ডাইরী ৬০
এক.
অন্তর্জাল কিম্বা আন্তঃজাল যা'ই বলা হোক, সেই জালে আটকা পড়েছি আমরা সকল জলজ পরান। পথভ্রান্ত হয়ে জানি না চলেছি কোনখানে, ভুলেছি কোথায় গন্তব্য রয়েছে...বাস্তব জগতের পরাধীনতা থেকে এই জালের স্বাধীনতায় বিশ্বাস বেড়েছে তবু। আহা জাল সে যে ঘিরে আছে অদৃশ্যমানতা নিয়ে।
চৈতন্যের ছায়া-প্রচ্ছায়া
একটু বুঝতে শেখার পর থেকেই আবিষ্কার করি মনের মধ্যে চরম অবাধ্য আর ঘাউড়া এক কাঠ ঠোকরার বসবাস। হের কোন কাম নাই, কাজ নাই, খালি সময়ে-অসময়ে আজাইরা সব বিষয় নিয়া ঠোকরাইতে থাকে। হেরে দানা-পানি দিলেও ঠাণ্ডা হয়না,
ভদ্রলোক বিষয়ক মহান বাণী চিরন্তনী। অনুৎসর্গ: টুটুল ভাই ;)
মাসুম ভাই আমারে উৎসর্গ কইরা কী এক পোস্ট দিলো, তার পরে আবার একটা দিলো ভদ্রলোক মুকুল।
একটা ভদ্রলোকীয় স্মৃতিকথা (উৎসর্গ: মাসুম্ভাই)
তখন ইন্টারমেডিয়েট ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। এখন যেমন, তখনো তেমন ভদ্রলোক ছিলাম। বন্ধুগো লগে রাইতের বেলা হাঁস কিম্বা ছাগু চুরি কৈরা রাইতে রাইতে রাইন্ধা খাওনের মত আকাম কখনো করি নাই। মাঝে মইধ্যে বন্ধুগো লগে শেয়ারে অল্পসল্প বিড়ি টানি। বদ অভ্যাস বলতে এই একটাই।
সহজ গেসবল: জাপানী বিয়ের উপহার
বাংলাদেশে আমরা বিয়ের দাওয়াত পেলে খুশী হই; বেশী ভাববাদী লোক হলে হয়তো অনুষ্ঠানের দিন সকাল থেকেই নানাবিধ তেল-চর্বিসমৃদ্ধ খাবারের কল্পনা করতে করতে "এটা খাবো, ওটাও খাবো" জাতীয় সুখস্বপ্নে বিভোর হই; আবার একটু বেশী বাস্তববাদী হলে স্বপ্ন-টপ্নের চেয়ে সেদিন সকাল থেকেই আহারকার্যে একধরনের অনীহা প্রদর্শনপূর্বক রাতের জন্য পাকস্থলী মশায়কে প্রস্তুত করার কাজে উঠেপড়ে লাগি। না, অত তাড়াতাড়ি
ছায়াবাতি
ঘন জারুলের বনে মুগ্ধ কুয়াশায়
প্রস্তরিত মায়া এসে নিতান্ত অবুঝ জালে
ছায়াদের গতিবিধি বেঁধে দিয়ে যায়।
শিকারী পাখিও আজ যাপিত রাতের তীরে
অলৌকিক আলেয়ার বিভ্রান্তি উৎসুক।
আলো কি চোখের ভুল, দেখেছো আলো?
হিমানী উদাস মাঘে নির্বিরোধী তানপুরা
সুরে বাঁধে আলোহীন সন্ধ্যার বন।
যাবে বুঝি পতিত পাতার দেশে, সেই সুখে
আঞ্চলিকতা বা অঞ্চল বিষয়ক কথকতা
হলে না থাকার সুবাদে আমাদের বন্ধু সোহাগকে প্রায়ই আজিমপুর থেকে মিরপুরগামী বাসে চড়তে হত ।প্রতিদিনই সে আশা করত কোন ত্বন্বী রমণী ভুবনমোহিনী হাসি হেসে তার পাশের আসনটিতে বসবে ,কিন্তু তার বদনের বেহাল হকিকতের কারণেই হোক ,বা অন্য কোন কারণেই হোক ,তার সে আশা প্রায়ই হত গুড়ে বালি । যাক ,বলছিলাম সোহাগের কথা ।একদিন তার সাথে মিরপুর লিংকে সহযাত্রী হল একজন বুড়োমত লোক ।সোহাগ বেশ মিশুক ,একেবারে আনকোরা মানুষজনের
ভেতর-বাহির (অষ্টম পর্ব)
একুশে গ্রন্থমেলা , আমার প্রাণের মেলা। অথচ কত বিরহ, শেষ দিন দেখা হলো না তারে চোখ মেলে। এসবই আমার বিবাহ জনিত ব্যস্ততার ফল।
ডাইরী ৫৯
Life is elsewhere...
এক.
হয়তো সত্যিই জীবন অন্যত্র রয়েছে। আলসেমিতে কখনো খুঁজি নাই অন্যত্রে যাওয়ার পথ বরং ভেবেছি নিজের চারপাশে তুমুল আন্দোলনে একদিন পাল্টে যাবে সব, এইখানেই পেয়ে যাবো জীবনের দিশা। তবু দেখি অন্যত্রের পথ অন্বেষণে চলেছে অনেকেই...
বয়ে চলা জীবন কাব্যের পান্ডুলিপি ...২
মাঝে মাঝে কোন কিছুই ভালো লাগেনা - রোগে ধরে। কিছুই ভালো লাগেনা তখন, ব্লগিং, আড্ডা, এমনকি অফিসও। সেই সময়টা কারো সাথে সাথে দেখা করিনা, আড্ডা দেইনা , অফিস জোর করে যাই, অফিসে গিয়েও প্রয়োজন না পড়লে কারো সাথে কথা বলিনা। নিজের ভিতরেই নিজে লুকাই।
নিজের ছায়ার সাথে খেলি।



