ইউজার লগইন
ব্লগ
টেস্ট পোস্ট
ইহা একটি টেস্ট পোস্ট। বাই দ্য ওয়ে, এই ব্লগ তো দেখি মারাত্মক হিজিবিজিময়, কিছুই বুঝতাছি না।
আহলান ওয়া সাহলান।
এক অলস বিড়ালের প্রেম ও এক 'সুশীল' মানুষের অমানবিকতার গল্প
শব্দটা ক্ষীন, কিন্তু বাঁশীর মতো তীক্ষ্ণ। আধোঘুমে বুঝতে পারছিলাম না ঠিক কোথা থেকে শব্দটা আসছে। বাইরে থেকেও হতে পারে। আমি যে ঘরে ঘুমোতাম তার দুটো জানালা ছিল। খাটের পায়ের দিকে একটা, বামদিকে আরেকটা। জানালা খোলা, পর্দাগুলো নামানো। আরেকটু ঘোর কাটতেই শব্দটা আরো পরিষ্কার হলো। বেড়াল ছানার আওয়াজ নয়তো?
তোমরা ছাড়াই চলছি দেখ...
শেষ পর্যন্ত ওরা দুটো মিলেই গেলো,
আগেও মিলেছে-একবার দুবার বহুবার
এবং এই এবার এখন ঐ তো
...কাঁধের সাথে কাঁধের তার নিবীর স্পর্শ
পাশাপাশি পায়ের পাতার অনুকম্পন তোলা ছন্দ
একমুখী, সে মুখ সামনে ...ভুলেই গেছে পেছনের অবস্থান
সেখানে থাকতে পারি , আমি বা আমার সাথে আমার ভাব
কিংবা সেই ধুলো গুলোর মিশ্রন বা নিসঙ্গ গাছের ঝরা পাতা
এমনকি মৃত বৃষ্টির চিহ্ণ এবং কোন কোন স্বপ্নের কবর।
ডাইরী ৮১
এক.
রাতের আঁধারে বৃষ্টি ফোঁটা দেখতে পারিনি...বিদ্যুৎ মন্ত্রী দু'ঘন্টা নিভিয়ে রেখেছিলেন সব আলো। তবুও ভিজেছে আমার সময়, তারে ঠেকাতে পারেনি কোন মন্ত্রণালয়ের কেউ। জলের তোড়ে যখন ভেসেছে শব্দগুচ্ছ, কোন প্রহরী আসেনি...স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চুপ থেকেছে।
দুই.
পলান্তিস কিন্তু শুরু হয়া গেছে... হুশিয়ার
রাজাকারের দল জাতে ছাগু হইলেও তালে কিন্তু এক্কেরে ঠিক। এইবার যে আর কোনো ধানাই পানাই টিকবো না, মরন যে সমাগত, সেইটা তারা বুইঝা গেছে। নানারকম হুমকী ধামকী দিতেছে। তারা নাকি হেন করেঙ্গা ত্যান করেঙ্গা। কিন্তু তলে তলে ঠিকই পলানির রাস্তা ধরছে।
খবর দ্রষ্টব্য: http://prothom-alo.com/detail/date/2010-03-28/news/52237
ডাইরী ৮০
I am just waiting to see my fate crawling along your exposure...
এক.
আমি ক্রমাগত গড়িয়ে চলেছি পৃথিবীর পথে। সুনির্দিষ্ট করে কই, তোমার দৃষ্টির সীমানায়। যদ্দূর আলোর চলাচল। পিক্সেলে পিক্সেলে যদ্দূর ধরা পড়ে। কাঁদামাটি, জলের আধার, টিলাময় খরমাটি পেরিয়ে যখন মনে করি এইতো তোমার কাছে পৌছেছি এবার...চোখ তুলে চাইলে দেখি তুমি আসলেই বহুদূর দেখো...
বহুদূর...
দুই.
▓▒░ সম্পর্ক ░▒▓

চন্দ্র-সূর্য,
পৃথিবী যেদিন উত্তপ্ত, মাটি তার সৃষ্টির মায়ায় উজ্বল
সেদিন বন্ধুত্বের আবদার রক্ষায় ব্রতী হয়ে সমুদ্র এল ধরার বুকে
মমতার প্লাবন নিয়ে ভেসে গেলে সব।
চন্দ্র-সূর্য ভ্রাতৃদ্ধয় তাদের প্রতিজ্ঞা রক্ষা করতে পারেনি বানের তোড়ে
তারা আকাশে অবস্থান নেয় নিরাপদে।
সাগরও আর ফিরে যায়নি
চন্দ্র-সূর্যও আর ফিরে আসেনি,
তিন বন্ধু দূরে দূরে থেকে নিরাপদ বন্ধুত্ব বজায় রাখে ... চিরদিন।
সূর্য গ্রহনের একদিনে
সূর্যের দুঃখে সাগর ফুঁসে উঠে,
আসে প্লাবন, মাটির বাসিন্দারা ধুলিস্যাৎ হয়ে যায়।
মাত্র অল্প কিছু কিস্তিতে আরোহন করে বেঁচে যায়
শেষে চন্দ্র এসে মিমাংসা করে,
স্বপ্নের বাংলাদেশ: সংশোধিত কপি সংযুক্ত

