ইউজার লগইন
ব্লগ
ডাইরী ৮৭
এক.
নিজেরে আরশোলা ভেবে উড়িয়ে দিয়েছি, অস্থিরতায় উড়েছে সে দিনের পুরোটা। আর তক্কে তক্কে থাকি রাতভর, আন্ধারে সজীব হবো বলে। সভ্যতারে পিঠে নিয়ে আরশোলার মতো আমিও হয়েছি ইতিহাস।
আহা স্মৃতিময় মানুষেরা বোধয় এমনি বাঁচে...
দুই.
তুমি আরশোলারে ভয় পাবে জেনে আমি মুখোশে ঢেকেছি মুখ। এ যেনোবা মেটা-মেটামরফোসিস। বহুবিধ জানাজানি ঘটে যায় এইবেলা।
মনে মনে স্বগতঃ নিজেরে কথা দেই,
তুমি ফিরে এলে আবারো মানুষ হবো।
জয়িতা কাহন
“ভালো থাকার অন্য কোন মানে নাই,
ভালোথাকা মানে ভালবাসা নিয়ে বাচাঁর ভেতর
আটকে যাই ভালোবাসাহীন ষড়ভুজাকার খাচারঁ ভেতর”
আহমাদ মোস্তফা কামালের আধপেটা উপন্যাস।
অন্ধ জাদুকর উপন্যাসটা আগে একবার পড়ছিলাম। পুরষ্কার পাওয়ার খবর শুইনা আবারো পড়লাম। উপন্যাসের শুরুর দিকটা পড়তে পড়তে মাহমুদুল হকের কালো বরফের কথা মনে হইতেছিল। অন্ধ জাদুকরেও মাহমুদুল হক আছেন বেশ ভালো ভাবেই। আছেন ইলিয়াস, ভিটগেনস্টাইন, ছফাসহ অন্যান্যরা । কিন্তু মাহমুদুল হক আছেন বড়ো একটা অংশ জুইড়া। তার মৃত্যুর পরে লেখকের অনুভূতির অংশ বর্ণনাটা দারুণ। এই অংশটুকু কাব্যময়তায় আর চিত্রনে অসামান্য আবেগের ফুল হয়ে
সুপ্রভাত বাংলাদেশ : এই সুন্দর স্বর্ণালী সকালে (ফিচার রিপোর্ট)
১....
ফ্রেমে বাঁধানো ছবিটার দিকে তাকিয়ে আজও চোখের জল ফেলেন আদাবর এলাকার গৃহিনী সবিতা শাহনাজ । খেলাচ্ছলে ঘরের ইলেকট্রিসিটির প্লাগ পয়েন্টে হাত দিয়ে বসেছিল ৪ বছরের অবুঝ শিশু শাহেদ। সেই যে ছেলেটি জ্ঞান হারালো , আর ফিরে আসেনি। ছেলের চলে যাওয়া কিছুতেই মেনে নিতে পারেন না সবিতা ।
কাব্যগ্রন্থঃ রূপসী বাংলা -– জীবনানন্দ দাশ (ই-বুক)
বছর বারো আগের কথা; স্কুলে পড়ি, ক্লাশ এইটে।। নতুন বই হাতে পেয়ে কবিতা পড়া শুরু করেছি, একটা কবিতায় এসে আটকে গেলাম, চৌদ্দ লাইনের কবিতা; কবিতার নামটা অদ্ভুত, কবির নামও শুনিনি আগে কখনো।
কেমন আছেন ?
ব্লগে লগ ইন কইরা বা অফলাইনে দেখি ব্লগার'রা একরকম ঝিমান। আর তাই দেইখা এই আজাইরা পোস্ট দেওনের খায়েস হইলো।
বন্ধুরা, কেমন আছেন? কি করছেন?
কবির জন্য
রাতভর ঝরে পড়ে গন্ধবকুলের নরম বয়স
এক আঁজল মেঘ গলে গেলে সূর্যের নিপুণ আভাসে ঘুম ভাঙে বিলাসী পাখির
তখন সুরগুলো দূরে মিশে যায়, চিকন সারণির বিষণ্ন স্রোতের মতো
একদিন কলাপাতা এ দেহে কাঁপন তুলেছিল। তোমার শরীরে
তালতমালের ঘ্রাণ ঘুরপাক খেতে খেতে ফুটিয়েছিল অসহ্য কামরাঙা ভ্রূণ
পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই কবি হয়ে জন্মায়, প্রতিটি মানুষের মনে
ডাইরী ৮৬
এক.
