ইউজার লগইন
ব্লগ
রূপকথা শোনাবো বলে..
আমি আসলে লিখি না। "লিখি না" মানে সিরিয়াসলি লেখা বলতে যা বোঝায় সেরকম কিছু করি না। শুধু নিত্যদিনের সাথী কম্পু'র কী বোর্ডে আঙুলগুলোকে প্রতিদিন অল্প অল্প করে এক্সারসাইজ করাই। মোটা হয়ে গেলে সমস্যা। আরে, আঙুলেরও তো একটা শরীর স্বাস্থ্য আছে, নাকি!
কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে তোমারে দেখিতে দেয় না....

মাঝে মাঝে তব দেখা পাই,
মাঝে মাঝে তব দেখা পাই, চিরদিন কেন পাই না
কেন মেঘ আসে হৃদয়ও আকাশে তোমারে দেখিতে দেয় না
মোহ মেঘে তোমারে দেখিতে দেয় না
মোহ মেঘে তোমারে, অন্ধ করে রাখে, তোমারে দেখিতে দেয় না
ক্ষণিকও আলোকে আঁখিরও পলকে তোমায় যবে পাই দেখিতে
তুমি আমার দিন থেকে রাত
রোদের ফোঁটা
একটা নাম না জানা রাস্তায় চিলতে রোদের ভেতর হঠাৎ তাকে পাওয়া, তারপর অনেকবার হারিয়েছি তাকে!
গ্রীক পুরাণের সৃষ্টি পর্ব - ১
Once upon a time .......
আবার আসিবে ফিরে ... ব্যাড বয়ের কারেন্টের কথা কইতাছিলাম আরকি...
মেজাজ খারাপ হয়া গেলে ভদ্রভাবে কথা কইতে পারিনা ... এই বদভ্যাস টা আগে ছিল না ... বছরখানেক আগে ধরছে
... মনে আছে বাফড়া নিকে সামুতে বারাক ওবামা নিয়া একটা পোস্ট মারছিলাম ... ব্লগার রোবোট (রোবোকপ ডাকি আমি) কমেন্টে লিখলেন যে পোস্টের বক্তব্য ঠিক থাকলেও ভাষা (মানে গালিগালাজ আরকি) নিয়া উনার আপত্তি আছে
:#( ... তারপর আইজকা অনেক কষ্টে একটা ভদ্রভাষায় পোস্ট লিখলাম 
ডাইরী ৮৩
এক.
লোকটা পাগড়ি বেধে হাটছিলো...লাল আচকানে তার জড়িবুটি, পায়ে মল, চোঙা হাতে ডাকছিলো লালে লাল শাহজালাল। আমি তার পিছু হেটে চলে যাই পুরনো শহরে। যে শহরে বেড়ে উঠবার সময়ে শিখেছি বহুকিছু। ব্যর্থতা-বেদনা-সাফল্যের আর বিচ্ছেদের সমগীত।
এ শহরে একদিন আগুণ জ্বলছিলো। আগুণে বারুদ ঢালছিলাম আমরা চরম আয়েশে।
দুই.
