অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৩ জন অতিথি অনলাইন

আমার কাছে দেশ মানে এক লোকের পাশে অন্য লোক

ঠিক যেখানে দিনের শুরু...ঠিক যেখানে দিনের শুরু অন্ধ  কালো রাত্রি শেষ
মন  যতদূর চাইছে যেতে ঠিক  ততদূর আমার দেশ
ঠিক যেখানে দিনের শুরু অন্ধ  কালো রাত্রি শেষ
মন  যতদূর চাইছে যেতে ঠিক  ততদূর আমার দেশ

ডাইরী ৫৬

পাহাড় জ্বলছে আগুনে,
মানুষ পুড়ছে আগুনে।
ধিক! বাঙালি, ধিক!

এক.

রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (দুই)

এইবার পরিকল্পনা ছিলো রাঙ্গামাটি জেলার প্রত্যন্ত কিছু থানায় যামু। আগে মাইন্যামুখ পর্যন্ত যাওনের অভিজ্ঞতা থেইকা জানি প্রকৃতির ধারেকাছে থাকা মানুষেরা সংগ্রামী হয়। এইবার আরেকটু দূরে মারিশ্যায় যাওনের খায়েশ তৈরী হইছিলো একবন্ধুর বর্ণনা শুইনা। হ্রদের পাড়ে নাকি গুচ্ছগ্রামের শহর গইড়া উঠনের প্রক্রিয়ায় আছে বেশ কয়েক বছর ধইরাই। কিন্তু বিধিবাম...পর্যটন মোটেলে পৌছাইয়া দেখি কর্মকর্তা-কর্মচারী সব নিরাশার চেহারা নিয়

অদ্ভুত ছেলেটি

ব্যস্ত শহরের একটি ব্যস্ত রাস্তা। তাতে ছুটে চলছে আরো ব্যস্ত লোকজন। কারো সময় নেই কারো দিকে তাকানোর। মাথার ওপরের চৈত্রের গনগনে রোদ্দুর অফিসগামী মানুষদের পিঠে জ্বালা ধরাচ্ছে অফিসে বসের তীর্যক মন্তব্যের মতো। বিশাল অজগরের মতো রাস্তাটিতে মানুষজন আর গাড়িঘোড়া ছুটে চলেছে আপন ছন্দে, স্থির গতিতে।

শুধু ছেলেটি দাঁড়িয়ে আছে ঠিক রাস্তার মাঝখানে।

কী হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামে?

পার্বত্য চট্টগ্রাম পরিস্থিতি ক্রমশ আরো বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। বাঘাইহাটে হত্যা, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগের পর খাগড়াছড়িতে শুরু হয় তাণ্ডব। কিন্তু কোনো নিশ্চিত খবর পাওয়া যাচ্ছিলো না। গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছিলো। শোনা যাচ্ছে দুজনের মৃত্যুর খবরও। তার মধ্যে একজন বাঙ্গালী, একজন মারমা।
তবে কোনো খবরই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

জনপদের দাবানল যদি গদিতে ছড়িয়ে যায়...

বাঘাইছড়ি জ্বলছে । জ্বলছে খাগড়াছড়ি । সেখানকার প্রকৃত ঘটনা জানা যাচ্ছেনা  । তবে, গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়া হচ্ছে  । গ্রামগুলো পাহাড়ীদের  । পাহাড়ীরা ভিন গ্রহের প্রাণী না । এদেশেরই বাসিন্দা  । সংখ্যালঘু বলে আজ তারা নির্যাতিত । গৃহহীন  । ভয়াবহ সব অভিযোগ আসছে  । আতকে উঠার মতো । সেইসব অভিযোগ সত্যি হলে, মাটির কাছে আমাদের মাথানত হবার যথেষ্ট কারণ আছে ।

জীবিত বা মৃত ব্যক্তির সাথে কোনো মিল নাই কিন্তু

১.

আলফ্রেড হিচকক মশাই জীবনে একটাই কমেডি বানাইছিলেন। ১৯৪১ সালে মুক্তি পায় মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ। কঠিন ভালবাসা দুই জনের মধ্যে। একদিন তারা আবিস্কার করলো তিন বছর আগে তারা যে বিবাহ করেছিলেন, সেইটা বিধিমত হয় নাই। নতুন কইরা যখন বিবাহের কথা উঠলো, বাইকা বসলো মিসেস স্মিথ। সে নাকি কোনো অবস্থাতেই এই ছেলেরে আরেকবার বিয়া করবো না।
সিনেমাটা দেইখা একটু ভাবিত হইলাম। মনে মনে চিন্তা করলাম, আমারে যদি এখন কেউ কয় নিজের বউরেই কি আবার বিয়া করবা? তাইলে আমার উত্তর কি হইবো?

