ইউজার লগইন
ব্লগ
প্রসঙ্গ : নির্মল সেনের চিকিৎসা (আপডেট : ৭ এপ্রিল, ২০১০)
শুরুটা অনেক আগেই। আমি ল্যাবএইডের সাথে জড়িয়েছি ২০০৪ সালের শেষের দিকে। ২০০৭ সাল থেকে ল্যাবএইডের তরফ থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রায় বিনামূল্যে চিকিৎস সেবা দেয়া শুরু হয়। প্রায় বললাম এজন্য যে, হার্টের বাইপাস সার্জারি করার প্যাকেজ হচ্ছে- ২ লাখ টাকার সামান্য বেশি। এর মধ্যে শুধু ওষুধ খরচই লাগে ৫০ হাজার টাকার উপরে। অনেক ক’জন মুক্তিযোদ্ধার বাইপাস সার্জারি করা হয়েছে এখানে, যারা সাকুল্যে ২০ থেকে ৪০ হাজার ট
শেখার কুনো শ্যাষ নাই, সব বয়সে শেখন যায়
আমি শিখতে এয়েছি, বয়স যদিও ত্রিশ পার হয়্যা চল্লিশের দিকে ধাবমান। তাই পুরান পরিচয় বাদ দিয়ে....নতুন পরিচয়ে আইলাম...।
লেখুম কম, পড়ুম বেশী।....।
ভালু থাকেন সবাই। দেখা হপে......
নক্ষত্র গজব
ভিনগ্রহবাসীর আক্রমনে ঘুমটা ভেঙ্গে গেল।
একটি ফ্যাসিবাদি উত্তরাধুনিক গল্পের খসড়া : মোহর যখন বাইক্য
অনেকদিন পরে শেকসপীয়র পার্কে এসেছেন। কিং রুফু পার্কের একটি হেলানো বেঞ্চিতে বসে আছেন। ঠাণ্ডাও কমে এসেছে। চারিদিকে সামার সামার ভাব। গাছে গাছে কুড়ি উঁকি দিচ্ছে। একজন স্প্যানিস গায়ক দীর্ঘ ওকগাছের নিচে দাঁড়িয়ে গান গাইছে। বিরহ সঙ্গীত। ছোট একটি গোলাকার সিডি প্লেয়ারে গানটির মিউজিক ট্রাক বাজছে। আর গীটারে টুং টাং তুলে হা করে গাইছে--
আমার থাকত যদি সোনার পাহাড়
তোমায় গড়ে দিতাম নাকের ফুল
ও—ও—ও—
ডাইরী ৮৮
এক.
ঘুমের অষুধ খেয়ে যখন অপেক্ষা মেলেছি এবার...তখনি আঁধার এলো। ভেড়াগুলো নামলো সবুজ মাঠে। আমি গুনতে ভুলে গেছি এই বেলা।
দুই.
তুমি যদি গুনে দিতে অন্ধকার আকাশের নিভু নিভু তারা সমূহরে...আমি একে একে সংখ্যা গুলিরে নিতাম শিখে। এমন দুরাশা একেছি মননে...
তিন.
মামণিয়া
আজ পরীক্ষা ছিল। সারা বছর ফাঁকিবাজি। পরীক্ষার দু'দিন আগে তাই চোখে ঘুম নেই। তার উপর এই পরীক্ষা হল ব্যবসায় শিক্ষা সম্পর্কিত। গণিত সংশ্লিষ্ট হওয়া উচিত, গণিতের দেখা নেই, আছে কেবল মুখস্থ বিদ্যার চর্চা। যে যত মুখস্থ করতে পারবে, তারই জয়জয়কার। মুখস্থ করে গামলা ভর্তি কর, পরীক্ষা হলে গিয়ে সেটা উপুর করে ঢেলে দিয়ে আসো। গামলায় ফুটো, তো তোমার মাথায় বারি!
ব্রেকিং নিউজ: চিকিৎসা হচ্ছে নির্মল সেন-এর, অশেষ ধন্যবাদ ল্যাব এইড আর মেজবাহ য়াজাদ ভাইয়ের প্রতি
অনেক ক্ষোভ নিয়ে নিচের পোস্টটা লিখেছিলাম আজ। কতোটা ক্ষোভ আর অসহায়তা ছিলো, তা পোস্ট পড়লেই টের পাবেন। কিন্তু এই মুহূর্তে অনেক আনন্দ হচ্ছে। অর্থাভাবে সাত বছর ধরে চিকিৎসাহীন ছিলেন বিপ্লবী সাংবাদিক নির্মল সেন। কিন্তু এখন আর তাঁকে অন্তত বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ করতে হবে না। উনার চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়েছে ল্যাব এইড কর্তৃপক্ষ।
কম খরচে ভালোবাসা যাচাই...