আজ তবে থাক শূন্য তোমার প্রান্তর,
নোনা জলে ঢেকে যাক আমার জানালা।
দুই.
আরশোলা গুলো যখন গা বেয়ে উঠেছে
আমি চোখ বুজে পড়ে থাকি ভয়ে।
তিন.
চোখ বুজতেই তুমি এলে
চোখ খুলতেই তোমার প্রস্থান...
প্রেম আসে ঝাঁকে ঝাঁকে।
প্রেম কারো কারো জীবনে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে। এক ঝাঁকের প্রেম অপেক্ষা করে আরেক ঝাঁক না আসা পর্যন্ত। এই পোস্ট এমনই এক মহান প্রেমিকের কয়েক খন্ড উত্থান পতনের কাহিনী।
৩০ জানুয়ারী ২০০৯, শুক্রবার
সপ্তাহ শেষে শুক্রবার ভোরে একটু বেশি ঘুমাই। ঘুম ভাঙ্গলো এক বন্ধু ডাক্তারের ফোনে।
>এক ঘন্টার মধ্যে পিজিতে আসো।
>>ক্যান? কি হইছে?
>>একটা মেয়ে দেখবা। আর এক ঘন্টা থাকবে। দেরি কইরো না।
:D
লেকার কিচু পাই না। তাই পপি থুক্কু কপি-পেস্টই ভরসা। ভায়েরা আবার ১০ শব্দের কম লিকতে দেবে না। বোজেন টেলা। 
"..সোনার বাঁশি আর জীবনপথের টুকরো কথন.."
দুমদুম করে শব্দ হচ্ছে। মাথার ভেতর। এক কান দিয়ে ঢুকে মাথার অলিগলি দিয়ে ঘুরে আরেক কান দিয়ে বেরোচ্ছে। ওটুকু হলেও শান্তি ছিল, শব্দকণাগুলো লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একটা কণা ঢুকছে, মাথার অলিগলিতে মূহুর্তখানেক ঘোরাঘুরি করে আরেক কান দিয়ে বেরোচ্ছে, সাথে সাথে আরেকটা ঢুকছে, ঘুরছে, বেরোচ্ছে, ঘুরছে, বেরোচ্ছে।
আমার চলচ্চিত্রদর্শনঃ "বেহুলা"
১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া "বেহুলা" চলচ্চিত্রটি ছিল বাংলা চলচ্চিত্র ইতিহাসের একটি মাইলফলক। তৎকালীন রক্ষণশীল মুসলিম সমাজের আবেষ্টনে হিন্দু পুরাণ "মনসামঙ্গল" কাব্য থেকে "বেহুলা" নির্মাণ করে জহির রায়হান যে কি পরিমাণের সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু নির্মাতার উপস্থাপনার কৌশল আর নৈপুণ্যে ছবিটির জনপ্রিয়তা লাভ করতে কোনরকম সমস্যা হয় নি।
ডাইরী ৮৫
এক.
আমার চারপাশে আরশোলা কেরম আয়েশে ঘুরেছে, তাদের পা ফেলা দেখে যে কেউ ভেবেছে পোষ্যবত। সাদা চক দিয়ে গন্ডী নির্দিষ্ট করেছি...তাকিয়েছি হেলা করে, তবু আরশোলা প্রায়শঃ ভুল করে আমার শরীরে উঠে আসতে গিয়ে অচেতন পড়ে গেছে পৃথিবীর পথে।
আরশোলাদের জানা নাই, তাহাদের আমি ভালোবাসি নাই কোনকালে।
দুই.
যে লোকটা পাহাড়কে ভালোবাসতো
কালকেও লোকটাকে লিখতে দেখেছি। রাতভোর না পোহাতেই শুনি লোকটা গভীর খাদে পড়ে মারা গেছে। লোকটাকে চিনতাম, খানিকটা জানতাম, শোকাহত আমি সেই ভোর থেকে। খাদের কিনারায় কেন গিয়েছিল লোকটা জানা যায়নি।
লোকটা পাহাড় ভালোবাসতো, ঝর্নার গড়িয়ে চলা ভালোবাসতো, আকাশে মেঘেদের সাথে মিতালী পাতাতে ভালোবাসতো।