আবজাব-৫
শৈশব পার হইছি কোন জন্মে, কৈশোরও গেছে গিয়া, যৌবন ভাটির দিকে ধাবিত হইতেছে। এইভাবে দেখতে দেখতে কবে দেখব যে আজরাইল স্ব-শরীরে চউক্ষের সামনে হাজির হইছে, তার ঠিক পিছনেই মৃত আত্মীয়-স্বজন হাত তুইলা ডাকতেছে, "ওরে মানু বুখে আয়"; অতঃপর অক্ষিগোলক হইতে চক্ষু-যুগল অর্ধেক বাহির কইরা পপাতচ এন্ড মমারচ। বুঝি সবই, তারপরেও কেন জানি মনজঙ্গল হইতে শৈশবের হনুমানটারে কিছুতেই বিদায় করতে পারি না। মানুষ আর গরুর মাঝখানে বুঝি এ
আমার চলচ্চিত্রদর্শন : "অন্তহীন"
ধুলো-ধোঁয়া, ব্যস্ততা আর ইট পাথরের অরণ্যজালে বন্দী এই নগরজীবন, যেখানে মানুষে মানুষে যোগাযোগ মানেই এসএমএস আর মুঠোফোন, জীবন মানেই শেয়ার বাজারের সূচক আর সম্পর্ক মানেই কেবল ফর্মালিটিজ এমন পরিবেশে ভালবাসার খোঁজে মানুষের অন্তহীন পথ চলার কাহিনীই অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী সেলুলয়েডের ফিতায়
"আমার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম"
সবাইকে সালাম, নমস্কার। আসি আসি করে চলে এলাম। আমার ভালোবাসার ব্লগবন্ধুদের সবার প্রতি শুভেচ্ছা।
ফারুকি একজন রকমারি পণ্য বিক্রেতা।
মোস্তফা সরওয়ার ফারুকি (নাম ভূল হইছে কি না জানি না) বিষয়ক সবচেয়ে বড়ো যে সমালোচনা সবাই ভূইলা যায় বইলা আমার মনে হয় তা হইলো আদতে তিনি একজন বিক্রেতা। রকমারি পণ্য বিক্রেতা। মূলত বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের মেধা নিয়া তিনি নাটক এবং লম্বা নাটকের নামে সিনেমা বানাইতেছেন। তার হাত ধইরা বাংলা নতুন ধারার সাহিত্য কোনদিন বাইর হয়া আসে সেই আতংকে আছি। তার নাটকে হোক আর সিনেমায় হোক
ডাইরী ৮২
এক.
আমি বাড়ি ফিরবার পথটারে ভুলে যাই। নাকি বাড়িটারে ভুলে যেতে চাই...রাত গড়িয়ে গড়িয়ে কোথাও যদিবা যেতে চায়, চলে যাক। আমি ঠায় বসে থাকি অন্ধকারের ফুলটারে দেখবো বলে। যদিও আজকের এই রাতের আঁধারে কোন গাছেই ফুটেনি সেই ফুল...আমি গো ধরে বসেছি তবু, বসেছি কিছু একটা দেখার আশায়...হতে পারে সে অন্ধকারের ফুল, পাগলের পাশা খেলা কিম্বা পথভ্রান্ত পথিকের দীর্ঘায়িত ছায়া...
অন্ধকারে আমি নিজের ছায়াটারে আঁকি।
দুই.
আবজাব-৪
ইদানিং কেমন জানি বড়ই অধৈর্য এবং আইলস্যা হইয়া গেছি। লাইব্রেরী হইতে সেইদিন বিদিশার "শত্রুর সঙ্গে বসবাস" বইখানা ধার করলাম, এক মাস পর ফেরত দিতে হবে। পনের দিন পার হইয়া গেছে অথচ মাত্র তিন ভাগের এক ভাগ শেষ করছি। সাথে আরেকটা বইও নিছিলাম নবকুমার সামথিং-এর পঞ্চাশটা গল্প, তার মধ্যে মাত্র একটা পড়া হইছে। মাথার মধ্যে একখান গদ্য এন্ড একখানা পদ্য ঘুরা-ফিরা করতেছে আইলসামির জন্য সেইগুলারও প্রসব হইতেছে না। বিছানা-বা
কী পড়ছি, কী দেখছি, কী শুনছি
কী দেখছি
প্লেনে আমি তেমন ঘুমাতে পারিনা। না ঘুমিয়ে সময় কাটানোর সবচেয়ে প্রিয় উপাদান প্লেনেই আছে। আমি একটার পর একটা মুভি দেখি। অনেকগুলো দেখলামও। এর মধ্যে একটা দেখলাম জীবনে দ্বিতীয় বার। একটা হিন্দি ছবি। অনেক আগে দেখেছিলাম, আবার দেখলাম। দর্শকের মৃত্যু হয়নি।
তিসরি কসম, ১৯৬৬ সালের ছবি। আমার দেখা সেরা হিন্দি ছবির একটি। বাসু ভট্টাচার্যের এই ছবিটি অবশ্যই ভারতের সেরা মুভির একটি।
সোনামুখী সুঁইয়ে রূপালী সুতো ( কিস্তি, এক-ক)
এই সদ্যজাত উপন্যাসের প্রয়াসের কুমারীত্ব হরণের দায়ভার আমরাবন্ধুর । এই যাত্রায় আমরাবন্ধুর বন্ধুদের সহযাত্রী এবং সমালোচক হিসেবে পেলে যাত্রা আনন্দপূর্ণ হবে সন্দেহ নেই ।
এক-ক.