'স্মৃতির পহেলা বৈশাখ' তাগাদা পোস্ট
পহেলা বৈশাখে একটি ই-পুস্তক প্রকাশিত হবে 'আমরা বন্ধু' থেকে।
বিষয়: 'স্মৃতির পহেলা বৈশাখ'
ভেবেছিলাম এবার সবাই-ই নিজ নিজ আনন্দময় বৈশাখের স্মৃতিচারণে মেতে উঠবেন। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এখনো খুব বেশি লেখা জমা পড়েনি।
আমাদের এতোবছরের জীবনে একটাও পহেলা বৈশাখ নাই, যা সুন্দর আর আনন্দের স্মৃতি হয়ে আছে আমাদের হৃদয়ে? তাহলে লিখছি না কেন?
মিশরের দীনা, রানধা কামেল ও আরও কিছু গল্প
দীনার গল্প
মিশরে আমাদের গাইড ছিল দীনা। মিশরের মেয়ে। সে নিজেই জানালো তার বয়স ২৭, বিয়ে করেনি, কারণ একজন পারফেক্ট পুরুষ সে খুঁজে পায়নি। তবে এটা বুঝলাম তার পারফেক্ট পুরুষের খবর আছে। এক সেকেন্ডও কথা না বলে থাকতে পারে না। হয় আমাদের সাথে কথা বলছে, না হয় ড্রাইভারের সাথে, আর তা না হলে ফোনে।
ডাইরী ৮৭
এক.
নিজেরে আরশোলা ভেবে উড়িয়ে দিয়েছি, অস্থিরতায় উড়েছে সে দিনের পুরোটা। আর তক্কে তক্কে থাকি রাতভর, আন্ধারে সজীব হবো বলে। সভ্যতারে পিঠে নিয়ে আরশোলার মতো আমিও হয়েছি ইতিহাস।
আহা স্মৃতিময় মানুষেরা বোধয় এমনি বাঁচে...
দুই.
তুমি আরশোলারে ভয় পাবে জেনে আমি মুখোশে ঢেকেছি মুখ। এ যেনোবা মেটা-মেটামরফোসিস। বহুবিধ জানাজানি ঘটে যায় এইবেলা।
মনে মনে স্বগতঃ নিজেরে কথা দেই,
তুমি ফিরে এলে আবারো মানুষ হবো।
জয়িতা কাহন
“ভালো থাকার অন্য কোন মানে নাই,
ভালোথাকা মানে ভালবাসা নিয়ে বাচাঁর ভেতর
আটকে যাই ভালোবাসাহীন ষড়ভুজাকার খাচারঁ ভেতর”
আহমাদ মোস্তফা কামালের আধপেটা উপন্যাস।
অন্ধ জাদুকর উপন্যাসটা আগে একবার পড়ছিলাম। পুরষ্কার পাওয়ার খবর শুইনা আবারো পড়লাম। উপন্যাসের শুরুর দিকটা পড়তে পড়তে মাহমুদুল হকের কালো বরফের কথা মনে হইতেছিল। অন্ধ জাদুকরেও মাহমুদুল হক আছেন বেশ ভালো ভাবেই। আছেন ইলিয়াস, ভিটগেনস্টাইন, ছফাসহ অন্যান্যরা । কিন্তু মাহমুদুল হক আছেন বড়ো একটা অংশ জুইড়া। তার মৃত্যুর পরে লেখকের অনুভূতির অংশ বর্ণনাটা দারুণ। এই অংশটুকু কাব্যময়তায় আর চিত্রনে অসামান্য আবেগের ফুল হয়ে
সুপ্রভাত বাংলাদেশ : এই সুন্দর স্বর্ণালী সকালে (ফিচার রিপোর্ট)
১....
ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটার দিকে তাকিয়ে আজও চোখের জল ফেলেন আদাবর এলাকার গৃহিনী সবিতা শাহনাজ । খেলাচ্ছলে ঘরের ইলেকট্রিসিটির প্লাগ পয়েন্টে হাত দিয়ে বসেছিল ৪ বছরের অবুঝ শিশু শাহেদ। সেই যে ছেলেটি জ্ঞান হারালো , আর ফিরে আসেনি। ছেলের চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না সবিতা ।
