ডাইরী ৭৯
এক.
কেবল সুখের স্মৃতি সমূহেই তবে আমরা মনযোগ দেই। আহা মৃত মানুষ, তোমার মানবিক অস্তিত্ব নিয়েছে কেড়ে...সামাজিক নিয়ম কানুন এমনি নচ্ছার। মানুষ মরলে পরে তার দায় তবে কার ঘাড়ে চাপে? মৃত মানুষেরে যদি পবিত্র বেড়ার আড়ালেই সমাহিত করি তবে কইলাম এইবেলা,
হেইল হিটলার!
দুই.
যাইত্যাছি যাইত্যাছি কই যাইত্যাছি জানিনা
এই নামে আবু হাসান শাহরিয়ার (কবির নাম ভুলও হইতে পারে) এর একটা প্রবন্ধের বই আছে। প্রবন্ধগুলান আমি পড়িনাই। তবে নাম দেইখা মনে হইলো প্রবন্ধগুলাতে লেখক হয়তো জীবনের গূঢ় রহস্য ভেদ করবার একখান চেষ্টা করছেন। আমি জীবনের গূঢ় রহস্যের খেতা পুড়ি। যদিও আমারও ঐ নামের মতোই অবস্হা।
যাইত্যাছি যাইত্যাছি কই যাইত্যাছি জানিনা।
শিশুদের অবক্ষয়
এই লেখাটা শিশুদের নিয়ে হলেও আঠারোর নিচে যাদের বয়স, তাদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হলো।
স্মৃতি হয়ে শুধু আছি ছবি হয়ে রয়ে গেছি
অনেকদিন ধরে লেখালেখি বন্ধ, নানা কারণ আর অকারণে। আজ কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে কিন্তু অভ্যাস চলে যাওয়াতে কোথা থেকে শুরু করব ঠিক বুঝতে পারছি না কিংবা ভাবনাগুলোকে ঠিক গোছাতে পারছি না। অথচ অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে। মনটা বিক্ষিপ্ত থাকলে, লেখার খাতায় আঁকিবুকি মনটাকে অনেকটাই শান্ত করে আনে। লেখালেখি আমার জন্য অনেকটা প্রার্থনার কাজ করে অনেক সময়। ছোটবেলার কথা মনে পড়ছে সারাটাদিন ধরে। প্রচন্ড ব্যস্ততার জন্যই হয়ত
নিউ ইয়র্কের কবিতা : পাঁচটি পুরনো কবিতা
জার্নাল: ঘুমপার্ক থেকে
চড়ুই পাখিটা এসেছিল
আমি ঘুমিয়ে পড়ার আগে
রোদ্দুরকে দেখেছিলাম আমার গলা অবধি
একটা উমের চাদর বিছিয়ে দিয়েছে,
দূর থেকে কানে ভেসে আসছিল-
কে যেন সাদা পুকুরের উপর রিনি ঝিনি করে
পা মেলাচ্ছে, বাজছে খয়েরি ভায়োলিন
আর ফুটে উঠছে আস্ত লাল লাল পদ্ম
সেই সুর আমি আজও মনে করতে পারি
মনে করতে পারি দুচোখে ঘুম জড়িয়ে আসছে
একটি বার্চ গাছ তার খোলস বদলে দাড়িয়ে রয়েছে
শুভ জন্মদিন মাসুম ভাই
লিখেছি আর মুছেছি, গুছিয়ে লিখতে আর পারছি না। আবার কিছু লেখার লোভও সামলাতে পারছি না। জন্মদিনটা আমার কাছে সবসময়ই মনে হয় বিশেষ একটি দিন। আমরা প্রতিমূহুর্তই খুব কাছের বন্ধু, খুব কাছের মানুষদের জন্য শুভকামনা করি, ভালোবাসি, অনুভবে ছুঁয়ে থাকি। তারপরও বিশেষ কোন দিনে আমরা বন্ধুর, কাছের মানুষের সামনে ভালোবাসা, শুভেচ্ছা, শুভকামনা, শ্রদ্ধা জড়ো করি।
কত রঙ্গ দেখি দুনিয়ায় ----- [হীরক রাজার দেশে]

'ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে' এই কথা আবারো প্রমান করিবার জন্য অদ্য গানের পোস্ট দাখিল করিলাম।
Wordpress এর জন্য বাংলা সাহায্য চাই
খুব শখ ছিল নিজের একটা বাংলা ব্লগ করার। সেই শখ পুরন করার জন্য ডোমেইন কিনলাম, wordpress install করলাম কিন্তু একি!!! Wordpress বাংলা support করে না!! এটাতো জানতাম না। এখন কি করি? আমার এত সাধের বাংলা ব্লগ! আপনাদের কারো জানা আছে wordpress এ কেমনে বাংলা ব্যাবহার করতে হয়? আমাকে একটু হেল্পান প্লিজ।
১৯৭১ : অস্পষ্ট স্মৃতি থেকে
স্বাধীনতা যুদ্ধের দিনগুলোর কথা আমার স্পষ্ট মনে পড়ে না। কষ্ট করে স্মৃতি
রোমন্থন করতে গেলে মুছে যাওয়া কিছু স্মৃতি অত্যন্ত অস্পষ্টভাবে মানসপর্দায়
ধরা পড়ে।
কবে কখন কোথায় কিভাবে এবং কেন, আনুষ্ঠানিকভাবে কিংবা অতর্কিতে, যুদ্ধ শুরু
হয়েছিল পরে ইতিহাস পড়ে জানতে পেরেছি। কিন্তু সেদিন জানতে পারি নি, কারণ
জানার মত জ্ঞান এবং বোঝার ক্ষমতা তখনও আমার হয় নি। কেননা, তখনও আমি চালতে
ডাইরী ৭৮
এক.
