ইউজার লগইন
ব্লগ
এডগার এলান পো' এর ছোটগল্প:: 'বেলুনবাজি'
নিউইয়ক সান অফিস
১৩ই এপ্রিল, সকাল দশটা
...............................
অবিশ্বাস্য খবর!
--নরফোক এক্সপেস
...........................
তিনদিনে আটলান্টিক পাড়ি!
................................
মনঙ্ক মেসন সাহেবের উড্ডয়ন যন্ত্রের অবিস্মরণীয় বিজয়!
...................................................................
ভিক্টোরিয়া নামের বেলুনে চড়ে দীর্ঘ ৭৫ঘণ্টা দেশ থেকে দেশান্তরে ছুটে
ধেয়ে আস নেমে আস
ধেয়ে আস স্বপ্নে অস্বপ্নে
জলবিন্দুর মতো বিশাল স্রোতে
তোমার জন্য গাওয়া যে গান
তার সুরে বেজে ওঠো
নেচে চলো নিবিড় ছন্দে
তুমি আকাশে ভাসালে আগুন গুচ্ছ
ফুল হয়ে ফুটে ওঠে মৃত্তিকা সকল।
নেমে আস ধেয়ে আস
দেখ, শৈশব থেকে কি দীর্ঘ পরিভ্রমণ
পায়ে পায়ে একা একা ...
আটাশটি বালিকার ঋতু-রক্তস্রোতের গভীর অনুপ্রাস,
হে শব্দবিন্দু, আমার নৈঃশব্দ্য বোঝ
ধেয়ে আস নেমে আস
নেচে চলো নিবিড় ছন্দে
আমি গর্বিত
কুঁদুলে জাতি হিসেবে বাঙ্গালির খ্যাতি/কুখ্যাতি বিশ্বজোড়া। আমরা অযথাই এ ওর পিছে লাগি, কান কথা বলি, অঙ্গুলী আদান প্রদান করি। কিন্তু গত কিছুদিন যাবৎ সর্বস্তরে বাংলা ভাষা চর্চার প্রচার, প্রসার এবং উন্নয়নের অগ্রনী সৈনিক মেহদী এবং তার অভ্রের পাশে যেভাবে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য বাংলাভাষী এসে দাঁড়িয়েছেন তাতে আমি গর্ব রাখার জায়গা পাচ্ছিনা। কে বলেছে আমরা শুধুই একে অপরের পায়ে পাড়া দেই, প্রয়োজনমতো
ওয়েব ভ্রমন বিনোদন, বিফলে মূল্য ফেরত (উৎসর্গঃ কাগু)
আজ একটা ওয়েব সাইট ভ্রমনে গেলাম। বাংলাদেশের 'আইটির প্রবাদপুরুষ', ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রণেতা', 'বাংলাদেশের কীবোর্ড মোগল' মোস্তফা জব্বারের ওয়েবসাইট।
মাল্টিমিডিয়া জনকের ওয়েবসাইট বলে প্রত্যাশাও বেশী ছিল। কিন্তু বিনোদন পাইছি প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশী। আপনিও ঘুরে আসতে পারেন চাইলে।
ভাঙা পেন্সিলের কালো হাত ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও
এতদিন ধরে আমরা বন্ধুর ব্যানার সাম্রাজ্যে আমিই ছিলাম একমেবিদ্বিতীয়ম। মনোপোলির চূড়ান্ত কইরা ছাড়ছি। যা খুশি তাই বানায়া দিছি, মডুরা ঝুলাইতে বাধ্য ছিলো।
আমার সেই সুখরাজ্যে আজ দূর্যোগের ঘনঘটা। আরেকটা ১/১১র সম্ভাবনা দেখা যাইতেছে। ভাঙা পেন্সিল নামক এক দুষ্কৃতকারী এই বিদ্রোহের মূল ব্যক্তি। তিনি আজ একটি অসাধারণ সুন্দর ব্যানার করিয়া আমার পেটে লাত্থি দিলো। হায় হায়, এখন আমার কী হবে রে?
