ইউজার লগইন
ব্লগ
প্রেম
দশদিক এলোমেলো, একযুগ বয়স কমেছে
আজ সন্ধ্যায়!
রাতজাগা ধূলার ইন্ধনে নড়ে শ্যামলা পাহাড়
কার সাধ্য বিবর্তন থামায়!
সময়ের কাছে দিই দীর্ঘ স্বীকারোক্তি
আমরা তো একসাথে গিন্নিবান্নি পাতানো সংসার
একটিমাত্র সন্ধ্যায়;
ধোঁয়ার কলঙ্ক থেকে মুক্ত করি
হলুদ অশথ পাতা
চার হাত এক করে ধরে ফেলি
আকাশের খসে যাওয়া তারা
চোখের পাপড়ি পেলে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে তাকে
মনে মনে বলি-
থালা যদি ভরবে জোছনায়,
একটা পলাশ ফুলের মৃত্যু সংবাদ
একটি পলাশ ফুলের মৃত্যু ঘটেছে।
শত ক্রোশ দুর থেকে ফুলটি
এসেছিলো এই শহরের বুকে,
পাপড়ির শত-কোটি স্বপ্নেরা নিপাট ভাঁজে
জমা ছিলো বুক পকেটে।
এখন...
কিছুই আর অবশিষ্ট নেই।
বাসের চাকায় পিষে গেছে পীচ ঢালা রাজপথে।
কাল...
অথবা
পরশু...
কেউ খোঁজও করবেনা রাজপথে মিশে যাওয়া পলাশের লাল।
_________________________________________________
.
.
.
.
.
.
.
.
জীবনের পেত্তুম কার্ঠুন বানাইলাম জব্র কাগুর লাগি
জব্বার কাগু ফরমাইছেন উনি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত অভ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবেন, তাই বিপ্লবী চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হইয়া জীবনের পেত্তুম বানানো কার্টুনটা উনার বিপ্লিবী পথে বিছায়া দিলাম। 

কবিতাঃ কাছাকাছি (হাঃ হাঃ)
কিছু সপ্ন এমন হয়,
বাস্তবে মিলায় মাটি।
কিছু কথা এমন হয়,
সব চেয়ে বেশি খাটি।।
কিছু মেঘ এমন হয়,
বাতাসে করে নাচানাচি।
কিছু আশা এমন হয়,
আকাশের কাছাকাছি।।
সপ্ন, কথা, মেঘ, আশা,
ভাললাগা থেকে ভালবাসা।
মাটি খাটি, নাচানাচি,
আমরা আছি কাছাকাছি।।
(বন্ধু মেসবাহ কে - পাবলিক যাই বলুক কবিতা চলবে)
........... .. ..... ...... ........ ........ ........ .......... ......... ...... .....
........... .. ..... ...... ........ ........ ........ .......... ......... ...... .....
........... .. ..... ...... ........ ........ ........ .......... ......... ...... .....
........... .. ..... ...... ........ ........ ........ .......... ......... ...... .....
৫টি হান্ড্রেড পার্সেন্ট পাইরেটেড ছড়া!!!!!
১)
শুনতে পেলুম জনকণ্ঠ পড়ে
অভ্র বানাইছে চুরি করে?
মেহদী চোরায় এ কাম করলে!
জানতে চাও সে কেমন ছেলে?
চোরা নয় সে 'মুখচোরা'
কয় না কথা দেয় না সাড়া
ছবি তো নেই তার ছাপার মতোন
পত্রিকাগুলো করে মাতম
বিদ্যেবুদ্ধি? বলছি মশাই
ধন্যি ছেলের অধ্যাবসায়!
পড়ে ডাক্তারি করে চুরি চামারী
কাগুর সাধের বিজয় মারি
বানিয়েছে এক অভ্র!
তবু বলবে মেহদী ভদ্র?
