ইউজার লগইন
ব্লগ
কাব্যগ্রন্থঃ রূপসী বাংলা -– জীবনানন্দ দাশ (ই-বুক)
বছর বারো আগের কথা; স্কুলে পড়ি, ক্লাশ এইটে।। নতুন বই হাতে পেয়ে কবিতা পড়া শুরু করেছি, একটা কবিতায় এসে আটকে গেলাম, চৌদ্দ লাইনের কবিতা; কবিতার নামটা অদ্ভুত, কবির নামও শুনিনি আগে কখনো।
কেমন আছেন ?
ব্লগে লগ ইন কইরা বা অফলাইনে দেখি ব্লগার'রা একরকম ঝিমান। আর তাই দেইখা এই আজাইরা পোস্ট দেওনের খায়েস হইলো।
বন্ধুরা, কেমন আছেন? কি করছেন?
কবির জন্য
রাতভর ঝরে পড়ে গন্ধবকুলের নরম বয়স
এক আঁজল মেঘ গলে গেলে সূর্যের নিপুণ আভাসে ঘুম ভাঙে বিলাসী পাখির
তখন সুরগুলো দূরে মিশে যায়, চিকন সারণির বিষণ্ন স্রোতের মতো
একদিন কলাপাতা এ দেহে কাঁপন তুলেছিল। তোমার শরীরে
তালতমালের ঘ্রাণ ঘুরপাক খেতে খেতে ফুটিয়েছিল অসহ্য কামরাঙা ভ্রূণ
পৃথিবীর প্রতিটি মানুষই কবি হয়ে জন্মায়, প্রতিটি মানুষের মনে
ডাইরী ৮৬
এক.
আজ তবে থাক শূন্য তোমার প্রান্তর,
নোনা জলে ঢেকে যাক আমার জানালা।
দুই.
আরশোলা গুলো যখন গা বেয়ে উঠেছে
আমি চোখ বুজে পড়ে থাকি ভয়ে।
তিন.
চোখ বুজতেই তুমি এলে
চোখ খুলতেই তোমার প্রস্থান...
প্রেম আসে ঝাঁকে ঝাঁকে।
প্রেম কারো কারো জীবনে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে। এক ঝাঁকের প্রেম অপেক্ষা করে আরেক ঝাঁক না আসা পর্যন্ত। এই পোস্ট এমনই এক মহান প্রেমিকের কয়েক খন্ড উত্থান পতনের কাহিনী।
৩০ জানুয়ারী ২০০৯, শুক্রবার
সপ্তাহ শেষে শুক্রবার ভোরে একটু বেশি ঘুমাই। ঘুম ভাঙ্গলো এক বন্ধু ডাক্তারের ফোনে।
>এক ঘন্টার মধ্যে পিজিতে আসো।
>>ক্যান? কি হইছে?
>>একটা মেয়ে দেখবা। আর এক ঘন্টা থাকবে। দেরি কইরো না।
:D
লেকার কিচু পাই না। তাই পপি থুক্কু কপি-পেস্টই ভরসা। ভায়েরা আবার ১০ শব্দের কম লিকতে দেবে না। বোজেন টেলা। 
"..সোনার বাঁশি আর জীবনপথের টুকরো কথন.."
দুমদুম করে শব্দ হচ্ছে। মাথার ভেতর। এক কান দিয়ে ঢুকে মাথার অলিগলি দিয়ে ঘুরে আরেক কান দিয়ে বেরোচ্ছে। ওটুকু হলেও শান্তি ছিল, শব্দকণাগুলো লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একটা কণা ঢুকছে, মাথার অলিগলিতে মূহুর্তখানেক ঘোরাঘুরি করে আরেক কান দিয়ে বেরোচ্ছে, সাথে সাথে আরেকটা ঢুকছে, ঘুরছে, বেরোচ্ছে, ঘুরছে, বেরোচ্ছে।
আমার চলচ্চিত্রদর্শনঃ "বেহুলা"
১৯৬৬ সালে মুক্তি পাওয়া "বেহুলা" চলচ্চিত্রটি ছিল বাংলা চলচ্চিত্র ইতিহাসের একটি মাইলফলক। তৎকালীন রক্ষণশীল মুসলিম সমাজের আবেষ্টনে হিন্দু পুরাণ "মনসামঙ্গল" কাব্য থেকে "বেহুলা" নির্মাণ করে জহির রায়হান যে কি পরিমাণের সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু নির্মাতার উপস্থাপনার কৌশল আর নৈপুণ্যে ছবিটির জনপ্রিয়তা লাভ করতে কোনরকম সমস্যা হয় নি।
ডাইরী ৮৫
এক.