প্রেম
দশদিক এলোমেলো, একযুগ বয়স কমেছে
আজ সন্ধ্যায়!
রাতজাগা ধূলার ইন্ধনে নড়ে শ্যামলা পাহাড়
কার সাধ্য বিবর্তন থামায়!
সময়ের কাছে দিই দীর্ঘ স্বীকারোক্তি
আমরা তো একসাথে গিন্নিবান্নি পাতানো সংসার
একটিমাত্র সন্ধ্যায়;
ধোঁয়ার কলঙ্ক থেকে মুক্ত করি
হলুদ অশথ পাতা
চার হাত এক করে ধরে ফেলি
আকাশের খসে যাওয়া তারা
চোখের পাপড়ি পেলে ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে তাকে
মনে মনে বলি-
থালা যদি ভরবে জোছনায়,
একটা পলাশ ফুলের মৃত্যু সংবাদ
একটি পলাশ ফুলের মৃত্যু ঘটেছে।
শত ক্রোশ দুর থেকে ফুলটি
এসেছিলো এই শহরের বুকে,
পাপড়ির শত-কোটি স্বপ্নেরা নিপাট ভাঁজে
জমা ছিলো বুক পকেটে।
এখন...
কিছুই আর অবশিষ্ট নেই।
বাসের চাকায় পিষে গেছে পীচ ঢালা রাজপথে।
কাল...
অথবা
পরশু...
কেউ খোঁজও করবেনা রাজপথে মিশে যাওয়া পলাশের লাল।
_________________________________________________
.
.
.
.
.
.
.
.
জীবনের পেত্তুম কার্ঠুন বানাইলাম জব্র কাগুর লাগি
জব্বার কাগু ফরমাইছেন উনি শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত অভ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে যাবেন, তাই বিপ্লবী চেতনায় উদ্ভুদ্ধ হইয়া জীবনের পেত্তুম বানানো কার্টুনটা উনার বিপ্লিবী পথে বিছায়া দিলাম। 

কবিতাঃ কাছাকাছি (হাঃ হাঃ)
কিছু সপ্ন এমন হয়,
বাস্তবে মিলায় মাটি।
কিছু কথা এমন হয়,
সব চেয়ে বেশি খাটি।।
কিছু মেঘ এমন হয়,
বাতাসে করে নাচানাচি।
কিছু আশা এমন হয়,
আকাশের কাছাকাছি।।
সপ্ন, কথা, মেঘ, আশা,
ভাললাগা থেকে ভালবাসা।
মাটি খাটি, নাচানাচি,
আমরা আছি কাছাকাছি।।
(বন্ধু মেসবাহ কে - পাবলিক যাই বলুক কবিতা চলবে)
........... .. ..... ...... ........ ........ ........ .......... ......... ...... .....
........... .. ..... ...... ........ ........ ........ .......... ......... ...... .....
........... .. ..... ...... ........ ........ ........ .......... ......... ...... .....
........... .. ..... ...... ........ ........ ........ .......... ......... ...... .....
৫টি হান্ড্রেড পার্সেন্ট পাইরেটেড ছড়া!!!!!
১)
শুনতে পেলুম জনকণ্ঠ পড়ে
অভ্র বানাইছে চুরি করে?
মেহদী চোরায় এ কাম করলে!
জানতে চাও সে কেমন ছেলে?
চোরা নয় সে 'মুখচোরা'
কয় না কথা দেয় না সাড়া
ছবি তো নেই তার ছাপার মতোন
পত্রিকাগুলো করে মাতম
বিদ্যেবুদ্ধি? বলছি মশাই
ধন্যি ছেলের অধ্যাবসায়!
পড়ে ডাক্তারি করে চুরি চামারী
কাগুর সাধের বিজয় মারি
বানিয়েছে এক অভ্র!
