ইউজার লগইন
ব্লগ
ডাইরী ৫৮
এক.
মার্চ মাসেই এবার সূর্য্য তাপ বেড়ে, পোড়াবে পীচের আস্তরণ আমি জানতাম। মার্চ মাসে আমি তপ্ত শরীরে শয্যার সন্নিকটে কাটাবো চব্বিশ ঘন্টা, জানা ছিলো। এবারের মার্চে অস্থির হবার সম্ভাবনা রাখি জেনেই যেনো বা, পুড়ে যায় আমার হৃৎপিন্ড, জঠর, প্লীহা...ভুল করে আমার কপাল ছুঁয়ে ফেলায় পুড়েছে মায়ের আঙুল।
ছবি ব্লগ
নিতান্তই জৈবিক আলাপ
আমার তো আসার কোনও তাগিদ ছিলো না । ছিলো না -
চলে যাওয়ার মত নিকট ভোরের সাথে আত্মীয়তা ।
আমি স্থবিরতা ভালোবাসতাম ।
গতিশূন্য চোখ চেয়ে আনুভূমিক তরলতায়
জীবনকে বিছিয়ে রেখেছিলাম ; এক - আধদিন সেই
সিলিং থেকে নেমে চড়ুইটা মুখ দেবে বলে ।
পাখির ঠোঁটে যদিও মানুষের জন্য যৌনানুভূতি থাকে না ; কিন্তু -
আমার জানা ছিলো পুনঃপুনঃ ঠোকরের ভেতরের নেশা । নেশা থাকে ।
আমার ভালো লাগার কিছু অজনপ্রিয় চলচ্চিত্র
পথ ও প্রাসাদ - (উৎপল দত্ত, সন্ধা রায়)
রোমান্টিক কায়-কারবার, রোমান্টিকতা ও লর্ড বায়রন
ক্লাস সেভেনে থাকতে ''রোমান্টিক'' শব্দের সাথে পয়লা পরিচয়; কোন একটা টিভি ম্যাগাজিনে বিপাশার সাক্ষাতকার ছাপাইছিল; ঐখানে বিপাশা কইলেন উনার স্বপ্নের পুরুষরে টল-ডার্ক-এন-হ্যানসাম, এবং রোমান্টিক হইতে হইব। পরে দেখি শমী, রোমানা এরাও রোমান্টিক পুরুষের খুজে জেরবার। আব্বার লাইব্রেরী থিকা পাকিস্তান আমলের পত্রিকা বাইর কইরা দেখলাম মায় ববিতাও এককালে রোমান্টিক পুরুষদের গুণগান করছেন।
রাঙ্গামাটির রঙে চোখ জুড়ানো? (চার)
পেডা টিং টিং মানে পেট ভরা ভরা...তিন পাহাড়ি রাজনৈতিক নেতা যারা দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলি প্রতিনিধিত্ব করেন, তারা পয়সা খাটাইছেন পর্যটন ব্যবসায়...পাহাড়ের আমেজটারে হয়তো তারা বুঝেন, তাই তাগো স্থাপনায় পাহাড়ের প্রাকৃতিক আমেজ পুরা পাওন যায়। কিন্তু লোভনীয় খাদ্য তালিকার মূল্য দেখলেই খাওনের শখ উইবা যায়...তাওতো একবেলা ওয়াইল্ডারনেস'এর মধ্যে খাওয়া। কিন্তু অর্ডার করনের পর ঘন্টা দেড়েক লাগবো শুইনা আমরা পিছুটান দিলা
মেজবাহ ভাইয়ের রাজপুত্র
আজকে সন্ধ্যায় ল্যাবএইড গেছিলাম । আমি , রায়হান ভাই, টুটুল চাচা, বাফড়া আর জয়িতা। সবাই মিলে একযোগে লিফটে ওঠার সময় একটু ছোট সমস্যা হলো, আমার হাতে কতগুলো ফুল ছিলো সেটা দেখে সিকিউরিটি বললো ফুল উপরে নেয়া যাবে না, এখানে রেখে যান। আমি তখন ফ্রন্ট ডেস্কের সামনে এগিয়ে গেলাম, ডেস্কে এক টাই পড়া ভদ্রলোক বসে আছেন কিন্তু আমি কৌশলে উনাকে এড়িয়ে গেলাম কারন ভদ্রলোকের পাশেই এক ব্যাপক সুন্দরী কন্যা গলায় ল্যাব এইডের আইডি
৩টি কবিতা
সে কোথাও নাই
সে চলে যায়; জ্যোছনায় ভেসে সে যায় হারিয়ে যায়
চিত্রলেখা ভোরে সে কোথাও থাকে না,
দৃশ্যগল্প একা আমি একেলাই রচি...
