আমাদের দিনবদলের গল্প-এক
কিছু দিন দেশে ছিলাম না। মাত্র দশ দিন। এর মধ্যে দেখি অনেক কিছু বদলে গেছে। বাসার অদূরে যে চওড়া রাস্তাটি ছিল সেটি বদল হয়ে, তার মোটাতাজা শরীরটা কমে গিয়ে বেশ স্লীম হয়ে গেছে। কর্পোরেট দুনিয়ায় বাজারী সৌন্দর্য্যরে বিকিকিনি চলে। ওখানে স্লীম ফিগারের অনেক কদর। কিন্তুু রাস্তার সৌন্দর্যতো এ রকম সূচকে নির্ধারিত হয় না বলেই জানি। বরং এ মহানগরীর রাস্তাগুলো পর্যাপ্ত চওড়া নয় বলে আমরা আফসোস করি। যানজটে প্রতিদিন নষ্
পরামর্শ প্রয়োজন-জরুরী
.
.
.
.
.
একটা ছোট্ট পাখি আমার টেবিলে ঘুমাচ্ছে। পাখিটা আমার অফিসের সিঁড়ি ঘরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাকে মাথায় পানি দেয়ার পর মাঝে মাঝে চোখ মেলে তাকাচ্ছে। আবহাওয়া কতোটা খারাপ বুঝতে পারছি। অনেক বছর আগে এরকমই এক গরমে একটা অসুস্থ্য পাখিকে সুস্থ্য করে আকাশে উড়িয়ে দিয়েছিলাম। আশা করছি এই পাখিটাকেও সুস্থ্য করতে পারবো।
আপনাদের কোন পরামর্শ থাকলে জানান।
বন্ধুদের আড্ডা কাল বিকালে
১৭, মার্চ সাঈদ ভাই এর বাসায় জমেছিলো বন্ধুদের মিলন মেলা। আড্ডা, খাওয়া, আড্ডা। সকাল থেকে রাত। সাঈদ ভাই কে আমরা আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ দেইনি। কারণ ধন্যবাদ দিলে বুঝানো যাবে না, ভালোলাগা, ভালোবাসা। আমরা এই ব্লগের মানুষগুলো এক পরিবারের সদস্য। এই ব্লগ আমাদের ভালোবাসা, ভালাবাসায় জড়িয়ে থাকে সবাই সবাইকে। কতদিন হয়ে গেলো সবার সাথে দেখা হয় না!
আজগুবি ছড়া
গুঁড়ে চিনি দুধে দধি ঘোলে মাখন মেখে
একটুখানি দেখুন চেখে কী ভয়ানক স্বাদ
ঘোড়ার উপর বসুন চেপে কিংবা হাতির পিঠে
এরপরে দিন পদ্মা পাড়ি ডিঙ্গিতে পাল তুলে
শীতের রাতে গোসল করুন পুকুরজলে নেবে
উদোম গায়ে শুয়ে ঘরে দিন এসিটা ছেড়ে
বালু দিয়ে ঘর বানালে পাবেন বালির ঘর
কলাগাছের তক্তা দিয়ে খাট বানাবেন তবে
বইপুস্তক পড়তে গেলে চাপ বেড়ে যায় ব্রেনে
এরচে ভালো বইগুলো সব খান গুলিয়ে জলে
গ্রীক পুরাণের সৃষ্টি পর্ব - ২
টাইটানদের সাথে যুদ্ধ জয় করার পর দেবরাজ জিউস প্রমিথিউস ও তার ভাই এপিমেথিয়াস কে দায়িত্ব দেয় পৃথিবীর জন্য নশ্বর জীব তৈরি করার এবং সেজন্য বিভিন্ন উপকরণ দেবতার তরফ থেকে দেয়াহয় প্রমিথিউস ও এপিমেথিয়াস কে। কিন্তু এপিমেথিয়াস দেবতাদের দেয়া উপহার শেষ করে ফেলে মানুষ সৃষ্টির আগে সৃষ্টি করা জীবদের দিয়ে দিয়ে,মানুষ সৃষ্টি করার সময় কোন স্বর্গীয় উপহার ই অবশিষ্ট ছিলো না। ধারালো নখ, দাত, খোলস, প্রখর দৃষ্টি শক্তি, ঘ্র
ডাইরী ৮৯
এক.
নিজেরে আরশোলা ভেবে স্বস্তি পেতে চাইলেও কখনো ভালোবাসি নাই আরশোলারে। যূগ যূগ ধরে তাহাদের জানিয়াছি স্মৃতিময়, আবর্জনাময়। মেঝেময় তারা চড়ে বেড়ালে, আমিও তক্কে তক্কে থেকেছি, সুযোগ পেলেই পিষে ফেলেছি তাহারে...
আজ যখন আরশোলা গেছে তোমার দরজায়...আমি ভয়ে শিউরে উঠেছি!
দুই.
