ইউজার লগইন
ব্লগ
ডাইরী ৯০
..............................................................................
..............................................................................
..............................................................................
..............................................................................
..............................................................................
বাংলাদেশের বর্তমান নারী এবং সামাজিক অবক্ষয়!
কেসলারের ল’অব কোয়েন্সিডেন্ট বলে একটি কথা আছে। এই ল’ যা বলতে চায় তা হলো, পৃথিবীতে কোন একটি জায়গায় একই ঘটনা হঠাৎ করে বার বার ঘটতে থাকে। এই ল’কে অনেকে বলেন, দিস ইজ রেয়ার ল’ অব কোয়েন্সিডেন্ট। অর্থাৎ এই ল’ সচরাচর ঘটতে দেখা যায় না।
দুঃখিত..
দুঃখিত ব্লগিং আর জার্নালিজম একই ব্যাপার নয়। তাই লেখালেখির এখানেই ইতি।
হাবিজাবি পোস্ট (কি লিখতে কি লিখি)
১)
গত দুইদিন ঝিরঝির বৃষ্টি ছিলো; গতকাল রাতে ঘুমোনোর সময় ভাবলাম আগামীকাল(আজ) খিচুরী রান্না করবো, আজ সকাল থেকে আর বৃষ্টি ছিলো না, কড়া রোদ ছিলোনা তবে মেঘলাও ছিলোনা, বাদ দিলাম খিচুরী রাঁধলাম ভাত, সন্ধে থেকে শুরু বৃষ্টির।
বৃষ্টি আমার সাথে সৃষ্টি ছাড়া আচরণ প্রায়সই করে। আমি বিছানার চাদর বালিশের কাভারের মতন বড় বড় জিনিস ধুলে রৌদ্রজ্জ্বল আকাশ থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে যায়।
২)
আমাদের দিনবদলের গল্প-দুই
আরেকটা দিন বদলের ঘটনা ঘটেছে। বলা যায় দিনবদলের প্রতিযোগিতা। এবং অবশ্যই অশুভ। সে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী অথবা সম্ভাব্য সুবিধাভূগী না হওয়ার পরও তার ছোঁয়া লেগেছে আমার, আমার প্রতিবেশীদের জীবনে। মানে আমাদেরও দিন বদল ঘটেছে। কিছুটা।
শেষ পোস্ট :)
পহেলা বৈশাখে একটি ই-পুস্তক প্রকাশিত হবে 'আমরা বন্ধু' থেকে।
বিষয়: 'স্মৃতির পহেলা বৈশাখ' যেই বিষয়ে লোকেনদা আপনাদের বেশ কয়েক বার অবগত করেছেন।
আজ লেখা পাঠানোর শেষ দিন... লোকেনদা ইলেক্ট্রিসিটির জটিলতায় কম্পুউটারে বসার সুযোগ পাচ্ছেন্না। তাই মনে করিয়ে দেয়ার জন্য পোস্ট দিলাম।
স্বপ্ন উড়াই স্বপ্ন পোড়াই
স্বপ্ন উড়াই স্বপ্ন পোড়াই
থাকলো বাকি কি
আমার হাতের আয়নাতে আজ
তোমায় দেখেছি
.....................................................
আকাশে উঁকি দিয়ে কালো পথিবীর দিকে তাকিয়ে আছে সাদা চাঁদ
ধবধবে সাদা জ্যোৎস্নায় চারিদিক আলোকময়
কিন্তু একি? সাদা চাদের গায়ে ওগুলো কিসের দাগ
ছোপছোপ কালো দাগগুলো কিসের,
ওগুলো কি চাদের কলংক?
না শুভ্র চাদের গায়ে কলংক দিতে হয় না
ওগুলো চাদের টুকরো টুকরো কষ্টগুলো
দুই পংক্তির লঘু পয়ার
এক.
ভাটিবাসী মেয়ে তুমি উজানেতে যাও
ঐখানে বিষধর সাপের নিবাস।
দুই.
নিয়মিত শ্বাস ফেলে অনিয়মে বাঁচি
ঘুম চোখে ঘুম ভুলে একেছি স্বপন।
তিন.
ফেরার সময় হলে জানি ফিরেছে সবাই
ঘরের মেঝেতে বাজে পায়ের আওয়াজ।
চার.
বহুদিন পথ ভুলে গিয়েছি সেথায়
পথ চিনে যেতে হলে ভুলেছি শপথ।
পাঁচ.
অপরাধে অপরাধী নিজেকে জেনেছি
জেনেছি এমন হলে মাথা নত হয়।
সাময়িক পোস্ট- হারানো পোস্ট
ব্লগার জনৈক বাংগালের একটা পোস্ট ছিলো এখানে? কৈ গেলো?
