ইউজার লগইন
ব্লগ
আমার মনে হয় ডারউইন মানসিক চাপের কারণে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন- পল বিটানি।
ডারউইনের অরিজিন অব স্পিসিস বইটার জগতময় আলোড়ন আজো থামেনি। একজন গবেষক হিসাবে না। একজন মানুষ হিসাবে ডারউইনরে যে পরিমাণ মানসিক সংকট আর শারীরিক দূরাবস্থা কাটাইতে হইছে তার ইতিহাস কেউ মনে রাখে না। নিজের বড়ো মেয়েক হারিয়ে, অনেক সংগ্রাম আর প্রতীক্ষার পরো মেয়েটাকে বাঁচাতে না পেরে, ঈশ্বর মানতো না যে ডারউইন সে-ই কি না মেয়ের সুস্থ্য হবার কামনায় চার্চে গিয়া মেয়ের জন্য প্রার্থণা করে। এসকল ঘটনা আসলে মানবিক
আমি কাউরে না করতে পারিনা
পুরা গ্রাম জুড়ে ছিছি, ঢিঢি, রিরি পড়ে গেলো। গ্রামের অতি উৎসাহী মুরুব্বিরা ইয়াং ছেলেপুলেদের উস্কে দিলো। এভাবে চলতে পারেনা। গ্রামের একটা ইজ্জত আছে না ? ঠিক, তাইতো ! যুবকেরা চিৎকার করে উঠে। এইসব অনাচার গ্রামে চলতে দেয়া যাবে না। এর একটা বিহিত করতেই হবে। সিদ্ধান্ত হলো, শুক্কুরবার বাদ আছর বিচার বসবে। বিচার হবে চেয়ারম্যানের বাড়িতে। গ্রামের ছোট বড়, ছেলে-বুড়ো সবাই এল সেই বিচার শুনতে।
বিচার করবে কে ?
দাড়িওয়ালা খেয়ে ধায়, গোঁফওয়ালা লটকে যায়
যে বয়সে ছেলেরা বালিকাদের কাছ থেকে একটু মনোযোগের আশায় জিন্সের তালি দেয়া প্যান্টের সাথে উল্টা সেলাই করা টিশার্ট পরে থুতনির গোড়ায় এক চিমটে দাড়ি নিয়ে রাস্তার মোড়ে কিংবা বালিকা স্কুলের গেটের অদূরে অপেক্ষমান থাকে, সেই বয়সে আমার এক বন্ধু রীতিমত কামেলত্ব অর্জন করেছিল বালিকা বান্ধবী সংগ্রহে। তার নেটওয়ার্ক ছিল সমগ্র বাংলাদেশ ৫ টনের মতো।
সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়- এর "পালামৌ"
যেকোন ভ্রমনকাহিনীতে একটা জায়গা সম্পর্কে লেখকের অভিজ্ঞতা, এলাকার মানুষজন, পারিপার্শ্বিকতার সাথে তার একাত্নতার কথা থাকে লেখাটা জুড়ে। তেমনি ভেবেই সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ‘পালামৌ’ পড়া শুরু করলাম। ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট হিসেবে বিজন বন এলাকা ‘পালামৌ’এ লেখককে যেতে হয়। পাহাড়ী ঐ এলাকায় একাকীত্বের বসবাস দুঃসহ মনে হওয়ায় যদিও তিনি ফিরে আসেন ওখান থেকে কিন্তু খারাপ লাগাটার পরিবর্তে আশপাশ ঘেরা সৌন্দর্যতাই এসেছে তার লেখায়। গল্পটা তিনি লিখেছেন পালামৌ ছেড়ে আসার অনেক পরে, তাই খানিকটা স্মৃতিতর্পন জাতীয় লেখা।
ভ্রমণকাহিনীগুলো অধিক ক্ষেত্রেই হয় দিনলিপি বা বর্ণনা টাইপ। কিন্তু পালামৌ একদম অন্যরকম। লেখক শুধু বর্ণনা করার খাতিরে কিছু করছেন না, অনুভবের প্রকাশটা খুব সুন্দর। ছোট্ট একটা বই, সাধু ভাষার কিন্তু তবু সুখপাঠ্য।
ডাইরী ৯৭
এক.