খুলনার খাবার দাবার
আমি মানুষটা খাদক টাইপের। আমি খেতে ভালোবাসি। কোথাও গেলে কি কিনবো আর কি খাবো আমার প্রথম চিন্তা হয়ে দাড়ায়। আমি থাকি খুলনাতে। তো এখানে কোথায় সুস্বাদু খাবার পাওয়া যায় তার একটা বর্ননা দেয়ার খায়েশ হইলো। যারা কখনো খুলনা বেড়াতে আসবেন তারাও উপকার পাবেন আশাকরি। যদি ব্লগে খুলনায় অবস্হানকারী কেউ থাকেন তাইলে খুলনায় মজাদার খাবারের সন্ধান জানলে আওয়াজ দিবেন।
ওহে নর! ভাবিয়া চিন্তিয়া মর!
ভদ্র মানবসমাজে মহিলা নির্যাতনের নানা কথা শোনা যায়, পেপারে আসে, টিভিতে দেখায়। কঠোর কঠোর আইন হৈছে এইরাম নির্যাতন রোধে। একসময় হয়তো নির্যাতন বন্ধই হয়্যা যাইবো। সেইদিন কি আমরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারুম? নারীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবো কিন্তু পুরুষরা পারবো না, কারন....
প্রসঙ্গ : নির্মল সেনের চিকিৎসা (আপডেট : ৭ এপ্রিল, ২০১০)
শুরুটা অনেক আগেই। আমি ল্যাবএইডের সাথে জড়িয়েছি ২০০৪ সালের শেষের দিকে। ২০০৭ সাল থেকে ল্যাবএইডের তরফ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রায় বিনামূল্যে চিকিৎস সেবা দেয়া শুরু হয়। প্রায় বললাম এজন্য যে, হার্টের বাইপাস সার্জারি করার প্যাকেজ হচ্ছে- ২ লাখ টাকার সামান্য বেশি। এর মধ্যে শুধু ওষুধ খরচই লাগে ৫০ হাজার টাকার উপরে। অনেক ক’জন মুক্তিযোদ্ধার বাইপাস সার্জারি করা হয়েছে এখানে, যারা সাকুল্যে ২০ থেকে ৪০ হাজার ট
শেখার কুনো শ্যাষ নাই, সব বয়সে শেখন যায়
আমি শিখতে এয়েছি, বয়স যদিও ত্রিশ পার হয়্যা চল্লিশের দিকে ধাবমান। তাই পুরান পরিচয় বাদ দিয়ে....নতুন পরিচয়ে আইলাম...।
লেখুম কম, পড়ুম বেশী।....।
ভালু থাকেন সবাই। দেখা হপে......
নক্ষত্র গজব
ভিনগ্রহবাসীর আক্রমনে ঘুমটা ভেঙ্গে গেল।
একটি ফ্যাসিবাদি উত্তরাধুনিক গল্পের খসড়া : মোহর যখন বাইক্য
অনেকদিন পরে শেকসপীয়র পার্কে এসেছেন। কিং রুফু পার্কের একটি হেলানো বেঞ্চিতে বসে আছেন। ঠাণ্ডাও কমে এসেছে। চারিদিকে সামার সামার ভাব। গাছে গাছে কুড়ি উঁকি দিচ্ছে। একজন স্প্যানিস গায়ক দীর্ঘ ওকগাছের নিচে দাঁড়িয়ে গান গাইছে। বিরহ সঙ্গীত। ছোট একটি গোলাকার সিডি প্লেয়ারে গানটির মিউজিক ট্রাক বাজছে। আর গীটারে টুং টাং তুলে হা করে গাইছে--
আমার থাকত যদি সোনার পাহাড়
তোমায় গড়ে দিতাম নাকের ফুল
ও—ও—ও—
ডাইরী ৮৮
এক.
ঘুমের অষুধ খেয়ে যখন অপেক্ষা মেলেছি এবার...তখনি আঁধার এলো। ভেড়াগুলো নামলো সবুজ মাঠে। আমি গুনতে ভুলে গেছি এই বেলা।
দুই.
তুমি যদি গুনে দিতে অন্ধকার আকাশের নিভু নিভু তারা সমূহরে...আমি একে একে সংখ্যা গুলিরে নিতাম শিখে। এমন দুরাশা একেছি মননে...
তিন.
মামণিয়া
আজ পরীক্ষা ছিল। সারা বছর ফাঁকিবাজি। পরীক্ষার দু'দিন আগে তাই চোখে ঘুম নেই। তার উপর এই পরীক্ষা হল ব্যবসায় শিক্ষা সম্পর্কিত। গণিত সংশ্লিষ্ট হওয়া উচিত, গণিতের দেখা নেই, আছে কেবল মুখস্থ বিদ্যার চর্চা। যে যত মুখস্থ করতে পারবে, তারই জয়জয়কার। মুখস্থ করে গামলা ভর্তি কর, পরীক্ষা হলে গিয়ে সেটা উপুর করে ঢেলে দিয়ে আসো। গামলায় ফুটো, তো তোমার মাথায় বারি!