আরো আছে আছে শুনো না বাছা
অভ্র যে বিজয়ের মেরে দিলো পাছা
মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝড়ে, মা'কে মনে পড়ে আমার, মা'কে মনে পড়ে...(এডিটেড- দ্যা রিটার্ন অব আমার মা)
মা, মাটি, জন্মভূমি, দেশ নিয়ে কত কথা , কত গান, কত উপন্যাস, গল্প, কবিতা কত কিছুই না করেছেন কবি সাহিত্যিক'রা। কিন্তু তার পরেও এর শেষ নেই। মা অসীম মমতায় গর্ভে ধারন করে, কত না কষ্ট সহ্য করে এই সুন্দর ধরনী দেখার সৌভাগ্য করে দিয়েছেন। মাতৃ দুগ্ধ পান করে আর মায়ের কোলে ঘুম পাড়ানি গান শুনে আমাদের শৈশব কাটিয়েছি। সেই মায়ার বাঁধনে আরো বেশি ধরে রেখেছেন। তাই তো তার তুলনা কারো সাথে নয়। এক অদৃষ্ট মায়ার ব
নির্লিপ্তির গভীরে ডুবে যাই
শিশুরা নির্যাতিত হয়। কাগজে বড় বড় অক্ষরে খবর ছাপা হয়। আমি অসীম নির্লিপ্তির সাথে এড়িয়ে যাই। মানুষেরা অমানুষের মত আচরণ করে, আমি নির্লিপ্ত হাতের ইশারায় জানালার পর্দা টেনে দেই। মানুষের দুঃখ-কষ্টগুলো আমাকে আর স্পর্শ করতে পারে না। কেমন যেনো একটা কুয়াশা ঢাকা চোখে তাকিয়ে থাকি। চোখের দরজা পার করে ঘটনাগুলো মনের ঘরে পৌছুতে পারে না।
kichu kotha ~~sudhui bolar jonno bola~~~nijeke ektu nirvar kora~~
কিছু কথা আজ খুব মনে পড়ছে ......
গত ৩/৪ দিন ওনেক ভালো ছিলো .....
কখন কি যে হয়ে যায় কে জানে ???
আবারো সেই এক ঘেয়ে জীবন ..
ভালো লাগে না আমার ..
চাইছি একটু বিরতি.......
নতুবা
চির বিদায়.......।
মোস্তফা জব্বার, যদি মনে করেন 'অভ্র' বিজয়ের পাইরেটেড, মেহদী বিজয় হ্যাক করে অভ্র বানিয়েছে, তাহলে তা প্রমাণ করুন
কম্পিউটারে বাংলা লেখায় বিজয় মাইল ফলক হয়ে এসেছিলো। বিজয়ের অবদানকে অস্বীকার করার কিছু নেই। এখনো প্রফেশনাল প্রিন্টিংয়ের কাজে বিজয়ের বিকল্প নেই।
আলী মাহমেদ :: অভিনন্দন গ্রহণ করুন
গত রমজানের কোন একদিন... আমরা ইফতার করবো ল্যাব এইডে। ৮/১০ জন ব্লগার... রাসেল (ডটু) বললো শুভ ভাই ঢাকায় এবং কাছাকাছি ... আমরা একসাথে ইফতার করলাম। শুভ ভাই ঢাকায় এসেছেন। বাসায় তার ব্যবহারের ডেস্কটপ কম্পিউটার বিক্রির টাকা এবং সংসারের ঈদের খরচ। দুইটা একত্র করে নিয়ে এসেছেন। কি করেছিলেন সেই টাকা শুভ ভাই? নিজের সন্তান, স্ত্রীর জন্য নতুন কাপর কিনেছেন? আমরা তো তাই করি... শুভ ভাই কি আমাদের মত? একদম না...