২.

খেলা (গল্প)

বিরামহীনভাবে একটার পর একটা এসএমএস এসেই যাচ্ছে।

-রাগ করেছো?
-অনেক রাগ? অনেক অনেক রাগ? অনেক অনেক অনেক রাগ?
-রিপ্লাই দেবে না?
-কথা বলবে না?
-একটুও না?
-যদি আদর করি?
-যদি অনেক অনেক অনেক আদর করি?

বেহিসেবি ভাবনার এলোমেলো কথা

নিজের  এবং চারপাশের মানুষজনের জন্ম আসলে এক চমৎকার দুর্ঘটনা। এই শ্বাপদসংকুল পৃথিবীতে অনেক আগেই আমার কোন পূর্বপুরুষ মারা‌‌ ‌যেতে পারতো।আমার বাবার আমার মায়ের সাথে বিয়ে না হয়ে অন্যকারো বিয়ে হতে পারতো এবং আরো অনেক কিছু হতে পারতো তাহলে তো আর জন্মানো হোতোনা। জন্মনিয়ন্ত্রণ আরো ২০০ বছর আগে সহজলভ্য হলে হয়তো রবীন্দ্রনাথের জন্মানো হোতো না। এই কুড়িয়ে পাওয়া জীবন নিয়

কিছু সেটআপ গেমসের গেটআপ কথাবার্তা

সৃষ্টির আদিকাল থেকে মানুষ জীবিকার সন্ধানে এদিক সেদিক ছুটছেন যার যার সামর্থ্য আর যোগ্যতানুযায়ী। কেউ মুন্সীগঞ্জের লঞ্চে ওঠে সদরঘাট নামে আর কেউ কুর্মিটোলার প্লেনে ওঠে ভিন দেশে নামে। যার যার যোগ্যতানুযায়ী তাকে অনেক ধরনের ট্যারা ব্যাঁকা প্রশ্নের মাধ্যমে ঝাঝড়া হয়ে, তীক্ষন এক্সরে মার্কা দৃষ্টির সামনে ফালা ফালা হয়ে তার গন্তব্যের টেবলে পৌঁছতে হয়। এরমধ্যে অনেক প্রশ্নই থাকে নেহাত গৎবাঁধা আর বেহুদা। প্রশ্নকর্

রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (এক)

(এই লেখাটা পুরানা। তবু এর প্রাসঙ্গিকতা আমার নিজের কাছে তৈরী থাকে আজীবন। অনিশ্চয়তার ভ্রমণপ্রিয় আমি আজীবন হয়তো মনে রাখবো এই ভ্রমণাভিজ্ঞতা...আজীবন মনে রাখবো বিজয় কেতন চাঙমার সান্নিধ্য, আর তাই পছন্দের পাঠকদের জন্য আবারো তুলে দেই বহু বছরের পুরানা মদ। মদ পুরানা হইলে কদর বাড়ে। এই লেখার কদর আপনাদের কাছে কিরম হইবো তা জানার প্রত্যাশায় থাকলাম...)

শহীদ মিনারে কর্পোরেট তাণ্ডব, ৭টি বকুল বৃক্ষ ও ৭ দফা দাবী

২১ ফেব্রুয়ারি বহুল প্রচারিত এবং গ্রামীণ ফোন ও প্রথম আলোর যৌথ পরিবেশনায় 'দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট' এর ন্যাক্কারজনক ঘটনা প্রত্যক্ষ করতে হলো আমাদের। এতোটা বীভৎস! এতোটা নারকীয়! এও সম্ভব!
জানি না মানসিকভাবে অসুস্থ কারও পক্ষেও একাজ করা সম্ভব কী না? লজ্জা আর ঘৃণার সর্বোচ্চ প্রকাশও এর পক্ষে যথেষ্ঠ নয়।

দুই দশ ১

“মামণি, মামণি”।

ভাষাভিত্তিক জাতি আর ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বা বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু ভাবনা...

১.

একটি 'দুনিয়া ক্রাপানো গ্রথম আলো' পরিবেশনা


২১ ফেব্রুয়ারি আমাগো আছিলো 'ভাষা শহীদ দিবস', বিশ্ববাসীর আছিলো 'ইন্টারন্যাশনাল মাদার ল্যাঙ্গুয়েজ ডে' আর গ্রথম আলোর [গ্রামীণ ফোন+প্রথম আলো] আছিলো 'দুনিয়া কাঁপানো ৩০ মিনিট'।

ভাষা আন্দোলনের সুবিস্তৃত পটভূমিরে ইতিহাস তাগো চক্ষু থিকা উধাও, তাদের চোখে খালি ভাসলো ৩০ মিনিট। ছোটলোকে বড় কিছু দেখবো কেমনে?

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