আমার চারপাশে আরশোলা কেরম আয়েশে ঘুরেছে, তাদের পা ফেলা দেখে যে কেউ ভেবেছে পোষ্যবত। সাদা চক দিয়ে গন্ডী নির্দিষ্ট করেছি...তাকিয়েছি হেলা করে, তবু আরশোলা প্রায়শঃ ভুল করে আমার শরীরে উঠে আসতে গিয়ে অচেতন পড়ে গেছে পৃথিবীর পথে।
আরশোলাদের জানা নাই, তাহাদের আমি ভালোবাসি নাই কোনকালে।
দুই.
যে লোকটা পাহাড়কে ভালোবাসতো
কালকেও লোকটাকে লিখতে দেখেছি। রাতভোর না পোহাতেই শুনি লোকটা গভীর খাদে পড়ে মারা গেছে। লোকটাকে চিনতাম, খানিকটা জানতাম, শোকাহত আমি সেই ভোর থেকে। খাদের কিনারায় কেন গিয়েছিল লোকটা জানা যায়নি।
লোকটা পাহাড় ভালোবাসতো, ঝর্নার গড়িয়ে চলা ভালোবাসতো, আকাশে মেঘেদের সাথে মিতালী পাতাতে ভালোবাসতো।
আদুরির শব্দকঙ্কাল : পর্ব এক
এই গল্পটি লিখতে শুরু করেছি। এর আদিও জানি না, অন্তও জানি না। লিখতে লিখতে যাচ্ছি। শুধু জানি একটি জলের ভিতর থেকে একটি শহর উঠে আসছে। তার গাছগাছালি, গরু ছাগল, আর যন্তরমন্তরের হাড়গোড়। যতটুকু লিখব ততটুকু আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।
দাবাত প্রার্থনা মূলক পোস্ট
।
.
।
.
।
ইয়ে মানে অনেকদিন ধানমন্ডি ৫ এর ফুচকা খাইনা। আছেন কুনু দয়াবান/বতী যে আগামী শনিবারে ধানমন্ডি ৫ এর ফুচকার দুকানে দাবাত দিবেন???
না দিলে সেই ৫ বছর আগে যা কর্ছিলাম সেউডাই করমু কৈলাম...

ডাইরী ৮৪
এক.
গতোকাল গিয়েছে আগুনে, আজ জলে সাতার কাটি। জলের ঘনত্ব আমারেও নিয়ে গ্যাছে স্বপ্নের সমব্রানিয়ায়। ডুব সাতারের খেলা চলেছে সেখানে।
দুই.
আমাদের জলপ্রীতি ছিলো এই কথা শত্রুও কখনো কয় নাই। আমরা স্থলজ আবেগে ছিলাম আজীবন।
তিন.
আমি অপেক্ষায় থাকি...তুমি এসে দাঁড়াতেই খুলে যাবে দরোজা, বেষ্টনী। হুল বের করে বসে থাকি যদি কোন মৌখোর বিবাগী এসে হানা দ্যায়...
স্বপ্নের সাথে হাঁটা, স্বপ্নের জন্য হাঁটা
হাঁটাহাঁটি আমার সেই রকম প্রিয় ।
হাঁটতে হাঁটতেই স্বপ্নের সাথে হাঁটা স্বপ্নের জন্য হাঁটা,কথাটা পেয়েছিলাম ,(হায়রে চন্দ্রবিন্দু! এত জালায়! লিখতে অনেক কষ্ট হয়, চন্দ্রবিন্দু না থাকলে ভূতরা আত্মহত্যা করত হয়তবা কিন্তু আমাগো তো ব্রাট সুবিধা হইত! শফিক রেহমান তো খুশিতে একখান লাল গোলাপ নিয়া... ) ।
বিজলী এখন মানু'র ঘরে...
যৌবন তাহার ভাটির দিকে গিয়াও আবার কিরুপে কিসের সহায়তায় যৌবন উষালগনে গমন হইল এবিষয়ে আশ্চর্যান্বিত হইয়াছেন রায়হানভাই । উনার মতে - “ বিষয় কী, যৌবন একবার শুইয়া পইরা আবার খারায় যাইতেছে কেমনে!!”
সদুত্তর না দিয়া আবজাব বুঝাইলেন পাঠকদের… কিন্তু মনের কথা বনে থুক্কু ব্লগে না বলে বলেছেন খোমাখাতায়।
মানুষ এখন বিবাহিত।