ইউজার লগইন
ব্লগ
টহল পুলিশ - আপনার কোন কাজে লেগেছে?
'টহল পুলিশ' শব্দটা শুনলেই চোখে ভাসে কাঁধে ৩০৩ রাইফেল ঝুলিয়ে ২/৩ জনের একটা পুলিশদল রাস্তার পাশ দিয়ে অলস পায়ে হেঁটে যাচ্ছে কিংবা মোড়ের পানবিড়ির দোকানের টুলে বসে আড্ডা দিচ্ছে অথবা ফুটপাতের পিলার হেলান দিয়ে বসে বসে ঝিমোচ্ছে।
কলি'র কনিষ্ঠ কাহিনী
প্রথম ভালোলাগা
ফেরা
১)
শকুন
ঘুম ভাঙ্গানী পাখিরা আজ সকালে আমার ঘুম ভাঙ্গায়নি। চোখে, মনে, শরীরে রাজ্যের ক্লান্তি নিয়ে গভীর রাতে ঘুমাতে গেলাম। মনের সাথে, ধ্যান. ধারনা, ভালোবাসার সাথে যুদ্ধটাকে দমিয়ে রাখতে ক্লান্ত আমি। গভীর ঘুমে হারিয়ে গেলাম যেন কতকাল পর!!
একজন লড়াকু নির্মল সেনের বেঁচে থাকার গল্পো
সত্যবাদীদের পক্ষে প্রিয় মানুষ হওয়া অনেক কঠিন। বিশেষত আমাদের তথাকথিত রাজনৈতিন সরকারের কাছে। অপ্রিয় হবার এই কাজটা সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই নিষ্ঠার সঙ্গে তিনি করে আসছেন। চট্টগ্রাম অঞ্চলে, বিশেষ করে গ্রামগুলোতে বিপ্লব সংগঠক ছিলেন তিনি। এই তিনি হচ্ছেন সূর্যসেনের অন্যতম সহযোগী, বিপ্লবী, কলম সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা, বাম রাজনীতিবিদ নির্মল সেন।
ভেতর-বাহির ( নবম পর্ব)
শুভ নববর্ষ ১৪১৭
বাংলা নতুন বছর উদযাপনের প্রতি আমার আগ্রহ অসীম। কেনো এই টান আমি নিজেও জানি না। এমনিতেই আমি পার্টি এ্যনিম্যাল কিন্তু বাংলা নতুন বছর নিয়ে আমার যেটা হয়, সেটা হলো উন্মাদনা। এ উন্মাদনা নিয়ে অনেক মজার এবং বেমজার ঘটনাও ঘটে।
আলোয়-অন্ধকারে
এক ঘেয়ে শহরটাতে যখন সবাই উষ্ণতায় অস্থির,উষ্ণতার দায়ভার সরকার এড়াতে পারে কিনা এই আলোচনায় কেউ মেতে নেই।ঠিক তখনি অনেকদিন পর শহরে একটু বৃষ্টির মতন হলো।তারপরেও এটা শুক্রবারের জুম্মায় মওলানার দোয়ায় খুশি হয়ে সৃষ্টিকর্তার আশীর্বাদ কিনা এই আলোচনায়ও কেউ মেতে উঠে না। সবাই ব্যস্ত সময়ের চেয়ে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাওয়া জীবন যাত্রা নিয়ে। বিশাল চওড়া সব রাস্তা থেকে একেবারেই আলাদা ঢালু হয়ে নেমে গেছে গিঞ্জি এলাকার এই স
ডাইরী ৯৩
এক.
আজকাল আমার আক্রান্ত দিন যায় প্রায়শঃই। বয়সের আততায়ী দল পিছে লাগে চুপিসারে। তাদের গোপন বিদ্যায় আমার চোখ ফুলে লাল হয়। শরীরের প্রতি রন্ধ্রেরা দূর্বলতর...
মাত্র ছত্রিশ ঘন্টায় যদি এমনি হবে...তাহলে সমর ক্ষেত্রে সৈনিক কিরূপে জাগে রাত্রি-দিন!
