ইউজার লগইন
ব্লগ
আমাকে একটা বালিশ এনে দে..................ঘুমাবো ।
বাইরে বেসম্ভব গরম।
এইমাত্র মোটর সাইকেল দাবড়িয়ে এলাম
কাকরাইল থেকে।
অফিসে এসে এসিটা বাড়িয়ে দিতে
বললাম। আহ , কী ঠান্ডা !
কীযে ভালো লাগছে।
চোখ জুড়ে ঘুম আসছে...
এই, কে আছিস ? আমাকে একটা
বালিশ এনে দে..................ঘুমাবো ।
ডাইরী ৯২
এক.
যে ছেলেটার আশ্রয়ে আমি এক রাতে মরে পড়েছিলাম আয়েশে তার বিছানা দখল করে, তার সাথে দেখা হোলো আজ। কাকতালীয় ভাবেই আমার স্মৃতিরা ফিরে আসছে ঝাকে ঝাকে। যার ঘরে আমি; মৃত আমি বসে নিজের বিদীর্ন দেহটাকে দেখছিলাম আড়চোখে...সে ছেলেটা আজ আমার পাশেই লোক হয়ে বসে, বিস্ময়ে দেখছিলো আমারে, আমার অস্তিত্ত্বরে। দেখতে দেখতে আচমকা সে প্রশ্ন করেছে আমারে সুনসান নীরবতা ভেঙে,
আমাকে নাও তোমাদের সাথে।
সেই যে কবে তোমাদের দলে ভীড়েছিলাম, আজ আবার এলাম। আমাদের এখানে অনেক গরম পড়েছে। অনেক গরম। খুব কষ্ট হয় রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে। ঘামে জবজব হয়ে বসে থাকি জানালার পাশে। বাইরে তখন অন্ধকারে পাড়ার ছেলেরা বাবা মাকে লুকিয়ে সিগারেট ফুকতে বের হয়। আমার এই বিড়ি সিগারেটের অভ্যেসটা হয়নি বলে বাইরে গিয়ে দাঁড়াতেও একটু অসোয়াস্তি হয়। ছোট ছেলেপেলের দল উটকো ঝামেলা মনে করে বসবে। আজকালকার ছেলেপিলেদের আমি বড্ডো ভয
কাছের মানুষ ...দুরের মানুষ...
সবাইকে সা্লাম.।.
প্রথম চাকরির প্রথম দিন - ইবুক করতে চাই।
সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত উদ্যোগ প্রথম চাকরির প্রথম দিন বিষয়ভিত্তিক একটি ইবুক করতে চাচ্ছি। আগ্রহীদের এ বিষয়ে aloukikhasan@gmail.com এই ঠিকানায় লেখা পাঠানোর অনুরোধ জানাচ্ছি। সম্ভবত মে এর দ্বিতীয় সপ্তাহে ইবুকটি প্রকাশ হবে। তবে ইবুকে প্রকাশের আগে লেখাটি ব্লগে না দেওয়ার অনুরোধ রইল।
প্রজাপতি মন আমার
মেয়ের স্কুল থেকে নানান ধরনের চিঠিপত্র আসতেই থাকে। সারাদিন অফিস ঠেঙিয়ে বাড়ি ফিরে এই হলো আমার হোমওয়ার্ক। মেয়ের বিভিন্ন বিষয়ের বিভিন্ন রকম ব্যবস্থা গ্রহন করা। তারা বাইরে খেলতে যাবেন অমুকদিন তাদেরকে যেনো অমুক কাপড় আর তমুক স্যু দিয়ে দেই। অমুক দিন তমুক টীচারের জন্মদিন, টিফিন দিতে হবে না বাসা থেকে, হেনতেন ভেজালের চিঠি আসতেই থাকে। আজকেও মেয়ের স্কুল ব্যাগ খুলে চিঠি পেয়ে বিরস বদনে পড়ছি, হঠাৎ বুকের মাঝে ধাক্
ডাইরী ৯১
এক.
