ইউজার লগইন
ব্লগ
আদুরির শব্দকঙ্কাল : পর্ব এক
এই গল্পটি লিখতে শুরু করেছি। এর আদিও জানি না, অন্তও জানি না। লিখতে লিখতে যাচ্ছি। শুধু জানি একটি জলের ভিতর থেকে একটি শহর উঠে আসছে। তার গাছগাছালি, গরু ছাগল, আর যন্তরমন্তরের হাড়গোড়। যতটুকু লিখব ততটুকু আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।
দাবাত প্রার্থনা মূলক পোস্ট
।
.
।
.
।
ইয়ে মানে অনেকদিন ধানমন্ডি ৫ এর ফুচকা খাইনা। আছেন কুনু দয়াবান/বতী যে আগামী শনিবারে ধানমন্ডি ৫ এর ফুচকার দুকানে দাবাত দিবেন???
না দিলে সেই ৫ বছর আগে যা কর্ছিলাম সেউডাই করমু কৈলাম...

ডাইরী ৮৪
এক.
গতোকাল গিয়েছে আগুনে, আজ জলে সাতার কাটি। জলের ঘনত্ব আমারেও নিয়ে গ্যাছে স্বপ্নের সমব্রানিয়ায়। ডুব সাতারের খেলা চলেছে সেখানে।
দুই.
আমাদের জলপ্রীতি ছিলো এই কথা শত্রুও কখনো কয় নাই। আমরা স্থলজ আবেগে ছিলাম আজীবন।
তিন.
আমি অপেক্ষায় থাকি...তুমি এসে দাঁড়াতেই খুলে যাবে দরোজা, বেষ্টনী। হুল বের করে বসে থাকি যদি কোন মৌখোর বিবাগী এসে হানা দ্যায়...
স্বপ্নের সাথে হাঁটা, স্বপ্নের জন্য হাঁটা
হাঁটাহাঁটি আমার সেই রকম প্রিয় ।
হাঁটতে হাঁটতেই স্বপ্নের সাথে হাঁটা স্বপ্নের জন্য হাঁটা,কথাটা পেয়েছিলাম ,(হায়রে চন্দ্রবিন্দু! এত জালায়! লিখতে অনেক কষ্ট হয়, চন্দ্রবিন্দু না থাকলে ভূতরা আত্মহত্যা করত হয়তবা কিন্তু আমাগো তো ব্রাট সুবিধা হইত! শফিক রেহমান তো খুশিতে একখান লাল গোলাপ নিয়া... ) ।
বিজলী এখন মানু'র ঘরে...
যৌবন তাহার ভাটির দিকে গিয়াও আবার কিরুপে কিসের সহায়তায় যৌবন উষালগনে গমন হইল এবিষয়ে আশ্চর্যান্বিত হইয়াছেন রায়হানভাই । উনার মতে - “ বিষয় কী, যৌবন একবার শুইয়া পইরা আবার খারায় যাইতেছে কেমনে!!”
সদুত্তর না দিয়া আবজাব বুঝাইলেন পাঠকদের… কিন্তু মনের কথা বনে থুক্কু ব্লগে না বলে বলেছেন খোমাখাতায়।
মানুষ এখন বিবাহিত।
রূপকথা শোনাবো বলে..
আমি আসলে লিখি না। "লিখি না" মানে সিরিয়াসলি লেখা বলতে যা বোঝায় সেরকম কিছু করি না। শুধু নিত্যদিনের সাথী কম্পু'র কী বোর্ডে আঙুলগুলোকে প্রতিদিন অল্প অল্প করে এক্সারসাইজ করাই। মোটা হয়ে গেলে সমস্যা। আরে, আঙুলেরও তো একটা শরীর স্বাস্থ্য আছে, নাকি!
কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে তোমারে দেখিতে দেয় না....