এই ফাল্গুনের দিনে,
আলো-ছায়ায়-; কান্না ভেজা শূন্যতায়-
আমি নিছক পেয়েছি আমাকে!
সে ছায়া হয়ে গেছে চাঁদের বনে
তার হয়ে নিঃসঙ্গতা জাগিয়ে যায় আমার ঘুমন্ত বোধ কে...
লাবিবের জন্য একটা আনন্দের সকাল
আজ সকালে এক লাফে ঘুম থেকে উঠেই আমার ছোট ছেলে লাবিব একগাল মিষ্টি হেসে, আনন্দে ঝলমল করতে করতে সগর্বে জানালো : আব্বু, আমি আজ শিস করি নাই
কথাটা শুনে খুব আনন্দিত হলাম, আবার ওর জন্য খুব মায়াও হলো
আকাশ খুলে বসে আছি তাও কেনো দেখছোনা?

একটু যদি তাকাও তুমি মেঘ গুলো হয় সোনা
আকাশ খুলে বসে আছি তাও কেনো দেখছোনা?
একই আকাশ মাথার ওপর এক কেনো ভাবছোনা?
আকাশ খুলে বসে আছি তাও কেনো দেখছোনা?
আকাশ খুলে বসে আছি তাও কেনো দেখছোনা?
আসবে বলে ঐ যে দেখো মেঘেরা দাঁড়িয়ে
বেবাকতে দোয়া করবেন...
ভয়ানক পেরেশানীতে অাছি... অদ্য বিকাল ৩.৩০ মিনিটে ছেলের মায়ের পেট কাটাকাটি করা হবে... বেবাকতে দোয়া করবেন...
একটা ভদ্রলোকের গল্প বলি (উৎস্বর্গ-নজরুল ইসলাম পলান)
(আমি তখন এবিতে নতুন আসছি। নজরুল তখন মজার মজার কিছু পোস্ট দিতো। সেই পোস্ট পইড়া আমরা মুগ্ধ হইতাম। আর নুপুর তো প্রেমেই পইড়া গেলো। সেই যুগে এই গল্পটা নজরুল একটা পোস্টে দিছিলো। আমাদের অফিসে সুমনা শারমীন বা সুমী আপার সামনে কোনো বাজে কথা বলা যায় না, তার সামনে বড়দের গল্পও বলা যায় না। একদিন সুমী আপারে এই গল্প শুনাইলাম। তারপর থেকে এই গল্প আমার অফিসে ব্যাপক হিট। রস-আলোর সম্পাদক সিমু নাসের ধরলো তারে এইট
আবজাব-২
আমার আব্বা ....
হাসের বাচ্চার সাঁতার শেখা (যথারীতি পূর্ব প্রকাশিত)
১৯৯৭ তে চাকুরি তে ঢুকি। ১৯৯৯ কি ২০০০ সালেই ইন্টারনেটের সাথে প্রথম পরিচিত হই। তখন অফিসে হাতে গোনা কয়েকজনের কম্পিউটার এ ইন্টারনেট সংযোগ দেয়া হয়েছিল, আমি তার মধ্যে একজন। অফিসে, বন্ধু মহলে ভাব বেড়ে গেল কয়েক গুন। কয়েক দিনের মধ্যেই আবিষ্কার করলাম ইন্টারনেটের বিশাল উপকারী জিনিস - চ্যাটিং। আমাদের সার্ভারের জন্য প্রথম কয়েকদিন mirc এর বাংলাদেশ রুমে যেতে পারিনি। প্রথম প্রথম তখন একটা ওয়েব (www.bangla2000.com)
হযবরল
কত কি যে লিখতে ইচ্ছে করে!!গুছাতে পারি না।ব্লগে পোষ্ট পড়ে ভাবি এত সুন্দর লিখে কিভাবে মানুষ? আমি ত পারি না! আমার ধৈর্য নেই কিছু যে ভাবব, লিখব। হুট করে গ্রামে গেলাম সেদিন, মনে পড়লো নুশেরাপু বলেছিলো ফিরে এসে লিখতে, ছবি দিতে। কিন্তু অনুভব করলাম যে শৈশব নিয়ে লিখব...