বাঙালি মুসলমানের সাংস্কৃতিক টানাপোড়ন
ধর্ম এর সংস্কৃতি এই দু'য়ের মাঝখানে প্যাচে পইড়া বাঙালী মুসলিম আজ দ্বিধা বিভক্ত। আর চামে একদিকে ধর্মান্ধ আর জামাতীরা অন্যদিকে ধর্ম উন্নাসিক আর তথাকথিত বাঙালী সংস্কৃতির ধারকরা এই প্যাচটারে আরও ল্যাজে গোবরে কইরা ফেলছে।
১। বাঙালী মুসলিম তাই নিজের পোলামাইয়াগো আরবী/বাংলা নাম কেউ বুইঝা রাখে কেউ না বুইঝা রাখে। ২।কেউ সংস্কৃতি বুইঝা করে কেউ না বুইঝা করে।
একটা আলোচনা: বাঙালি মুসলমানের বিজাতীয় নাম
গতকাল বন্ধু ফোন করলে কথায় কথায় জিজ্ঞাস করলাম ছেলের নাম কী রেখেছে। একটা আরবি নাম বলল আর ডাক নাম আরাব। আমি বললাম একেবারে সৌদি আরব ই রাখতি। এই বিষয়ে আমি মনে হয় একটু বেশি জাতীয়তাবাদি। বাঙালি মুসলমান এমনে বাংলা নিয়া জান কোরবান করে ফেলে। কিন্তু নাম রাখার বিষয়ে জাতিগত অহম মোটেও কাজ করেনা। সেই সময় জাতীয়তা ফেলে ধর্মীয় পরিচয়টাই তার কাছে আসল। সোমালিয়া, ইয়েমেন, সৌদি নাম থেকে তারে আলাদা করা যায় না।
আমাদের দিনবদলের গল্প-এক
কিছু দিন দেশে ছিলাম না। মাত্র দশ দিন। এর মধ্যে দেখি অনেক কিছু বদলে গেছে। বাসার অদূরে যে চওড়া রাস্তাটি ছিল সেটি বদল হয়ে, তার মোটাতাজা শরীরটা কমে গিয়ে বেশ স্লীম হয়ে গেছে। কর্পোরেট দুনিয়ায় বাজারী সৌন্দর্য্যরে বিকিকিনি চলে। ওখানে স্লীম ফিগারের অনেক কদর। কিন্তুু রাস্তার সৌন্দর্যতো এ রকম সূচকে নির্ধারিত হয় না বলেই জানি। বরং এ মহানগরীর রাস্তাগুলো পর্যাপ্ত চওড়া নয় বলে আমরা আফসোস করি। যানজটে প্রতিদিন নষ্
পরামর্শ প্রয়োজন-জরুরী
.
.
.
.
.
একটা ছোট্ট পাখি আমার টেবিলে ঘুমাচ্ছে। পাখিটা আমার অফিসের সিঁড়ি ঘরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাকে মাথায় পানি দেয়ার পর মাঝে মাঝে চোখ মেলে তাকাচ্ছে। আবহাওয়া কতোটা খারাপ বুঝতে পারছি। অনেক বছর আগে এরকমই এক গরমে একটা অসুস্থ্য পাখিকে সুস্থ্য করে আকাশে উড়িয়ে দিয়েছিলাম। আশা করছি এই পাখিটাকেও সুস্থ্য করতে পারবো।
আপনাদের কোন পরামর্শ থাকলে জানান।
বন্ধুদের আড্ডা কাল বিকালে
১৭, মার্চ সাঈদ ভাই এর বাসায় জমেছিলো বন্ধুদের মিলন মেলা। আড্ডা, খাওয়া, আড্ডা। সকাল থেকে রাত। সাঈদ ভাই কে আমরা আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ দেইনি। কারণ ধন্যবাদ দিলে বুঝানো যাবে না, ভালোলাগা, ভালোবাসা। আমরা এই ব্লগের মানুষগুলো এক পরিবারের সদস্য। এই ব্লগ আমাদের ভালোবাসা, ভালাবাসায় জড়িয়ে থাকে সবাই সবাইকে। কতদিন হয়ে গেলো সবার সাথে দেখা হয় না!
আজগুবি ছড়া
গুঁড়ে চিনি দুধে দধি ঘোলে মাখন মেখে
একটুখানি দেখুন চেখে কী ভয়ানক স্বাদ
ঘোড়ার উপর বসুন চেপে কিংবা হাতির পিঠে
এরপরে দিন পদ্মা পাড়ি ডিঙ্গিতে পাল তুলে
শীতের রাতে গোসল করুন পুকুরজলে নেবে
উদোম গায়ে শুয়ে ঘরে দিন এসিটা ছেড়ে
বালু দিয়ে ঘর বানালে পাবেন বালির ঘর
কলাগাছের তক্তা দিয়ে খাট বানাবেন তবে
বইপুস্তক পড়তে গেলে চাপ বেড়ে যায় ব্রেনে
এরচে ভালো বইগুলো সব খান গুলিয়ে জলে