ইউজার লগইন
ব্লগ
ফারুকি একজন রকমারি পণ্য বিক্রেতা।
মোস্তফা সরওয়ার ফারুকি (নাম ভূল হইছে কি না জানি না) বিষয়ক সবচেয়ে বড়ো যে সমালোচনা সবাই ভূইলা যায় বইলা আমার মনে হয় তা হইলো আদতে তিনি একজন বিক্রেতা। রকমারি পণ্য বিক্রেতা। মূলত বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মাণের মেধা নিয়া তিনি নাটক এবং লম্বা নাটকের নামে সিনেমা বানাইতেছেন। তার হাত ধইরা বাংলা নতুন ধারার সাহিত্য কোনদিন বাইর হয়া আসে সেই আতংকে আছি। তার নাটকে হোক আর সিনেমায় হোক
ডাইরী ৮২
এক.
আমি বাড়ি ফিরবার পথটারে ভুলে যাই। নাকি বাড়িটারে ভুলে যেতে চাই...রাত গড়িয়ে গড়িয়ে কোথাও যদিবা যেতে চায়, চলে যাক। আমি ঠায় বসে থাকি অন্ধকারের ফুলটারে দেখবো বলে। যদিও আজকের এই রাতের আঁধারে কোন গাছেই ফুটেনি সেই ফুল...আমি গো ধরে বসেছি তবু, বসেছি কিছু একটা দেখার আশায়...হতে পারে সে অন্ধকারের ফুল, পাগলের পাশা খেলা কিম্বা পথভ্রান্ত পথিকের দীর্ঘায়িত ছায়া...
অন্ধকারে আমি নিজের ছায়াটারে আঁকি।
দুই.
আবজাব-৪
ইদানিং কেমন জানি বড়ই অধৈর্য এবং আইলস্যা হইয়া গেছি। লাইব্রেরী হইতে সেইদিন বিদিশার "শত্রুর সঙ্গে বসবাস" বইখানা ধার করলাম, এক মাস পর ফেরত দিতে হবে। পনের দিন পার হইয়া গেছে অথচ মাত্র তিন ভাগের এক ভাগ শেষ করছি। সাথে আরেকটা বইও নিছিলাম নবকুমার সামথিং-এর পঞ্চাশটা গল্প, তার মধ্যে মাত্র একটা পড়া হইছে। মাথার মধ্যে একখান গদ্য এন্ড একখানা পদ্য ঘুরা-ফিরা করতেছে আইলসামির জন্য সেইগুলারও প্রসব হইতেছে না। বিছানা-বা
কী পড়ছি, কী দেখছি, কী শুনছি
কী দেখছি
প্লেনে আমি তেমন ঘুমাতে পারিনা। না ঘুমিয়ে সময় কাটানোর সবচেয়ে প্রিয় উপাদান প্লেনেই আছে। আমি একটার পর একটা মুভি দেখি। অনেকগুলো দেখলামও। এর মধ্যে একটা দেখলাম জীবনে দ্বিতীয় বার। একটা হিন্দি ছবি। অনেক আগে দেখেছিলাম, আবার দেখলাম। দর্শকের মৃত্যু হয়নি।
তিসরি কসম, ১৯৬৬ সালের ছবি। আমার দেখা সেরা হিন্দি ছবির একটি। বাসু ভট্টাচার্যের এই ছবিটি অবশ্যই ভারতের সেরা মুভির একটি।
সোনামুখী সুঁইয়ে রূপালী সুতো ( কিস্তি, এক-ক)
এই সদ্যজাত উপন্যাসের প্রয়াসের কুমারীত্ব হরণের দায়ভার আমরাবন্ধুর । এই যাত্রায় আমরাবন্ধুর বন্ধুদের সহযাত্রী এবং সমালোচক হিসেবে পেলে যাত্রা আনন্দপূর্ণ হবে সন্দেহ নেই ।
এক-ক.
টেস্ট পোস্ট
ইহা একটি টেস্ট পোস্ট। বাই দ্য ওয়ে, এই ব্লগ তো দেখি মারাত্মক হিজিবিজিময়, কিছুই বুঝতাছি না।
আহলান ওয়া সাহলান।
এক অলস বিড়ালের প্রেম ও এক 'সুশীল' মানুষের অমানবিকতার গল্প
শব্দটা ক্ষীন, কিন্তু বাঁশীর মতো তীক্ষ্ণ। আধোঘুমে বুঝতে পারছিলাম না ঠিক কোথা থেকে শব্দটা আসছে। বাইরে থেকেও হতে পারে। আমি যে ঘরে ঘুমোতাম তার দুটো জানালা ছিল। খাটের পায়ের দিকে একটা, বামদিকে আরেকটা। জানালা খোলা, পর্দাগুলো নামানো। আরেকটু ঘোর কাটতেই শব্দটা আরো পরিষ্কার হলো। বেড়াল ছানার আওয়াজ নয়তো?
তোমরা ছাড়াই চলছি দেখ...
শেষ পর্যন্ত ওরা দুটো মিলেই গেলো,
আগেও মিলেছে-একবার দুবার বহুবার
এবং এই এবার এখন ঐ তো
...কাঁধের সাথে কাঁধের তার নিবীর স্পর্শ
পাশাপাশি পায়ের পাতার অনুকম্পন তোলা ছন্দ
একমুখী, সে মুখ সামনে ...ভুলেই গেছে পেছনের অবস্থান
সেখানে থাকতে পারি , আমি বা আমার সাথে আমার ভাব
কিংবা সেই ধুলো গুলোর মিশ্রন বা নিসঙ্গ গাছের ঝরা পাতা
এমনকি মৃত বৃষ্টির চিহ্ণ এবং কোন কোন স্বপ্নের কবর।
ডাইরী ৮১
এক.