যতো দূর যেতে চাই কখনোই তার কাছাকাছি যাওয়া হয় নাই। আমি দূর থেকে আলোকোজ্জ্বল নগরীতে নিয়নের রূপ বদলানো দেখি, কখনো জানি নি কি কথা রয়েছে লেখা নিয়ন শরীরে। আক্ষরিক মূর্খ হয়ে অন্ধকারে পড়ে থাকা সার। আলোকের বর্তীকারা দূরে জ্বলে নিভে আমার চাহিদারে দ্বন্দ্বে ফেলে দ্যায়...
আমার ঘরের সাদাটে স্যুইচ অপেক্ষায় থাকে তোমার কোমল আঙুলের...
দুই.
ভাষা হোক উন্মুক্ত
কোথা থেকে শুরু করব বুঝতে পারছি না। পৃথিবীর সব অনুভূতি শুধু রাগ, ক্রোধ, ঘৃণা অথবা ভালবাসার মাপকাঠির সীমানায় বাঁধা থাকে না। এর বাইরে যে অসীমতা রয়েছে সে সব কি ভাবে লিখতে হয় আমি জানি না।
ভেতর-বাহির ( একাদশ পর্ব)
এ তো অনেকদিন পর। আজ রাতে প্রচন্ড ধোঁয়াতৃষ্ণা পেয়েছে। নিষ্কৃতির লক্ষ্যে একাকী প্রিয় রাত গুলোতে প্রাইমারি পর্যায়ে ধূমপান হতে ক্ষান্ত দিয়েছিলাম। তারপর ধীরে ধীরে দিনে। এখন পান করি খুব গুনে গুনে, কোন দিন একেবারেই না। না বোধক দিনই মাঝে মাঝে বেশী হয়ে যায়, আর আনন্দ চিত্তে অনুধাবন করি। কিন্তু আজ পাচ্ছে। ঘুম যতটা বেয়াড়া পনা দেখাচ্ছে ধোঁয়া পানের নেশা ততটাই তীব্রতর হচ্চে। ইচেছ হচ্ছে একসাথে ৩ টে বেনসন এন
কৃতজ্ঞতা
আমরাবন্ধু ব্লগের সাথে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে ধন্যবাদ জানাতে এলাম। অভ্রকে নিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদে ব্লগ কর্তৃপক্ষ, লোকেন বোস সহ সব ব্লগাররা যেভাবে এগিয়ে এসেছেন, আমরা আজীবন তা মনে রাখব।
বিনীত,
মেহ্দী হাসান খান
অভ্র টীমের পক্ষ থেকে
একটা পাহাড় কিনতে যাচ্ছি...
যারা সবসময় বলেন, বেড়াতে যেতে মন চায়...
যাদের ইচ্ছা থাকলেও বিবিধ কারনে
ঢাকার বাইরে বেড়াতে যেতে পারেন না...
অন্যেরা বেড়িয়ে এসে সেই সব ছবি-টবি
ব্লগে দিলে যারা হিংসায় জ্বলে-পুড়ে
খাক হয়ে যান...
তাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে,
সামনের শুক্কুরবার খুব সকালে আমরা
দশ বন্ধু মিলে ঢাকার বাইরে যাচ্ছি।
ঢাকা থেকে মাইক্রো নিয়ে বান্দরবান।
সেদিন থাকবো, পরদিন শনিবার
বিকেল নাগাদ ঢাকার পথে রওয়ানা হব।
বাংলাদেশের অস্ষ্হিতিশীল রাজনীতি, ভুক্তভোগী সাধারণ আমরা।
কালোরাত কাটেনা,কাটেনা। এত ডাকি রোদ্দূর, রোদ্দূর এই পথে হাটেনা। এই পথ মানে ৩০ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন বাংলাদেশের বাংগালী জাতির চলার পথ। বাংগালীজাতি হিসেবে আমরা গর্ববোধ করি, আনেক কষ্টে অর্জিত আমাদের স্বাধীণতা। দেশের কর্নধার আমাদের রাজনীতিবিদ গন গনতণ্ত্রের কথা বলে, সাম্য বাদের কথা বলে ।ধর্ম, জাতি নিরপেক্ষতার কথা বলে। দিনবদলের শ্লোগান দিয়ে মুখের ফেনা তুলে ফেলে। ব্যাস ঐপর্যন্তই সীমাবদ্ধ। এর
মোস্তফা জব্বারের কাছে খোলা চিঠি
জনাব মোস্তফা জব্বার,
শুভেচ্ছা জানবেন।
আপনি দৈনিক জনকণ্ঠে একটি লেখায় অভ্রকে নিয়ে একটি মিথ্যাচার করেছেন, যা নিয়ে ইন্টারনেটে বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া হয়েছে, হয়তো আপনি অবগত আছেন।
র্যাব (একটি পাইরেটেড ছোট গল্প)
আমি র্যাবের কর্মকর্তা। আমার ওষ্ঠ্যে একটিমাত্রই ডায়লগ ছিল- ধর তক্তা মার পেরেক। ইতিপূর্বে আমি টেলিভিশনে একান্নবর্তী নাটাকখানা অবলোকন করিতাম। কিন্তু আমার স্ত্রী গুলশান এভিনিউ নাটকখানা অত্যাধিক ভালবাসে বিধায় এখন আমার আর উহা অবলোকন করা হয় না। র্যাবের কর্মকর্তা হইলেও শ্বশুরালয়ের আশ্রয়ে থাকিয়া স্ত্রীর সহিত কলহ করিবার দুঃসাহস আমার নাই।
গেসবল: লটারী বোনাস
আবারও জাপান নিয়ে গেসবল, উপায় নাই, গেসবলের চিন্তা সাধারণত দৈনন্দিন জীবনে পাওয়া তথ্যের উপরে ভিত্তি করেই করি, তাই জাপানকে এড়ানো যাচ্ছেনা।
জাপানী কোম্পানীগুলোর বেতনকাঠামো একটু অদ্ভুত, এখানে বেতনের একটা বিশাল অংশ আসে বোনাস হিসেবে, অনুপাতটা মোটামুটি ৬৫:৩৫।
দেবযানী ও জ্যোতি
কচের বিদায়ের পর সময় থেমে থাকেনি, থেমে থাকেনি দেবযানীর জীবনও। সময়ের প্রলেপ পড়েছে দেবযানীর আহত হৃদয়ে। সেই দুঃসহ সময়ে দেবযানীর সঙ্গী ছিলো অসুর রাজ ভৃষপ্রভ কন্যা রাজকুমারী শর্মিষ্ঠা। কোন এক পড়ন্ত সকালে দেবযানী ও শর্মিষ্ঠা জলকেলী করার জন্য রাজপুরীর সরোবরে গেল। শর্মিষ্ঠা ও দেবযানী তাদের পোষাক-পরিচ্ছদ শুকনো জায়গায় রেখে দুজনে জলে নামলো এবং বিভিন্ন জলক্রীড়ায় নিজ নিজ নৈপূণ্য প্রদর্শন করতে লাগলো। এমন সময় আচম
ডাইরী ৯৬
এক.
বিভাজন বড়ো কষ্টকর হয়। বাংলা ভেঙে গেলে রবি ঠাকুরের চোখ বেয়ে জল গড়ালেও তাই কেবল জোড়াসাঁকোর জমিদারী বিষয়ক লোভ মোহ মনে হয় নাই আমার...বিভাজন কষ্টটারে বড়ো স্বাভাবিক ঠেকে এই বেলা।
আর তাই মুসলিম নেতা সলিমুল্লাহরে অভিসম্পাত করেছি ভুল করে। সেও তো বাঁচাতে চেয়েছিলো তার নওয়াবী ক্ষমতারে...বিচ্ছিন্নতা কোনোকালে মানুষের আকাঙ্খিত নয়।
দুই.