যান্ত্রিক কিছু সীমাবদ্ধতার জন্য দেরী হয়ে গেলো। দুঃখ প্রকাশ করছি।
যাক সে কথা। তবু প্রকাশ হলো আমাদের "স্বপ্নের বাংলাদেশ"
আমরা বন্ধুর প্রথম ই-পুস্তক।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আমরা বন্ধুর বন্ধুরা রচেছেন স্বপ্নের বাংলাদেশের ছবি। তাই নিয়ে এই ই-পুস্তক।
ডাইরী ৭৯
এক.
কেবল সুখের স্মৃতি সমূহেই তবে আমরা মনযোগ দেই। আহা মৃত মানুষ, তোমার মানবিক অস্তিত্ব নিয়েছে কেড়ে...সামাজিক নিয়ম কানুন এমনি নচ্ছার। মানুষ মরলে পরে তার দায় তবে কার ঘাড়ে চাপে? মৃত মানুষেরে যদি পবিত্র বেড়ার আড়ালেই সমাহিত করি তবে কইলাম এইবেলা,
হেইল হিটলার!
দুই.
যাইত্যাছি যাইত্যাছি কই যাইত্যাছি জানিনা
এই নামে আবু হাসান শাহরিয়ার (কবির নাম ভুলও হইতে পারে) এর একটা প্রবন্ধের বই আছে। প্রবন্ধগুলান আমি পড়িনাই। তবে নাম দেইখা মনে হইলো প্রবন্ধগুলাতে লেখক হয়তো জীবনের গূঢ় রহস্য ভেদ করবার একখান চেষ্টা করছেন। আমি জীবনের গূঢ় রহস্যের খেতা পুড়ি। যদিও আমারও ঐ নামের মতোই অবস্হা।
যাইত্যাছি যাইত্যাছি কই যাইত্যাছি জানিনা।
শিশুদের অবক্ষয়
এই লেখাটা শিশুদের নিয়ে হলেও আঠারোর নিচে যাদের বয়স, তাদের প্রবেশ কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হলো।
স্মৃতি হয়ে শুধু আছি ছবি হয়ে রয়ে গেছি
অনেকদিন ধরে লেখালেখি বন্ধ, নানা কারণ আর অকারণে। আজ কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে কিন্তু অভ্যাস চলে যাওয়াতে কোথা থেকে শুরু করব ঠিক বুঝতে পারছি না কিংবা ভাবনাগুলোকে ঠিক গোছাতে পারছি না। অথচ অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে। মনটা বিক্ষিপ্ত থাকলে, লেখার খাতায় আঁকিবুকি মনটাকে অনেকটাই শান্ত করে আনে। লেখালেখি আমার জন্য অনেকটা প্রার্থনার কাজ করে অনেক সময়। ছোটবেলার কথা মনে পড়ছে সারাটাদিন ধরে। প্রচন্ড ব্যস্ততার জন্যই হয়ত
নিউ ইয়র্কের কবিতা : পাঁচটি পুরনো কবিতা
জার্নাল: ঘুমপার্ক থেকে
চড়ুই পাখিটা এসেছিল
আমি ঘুমিয়ে পড়ার আগে
রোদ্দুরকে দেখেছিলাম আমার গলা অবধি
একটা উমের চাদর বিছিয়ে দিয়েছে,
দূর থেকে কানে ভেসে আসছিল-
কে যেন সাদা পুকুরের উপর রিনি ঝিনি করে
পা মেলাচ্ছে, বাজছে খয়েরি ভায়োলিন
আর ফুটে উঠছে আস্ত লাল লাল পদ্ম
সেই সুর আমি আজও মনে করতে পারি
মনে করতে পারি দুচোখে ঘুম জড়িয়ে আসছে
একটি বার্চ গাছ তার খোলস বদলে দাড়িয়ে রয়েছে
শুভ জন্মদিন মাসুম ভাই
লিখেছি আর মুছেছি, গুছিয়ে লিখতে আর পারছি না। আবার কিছু লেখার লোভও সামলাতে পারছি না। জন্মদিনটা আমার কাছে সবসময়ই মনে হয় বিশেষ একটি দিন। আমরা প্রতিমূহুর্তই খুব কাছের বন্ধু, খুব কাছের মানুষদের জন্য শুভকামনা করি, ভালোবাসি, অনুভবে ছুঁয়ে থাকি। তারপরও বিশেষ কোন দিনে আমরা বন্ধুর, কাছের মানুষের সামনে ভালোবাসা, শুভেচ্ছা, শুভকামনা, শ্রদ্ধা জড়ো করি।
কত রঙ্গ দেখি দুনিয়ায় ----- [হীরক রাজার দেশে]

'ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে' এই কথা আবারো প্রমান করিবার জন্য অদ্য গানের পোস্ট দাখিল করিলাম।