রাতের আঁধারে বৃষ্টি ফোঁটা দেখতে পারিনি...বিদ্যুৎ মন্ত্রী দু'ঘন্টা নিভিয়ে রেখেছিলেন সব আলো। তবুও ভিজেছে আমার সময়, তারে ঠেকাতে পারেনি কোন মন্ত্রণালয়ের কেউ। জলের তোড়ে যখন ভেসেছে শব্দগুচ্ছ, কোন প্রহরী আসেনি...স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চুপ থেকেছে।
দুই.
পলান্তিস কিন্তু শুরু হয়া গেছে... হুশিয়ার
রাজাকারের দল জাতে ছাগু হইলেও তালে কিন্তু এক্কেরে ঠিক। এইবার যে আর কোনো ধানাই পানাই টিকবো না, মরন যে সমাগত, সেইটা তারা বুইঝা গেছে। নানারকম হুমকী ধামকী দিতেছে। তারা নাকি হেন করেঙ্গা ত্যান করেঙ্গা। কিন্তু তলে তলে ঠিকই পলানির রাস্তা ধরছে।
খবর দ্রষ্টব্য: http://prothom-alo.com/detail/date/2010-03-28/news/52237
ডাইরী ৮০
I am just waiting to see my fate crawling along your exposure...
এক.
আমি ক্রমাগত গড়িয়ে চলেছি পৃথিবীর পথে। সুনির্দিষ্ট করে কই, তোমার দৃষ্টির সীমানায়। যদ্দূর আলোর চলাচল। পিক্সেলে পিক্সেলে যদ্দূর ধরা পড়ে। কাঁদামাটি, জলের আধার, টিলাময় খরমাটি পেরিয়ে যখন মনে করি এইতো তোমার কাছে পৌছেছি এবার...চোখ তুলে চাইলে দেখি তুমি আসলেই বহুদূর দেখো...
বহুদূর...
দুই.
▓▒░ সম্পর্ক ░▒▓

চন্দ্র-সূর্য,
পৃথিবী যেদিন উত্তপ্ত, মাটি তার সৃষ্টির মায়ায় উজ্বল
সেদিন বন্ধুত্বের আবদার রক্ষায় ব্রতী হয়ে সমুদ্র এল ধরার বুকে
মমতার প্লাবন নিয়ে ভেসে গেলে সব।
চন্দ্র-সূর্য ভ্রাতৃদ্ধয় তাদের প্রতিজ্ঞা রক্ষা করতে পারেনি বানের তোড়ে
তারা আকাশে অবস্থান নেয় নিরাপদে।
সাগরও আর ফিরে যায়নি
চন্দ্র-সূর্যও আর ফিরে আসেনি,
তিন বন্ধু দূরে দূরে থেকে নিরাপদ বন্ধুত্ব বজায় রাখে ... চিরদিন।
সূর্য গ্রহনের একদিনে
সূর্যের দুঃখে সাগর ফুঁসে উঠে,
আসে প্লাবন, মাটির বাসিন্দারা ধুলিস্যাৎ হয়ে যায়।
মাত্র অল্প কিছু কিস্তিতে আরোহন করে বেঁচে যায়
শেষে চন্দ্র এসে মিমাংসা করে,
স্বপ্নের বাংলাদেশ: সংশোধিত কপি সংযুক্ত

যান্ত্রিক কিছু সীমাবদ্ধতার জন্য দেরী হয়ে গেলো। দুঃখ প্রকাশ করছি।
যাক সে কথা। তবু প্রকাশ হলো আমাদের "স্বপ্নের বাংলাদেশ"
আমরা বন্ধুর প্রথম ই-পুস্তক।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আমরা বন্ধুর বন্ধুরা রচেছেন স্বপ্নের বাংলাদেশের ছবি। তাই নিয়ে এই ই-পুস্তক।
ডাইরী ৭৯
এক.
কেবল সুখের স্মৃতি সমূহেই তবে আমরা মনযোগ দেই। আহা মৃত মানুষ, তোমার মানবিক অস্তিত্ব নিয়েছে কেড়ে...সামাজিক নিয়ম কানুন এমনি নচ্ছার। মানুষ মরলে পরে তার দায় তবে কার ঘাড়ে চাপে? মৃত মানুষেরে যদি পবিত্র বেড়ার আড়ালেই সমাহিত করি তবে কইলাম এইবেলা,
হেইল হিটলার!
দুই.
যাইত্যাছি যাইত্যাছি কই যাইত্যাছি জানিনা
এই নামে আবু হাসান শাহরিয়ার (কবির নাম ভুলও হইতে পারে) এর একটা প্রবন্ধের বই আছে। প্রবন্ধগুলান আমি পড়িনাই। তবে নাম দেইখা মনে হইলো প্রবন্ধগুলাতে লেখক হয়তো জীবনের গূঢ় রহস্য ভেদ করবার একখান চেষ্টা করছেন। আমি জীবনের গূঢ় রহস্যের খেতা পুড়ি। যদিও আমারও ঐ নামের মতোই অবস্হা।
যাইত্যাছি যাইত্যাছি কই যাইত্যাছি জানিনা।