ওরা তো মানুষ নয়
তখন আমি অনেক ছোট। মা বলতো তখন কেবল হাত মুঠো করতে শিখেছি; আর তাই আশপাশে যা দেখি পাঞ্জা ছড়িয়ে এগিয়ে যাই তার দিকে হামাগুড়িতে। পাশ দিয়ে হয়তো ছুটে যাচ্ছে একটা আরশোলা। আমি থাবা দিয়ে তুলে নিয়ে গপ করে গিলে ফেলেছি। আমার গ্রাম্য বধু মা দৌড়ে এসে আমাকে তুলে ধরে দেখেন গলার ভেতর থেকে আরশোলার বেরিয়ে থাকা পা দুটো তখনো নড়ছে। এই না দেখে তিনি গলা খুলে কাঁদতে বসতেন। দাদু তখন আঙিনায় রোদ পোহাতে পোহাতে খবরে
শেষ প্রহরের আলোয়।
বসিয়া বিজনে
ঘরের কোনে মুদিয়া নয়ন
বৃদ্ধ ভাবিতেছে আনমনে
তাহার অতীত জীবন যৌবন
শৈশব কাটিছে তাহার হাসিতে খেলিতে
একাকার হইয়া ধূলা আর বালিতে।
কৈশর গিয়াছে চলি
করিয়া বন্ধুর সাথে গালাগালি আর গলাগলি।
আম্র চুরি করিতে গিয়া
আসিয়ছে ঘরে পা ভাঙ্গিয়া,
বাবার শাস্তি আর মা'র বকুনি
কষ্টের সহিত আনন্দ লহিয়াছে আনি।
তারুন্যে সে ছুটিয়াছিল নব নব ভাবনায়
পোঁকা ধরা সমাজ ভাঙার তথাকথিত বাসনায়।
কচ ও দেবযানী উপাখ্যান
সে অনেক অনেক কাল আগের কথা, সেই সময়ের কথা যখন স্বর্গের দেবতারা কারণে অকারণে ধুলোর ধরণীতে নেমে আসতো, যখন নশ্বর মানুষেরা তপস্যার বলে বলীয়ান হয়ে কখনো কখনো দেবতাদের চেয়েও বেশি ক্ষমতাধর ও জ্ঞানি হতে পারতেন। এই গল্প সেই সময়ের গল্প যখন ত্রী-ভূবন এর কর্তৃত্ব নিয়ে যুদ্ধে লিপ্ত ছিল দেবতা আর অসুরেরা। দেবতা ও অসুরদের সেই যুদ্ধে অসামান্য ভূমিকা রেখেছিলো কিছু নশ্বর মানুষ।
ডাইরী ৯৫
এক.
কদিন ধরেই টানা চোখ খুলে বসে আছি।
একদা মাকোন্ডো শহরবাসীরা জেনেছিলো ঘুমের অভাবে স্মৃতিভ্রষ্ট হতে হয় মানুষেরে। তাই তারা কাগজে লিখছিলো অভিজ্ঞতা সমূহের নাম। আর আমার বারবার মনে হতে থাকে, অচীরেই আমি লিখতে ভুলে যাবো।
দুই.
সেই শৈশবের কাল থেকে ঝড়ের নৈকট্যে বেড়ে ওঠা। আর আজ ঝড়টাকে অচেনা মনে হলো। অচেনা ঝড়ের তান্ডব মিলিয়ে গেলো নিমেষেই...এই শহরটারে তার অচেনা লেগেছে?
তিন.
এক বৈশাখে

আমরাবন্ধুতে যখন বৈশাখের স্মৃতি নিয়ে লেখা আহবান করা হলো, আমি আঁটঘাঁট বেঁধে বসলাম - কিছু একটা লিখেই ফেলবো এইবার! কিন্তু একটা অক্ষরও লেখতে পারলাম না। আমার জন্য লেখালেখিটা কোনোকালে সহজ ছিল না, এমনকি স্মৃতিকথাও না। স্মৃতি বলতেই সবার মনসচক্ষুতে ভেসে আসে হাসি-কান্না-অভিমান-ভালোবাসার মিশেলে টুকরো টুকরো অনেক ঘটনা। আমি এইদিক দিয়ে বড়ই অভাগা। আমার স্মৃতির সাথে দল বেঁধে ছুটে আসে স্মৃতিবিভ্রম, স্মৃতিবিভ্রাট সহ নানা গুন্ডা-পান্ডারা; আমাকে স্মৃতিভ্রষ্ট করে দিয়ে তারপর দাঁত কেলিয়ে হাসে।