চাঁদের শোকে বিছানা ছেড়েছি আজ।
ধরো, আরো অনেক দিবস চাঁদবিহীন চলেছে...আমার ভাবতেই ভয় লাগে। আমি না হয় একলা রয়ে যাবো ঘুম ঘুম ক্লাসরুমে, আর সব প্রেমিকেরা পৃথিবীর অন্ধকারে হাতরে ফিরবে,
চাঁদের আলোয় থাকা তাহাদের ভ্রান্ত স্মৃতি...
বিভ্রান্ত মানুষ আমি স্মৃতিরে ডেকেছি ভ্রান্ত বলে। ঐদিকে স্মৃতিময়তা আমারে কুড়ে খায়, এমনকী ঘুমেও।
কাছের মানুষ......
কিছু কিছু বই আছে যেগুলো কখবোই পুরনো হয়না। সাতকাহন, (উত্তরাধিকার-কালবেলা-কালপুরুষ), পার্থিব, গর্ভধারিণী........
চোত মাস। গল্প
চোত মাস-
অভাগা স্টুডেন্ট ব্যাচ।
কথায় আছে অভাগা যেদিকে তাকায় , সাগর ও শুকায়। আর আমাদের স্টুডেন্ট ব্যাচ তাকানোর আগেই শুকনা সাগর দেখে আসছে সেই প্রথম শ্রেনী থেকে। কি আর বলবো সেই কষ্টের কথা।
ক্লাস ওয়ানে ভর্তি হলাম , কোন সরকারী বই পাইনাই । ক্লাস টু তে উঠার পর শুনি শুধু ক্লাস ওয়ানে ফ্রী সরকারী বই দেয়া হবে। এইভাবে থ্রী তে উঠার পর শুনি টু পর্যন্ত ফ্রী বই দেবে, ফোর এ উঠার পর শুনি থ্রী পর্যন্ত সরকারী বই দিবে।
গরমছত্র
বাড়িতে কারেন্ট নাই
কী করিবো তাই,
শইল ঠাণ্ডা করতে আমি
বাথরুমেতে যাই
কল খুলি পানি নাই
কারবালা প্রান্তর
হায় হাসিনা হায় হাসিনা
করে ওঠে অন্তর
ভাবি বুঝি ঠাণ্ডা হওয়ার
নাই কোনো উপায়
বিষে বিষক্ষয়, আরো
গরম হইতে মঞ্চায়
রাস্তায় নামি আমি
'হট' বালিকা দেখতে
মুসলমান বালিকার দল
ঢাকে মুখ বোরখাতে।

ভারতীয় ছবি আমদানী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বিষয়ক জটিলতা
সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় ছবি আমদানির নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ি এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিলো ১৯৬৫ সালে। তার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল।
পড়া'নের গহীন ভিতর
মাঝখানে পড়ার অভ্যাসটা একদম কমে গিয়েছিলো। পারতপক্ষে পড়তাম না। খুব অন্তর্জালা ছিলো।
জরুরী নোটিশ
সার্ভার সংক্রান্ত জটিলতায় আমরা বন্ধু সাইট অদ্য বিকেল ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত (বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী) ঠিক মত নাও দেখা যেতে পারে। সবাইকে একটু ধৈর্য্য ধারণ করার অনুরোধ করছি।
কিছু বিষয় চাইলেও এড়ানো সম্ভব হয় না ... অনাকাঙ্খিত এই বিষয়টির জন্য আমরা দু:খ প্রকাশ করছি।
আপনাদের সহমর্মিতাই আমরাবন্ধুর প্রেরণা।
আমরা বন্ধু টিম
আজাইরা
আকাশ মেঘে ঢাকা
চারিদিক ফাঁকা
শূণ্যতার মাঝে একা
পড়ে রয়েছি আমি
..............................................।
মায়াবতী কইন্যা রে তোর
মেঘবরণ কেশ
আউলা চুল না খুইল্যা
বাইন্ধা রাখরে বেশ।
মিটিমিটি হাসিরে তোর
চোখে দেখি খুশি
পরান আমার ভইরা উঠে
দেইখা তোর ঐ হাসি।
............................................
হাতের কিছু কষ্ট ছিলো
পায়ের কিছু কষ্ট
কষ্টগুলো দেখলো কেবল
মনের ভাষা নষ্ট।