দুই.
আমাকে নাও, আমাকে নাও বলে চীৎকার করতে করতে আমার সময় কাটে। যদিও আমাকে রেখেই সবাই চলে যায়...
তিন.
আজাইরা ২
আমি জানি তোমার চোখের জল
চোখের অনেক নিচে
তোমার হাঁসির আড়ালে
কখনো উপচে পড়ে না টলমলে অশ্রু।
তোমার করুন মুখটায় আস্তে আস্তে...
হাঁসি ছড়িয়ে পড়ে তোমার ঠোঁট থেকে
নাক, চোখ, আঙ্গুলের ডগায়।
জানি তুমি কখনো মুখ ফুটে বলবে না এসো
কোন সূর্য ডোবা সন্ধ্যায় বাড়িয়ে দিবে না
হাস্যময় হাত,
তোমার আমার হাতের মাঝে
কখনো খেলা করবে না
আমাদের কাক্ষিত ইচ্ছাগুলো ।
.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।।।
আমাকে একটা বালিশ এনে দে..................ঘুমাবো ।
বাইরে বেসম্ভব গরম।
এইমাত্র মোটর সাইকেল দাবড়িয়ে এলাম
কাকরাইল থেকে।
অফিসে এসে এসিটা বাড়িয়ে দিতে
বললাম। আহ , কী ঠান্ডা !
কীযে ভালো লাগছে।
চোখ জুড়ে ঘুম আসছে...
এই, কে আছিস ? আমাকে একটা
বালিশ এনে দে..................ঘুমাবো ।
ডাইরী ৯২
এক.
যে ছেলেটার আশ্রয়ে আমি এক রাতে মরে পড়েছিলাম আয়েশে তার বিছানা দখল করে, তার সাথে দেখা হোলো আজ। কাকতালীয় ভাবেই আমার স্মৃতিরা ফিরে আসছে ঝাকে ঝাকে। যার ঘরে আমি; মৃত আমি বসে নিজের বিদীর্ন দেহটাকে দেখছিলাম আড়চোখে...সে ছেলেটা আজ আমার পাশেই লোক হয়ে বসে, বিস্ময়ে দেখছিলো আমারে, আমার অস্তিত্ত্বরে। দেখতে দেখতে আচমকা সে প্রশ্ন করেছে আমারে সুনসান নীরবতা ভেঙে,
আমাকে নাও তোমাদের সাথে।
সেই যে কবে তোমাদের দলে ভীড়েছিলাম, আজ আবার এলাম। আমাদের এখানে অনেক গরম পড়েছে। অনেক গরম। খুব কষ্ট হয় রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে। ঘামে জবজব হয়ে বসে থাকি জানালার পাশে। বাইরে তখন অন্ধকারে পাড়ার ছেলেরা বাবা মাকে লুকিয়ে সিগারেট ফুকতে বের হয়। আমার এই বিড়ি সিগারেটের অভ্যেসটা হয়নি বলে বাইরে গিয়ে দাঁড়াতেও একটু অসোয়াস্তি হয়। ছোট ছেলেপেলের দল উটকো ঝামেলা মনে করে বসবে। আজকালকার ছেলেপিলেদের আমি বড্ডো ভয
কাছের মানুষ ...দুরের মানুষ...
সবাইকে সা্লাম.।.
প্রথম চাকরির প্রথম দিন - ইবুক করতে চাই।
সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগ প্রথম চাকরির প্রথম দিন বিষয়ভিত্তিক একটি ইবুক করতে চাচ্ছি। আগ্রহীদের এ বিষয়ে aloukikhasan@gmail.com এই ঠিকানায় লেখা পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছি। সম্ভবত মে এর দ্বিতীয় সপ্তাহে ইবুকটি প্রকাশ হবে। তবে ইবুকে প্রকাশের আগে লেখাটি ব্লগে না দেওয়ার অনুরোধ রইল।