মাঝে মাঝে তব দেখা পাই,
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না
কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে তোমারে দেখিতে দেয় না
মোহ মেঘে তোমারে দেখিতে দেয় না
মোহ মেঘে তোমারে, অন্ধ করে রাখে, তোমারে দেখিতে দেয় না
ক্ষণিকও আলোকে আঁখিরও পলকে তোমায় যবে পাই দেখিতে
তুমি আমার দিন থেকে রাত
রোদের ফোঁটা
একটা নাম না জানা রাস্তায় চিলতে রোদের ভেতর হঠাৎ তাকে পাওয়া, তারপর অনেকবার হারিয়েছি তাকে!
গ্রীক পুরাণের সৃষ্টি পর্ব - ১
Once upon a time .......
আবার আসিবে ফিরে ... ব্যাড বয়ের কারেন্টের কথা কইতাছিলাম আরকি...
মেজাজ খারাপ হয়া গেলে ভদ্রভাবে কথা কইতে পারিনা ... এই বদভ্যাস টা আগে ছিল না ... বছরখানেক আগে ধরছে
... মনে আছে বাফড়া নিকে সামুতে বারাক ওবামা নিয়া একটা পোস্ট মারছিলাম ... ব্লগার রোবোট (রোবোকপ ডাকি আমি) কমেন্টে লিখলেন যে পোস্টের বক্তব্য ঠিক থাকলেও ভাষা (মানে গালিগালাজ আরকি) নিয়া উনার আপত্তি আছে
:#( ... তারপর আইজকা অনেক কষ্টে একটা ভদ্রভাষায় পোস্ট লিখলাম 
ডাইরী ৮৩
এক.
লোকটা পাগড়ি বেধে হাটছিলো...লাল আচকানে তার জড়িবুটি, পায়ে মল, চোঙা হাতে ডাকছিলো লালে লাল শাহজালাল। আমি তার পিছু হেটে চলে যাই পুরনো শহরে। যে শহরে বেড়ে উঠবার সময়ে শিখেছি বহুকিছু। ব্যর্থতা-বেদনা-সাফল্যের আর বিচ্ছেদের সমগীত।
এ শহরে একদিন আগুণ জ্বলছিলো। আগুণে বারুদ ঢালছিলাম আমরা চরম আয়েশে।
দুই.
আবজাব-৫
শৈশব পার হইছি কোন জন্মে, কৈশোরও গেছে গিয়া, যৌবন ভাটির দিকে ধাবিত হইতেছে। এইভাবে দেখতে দেখতে কবে দেখব যে আজরাইল স্ব-শরীরে চউক্ষের সামনে হাজির হইছে, তার ঠিক পিছনেই মৃত আত্মীয়-স্বজন হাত তুইলা ডাকতেছে, "ওরে মানু বুখে আয়"; অতঃপর অক্ষিগোলক হইতে চক্ষু-যুগল অর্ধেক বাহির কইরা পপাতচ এন্ড মমারচ। বুঝি সবই, তারপরেও কেন জানি মনজঙ্গল হইতে শৈশবের হনুমানটারে কিছুতেই বিদায় করতে পারি না। মানুষ আর গরুর মাঝখানে বুঝি এ
আমার চলচ্চিত্রদর্শন : "অন্তহীন"
ধুলো-ধোঁয়া, ব্যস্ততা আর ইট পাথরের অরণ্যজালে বন্দী এই নগরজীবন, যেখানে মানুষে মানুষে যোগাযোগ মানেই এসএমএস আর মুঠোফোন, জীবন মানেই শেয়ার বাজারের সূচক আর সম্পর্ক মানেই কেবল ফর্মালিটিজ এমন পরিবেশে ভালবাসার খোঁজে মানুষের অন্তহীন পথ চলার কাহিনীই অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী সেলুলয়েডের ফিতায়
"আমার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম"
সবাইকে সালাম, নমস্কার। আসি আসি করে চলে এলাম। আমার ভালোবাসার ব্লগবন্ধুদের সবার প্রতি শুভেচ্ছা।