঁচি
ঘুম চোখে ঘুম ভুলে একেছি স্বপন।

তিন.
ফেরার সময় হলে জানি ফিরেছে সবাই
ঘরের মেঝেতে বাজে পায়ের আওয়াজ।

চার.
বহুদিন পথ ভুলে গিয়েছি সেথায়
পথ চিনে যেতে হলে ভুলেছি শপথ।

পাঁচ.
অপরাধে অপরাধী নিজেকে জেনেছি
জেনেছি এমন হলে মাথা নত হয়।

বাঙালি মুসলমানের সাংস্কৃতিক টানাপোড়ন

ধর্ম এর সংস্কৃতি এই দু'য়ের মাঝখানে প্যাচে পইড়া বাঙালী মুসলিম আজ দ্বিধা বিভক্ত। আর চামে একদিকে ধর্মান্ধ আর জামাতীরা অন্যদিকে ধর্ম উন্নাসিক আর তথাকথিত বাঙালী সংস্কৃতির ধারকরা এই প্যাচটারে আরও ল্যাজে গোবরে কইরা ফেলছে।

১। বাঙালী মুসলিম তাই নিজের পোলামাইয়াগো আরবী/বাংলা নাম কেউ বুইঝা রাখে কেউ না বুইঝা রাখে। ২।কেউ সংস্কৃতি বুইঝা করে কেউ না বুইঝা করে।

একটা আলোচনা: বাঙালি মুসলমানের বিজাতীয় নাম

গতকাল বন্ধু ফোন করলে কথায় কথায় জিজ্ঞাস করলাম ছেলের নাম কী রেখেছে। একটা আরবি নাম বলল আর ডাক নাম আরাব। আমি বললাম একেবারে সৌদি আরব ই রাখতি। এই বিষয়ে আমি মনে হয় একটু বেশি জাতীয়তাবাদি। বাঙালি মুসলমান এমনে বাংলা নিয়া জান কোরবান করে ফেলে। কিন্তু নাম রাখার বিষয়ে জাতিগত অহম মোটেও কাজ করেনা। সেই সময় জাতীয়তা ফেলে ধর্মীয় পরিচয়টাই তার কাছে আসল। সোমালিয়া, ইয়েমেন, সৌদি নাম থেকে তারে আলাদা করা যায় না।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