কিছু স্বাধীনতা আসলেই পরাধীনতার মতো।
কিছু মুক্তি আসলে অনাকাঙ্খার বেশে আসে।
কিছু সময় নিজেরে আঁধার ঘরে
বন্দি ভাবতে ভালো লাগে।
কিছু অর্গল ভাঙার ইচ্ছা কখনো জাগে নাই।
দুই.
দেয়ালময় শ্যাওলা আর মেঝেময় জল। তবু আমি ঘরের ভেতর ভাসি আর ভাসিয়েছি কাগজের নৌকা। জানালার গরাদগুলো সুর্যালোকে ভেসে গেলে কিছু আলো আসে...আলোদেরো সাধ জেগেছে স্বাধীনতার স্রোতে ভাসবার।
আজ জন্মদিন তোমার তাই শুভেচ্ছা........
আজ স্বাধীনতা দিবস। ২৬ শে মার্চ। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার দিন। বাংলাদেশ স্বাধীন করতে যারা যুদ্ধ করেছেন, শহীদ হয়েছেন, প্রেরণা যুগিয়েছেন সকলকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।বীর শহীদদের সালাম।
আমাদের ছবির হাট...
ছবির হাট হৈলো আমগো আড্ডার জায়গা। এইখানে আমরা দিনের বেলা যার যার কাম শেষ কৈরা আড্ডা দেই। চা-বিড়ি খাই। এই আড্ডার নির্দিষ্ট কোনো বিষয় নাই। চারুকলার ঠিক উল্টাদিকে মোল্লার দোকান সংলগ্ন আমগো ছবির হাট। এখানে আমরা যারা আড্ডা দেই তাগো মইধ্যে- চারুশিল্পী, সাংবাদিক, চাকুরে, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ছাত্র, শিক্ষক, বেকার, বিবাহিত, অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত, চিরকুমারসহ সব ধরনের পোলাপাইন আছে।
২৫ মার্চ রাতে হত্যাযজ্ঞের শিকার নিরীহ মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধা
একসাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা । ২৫মার্চের কালোরাতে বাঙালির খুনে বাংলার পথ রঞ্জিত হবার সূচনা । সে রাতে হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়েছিল অগুণতি নিরীহ মানুষ । মানুষ হত্যা করেছিল পশুরা । পশুদের দোসররা এখনও দম্ভভরে বাংলামায়ের বুকে পাথরের পা নিয়ে হেঁটে বেড়ায় । এই মুহূর্তে এরচে' বড়ো লজ্জার আর কিছু নেই ।
২৫ মার্চ রাতে বেতারে টিক্কা খান
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকার রাস্তায় নেমে যায় পাকবাহিনী। মেতে ওঠে পৃথিবীর ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য এবং পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডে।
আর এই হত্যাকাণ্ড পরিচালনা করে কুখ্যাত টিক্কা খান।
টিক্কা খান নামক এই জানোয়ারটা পাকি সৈন্যদের রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে বেতার মারফত তাণ্ডবলীলা পরিচালনা করে। সেই বেতার কথোপকথন কয়েকজন দুঃসাহসী বাঙ্গালী রেকর্ড করে নেন।
তাগাদা পোস্ট: বর্ষবরণ ই-পুস্তক "রঙিলা বৈশাখ"
একটা পোস্ট ছিলো...
http://www.amrabondhu.com/lokenbosh/728
বৈশাখের ই-পুস্তক বিষয়ে।
আবার মনে করিয়ে দিতে এলাম। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে আমরা বন্ধু প্রকাশ করবে একটি সম্পূর্ণ রঙিন ই-পুস্তক। যাদের মনে এখনো রঙ বিদ্যমান, যারা এখনো বিবর্ণ হয়ে যাননি, তারা দ্রুত লিখে ফেলুন।
এবারের বিষয়: "স্মৃতির পহেলা বৈশাখ"