তবু বলবে মেহদী ভদ্র?
আরো আছে আছে শুনো না বাছা
অভ্র যে বিজয়ের মেরে দিলো পাছা
মধুর আমার মায়ের হাসি চাঁদের মুখে ঝড়ে, মা'কে মনে পড়ে আমার, মা'কে মনে পড়ে...(এডিটেড- দ্যা রিটার্ন অব আমার মা)
মা, মাটি, জন্মভূমি, দেশ নিয়ে কত কথা , কত গান, কত উপন্যাস, গল্প, কবিতা কত কিছুই না করেছেন কবি সাহিত্যিক'রা। কিন্তু তার পরেও এর শেষ নেই। মা অসীম মমতায় গর্ভে ধারন করে, কত না কষ্ট সহ্য করে এই সুন্দর ধরনী দেখার সৌভাগ্য করে দিয়েছেন। মাতৃ দুগ্ধ পান করে আর মায়ের কোলে ঘুম পাড়ানি গান শুনে আমাদের শৈশব কাটিয়েছি। সেই মায়ার বাঁধনে আরো বেশি ধরে রেখেছেন। তাই তো তার তুলনা কারো সাথে নয়। এক অদৃষ্ট মায়ার ব
নির্লিপ্তির গভীরে ডুবে যাই
শিশুরা নির্যাতিত হয়। কাগজে বড় বড় অক্ষরে খবর ছাপা হয়। আমি অসীম নির্লিপ্তির সাথে এড়িয়ে যাই। মানুষেরা অমানুষের মত আচরণ করে, আমি নির্লিপ্ত হাতের ইশারায় জানালার পর্দা টেনে দেই। মানুষের দুঃখ-কষ্টগুলো আমাকে আর স্পর্শ করতে পারে না। কেমন যেনো একটা কুয়াশা ঢাকা চোখে তাকিয়ে থাকি। চোখের দরজা পার করে ঘটনাগুলো মনের ঘরে পৌছুতে পারে না।
kichu kotha ~~sudhui bolar jonno bola~~~nijeke ektu nirvar kora~~
কিছু কথা আজ খুব মনে পড়ছে ......
গত ৩/৪ দিন ওনেক ভালো ছিলো .....
কখন কি যে হয়ে যায় কে জানে ???
আবারো সেই এক ঘেয়ে জীবন ..
ভালো লাগে না আমার ..
চাইছি একটু বিরতি.......
নতুবা
চির বিদায়.......।
মোস্তফা জব্বার, যদি মনে করেন 'অভ্র' বিজয়ের পাইরেটেড, মেহদী বিজয় হ্যাক করে অভ্র বানিয়েছে, তাহলে তা প্রমাণ করুন
কম্পিউটারে বাংলা লেখায় বিজয় মাইল ফলক হয়ে এসেছিলো। বিজয়ের অবদানকে অস্বীকার করার কিছু নেই। এখনো প্রফেশনাল প্রিন্টিংয়ের কাজে বিজয়ের বিকল্প নেই।
আলী মাহমেদ :: অভিনন্দন গ্রহণ করুন
গত রমজানের কোন একদিন... আমরা ইফতার করবো ল্যাব এইডে। ৮/১০ জন ব্লগার... রাসেল (ডটু) বললো শুভ ভাই ঢাকায় এবং কাছাকাছি ... আমরা একসাথে ইফতার করলাম। শুভ ভাই ঢাকায় এসেছেন। বাসায় তার ব্যবহারের ডেস্কটপ কম্পিউটার বিক্রির টাকা এবং সংসারের ঈদের খরচ। দুইটা একত্র করে নিয়ে এসেছেন। কি করেছিলেন সেই টাকা শুভ ভাই? নিজের সন্তান, স্ত্রীর জন্য নতুন কাপর কিনেছেন? আমরা তো তাই করি... শুভ ভাই কি আমাদের মত? একদম না...